মোঃ নাজির খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,
০৪:৪৬ পি.এম
এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ : শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বিত ভূমিকা জরুরি বলে মত দিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা। এ লক্ষ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ রেবতী মোহন পাইলট স্কুল এন্ড কলেজে আয়োজিত হলো মতবিনিময় সভা।
প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, সনদ অর্জনই শিক্ষার একমাত্র উদ্দেশ্য নয়। শিক্ষার্থীদের মানবিক,মানসিকভাবে সুস্থ ও চারিত্রিকভাবে দৃঢ় করে গড়ে তুলতে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সন্তানের প্রতি খেয়াল রাখা, তাদের কথা শোনা এবং নিয়ম-শৃঙ্খলার চর্চা করানো পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে ডিজিটাল আসক্তি ও সামাজিক চাপ শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে বিদ্যালয়ে কাউন্সেলিং, অভিভাবক সচেতনতা এবং সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম বাড়ানো প্রয়োজন।
সভার বিশেষ অতিথি নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি আলীনূর খান বলেন, একটি শিশু যখন নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ পায়, তখন তার মেধা ও মনন দুটোই বিকশিত হয়। শিক্ষকদের উচিত শিক্ষার্থীদের বন্ধু হয়ে তাদের সমস্যা বোঝা। অভিভাবকদেরও সন্তানের ওপর শুধু একাডেমিক চাপ না দিয়ে তাদের মানসিক বিকাশে মনোযোগ দিতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনুপ কুমার দাস। তিনি বলেন, রেবতী মোহন পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ শুধু পাঠদান নয়, শিক্ষার্থীদের মানবিক গুণাবলি গঠনে বিশ্বাসী। এ ধরনের মতবিনিময় সভা শিক্ষক-অভিভাবকের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করবে। আমরা ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়নে এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখবো।
সভায় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার চাপ, মোবাইল আসক্তি, সময় ব্যবস্থাপনা ও নৈতিক শিক্ষা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
এশিয়া ন্যাশনাল অ্যাসেম্বেলি ওয়াটার কনসালটেটিভ বোর্ডের (এএডব্লিউসি) জেনারেল সেক্রেটারি হা সাং জে এর নেতৃত্বে আসা এই প্রতিনিধিদলটির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে স্পিকার পানি সংকট সমাধানের লক্ষ্যে এশিয়ার সব দেশকে একসাথে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, পানি সমস্যা এতটাই তীব্র যে, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের জন্য এটি জীবন-মরণ সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিশেষত দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো, যেমন পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশে এ সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে স্বাধীনতার পর থেকেই আলোচনা চলছে।
হা সাং জে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের এএডব্লিউসি’র সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে বৈশ্বিক পানি সংকট সমাধানে স্পিকারের সহযোগিতা কামনা করেন। ২০২৬ সালে লাওসে অনুষ্ঠেয় এএডব্লিউসি’র বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে স্পিকারকে আমন্ত্রণ জানান তিনি।
স্পিকার এএডব্লিউসি’র মাধ্যমে পানি সমস্যা সমাধানে ২০১৯ সাল থেকে অব্যাহত প্রচেষ্টার জন্য সংগঠনটির নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।
এছাড়া, তিনি প্রতিনিধি দলের কাছে আশ্বস্ত করেন যে, স্পিকার এএডব্লিউসি’র পানি সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের সংসদ সদস্যদের যুক্ত করার সুপারিশ করবেন। লাওসে অনুষ্ঠেয় পরবর্তী বার্ষিক সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ থাকবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
এএডব্লিউসি কার্যক্রম হচ্ছে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি আন্তঃসংসদীয় প্ল্যাটফর্ম, যা পানি নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, পানি ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক আইনি ও নীতিগত সহযোগিতা জোরদার করতে কাজ করে।
সাক্ষাৎকালে অন্যান্যের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বেসরকারি খাতগুলোর প্রতিযোগিতা সক্ষমতা মূল্যায়ন গবেষণা’ শীর্ষক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রস্তাবিত প্রকল্পের ডিপিপি উপস্থাপন ও কনসালটেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বর্তমানে প্রায় ৫০-৫৫ বিলিয়ন ডলারের গ-ি থেকে ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি উল্লেখ করেন, সম্ভাবনাময় কয়েকটি খাতকে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, নীতিগত সহায়তা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে এগিয়ে নিতে পারলে এ লক্ষ্যটিকে অর্জন করা কঠিন নয়।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বেসরকারি খাতগুলোর প্রতিযোগিতা সক্ষমতা মূল্যায়ন গবেষণা’ শীর্ষক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রস্তাবিত প্রকল্পের ডিপিপি উপস্থাপন ও কনসালটেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের সব শর্ত পূরণ করেছে। এখন মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে উত্তরণের পর বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা। এজন্য শিল্পখাতে দক্ষতা বৃদ্ধি, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি অভিযোজনের ওপর জোর দিতে হবে।
তিনি জানিয়েছেন, এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোর-জে) প্রকল্পের মূল ধারণা সময়োপযোগী, তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমের অন্যতম বড় দুর্বলতা। ভবিষ্যতে প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে অভিযোজন সক্ষমতা রাখতে হবে।
মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, লেদার ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে প্রতিষ্ঠিত অবকাঠামো আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র হিসেবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালনা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দেশীয় শিল্পটি দ্রুত বৈশ্বিক মানদণ্ডে পৌঁছাতে সক্ষম হয়।
জুট খাতের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, কাঁচা পাট রপ্তানির তুলনায় মূল্য সংযোজিত পাটপণ্য ও জুট-ভিত্তিক ফ্যাব্রিক উৎপাদনে বহুগুণ বেশি আয় সম্ভব। এ খাতে গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার জন্য চীনের সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, শিল্প উন্নয়নে সরকার, বেসরকারি খাত ও একাডেমিয়ার মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে। সফল দেশগুলোর অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে প্রতিটি প্রকল্পের লক্ষ্য, কর্মপদ্ধতি ও ফলাফল নিয়মিত মূল্যায়নের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের সমস্যা সমাধানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে উল্লেখ করেন, ‘আপনাদের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শুনতে আমরা প্রস্তুত। সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।’
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র্যাপিড)-এর চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোর-জে) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সেখ মোহাম্মদ আব্দুর রহমান এবং বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট হোসনা ফেরদৌস সুমি। বিভিন্ন শিল্পখাতের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের নিলাম শাখার গুদাম থেকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডারে নির্ধারিত পণ্যের চেয়ে অতিরিক্ত মালামাল পরিবহনের অভিযোগে কাস্টমসের এক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ৫ জনকে সাসপেন্ড করেছে কর্তৃপক্ষ।
গত ২১ মে, বেনাপোল কাস্টমস হাউসের নিলাম শাখা থেকে ৩ হাজার ২২টি শাড়ি, ৫৮ টি থ্রি-পিস, ২০৮ টি চাদর, ২৬৩ টি কম্বল এবং ৮ টি ওড়না ঢাকার ত্রাণভান্ডারে পাঠানোর একটি চিঠি ইস্যু করা হয়। এ সংক্রান্ত একটি চিঠিতে সহকারী কমিশনার অব কাস্টমসের পক্ষে রাহাত হোসেন স্বাক্ষর করেন। এই পণ্য পরিবহনের দায়িত্বে ছিলেন বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ মুখার্জী।
ইন্দ্রজিৎ মুখার্জীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি ত্রাণভান্ডারে পণ্য পাঠানোর আড়ালে অতিরিক্ত মালামাল পরিবহনের চেষ্টা করছিলেন। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, সোমবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে, বেনাপোল বাজারের দুর্গাপুর সড়কের মুখ থেকে ঢাকা মেট্রো-ট-২৪-৫৬২১ নম্বরের একটি কাভার্ডভ্যান আটক করে বিজিবি। কাভার্ডভ্যানটি ক্যাম্পে নিয়ে তল্লাশি করা হয় এবং গাড়িটিতে থাকা মালামালের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। যাচাই শেষে দেখা যায় ত্রাণভান্ডারে পাঠানো মালের মধ্যে অতিরিক্ত মালামাল রয়েছে। এই ঘটনার পর কাস্টমস হাউসের ভেতরে থাকা আরও একটি ট্রাকের গতিবিধিও নজরদারিতে নেওয়া হয়েছে।
সোমবার রাতে, বেনাপোল বিজিবি সদর ক্যাম্পে জব্দ করা মালামালের তালিকা প্রস্তুত করেছে বিজিবি। জব্দ করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় ৬ হাজার ৮টি শাড়ি, ৬৩টি থ্রি-পিচ, ৩৮৬টি কম্বল, ২০৮টি চাদর, ৮টি ওড়না ও ৩৩ হাজার ২২২টি বিভিন্ন প্রকার কসমেটিকস সামগ্রী। এই সমস্ত পণ্যের বৈধ কোনো কাগজপত্র না থাকায় বিজিবি তা জব্দ করে এবং আনুমানিক সিজার মূল্য ২ কোটি ৬৭ লাখ ৬৫ হাজার ৩১০ টাকা। এই সময়ে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রাথমিক তদন্তে বিজিবি জানতে পেরেছে যে, ত্রাণভান্ডারে পাঠানোর জন্য নির্ধারিত পণ্যের বাইরে অতিরিক্ত মালামাল পরিবহনের চেষ্টা করা হচ্ছিল।
পাসপোর্টধারী যাত্রীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে জব্দ করা পণ্য কাস্টমস হাউসে সংরক্ষণ করা হয়। এসব পণ্য পরে সরকারি বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তি বা হস্তান্তর করা হয়ে থাকে।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন জানিয়েছেন, সোমবারের ঘটনাটি তাদের নজরে এসেছে এবং এইটার সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। এর সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইন্দ্রজিৎ ছাড়াও অভিযুক্তের তালিকায় আরও আছেন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফ হোসেন, সিপাহি জামশেদ, সিপাহি মো. সাগর এবং সিপাহি হামিদুর রহমান। এ ঘটনায় কোনও অনিয়ম হয়েছে কি না, তা-ও তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও ৩ শিশু। নিহত শিশুরা ঢাকা, ময়মনসিংহ এবং মৌলভীবাজার জেলার। একই সময়ে নতুন করে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৩৫ জন।
বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী এই তথ্য জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে হামে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে ৬৮৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯৩ শিশুর মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হামের কারণে ঘটেছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ৫৯৩ জন।
এই সময়ের মধ্যে নিশ্চিত (পরীক্ষায় প্রমাণিত) হামে আক্রান্ত হয়েছে ১১ হাজার ২৯৭ জন। আরও জানা গেছে, হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৪ হাজার ৭৬৪ জন। ঢাকা বিভাগে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগের হাম ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৩০৮ জন, এবং আক্রান্ত ৫১ হাজার ২৬১ জন।
এই পরিসংখ্যান গত ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে আজ ২৩ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের তথ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ