ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সদরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ছয় প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা


সদরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ছয় প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

ফরিদপুরের সদরপুর বাজার ও আশপাশের এলাকায় বুধবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরিমাপে কম জ্বালানি তেল বিক্রি, বিএসটিআইয়ের অনুমোদন না থাকা এবং ওষুধ বিক্রি ও ফার্মেসি পরিচালনায় বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে এসব জরিমানা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ফরিদপুর জেলার সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহরিয়ার আশরাফ।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ লঙ্ঘনের দায়ে সদরপুর ফিলিং স্টেশনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালত সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি লিটার জ্বালানি তেল বিক্রিতে প্রায় ১০ থেকে ১২ মিলিলিটার কম দেওয়ার বিষয়টি অভিযানে উঠে আসে। একই অভিযানে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন না থাকায় সদরপুর উপজেলার সাড়ে সাতরশি এলাকার দাস বেকারিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ ছাড়া ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় চারটি ফার্মেসিকে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে খান ফার্মেসিকে ১০ হাজার, ভোলানাথ ফার্মেসিকে ৫ হাজার, লোকনাথ ফার্মেসিকে ৮ হাজার এবং মেসার্স চৌধুরী মেডিকেল হলকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রি, যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি এবং প্রয়োজনীয় ড্রাগ লাইসেন্স না থাকার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযানে ফরিদপুর ঔষধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক নাজমুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট, খোলা আকাশের নিচে দুই পরিবার

অভিযানের সময় সদরপুর বাজারের কয়েকটি ওষুধের দোকান বন্ধ ছিল। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরও কিছু দোকান বন্ধ হয়ে যায়। তবে সদরপুর ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান হিরু (রাহাত) বলেন, ওই দিন অনেক দোকানের সাপ্তাহিক বন্ধ ছিল।

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহরিয়ার আশরাফ বলেন, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা, সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করা এবং ওষুধের গুণগত মান বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আইন লঙ্ঘনের ঘটনা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে গলাকাটা ফি নির্ধারণের বিরুদ্ধে মুসাদ্দিকের প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫০ পি.এম


ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে গলাকাটা ফি নির্ধারণের বিরুদ্ধে মুসাদ্দিকের প্রতিবাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৪তম সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য অতিরিক্ত ও অস্বাভাবিক ফি নির্ধারণের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। সাধারণ শিক্ষার্থীদের জিম্মি করার উদ্দেশ্যে গলাকাটা ফি নির্ধারণের এই অপচেষ্টা অবিলম্বে বন্ধ না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ এক বিবৃতিতে এই দাবি ও হুঁশিয়ারি জানান।

তিনি বিবৃতিতে বলেন, ‘আসন্ন ৫৪তম সমাবর্তনে অংশগ্রহণের নামে শিক্ষার্থীদের ওপর অস্বাভাবিক ও অতিরিক্ত ফি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পক্ষে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করে সমাবর্তনে অংশ নেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়।’

ডাকসু নেতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দেশের বাইরে থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, ‘উপাচার্য (ভিসি), সহ-উপাচার্য (প্রো-ভিসি) এবং কোষাধ্যক্ষ (ট্রেজারার) মহোদয় বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তবে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির কথা বিবেচনা করে আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের কাছে বার্তা পাঠিয়েছি। সমাবর্তন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমানো, শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সমাবর্তনের গাউন স্থায়ীভাবে প্রদান করা এবং সমাবর্তনের দিন মানসম্মত খাবার সরবরাহের সুনির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়েছে।’

মুসাদ্দিক আলী প্রশাসনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আবেগের এই সমাবর্তনকে পুঁজি করে কোনো ধরনের গলাকাটা বা বাণিজ্যিক ফি নির্ধারণ করা চলবে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব দাবি মেনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করা হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে আমরা কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলব।

উল্লেখ্য: ৫৪তম সমাবর্তনে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য গ্র্যাজুয়েট ও পদকপ্রাপ্তদের রেজিস্ট্রেশন ফিস নিম্নেক্তোভাবে নির্ধারণ করা হলো: ২০২৭ সনে অনুষ্ঠেয় ৫৪তম সমাবর্তনে ফিসের হার— ক. স্নাতক (পাস ও অনার্স/সম্মান/ফিজিওথেরাপি/হেলথ টেকনোলজী ও বিএসসি ইন নার্সিং সহ অন্যান্য) গ্র্যাজুয়েট ও পদকপ্রাপ্তদের রেজিস্ট্রেশন ফিস বাবদ টাঃ ৩,৫০০/- (তিন হাজার পাঁচশত) মাত্র; খ. স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স/সম্মান) রেজিস্ট্রেশন ফিস বাবদ টাঃ ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) মাত্র; গ. এমবিবিএস, বিডিএস, এমফিল, পিএইচডি, ডিবিএ, এমএস/এমডি/এমফিল (মেডিকেল), পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল সায়েন্স-সহ অন্যান্যদের রেজিস্ট্রেশন ফিস বাবদ টাঃ ৬,০০০/- (ছয় হাজার) মাত্র; এবং ঘ. স্নাতকোত্তর (ইভিনিং/এক্সিকিউটিভ) ডিগ্রিধারীদের রেজিস্ট্রেশন ফিস বাবদ টাঃ ৮,০০০/- (আট হাজার) মাত্র।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মানে জিহবাটা বের করে হাঁফাচ্ছে: মো. তারেক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫২ পি.এম


জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মানে জিহবাটা বের করে হাঁফাচ্ছে: মো. তারেক

জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমালোচনা করে আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, তার রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়ার বিষয়টি দল দুটির অনেকেই সহ্য করতে পারছেন না। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সহযোদ্ধাদের পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, আন্দোলনে অংশগ্রহণ, আটক ও রিমান্ডে থাকার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি এসব কথা বলেন।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘জামাত এনসিপি আমাকে হেয় করতে করতে এমন মানসিক অবস্থায় চলে গেছেন যে, আমার একটু রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াটা সহ্য করতে পারছে না। তারা হাঁফাচ্ছে জিহবাটা বের করে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মজা করে বলছিলেন, তারেক তুমি আবার যাবা আমার সাথে। ওরা জ্বলতে থাকুক।’

২০১৮ ও ২০২৪ সালের আন্দোলনে অংশ নেয়া অনেক সহযোদ্ধাকে আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন মো. তারেক। তিনি বলেন, রাজনীতিতে সময় দেয়া অনেককে শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহায়তায় চলতে হয়। আমিও এ ধরনের সহযোগিতা নিয়ে চলেছি কিছু দিন। কি করব, তখন না পারছিলাম কর্মে ফিরতে; না পারছিলাম আন্দোলন ছেড়ে দিতে। প্রবাসী ভাইদের দেয়া অর্থে আমি খেয়েছি, গাড়ি ভাড়া দিয়েছি, বাসা ভাড়াও দিয়েছি।

তবে ওই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে নিজে কাজ করে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করেছেন বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য, বাবা-মায়ের রাজনীতিতে অনাগ্রহের কারণে তাকে অনেক ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের মুখোমুখি হতে হয়েছে। বাধ্য হয়ে ফল ও মধুর ব্যবসাও করেছি।

নিজের খাবার ও বাসা ভাড়ার খরচ জোগাড় করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি। তারেক রহমান বলেন, এটা যদি অযোগ্যতার কারণ হয়, তাহলে আর কি করার আছে।

আন্দোলনে নিজের ভূমিকা তুলে ধরে মো. তারেক বলেন, সুযোগ কম পেলেও যখনই সুযোগ পেয়েছি, আল্লার হাতে জান সঁপে দিয়ে মুক্তির লড়াইয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। ২০১৮ সালের লিফলেট, মোদিবিরোধী আন্দোলনের লিফলেট এবং ভারতীয় পণ্য বর্জনের লিফলেট তৈরির কাজ নিজের হাতে করেছি।

পোস্টে নিজের আটক ও গুমের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন মো. তারেক। তার দাবি, ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ রমনা থানায় প্রথম আটক হন তিনি। একই বছরের ১৪ জুলাই ডিজিএফআইয়ের মাধ্যমে গুমের শিকার হন। এরপর ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর ডিবি এবং ২২ জুলাই ডিজিএফআইয়ের হাতে আটক হন।

এছাড়া ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট ১০ দিনের রিমান্ডে থাকার কথাও পোস্টে জানান। তিনি বলেন, এগুলোই কিছুটা মনে পরে, আমি এর চেয়ে বেশি কিছু করার সুযোগ পাই নাই।

পোস্টে তিনি আরও লেখেন, যারা আমাকে সহ্য করতে পারছেন না, তাদের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক বিরোধ নেই। এই বিরোধ সার্বভৌমত্বের। জুলাই-পরবর্তী সময়ে অনেকে বয়ান দিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধের কথা আর বলা যাবে না। আমি বলেছি, মুক্তিযুদ্ধই ছিল সার্বভৌমত্বের সবচেয়ে বড় লড়াই।

‘১৯৭১ সালে পরাজিত শক্তি যেকোনো মূল্যে ক্ষমতায় যেতে চায়। সব বিদেশি শক্তির সঙ্গে সমঝোতার পর তারা ভারতের কাছে গেছে। ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি ভারতের সহযোগিতা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করে। ভারতও তাদের ডাকে সাড়া দিয়েছে।’

‘এরপর ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, জামায়াতের আমির গোপনে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ধরা পড়ার পর জামায়াতের আমির তা স্বীকার করেন। এবার ভারতের ‘র’-এর সঙ্গে নতুন করে বসছেন গোলাম পরওয়ার। ধরা পড়ে তিনি আমতা আমতা করছেন। সরকারের আট মাসও হয়নি, অথচ ক্ষমতার জন্য শকুনের দল অস্থির হয়ে গেছে। বিএনপিতে কারও পদায়নে জামায়াত খুশি হলে, আল্লাহর ওয়াস্তে তার বিষয়ে বারবার খোঁজখবর নেবেন।’

আর এসব হয়রানিতে তিনি একদমই বিচলিত নন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আজ একটি দাবি জানাতে চাই-জুলাইয়ের মামলায় কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা কারাগারে থাকলে মুক্তিযুদ্ধের সম্মানে আদালত যেন তাকে জামিন দেন। পরবর্তী সময়ে জামিনে থাকা অবস্থায় তিনি দোষী প্রমাণিত হলে তাকে আবার গ্রেফতার করা হবে। জুলাইয়ের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের দূরত্ব কমানোর এটাই একমাত্র উপায়।

সবশেষে, বাংলাদেশপন্থী দল, যাদের বিদেশে কোনো শাখা নেই, জাতীয়তাবাদী দল এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সহযোদ্ধাদের পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আর আমাকে নিজের সঙ্গে রাখার জন্য ভালোবাসা জানাই আমার প্রধানমন্ত্রীকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কবিয়াল সাহিত্য পুরস্কার পেলেন গাজীউল হাসান খান, সুব্রত পাল ও জুনান নাশিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ পি.এম


কবিয়াল সাহিত্য পুরস্কার পেলেন গাজীউল হাসান খান, সুব্রত পাল ও জুনান নাশিত

ঢাকা, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : কবিয়াল সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য সাংবাদিক গাজীউল হাসান খান, যিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক। এছাড়া, পুরস্কার পেয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও কবি সুব্রত পাল এবং বাসসের উপ-প্রধান বার্তা সম্পাদক ও কবি জুনান নাশিত।

আজ শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে বাংলার লোকসংস্কৃতি, কবিগান ও দেশজ ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরার লক্ষ্যে ‘কবিতাই তাড়াবে বৈষম্য’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত ‘কবিয়াল উৎসব-২০২৬’ এ এই সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়।

কবিয়াল উৎসবের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মীর হাসমত আলী।

পুরস্কার গ্রহণের পর গাজীউল হাসান খান তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, "বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে হবে। আশা রাখি, কবিয়াল ফাউন্ডেশন সেই কাজটিই করবে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "এ দেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি তুলে ধরতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে।"

কবি জুনান নাশিত উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশ্যে বলেন, "কবিতা অনেক কিছু করতে পারে। আমাদের দীর্ঘ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে। কিন্তু সাংস্কৃতিকভাবে আমরা মার খাচ্ছি। এজন্য প্রয়োজন সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ।" তিনি যোগ করেন, "যে জাতি সাংস্কৃতিকভাবে যত বেশি উন্নত, সে জাতিকে কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না।"

কবিয়াল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন ফাউন্ডেশনের গভর্নর বাপ্পী সাহা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ লিয়াকত আলী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজীর গবেষণাগ্রন্থ ‘নজরুলের সাম্যবাদী চেতনা’ এবং মুহাম্মদ ছমিউদ্দীন চিশতীর কাব্যগ্রন্থ ‘রুহের সফর’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের শ্রম আইন বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস জার্মানির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ পি.এম


বাংলাদেশের শ্রম আইন বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস জার্মানির

ঢাকা, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : জার্মানি বাংলাদেশকে শ্রম আইন বাস্তবায়ন ও শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিতকরণের জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেছে।

আজ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জার্মান ফেডারেল ইকোনমিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রির ভাইস মিনিস্টার ড. বার্বেল কফলার এই আশ্বাস দেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজ, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সাক্ষাৎকালে শ্রমমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শ্রমিকদের জন্য শোভন কাজ, কল্যাণ এবং উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

শ্রমিকদের জন্য ন্যায্য ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ, শ্রম অধিকার, সামাজিক সংলাপ এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বলেও তিনি জানান।

মন্ত্রী আরও জানান, জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই বাংলাদেশ শ্রম আইনের সংশোধনী পাস করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সম্প্রতি আইএলও কনভেনশন ১৫৫, ১৮৭ ও ১৯০ অনুসরণ করেছে। শ্রম বিধিমালা সংশোধনের মাধ্যমে সংশোধিত আইনের কার্যকর বাস্তবায়নের উদ্যোগও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম (ইআইএস) প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, ২০২২ সালের জুন থেকে তৈরি পোশাক খাতে পরীক্ষামূলকভাবে এ স্কিম চালু রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত পঙ্গুত্ব বা মৃত্যুর ক্ষেত্রে শ্রমিক ও তাদের পরিবারকে মাসিক ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমানে স্কিমটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এবং চামড়া ও জুতা খাতে সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

স্কিমটিকে জাতীয় পর্যায়ে চালু করার জন্য উপযুক্ত অর্থায়ন পদ্ধতি নির্ধারণের কাজ চলছে। এ ক্ষেত্রে জার্মান সরকারের সহযোগিতার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ড. বার্বেল কফলার শ্রম আইন বাস্তবায়নে সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, "শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে আইনটি বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।"

তিনি আরও বলেন, "শোভন কাজ ছাড়া কোনো ব্যবসায়িক মডেল টেকসই হতে পারে না।" বর্তমানে জার্মানির ভোক্তারা পোশাক তৈরির সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও কর্মপরিবেশ সম্পর্কে সচেতন।

বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%