ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অন-ক্যাম্পাস মাস্টার্সে ভর্তির আবেদন জমার সময় বাড়ল


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অন-ক্যাম্পাস মাস্টার্সে ভর্তির আবেদন জমার সময় বাড়ল

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের অন-ক্যাম্পাস মাস্টার্স (ফাইনাল) প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন জমার সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা এখন পর্যন্ত আগামী ১৯ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্যটি প্রকাশ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত আবেদন ফরম পূরণ করে অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদনের সঙ্গে প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ এক হাজার টাকা জমা দিতে হবে। প্রার্থীরা সোনালী সেবা অথবা নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে আগামী ২৩ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে ফি পরিশোধ করতে সক্ষম হবেন।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী এসএএফএনের অনারারি সিনিয়র ফেলো নিযুক্ত

ভর্তি-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার জন্য প্রার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটের দিকে নজর রাখতে পারেন।

সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী, অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের শেষ সময় ১৯ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে। সোনালী সেবার মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখও ২৩ জুলাই। আবেদন ফি জমা দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় পে-স্লিপে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের সংশ্লিষ্ট খাতের সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ০২১৮১১০০০০২৭০১ উল্লেখ করে টাকার পরিমাণ লেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ভর্তির লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার তারিখ এবং কেন্দ্র পরে বিস্তারিতভাবে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তির অন্যান্য সমস্ত শর্ত পূর্বের মতো অপরিবর্তিত থাকবে।

আরও পড়ুন: অপ্রতিম হত্যা মামলায় দুই কিশোরসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার আগামী ১৬ ডিসেম্বর থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন করতে চায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


সরকার আগামী ১৬ ডিসেম্বর থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন করতে চায়

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল আলোচিত থার্ড টার্মিনাল (তৃতীয় টার্মিনাল) আগামী ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন করার জন্য সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) এই তথ্য প্রদান করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

এর আগে দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে, ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে থার্ড টার্মিনালের কাজের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বৈঠক শেষে, বিমান প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘জাপানি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনায় আমাদের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের বিষয়টি অন্যতম প্রধান ইস্যু ছিল। আমরা আগামী ১৬ ডিসেম্বর এটি উদ্বোধন করতে চাই। সম্প্রতি জাপানের বিমান অবকাঠামো বিষয়ক মন্ত্রীও ঢাকা সফর করেছেন এবং সুমিতোমো করপোরেশনের সঙ্গে আলোচনা শেষে ওই তারিখে উদ্বোধনের বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্পের অন্যতম প্রধান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জাপানের সুমিতোমো করপোরেশন ও নিপ্পন কোয়ে যাতে দ্রুত কাজ শেষ করে, সে জন্য রাষ্ট্রদূতের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচিও পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন যে জাপানি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো যথাসময়ে কাজ সম্পন্ন করবে।

প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘রিকুয়েস্ট ফর প্রপোজাল’ (আরএফপি) প্রক্রিয়া এরইমধ্যে শুরু করা হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য প্রয়োজনীয় দাফতরিক নথি আগামী ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে টোকিওতে জমা দেয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিশ্চিত করলে নিপ্পন কোইয়ের মাধ্যমে ওআরটিএ (অপারেশনাল রেডিনেস অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার) প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৭ সালে একনেকে অনুমোদন পায়। শুরুতে এর ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। পরবর্তী সময়ে আরও ৭ হাজার ৭৮৮ কোটি টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রকল্পের বর্তমান মোট আকার দাঁড়িয়েছে প্রায় ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা। এই ব্যয়ের সিংহভাগ অর্থায়ন করছে জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে শুরু হওয়া এই মেগা প্রকল্পের মোট আয়তন ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার, যা বিমানবন্দরের বর্তমান দুটি টার্মিনালের সম্মিলিত আয়তনের চেয়েও দ্বিগুণের বেশি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বর্ষা আসলেই ভয়, কখন বসতভিটা ভেঙে নেয় নদী’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫১ পি.এম


‘বর্ষা আসলেই ভয়, কখন বসতভিটা ভেঙে নেয় নদী’

বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই তেঁতুলিয়া নদীতে ভাঙনের তীব্রতা দেখা দিয়েছে। এ কারণে পটুয়াখালীর গলাচিপার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের নিজহাওলা গ্রামের বাসিন্দা বারেক রাঢ়ীর মধ্যে বসতভিটা হারানোর ভয় ক্রমাগত ছায়া ফেলছে। শনিবার সকালে তার বাড়ির পাশে নদীর পাড়ে ঘটে যাওয়া ওই ঘটনাটি নজর কাড়ে। ছবি : কালের কণ্ঠ। প্রতিবারই নদী ভাঙনের সম্মুখীন হচ্ছে এলাকাবাসী। তারা বলেন, ‘প্রতিবছরই বেড়িবাঁধের কাজ হয়, কিন্তু বর্ষা আসলেই ভাঙে, বাড়িঘরও ভেঙে যায়। মৌসুম জুড়ে মনের ভেতর এক আতঙ্ক বিরাজ করে, কখন বসতভিটা নদীতে হারিয়ে যাবে। সাথে চলে যাবে বাপ-দাদার কবরও।’ বারেক রাঢ়ী বলেন, ‘দশ বছরে চারবার বাড়ি করেছি। বর্তমানে যে বাড়িতে আছি, সেটাও হয়তো থাকবে না। সব বিষয় আমার জন্য সহ্য হয়ে গেছে। তবে মারা যাওয়ার আগে আর নতুন বাড়ি করার সামর্থ্য নেই। প্রাণশক্তি এবং অর্থ কোনোটাই নেই।’ শুধু বারেক রাঢ়ী নয়, বরং তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনে ভীতিতে দিন কাটাচ্ছে ৫০০ পরিবারের মানুষ। নদীর করাল গ্রাসের সৃষ্টি করেছে বহু বাড়িঘর ও কবরস্থানও ভেঙে যাচ্ছে, ফলে জীবনের শেষ সময়ে এসে হতাশায় রয়েছে বারেকের মতো অনেকেই। বেড়িবাঁধ ভাঙনের আতঙ্ক চলছে রতনদী তালতলী ইউনিয়নের নিজহাওলা, বন্যাতলী স্লুইসের দুই পাশের এবং গ্রামর্দনের চার গ্রামে। এই পরিস্থিতিতে ঢেউয়ের তীব্রতায় ওই এলাকার বেড়িবাঁধের পাড় ভেঙে যাচ্ছে। বন্যাতলী লঞ্চঘাটের উত্তর পাশে অন্তত ৫০০ মিটার বেড়িবাঁধ ধসে পড়েছে। রতনদী তালতলী ইউনিয়নের বন্যাতলী লঞ্চঘাটের উত্তর পাশে বসবাসকারী শাহজাহান হাওলাদার জানান, ‘নদীভাঙনে আমরা সব হারিয়েছি। চারবার বাড়ি করেও সবকিছু হারিয়েছি। এখন কোনোরকমে জীবনযাপন করছি। বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরও প্রায় সাড়ে আট একর জমি নদীতে চলে গেছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘এখন আর এসব বেড়িবাঁধ দিয়ে কিছুই হবে না; আমাদের টেকসই বাঁধের প্রয়োজন। ব্লক দিয়ে বাঁধ দেওয়ার উদ্যোগ নেবেন। বারবার ভাঙা এবং নতুন করে গড়ার খেলায় আমি বর্তমানে নিঃস্ব।’ একই ইউনিয়নের গ্রামর্দন এলাকার ফরিদ হাওলাদার বলেন, ‘আমার ঘরসহ সবকিছুই তেঁতুলিয়া নদী নিয়ে গেছে। কয়েক দফা ভাঙনের পর ১২ বছর পূর্বে পরিবারসহ কাটাখালী শ্বশুরবাড়িতে চলে যাই।’ তিনি বলেন, ‘আমি নিজের চোখে ২০০ থেকে আড়াই শ বাড়ি নদীতে বিলীন হতে দেখেছি। নদীর উত্তাল ঢেউয়ে বেড়িবাঁধের পাড় প্রতিদিন ভেঙে যাচ্ছে। এখন রাস্তাও ভেঙে যাচ্ছে।’ নিজহাওলা গ্রামের সত্তার রাঢ়ীর স্ত্রী লুৎফা বেগম জানান, ‘আমার বাপের বাড়ি একই ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া গ্রামে। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে আছি। এক সময় যে বাড়িতে রান্না-বান্না করতাম, সেটিও বহুদিন আগেই নদীগর্ভে চলে গেছে।’ তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী এক সময় এখানে কৃষি কাজ করতেন। এখন সবই স্মৃতি। নদীর ভাঙনে ৫০ একরের ওপর জমি নদীতে চলে গেছে। বর্তমানে আমরা নিঃস্ব।’ রতনদী তালতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা খান বলেন, ‘রতনদী তালতলী ইউনিয়নের ৮, ৯ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বন্যাতলী অংশের বেড়িবাঁধ ভাঙনের কবলে পড়েছে। বর্ষা মৌসুমে প্রতিবছর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করে। গ্রামর্দন এলাকার অবস্থা একই।’ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বলেন, ‘প্রতিবছর ভাঙনে নদীরগর্ভে বিলীন হচ্ছে বেড়িবাঁধ, সড়ক, কৃষিজমি ও ঘরবাড়ি। ভাঙন প্রতিরোধ ও ওয়াপদা মেরামত করা না হলে বন্যাতলী, নিজহাওলা, টাইট্টাবুনিয়া, ভাইয়ার হাওলা, পাতাবুনিয়া, গ্রামর্দ্দন এলাকার মানুষের অপূরণীয় ক্ষতি হবে। নদীভাঙন রোধে জরুরি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। আমি আশা করে আছি।’ গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুর হক বলেন, ‘ইতোমধ্যেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে এই ব্যাপারে আলোচনা করেছি। তারা জানিয়েছেন, রতনদী তালতলী ইউনিয়নের বন্যাতলী লঞ্চঘাটের উত্তর পাশে ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ রক্ষায় ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান। বর্ষা মৌসুমের তীব্রতার আগেই কাজ শুরু করবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোণায় দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মধ্যে অনুদান বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫২ পি.এম


নেত্রকোণায় দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মধ্যে অনুদান বিতরণ

জেলার সদর উপজেলায় আজ অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল, দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মধ্যে সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।

আজ শনিবার সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে একটি অনুষ্ঠানের মধ্যে উপকারভোগীদের মধ্যে এ অনুদানের অর্থ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি এবং নেত্রকোণা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হক।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ্ আল বাকিউল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে জেলা কৃষক দলের সভাপতি সালাহউদ্দিন খান মিল্কী, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শফিকুল কাদের সুজা, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক বজলুর রহমান পাঠান প্রমুখও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ২২ জন অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তির মধ্যে অনুদান হিসেবে মোট একলাখ ৮৩ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়।

এ সময় সদর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি জনগণের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে: বিরোধীদলীয় উপনেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৪ পি.এম


বিএনপি জনগণের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে: বিরোধীদলীয় উপনেতা

ন্যাশনাল সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, বিএনপি জনগণকে হতাশ করেছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের স্থানীয় ডলি রিসোর্টে জামায়াতের ওয়ার্ড দায়িত্বশীল সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিরোধীদলীয় উপনেতা আরো বলেন, জামায়াত নেতাকর্মীদের নিজেদের সমাজের কল্যাণে আত্মনিবেদন করতে হবে। প্রত্যেকের দায়িত্বশীল ভূমিকা, সাহসিকতা, আমানতদারি এবং ত্যাগের মানসিকতা প্রদর্শন করতে হবে। এছাড়া, তাদের আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং জনকল্যাণে নিজেদের নিবেদন করা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষা করে আপসহীন থাকতে হবে।

ডা. তাহের এসময় চৌদ্দগ্রামের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন ভবন নির্মাণসহ শিক্ষার মান উন্নয়ন, বিভিন্ন সড়ক নির্মাণ ও মেরামতের উদ্যোগ এবং ইউনিয়ন পরিষদগুলোর নতুন ভবন তৈরি, আইন-শৃঙ্খলা উন্নত করার বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সুন্দর চৌদ্দগ্রাম গঠনের জন্য মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে সকলকে সোচ্চার হতে হবে।

অনুষ্ঠানে জামায়াতের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আমির মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা সেক্রেটারি বেলাল হোসাইনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভুঁইয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমির অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য অধ্যক্ষ ড. শফিকুল আলম হেলাল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%