বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪৯ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩, ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮।
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ উল্লেখ করা হলো—
জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ১ মিনিটে।
আসরের নামাজের সময় শুরু হবে ৪টা ২৭ মিনিটে।
মাগরিবের নামাজ শুরু হবে ৬টা ১৮ মিনিটে।
এশার নামাজের সময় শুরু হবে ৭টা ৩৩ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ২৭ মিনিটে
আজ ঢাকায় সূর্যাস্তের সময় ৬টা ১৯ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয়ের সময় ৫টা ৩৯ মিনিটে হবে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুর ভাঙ্গা থানার এ. এস আলিম মাদ্রাসায় ০৩ ই সেপ্টেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার ২০২৬ ইং বেলা ১০ ঘটিকায় অত্র মাদ্রাসার ভিতরেই অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হযরত মাওলানা ইব্রাহিম মিয়া
আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বনামধন্য শিক্ষক
জনাব আব্দুল হালিম সাহেব আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষকবৃন্দ ও অভিভাবকবৃন্দ।
শিক্ষকবৃন্দরা কমল মতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সামনে রেখেই কিভাবে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বছর শেষে পরীক্ষায় ভালোভাবে ফলাফল অর্জন করা যায়
ও সামনের জীবনগুলোকে কিভাবে সঠিকভাবে চালানো যায়
এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।
বিশেষ করে অভিভাবকের উদ্দেশ্য করে বলেন আপনি আপনার সন্তানের প্রতি আরো বেশি নজর দারি করুন তারা কখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসে এবং কখন প্রতিষ্ঠান থেকে যায় এই ব্যাপারে খেয়াল রাখুন।
কখনো এমনও হয় যে আপনার সন্তান বাড়ি থেকে মাদ্রাসায় কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় কিন্তু মাদ্রাসায় আসে না
তারা অন্য কোথাও ঘুরে বাড়িতে গিয়ে বলে আমরা মাদ্রাসা থেকে আসলাম অথচ তারা মাদ্রাসা আসে না বছর শেষে তারা ফলাফল খারাপ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের উপরে এই দায়ভার চাপিয়ে দেন আপনারা
অথচ এখানে কোন প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষকদের গাফিলতি আছে বলে মনে হয়না।
সর্বশেষ শিক্ষকবৃন্দরা বলেছেন এখন থেকে যদি আমরা শিক্ষক বৃন্দ ও শিক্ষার্থী অভিভাবকরা মিলেমিশে মেহনত করতে থাকি
তাহলে বছর শেষে সুন্দর একটি ফলাফল আশা করা যাবে
এ কথার মধ্য দিয়েই অনুষ্ঠানের কার্যক্রম সমাপ্তি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালে আকস্মিক বন্যার কারণে দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ২৬ আগস্টের ওই বন্যায় নেপালের বিভিন্ন অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হলো, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি করা দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে নেপালের সংবাদমাধ্যম কাঠমাণ্ডু পোস্ট। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্ষা মৌসুমে নদীর পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে নেপালের জলবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদনও বৃদ্ধি পায়। এই সময়, দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রপ্তানি করে নেপাল।
বাংলাদেশ সম্প্রতি ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি শুরু করেছিল। তবে বন্যার কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বর্তমানে সেই সরবরাহ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে।
ভোটেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যার ফলে বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে নেপাল থেকে বিদ্যুৎ রপ্তানির পরিমাণও কমে গেছে।
শুষ্ক মৌসুমে, নেপাল গড়ে প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করে, কিন্তু বর্তমানে তা ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে। কাঠমাণ্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শীতকালে নেপালে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। অতীতে এই সময় বিদ্যুৎ আমদানি করতে হতো। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায়, নেপাল এখন আঞ্চলিক বিদ্যুৎ রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হচ্ছে।
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন পাওয়া নেপালের দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র হলো ২২ দশমিক ১ মেগাওয়াটের চিলমি হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্প এবং ২৪ মেগাওয়াটের ত্রিশূলি হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্প।
বন্যায় এই কেন্দ্র দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়, গত সপ্তাহ থেকে সেগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। কেন্দ্র দুটি ভারতের গ্রিড ব্যবহার করে মার্কিন ডলারে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছিল।
নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ কাঠমাণ্ডু পোস্টকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী দুটি কেন্দ্রই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই কারণে বিকল্প কোনো প্রকল্প থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠানোর সুযোগ দিতে ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে।
বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২২৫ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে নেপালে এক হাজার ২০৪ জন এবং তিব্বতে ২১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছে ৪ হাজার ৭৫৭ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তিনি আবার একটি শীর্ষ বৈঠকে বসার জন্য প্রস্তুত আছেন। তবে এর জন্য রাশিয়াকে ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধের সমাপ্তিতে একটি শান্তিচুক্তির দিকে অগ্রসর হতে হবে।
স্থানীয় সময় বুধবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন পুতিনও আরেকটি বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী হবেন। তবে তিনি বৈঠকটি সঠিক সময়ে আয়োজন করতে চান।
ট্রাম্প বলেন,‘তিনি রাজি হবেন। আমিও চাই।
তবে আমি তখনই বৈঠকটি করতে চাই, যখন আমরা একটি শান্তিচুক্তির জন্য প্রস্তুত থাকব।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সুসম্পর্ক থাকা উচিত। তার মতে, দুই দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্যও লাভজনক হবে। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, পুতিনের সঙ্গে বৈঠক দ্রুত আয়োজন করা সম্ভব হলেও তিনি যুদ্ধ শেষের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চান।
তিনি বলেন, ‘আমি এটা তখনই করতে চাই, যখন ওই যুদ্ধ শেষ হবে। আর আমি মনে করি, আমরা তা করতে পারব।’ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে তার পূর্বের অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই যুদ্ধ কখনোই হওয়া উচিত ছিল না।
ট্রাম্পের দাবি, ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি পুনর্নির্বাচিত হলে এই যুদ্ধ শুরু হতো না।
তিনি বলেন, ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত তার প্রথম মেয়াদে তিনি পুতিনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। ওই সময় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার কোনো সম্ভাবনা ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্প জানান, তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে, তার ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি যুদ্ধের দিকে যেতে পারে। তিনি এটিকে পাগলামি বলেও মন্তব্য করেন। পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে তীব্র বিরোধ রয়েছে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, তিনি মনে করেন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে, যখন একটি সমাধানের জন্য সময় উপযুক্ত হবে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান নিয়ে আলোচনা করার জন্য ট্রাম্প ও পুতিনের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ২০২৫ সালের আগস্টে আলাস্কায়। ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর এটি ছিল দুই দেশের নেতার প্রথম সরাসরি বৈঠক। তবে ওই বৈঠক কোনো লিখিত চুক্তি বা যুদ্ধবিরতি ছাড়াই শেষ হয়। যদিও উভয় পক্ষই বৈঠকে কিছু অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছিল।
ট্রাম্পের দাবি, দুই দেশ অনেক বিষয়ে একমত হয়েছিল। অন্যদিকে পুতিন বলেছিলেন, প্রধান নিরাপত্তা উদ্বেগগুলো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে। এখন ট্রাম্পের বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, ভবিষ্যতে পুতিনের সঙ্গে আরেকটি শীর্ষ বৈঠক হলে তিনি সেটিকে শুধুমাত্র আলোচনা বা সৌজন্য বৈঠক হিসেবে দেখতে চান না। বরং যুদ্ধের অবসানে একটি শান্তিচুক্তির বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হলে তিনি এমন বৈঠকে বসতে আগ্রহী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ