০৬:৫৬ পি.এম
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম মন্তব্য করেছেন, বিগত ১৭ বছরের অপকর্ম, দুর্নীতি, দুঃশাসন, গণহত্যা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, যারা গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন, তাদের উচিত ছিল দেশে থেকেই আইনের মুখোমুখি হওয়া।
রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলা প্রান্তে কুণ্ডেরবাজার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এবং দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আয়োজিত এক সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরের বিভিন্ন অপরাধ ও অপকর্মের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এখন বিচারের সম্মুখীন হচ্ছেন। ইতিমধ্যে অনেক মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে এবং কিছু অভিযোগ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। যারা আন্দোলনের মুখে পালিয়ে গেছেন এবং বর্তমানে পলাতক বা ‘ওয়ান্টেড’ আসামি হিসেবে চিহ্নিত, তাদের দেশে ফিরে আসা উচিত।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবসের বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত
তিনি বলেন, দেশে আসতে তাদের কেউ নিষেধ করেনি। তাদের উচিত ছিল দেশে থেকেই এই বিচার মোকাবিলা করা। দেশে ফিরলে আদালতের রায় কার্যকর করবে সরকার ও বিচার বিভাগ—এটাই স্বাভাবিক নিয়ম।
টঙ্গীবাড়ি উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন টঙ্গীবাড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলী আসগর রিপন মল্লিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আবদুল্লাহ, মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো।
স্থানীয় লোকজনের মতে, কুণ্ডেরবাজার সেতুটি নির্মিত হলে সিরাজদিখান ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ লাঘব হবে এবং দুই উপজেলার মধ্যে সড়ক যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটবে।
আরও পড়ুন: বিচারকের বিরুদ্ধে প্রেস ব্রিফ: ব্যারিস্টার সারোয়ারকে ২৬ নভেম্বর হাইকোর্টে তলব
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন