ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

‘মজুরি বাড়ানোর বদলে শ্রমিকদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে’


‘মজুরি বাড়ানোর বদলে শ্রমিকদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে’

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক তৈয়ব ইসলাম মন্তব্য করেছেন, পোশাকশ্রমিকদের ওপর হামলা করা হচ্ছে, যারা ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার জন্য আন্দোলন করছে।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনীতির ভিত্তি যাদের শ্রম, তারাই সবচেয়ে বেশি নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন।

মিরপুরে শ্রমিকদের আন্দোলনে পুলিশি হামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি এলাকায় আয়োজিত মশাল মিছিল ও সমাবেশে তিনি এই কথা বলেন। গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের উদ্যোগে কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন: সাদেক হোসেন খোকার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, স্মরণে নানা আয়োজন

তৈয়ব ইসলাম আরও বলেন, পোশাকশিল্প থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হলেও শ্রমিকরা তার ন্যায্য অংশ থেকে বঞ্চিত। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি করা হলেও শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। বরং ন্যায্য দাবিতে রাস্তায় নামলে শ্রমিকদের ওপর পুলিশি হামলা চালানো হচ্ছে।

সমাবেশে বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের সহ-সভাপতি নাইম উদ্দিন মন্তব্য করেন, বর্তমান বাজারদর ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের তুলনায় ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা মজুরিতে শ্রমিকদের জীবনযাপন করা অসম্ভব। মিরপুরে শ্রমিকদের ওপর হামলা ও আটকের ঘটনা তারই প্রমাণ। তিনি শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবি মেনে নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

নাইম উদ্দিন আরও বলেন, ছাত্রসমাজকে শ্রমিকদের আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে হবে। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবিকে বৈষম্য ও শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার বৃহত্তর আন্দোলনে রূপান্তরিত করতে হবে।

আরও পড়ুন: সচিবালয়ে আইডি কার্ড দৃশ্যমান রাখা বাধ্যতামূলক করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমি কর্মকর্তা মো. শরীয়ত উল্লাহ ঘুষের ১০ হাজার টাকা ফেরত দিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


ভূমি কর্মকর্তা মো. শরীয়ত উল্লাহ ঘুষের ১০ হাজার টাকা ফেরত দিলেন

উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. শরীয়ত উল্লাহ জমি নামজারি করার জন্য ঘুষ গ্রহণ করে ১০ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন। স্থানীয়দের সামনে তিনি এই টাকা ফেরত দেন।

এটি ঘটেছে রোববার ভূমি অফিসের কার্যালয়ে। অভিযুক্ত কর্মকর্তা নিজের ভুল স্বীকার করে শেষবারের মতো সুযোগ চেয়েছেন।

ভুক্তভোগী এমডি আওলাদ হোসেন জানান, ‘তিনি নামজারির জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু চার মাস অতিবাহিত হলেও নামজারি সম্পন্ন হয়নি। তহসিলদার শরীয়ত উল্লাহ এক সপ্তাহের মধ্যে নামজারি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার কাছ থেকে ১০ হাজার ৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হলেও সেই টাকা ফেরত দেন ওই কর্মকর্তা।’

অভিযুক্ত শরীয়ত উল্লাহ বিষয়টি স্বীকার করে শেষবারের মতো তাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সালাহউদ্দিন আইয়ুবী বলেন, ‘ভিডিও দেখে আমার কাছে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে, তিনি ঘুষ নিয়েছেন এবং পরে তা ফেরত দিয়েছেন। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করব। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এর আগে শরীয়ত উল্লাহর বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই ঘটনার পর তাকে বদলি করা হয়েছিল। তবে নতুন কর্মস্থলেও একই ধরনের অভিযোগ উঠায় ভূমি অফিসের সেবার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ স্বাভাবিক না হলে ভিন্ন পথে হাঁটার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


হরমুজ স্বাভাবিক না হলে ভিন্ন পথে হাঁটার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তা ডোনাল্ড ব্লোম মন্তব্য করেছেন যে, ইরানকে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে ‘জিম্মি’ করতে দেওয়া হবে না। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতি হাত বাড়িয়েছে। তবে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল স্বাভাবিক না হলে ভিন্ন পদক্ষেপ নিতে ওয়াশিংটন প্রস্তুত রয়েছে।

নিকটপ্রাচ্যবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লোম রবিবার বাহরাইনে অনুষ্ঠিত নিরাপত্তাবিষয়ক সম্মেলন ‘মানামা ডায়ালগে’ বক্তব্য দেওয়ার সময় এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আলোচনার হাত বাড়ানো হয়েছে এবং সেই যোগাযোগের পথগুলো এখনো খোলা ও সক্রিয় রয়েছে।’

এছাড়া, ব্লোম একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অন্য পথেও এগোনোর প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘ইরানকে এই অঞ্চল ও বৈশ্বিক অর্থনীতিকে জিম্মি করতে দেওয়া যায় না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লন্ডনের মেয়র সাদিক খান তুরস্ক সফরে গিয়ে আয়া সোফিয়ায় নামাজ পড়তে চান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ পি.এম


লন্ডনের মেয়র সাদিক খান তুরস্ক সফরে গিয়ে আয়া সোফিয়ায় নামাজ পড়তে চান

লন্ডনের মেয়র সাদিক খান তুরস্ক সফরের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানিয়েছেন। এই সফরের অংশ হিসেবে তিনি আন্তালিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১-এ অংশগ্রহণ করবেন এবং ইস্তাম্বুলে বিনিয়োগ সংক্রান্ত আলোচনাতেও অংশ নেবেন।

সাদিক খান লন্ডনে তুরস্কের একটি রেস্তোরাঁয় প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি কমিউনিটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় সফরের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন।

তিনি সফর নিয়ে নিজের আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত গ্র্যান্ড বাজার পরিদর্শনের অপেক্ষায় আছেন। এছাড়া, শহরের ঐতিহাসিক স্থাপনা আয়া সোফিয়ায় নামাজ আদায়ের আগ্রহও প্রকাশ করেন তিনি।

সাদিক খান কপ-৩১ জলবায়ু সম্মেলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি তুরস্কের ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলো ঘুরে দেখার সুযোগ নিতে চান।

সূত্র: ইয়েনি শাফাক

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের মাটিতে বাংলার ঘ্রাণ, সানইউয়ানলিতে বাংলাদেশিদের মিলনমেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


চীনের মাটিতে বাংলার ঘ্রাণ, সানইউয়ানলিতে বাংলাদেশিদের মিলনমেলা

চীনের ব্যস্ত নগরী গুয়াংজু। চারপাশে চীনা ভাষার গুঞ্জন, বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের উপস্থিতি। কিন্তু শহরের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় প্রবেশ করলে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ বদলে যায়। সেখানে কানে ভেসে আসে প্রাণের ভাষা বাংলা। রাস্তার ধারে বাংলায় লেখা সাইনবোর্ড, রেস্টুরেন্টে দেশের খাবারের সুগন্ধ এবং টেবিলে বসে বাঙালিদের প্রাণখোলা আড্ডা। মনে হবে, চীনে নয়, যেন বাংলাদেশের কোনো পরিচিত জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছেন।

এটি চীনের গুয়াংডং প্রদেশের গুয়াংজু শহরের সানইউয়ানলি এলাকা। বাংলাদেশিদের কাছে এটি পরিচিত ‘সানআলী’ নামে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এই এলাকা যেন চীনের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ।

সানইউয়ানলির রাস্তায় হাঁটলেই চোখে পড়ে একের পর এক বাংলাদেশি খাবারের দোকান। হ্যালো বাংলাদেশ, স্টার কাবাব, রাঁধুনী, রিজিকিসহ বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে পাওয়া যায় দেশীয় খাবার। পাশাপাশি রয়েছে পোশাক, জুতা, ব্যাগ, প্রসাধনী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান। এসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে আছেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা।

বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা ক্যান্টন ফেয়ারে অংশ নিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের পদচারণায় এলাকাটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। কেউ রেস্টুরেন্টে বসে খাবার খাচ্ছেন, কেউ পরিচিতজনদের সঙ্গে গল্প করছেন, আবার কেউ পণ্যের দরদাম কিংবা ব্যবসায়িক যোগাযোগ নিয়ে ব্যস্ত। অচেনা দেশে পরিচিত মুখের দেখা পাওয়া, মাতৃভাষায় কথা বলা এবং দেশীয় খাবারের স্বাদ নেওয়ার সুযোগ—সব মিলিয়ে সানইউয়ানলি হয়ে উঠেছে বাংলাদেশিদের এক অনানুষ্ঠানিক মিলনকেন্দ্র।

এলাকাটি ঘুরে দেখা গেছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ীরা এখানে ব্যাগ, জুতা, পোশাক, প্রসাধনীসহ নানা ধরনের পণ্য দেখছেন। কেউ সরাসরি চীনা সরবরাহকারীদের সঙ্গে দরদাম করছেন, কেউ আবার পণ্য কেনার পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তুলছেন। পাইকারি পণ্যের বাজার হিসেবে সানইউয়ানলির পরিচিতি থাকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের কাছে এর গুরুত্বও বাড়ছে। কেনাকাটার পাশাপাশি এখানে প্রবাসীদের মধ্যে পরিচিতি, অভিজ্ঞতা ও ব্যবসায়িক তথ্য বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

দেশীয় খাবারে ঘুচে প্রবাসের দূরত্ব

সানইউয়ানলির পরিচিত বাংলাদেশি খাবারের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম হ্যালো বাংলাদেশ রেস্টুরেন্ট। বাংলাদেশি নাগরিক রাজা এবং চীনা নাগরিক মাসুদের পরিচালনায় রেস্টুরেন্টটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। গুয়াংজুতে আসা অনেক বাংলাদেশিই দুপুর কিংবা রাতের খাবারের জন্য এখানে ছুটে আসেন।

রেস্টুরেন্টটির মালিক রাজা বলেন, "বিদেশে দীর্ঘদিন থাকলে স্বাভাবিকভাবেই নিজের দেশের খাবারের প্রতি আলাদা আকর্ষণ তৈরি হয়। বিশেষ করে ব্যবসায়িক কাজে চীনে আসা বাংলাদেশিরা দেশীয় খাবারের পাশাপাশি বাংলায় কথা বলা, পরিচিত পরিবেশে কিছুটা সময় কাটানো এবং প্রয়োজনীয় তথ্য বিনিময়ের সুযোগ খোঁজেন। হ্যালো বাংলাদেশে এসে তাঁরা সেই সুযোগ পান।"

তিনি আরও বলেন, "বিদেশে বাংলাদেশি খাবারের চাহিদা রয়েছে। তবে এ ধরনের ব্যবসা পরিচালনায় নানা চ্যালেঞ্জও আছে। দোকানভাড়া, কর্মীদের বেতনসহ অন্যান্য পরিচালন ব্যয় নিয়মিত মেটাতে হয়। তারপরও বাংলাদেশিদের কাছে দেশীয় খাবার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।"

ক্যান্টন ফেয়ারে অংশ নিতে মালয়েশিয়া থেকে চীনে এসেছেন বাংলাদেশের চট্টগ্রামের বাসিন্দা মো. মনিরুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন তিনি। চীনে এসে স্থানীয় খাবারের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পেরে দেশীয় খাবারের খোঁজে সন্ধ্যায় চলে আসেন হ্যালো বাংলাদেশ রেস্টুরেন্টে।

মনিরুল ইসলাম বলেন, "চীনে আসার পর থেকে এখানকার খাবার খুব একটা খেতে পারছি না। তাই দেশীয় খাবারের খোঁজে এখানে এসেছি। রেস্টুরেন্টে এসে মনে হচ্ছে নিজের শহরে, নিজের দেশেই আছি। পরিচিত অনেক মানুষের সঙ্গে দেখা হয়েছে। সত্যিই চীনের বুকে একখণ্ড বাংলাদেশ।"

মালয়েশিয়ায় নয় বছর ধরে বসবাসের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, "মালয়েশিয়ার বাংলাদেশি রেস্টুরেন্টগুলোর তুলনায় এখানকার রেস্টুরেন্টে খাবারের মান আমার কাছে ভালো মনে হয়েছে।"

তার সঙ্গে একমত পোষণ করেন মালয়েশিয়াপ্রবাসী সিলেটের এনাম আহমদ ইমাম। তিনিও ক্যান্টন ফেয়ারে অংশ নিতে চীনে এসেছেন। সানইউয়ানলিতে বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট ও খাবারের পরিবেশের প্রশংসা করেন তিনি।

সানইউয়ানলির একটি হোটেলে কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাংলাদেশি প্রবাসী বলেন, "গুয়াংজুতে বসবাসরত হাজার হাজার বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবীর যাতায়াতের অন্যতম কেন্দ্র এই এলাকা। এখানে বাংলাদেশি ও হালাল খাবারের রেস্টুরেন্ট থাকায় বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ ছুটে আসেন।"

তিনি বলেন, "ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির দেশে বসবাস করতে গিয়ে মানুষ নিজের দেশ, ভাষা ও সংস্কৃতিকে খুব বেশি অনুভব করেন। এখানে এসে বাংলায় কথা বলা যায়, পরিচিত মানুষের সঙ্গে দেখা হয়, দেশীয় খাবার পাওয়া যায়। কয়েক ঘণ্টার জন্য হলেও মনে হয় দেশের পরিবেশে ফিরে এসেছি।"

তার মতে, শুধু খাবার কিংবা আড্ডাই নয়, সানইউয়ানলির অর্থনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে। ব্যাগ, জুতা, পোশাক, প্রসাধনীসহ বিভিন্ন পণ্যের বড় বাজার থাকায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীরা এখানে কেনাকাটা করতে আসেন। অনেকে এখান থেকে পণ্য সংগ্রহ করে নিজ দেশে পাঠান।

সব মিলিয়ে সানইউয়ানলি এখন শুধু বাংলাদেশি খাবার কিংবা পণ্যের বাজার নয়; চীনে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগ, ব্যবসায়িক সম্পর্ক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। হাজার মাইল দূরে থেকেও মাতৃভাষা, দেশীয় খাবার আর পরিচিত মানুষের সান্নিধ্যে এখানে যেন কিছুক্ষণের জন্য ফিরে পাওয়া যায় বাংলাদেশকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%