বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:২৫ পি.এম
রাজধানীর উত্তর শাহজাহানপুর এলাকা থেকে পুলিশ ফখরুল হাসান ফরহাদ (৪৪) নামের এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টায় ৫ তলা একটি বাসার ছাদের টিনশেড ঘর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনার পর নিহতের বোন ও ভগ্নিপতিকে আটক করেছে শাহজাহানপুর থানার পুলিশ। লাশ উদ্ধারের সময় দেখা যায়, তার গলায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
শাহজাহানপুর থানার উপপরিদর্শক এসআই মেহেদী হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ফখরুল হাসান ফরহাদ উত্তর শাহজাহানপুর এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদ ও মৃত ফাতেমা বেগমের ছেলে। তিনি বেকার ছিলেন, তবে তার স্ত্রী সাদিয়া আক্তার সন্ধ্যা একটি পাঞ্জাবি কারখানায় কাজ করেন। ঘটনার সময় তিনি কর্মস্থলে ছিলেন এবং ফিরে এসে তার স্বামীর রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান।
নিহতের আত্মীয় আরমিনা অভিযোগ করেন, ‘আমার খালু ফখরুল হাসানকে তার বোন নিপা ও বোনজামাই সুজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন। খালু যে বাসায় থাকেন, সেটি তার নানাবাড়ি থেকে পাওয়া সম্পত্তি। তাদের কোনো সন্তান নেই। খালু মারা গেলে সম্পত্তি তারা পেয়ে যাবে। এ জন্যই তাকে হত্যা করা হয়েছে।’
আরমিনা আরও জানান, এর আগে এই সম্পত্তি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ হয়েছিল।
এই ঘটনায় নিহতের বোন ও বোন জামাইকে আটক করেছে শাহজাহানপুর থানার পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই মাসে গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানী মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নির্ধারিত সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল আগামী ১২ অক্টোবর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন দিন ধার্য করেছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই তারিখ নির্ধারণ করেন। প্রসিকিউশনের পক্ষে সময় চেয়ে আবেদন করেন প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম সরদার। এ সময় প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, তাসমিরুল ইসলাম, মার্জিনা রায়হানসহ অন্যান্য প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসিকিউশন জানায়, আজ রাষ্ট্রপক্ষে দশম সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত তারিখ থাকায় সাক্ষীও ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। তবে অন্য একটি মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণের কারণে সময় চাওয়া হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল আগামী ১২ অক্টোবর নতুন তারিখ ঠিক করে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর নানক ও তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে নবম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী। তার ভাই সৈকত ২০২৪ সালের ৭ জুলাই মোহাম্মদপুর নূরজাহান রোডে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
মামলায় চার আসামি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখার সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, আনসার সদস্য ওমর ফারুক এবং যুবলীগকর্মী ফজলে রাব্বি।
নানক ও তাপসসহ পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, এডিসি রওশুনুল হক, এমএ সাত্তার, তোফায়েল, তারেকুজ্জামান, আরিফুর রহমান তুহিন, আহাদ হোসাইন, মো. ইউনূস, মোল্লা রুবেল, আজিজুল হক, রিয়াজ মাহমুদ, হৃদয়, মাইনুল ইসলাম, শেখ বজলুর রহমান, জহির উদ্দিন, আয়মান, সেন্টু মিয়া এবং ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম।
এর আগে, ১০ মে প্রসিকিউশনের আনা তিনটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের মাধ্যমে ২৮ জনের বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নৃশংসতা চালায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপস্থিতিতে জুলাই আন্দোলনে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। এতে মাহমুদুর রহমান সৈকত, ফারহান ফাইয়াজসহ ৯ জন নিহত হন এবং আহত হন আরো অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনার কাছে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে পরাজয়ের পর বুরকিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরে দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের প্রশাসনে সরাসরি হস্তক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তার এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক ফুটবলে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে। গোলডটকম এবং ফরাসি গণমাধ্যম আরএমসির সূত্রে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের পূর্বে ফ্লাইট জটিলতার কারণে বুরকিনা ফাসোর জাতীয় দলের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ম্যাচে অংশ নিতে পারেননি। এই কারণে কোচিং স্টাফ তরুণ ও অনভিজ্ঞ ফুটবলারদের নিয়ে দল গঠন করতে বাধ্য হন। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে সেই দলটি ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হয়।
এরপরই বুরকিনা ফাসোর ফুটবল ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাওরে। তিনি উল্লেখ করেন, বুরকিনা ফাসোর ফুটবল নানা সমস্যায় জর্জরিত। এই সমস্যাগুলোর সমাধান না হলে নতুন বিনিয়োগ করা সম্ভব নয়। ফুটবলকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে চলতি সপ্তাহেই কঠোর ও নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
ট্রাওরে আরও বলেন, তরুণ প্রতিভাবান ফুটবলারদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে হবে এবং ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। এ জন্য ফুটবল ফেডারেশনের কার্যক্রমে পরিবর্তন আনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
ফেডারেশনের সভাপতিকে উদ্দেশ্য করে ট্রাওরে বলেন, সাধারণত রাষ্ট্র ফুটবল ফেডারেশনের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে হস্তক্ষেপ করে না। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই। তাই ফুটবলের গুণগত পরিবর্তনের স্বার্থে এবার হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে।
জাতীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত বক্তব্যের সময় ট্রাওরের পাশে বুরকিনা ফাসো ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতিকে নীরব থাকতে দেখা যায়।
তবে প্রেসিডেন্টের এই সরাসরি হস্তক্ষেপের হুঁশিয়ারি ফিফার নিয়মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। ফিফার বিধান অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলোর ফুটবল ফেডারেশনকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে হয়। ফলে ট্রাওরের ঘোষিত পদক্ষেপ বাস্তবে কার্যকর হলে বুরকিনা ফাসো আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে পারে।
বর্তমানে ফিফা র্যাংকিংয়ে ৬২ নম্বরে অবস্থান করা দেশটির জন্য পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেটি এখন দেখার বিষয়।
সূত্র: গোলডটকম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) ৮ জন শিক্ষক-গবেষক। এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে ২০২৬ সালের গবেষণার ভিত্তিতে, যা প্রকাশিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ারের মাধ্যমে।
গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, সহ-লেখকদের প্রভাবসহ বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে ২০টি বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্র ও ১৭৪টি উপক্ষেত্রে তাদের ক্যারিয়ার-লং এবং সাম্প্রতিক এক বছরের গবেষণা-প্রভাবের মূল্যায়ন করা হয়েছে। এবছর বাংলাদেশের ৮৮টি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩৪৭ জন গবেষক এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
তালিকাভুক্ত পাবিপ্রবির ৮ জন শিক্ষক হলেন: গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. একরামুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক এসএম রায়হানুল ইসলাম, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. লোকমান আলী, ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইসিই) বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ রাসেল আল আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক লিটন চন্দ্র পাল এবং ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এএইচএম ইফতেখারুল ফেরদৌস।
উল্লেখ্য, গতবছর বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় পাবিপ্রবির ৪ জন শিক্ষক স্থান পেয়েছিলেন। এবছর নতুন ৪ জন যুক্ত হয়ে মোট ৮ জন শিক্ষক এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন। ৮ জন শিক্ষকের মধ্যে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম টানা ৫বার বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এছাড়াও, গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. একরামুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক এসএম রায়হানুল ইসলাম এবং ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইসিই) বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ রাসেল আল আহমেদও তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আধুনিক যুগে প্রেমের সম্পর্কের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। ডেটিং অ্যাপের প্রভাবে পছন্দের মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু এর সঙ্গে বিভ্রান্তির পরিমাণও বেড়েছে। অভিনেত্রী ঐশ্বর্য লক্ষ্মীর মতে, বর্তমানে মনের মতো মানুষ খুঁজে পাওয়া আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়েছে।
সম্প্রতি ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে প্রেম, ডেটিং অ্যাপ এবং আধুনিক সম্পর্ক নিয়ে তার মতামত প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। তার মতে, মানুষের সামনে এখন অনেক বেশি বিকল্প থাকলেও সঠিক মানুষটিকে বেছে নেওয়া সহজ নয়।
ঐশ্বর্য মন্তব্য করেন, ডেটিং অ্যাপে অসংখ্য বিকল্প থাকার কারণে অনেক সময় মানুষ বুঝতে পারেন না কোন পথে এগোবেন। শেষ পর্যন্ত প্রত্যেকেই এমন একজন মানুষকে খোঁজেন, যাকে নিজের মানুষ বলে মনে হবে। আর সেই খোঁজ এখন আগের চেয়ে বেশি বিভ্রান্তিকর হয়ে উঠেছে।
আধুনিক সম্পর্কের নতুন শব্দগুলো নিয়েও মজা করেন অভিনেত্রী। ‘সিচুয়েশনশিপ’, ‘ন্যানোশিপ’সহ সম্পর্কের নানা নতুন সংজ্ঞা নিয়ে তার মন্তব্য, প্রেমের বিষয়টি এখন অনেক বেশি জটিল হয়ে গেছে। এমনকি ‘বিঞ্জিং’ শব্দটিও সম্পর্কের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, জেনে তিনি অবাক হয়েছেন বলে জানান।
তবে সময়ের সাথে প্রেম সম্পর্কে তার ধারণাও পরিবর্তিত হয়েছে ঐশ্বর্যর। তার কাছে প্রেম এখন মানে স্বস্তি, নিরাপত্তা এবং অন্য একজন মানুষের সামনে নিজের মতো করে থাকতে পারা।
অভিনেত্রী বলেন, সঙ্গী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি প্রথমে ‘কম্প্যাটিবিলিটি’ বা মানসিক সামঞ্জস্যকে গুরুত্ব দেন। প্রথম কথোপকথন থেকেই এমন একটি স্বস্তি থাকা প্রয়োজন, যেখানে নিজের কথা নির্ভয়ে বলা যায় এবং অন্যজন সেটিকে বিচার না করে গ্রহণ করেন।
ঐশ্বর্যর কাছে সম্পর্কের মধ্যে বন্ধুত্বও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, স্বামী-স্ত্রীর আগে দুজনের ভালো বন্ধু হওয়া জরুরি। আশপাশের অনেক দম্পতিকে তিনি দেখেছেন, যাদের সম্পর্কের ভিত্তি বন্ধুত্ব এবং সেই কারণেই তাদের দাম্পত্য ভালো চলছে।
প্রেমের ক্ষেত্রে নিজের পছন্দের কথাও জানান অভিনেত্রী। পর্দায় তিনি অনেক সময় তীব্র ও আবেগঘন প্রেমের গল্পে অভিনয় করলেও বাস্তব জীবনে এমন সম্পর্ক তার পছন্দ নয়।
নিজের অভিনীত ‘মায়ানাদি’ ছবির কথা উল্লেখ করে ঐশ্বর্য জানান, ছবিটি একজন অভিনেতা হিসেবে তার ভাবনাকে অনেকটাই প্রভাবিত করেছে। বাস্তব আবেগনির্ভর প্রেমের গল্পে কাজ করতে তিনি এখনও আগ্রহী। তবে ব্যক্তিগতভাবে তিনি সহজ, স্বস্তিদায়ক ও সুখী প্রেমের গল্পই পছন্দ করেন।
ঐশ্বর্যর ভাষায়, তীব্র ও কষ্টভরা প্রেমের গল্প পর্দায় যতই স্মরণীয় হোক, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এমন সম্পর্ক থেকে অনেকটাই দূরে থাকতে চান। তার পছন্দের প্রেমের গল্পের শেষটা বরং হোক সুখের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ