রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৪৮ এম
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার আমড়াজুড়ি ইউনিয়নের ১০ নম্বর আমড়াজুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনেই দাঁড়িয়ে আছে একটি জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত ভবন। ঝুঁকিপূর্ণ এই পুরাতন ভবনটির কারণে একদিকে যেমন বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ও সৌন্দর্য বিঘ্নিত হচ্ছে, অন্যদিকে আলো-বাতাস বঞ্চিত হয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকছে নতুন ভবনের একটি বড় অংশ। এছাড়া খেলার মাঠটি সংকুচিত হয়ে পড়ায় খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুরাতন ভবনটি যে কোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। পরিত্যক্ত স্থানটি মশা-মাছি, বিভিন্ন জীবাণু এবং বিষাক্ত সাপের প্রজননক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে; বর্ষা মৌসুমে এ উপদ্রব আরও বাড়ে। স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, রাতের বেলা নির্জনতার সুযোগ নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনটিতে বখাটেদের আড্ডা বসে এবং এটি মাদক সেবনসহ নানা অপকর্মের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি মাঠের ভেতরের অযাচিত গাছপালার কারণেও শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আফরিন ও শাহরিয়া জানায়, আমাদের মাঠ ছোট হয়ে গেছে, আমরা ঠিকমতো খেলাধুলা করতে পারি না। পুরাতন ভবনের ভেতর বিষাক্ত সাপ আর পোকা-মাকড়ের ভয়ে আমরা সবসময় আতঙ্কে থাকি।
বিদ্যালয় পরিচালন কমিটির (এমএমসি) সদস্য সাথী ইসলাম এবং অভিভাবক রফিক হাওলাদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভবনটির কারণে বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। সন্ধ্যার পর এটি বখাটেদের আড্ডা ও গাঁজাসহ নানা অপকর্মের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়। আমরা দ্রুত এটি অপসারণের দাবি জানাচ্ছি।
বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি ও ঝুঁকি নিয়ে প্রধান শিক্ষক সান্তনা চক্রবর্তী বলেন,
বিদ্যালয়ের সামনের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি অপসারণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এটি সামনে থাকায় নতুন ভবনের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, শ্রেণিকক্ষে আলো-বাতাস ঢুকছে না এবং মাঠও ছোট হয়ে গেছে। ভবনটি অপসারণ করা সম্ভব হলে মাঠের পরিধি বাড়বে, সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ফুলের বাগান করা যাবে এবং শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে খেলাধুলার সুযোগ পাবে।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে কাউখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওয়াহিদুর রহমান জানান,
বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভায় এই পুরাতন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি দ্রুত অপসারণের বিষয়ে আলোচনা করা হবে এবং অপসারণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যা দুই মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে গত সপ্তাহে তেলবাহী জাহাজে হামলার সংখ্যা ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর যেকোনো সপ্তাহের তুলনায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। হামলার পরপরই জাহাজ চলাচলে এই পতন দেখা গেছে। জাহাজ চলাচলের তথ্য থেকে এসব বিষয় জানা গেছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, কেপ্লার নামে একটি তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুসারে, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র সাতটি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে। গত ২৩ জুলাইয়ের পর এটিই সবচেয়ে কম সংখ্যা।
৬ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে কেপ্লারের বিশ্লেষক এমানুয়েল বেলোস্ত্রিনো ও ইউই তোরিকাতা লিখেছেন, “যুদ্ধকালীন সর্বোচ্চ অবস্থার তুলনায় আগের সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অপরিশোধিত তেল পরিবহন ২৭ শতাংশ কমেছে। প্রতিদিন অন্তত ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে।”
তারা আরো উল্লেখ করেছেন, “এটি এখন সেপ্টেম্বরে গড় পরিমাণের পর্যায়ে ফিরে এসেছে। তবে যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের তুলনায় এটি ৭৪ শতাংশ।” বিশ্লেষকেরা জানান, এই পতনের বেশির ভাগই হয়েছে ওমান উপসাগরে জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে। এ প্রক্রিয়ায় এক ট্যাংকার থেকে আরেক ট্যাংকারে পণ্য স্থানান্তর করা হয়।
তবে ওমান উপসাগরের উপকূল ও লোহিত সাগর দিয়ে তেল রপ্তানি বেড়ে প্রতিদিন ৬৭ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে। যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের তুলনায় এটি দ্বিগুণেরও বেশি। বিশ্লেষকেরা বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ কমে যাওয়ায় এই বাড়তি রপ্তানি তা পুষিয়ে দিয়েছে।
তাদের মতে, এর ফলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেলের মোট রপ্তানি যুদ্ধ শুরুর আগের পর্যায়েই রাখা সম্ভব হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, বুধবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যা কিছুটা বেড়ে ১০টিতে দাঁড়ায়। তবে রোববার ও সোমবার প্রতিদিন ২০টির বেশি জাহাজ চলাচল করেছিল। বুধবারের সংখ্যা তার তুলনায় অনেক কম। গত দুই দিনে প্রণালিতে প্রবেশকারী জাহাজের সংখ্যা বেরিয়ে যাওয়া জাহাজের চেয়ে বেশি ছিল।
এই হিসাবের মধ্যে এমন জাহাজগুলো নেই, যেগুলো শনাক্ত হওয়া এড়াতে তাদের স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা বন্ধ করে প্রণালি পার হয়েছে। সব জাহাজের চলাচলের তথ্য দেওয়া এলএসইজি-এর হিসাবে, মঙ্গলবার আটটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে। এর মধ্যে চারটি জাহাজ প্রণালিতে ঢুকেছে এবং চারটি বের হয়েছে। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ১৪টি।
এলএসইজি জানায়, মঙ্গলবার চলাচল করা জাহাজগুলোর মধ্যে পাঁচটি ছিল তেলবাহী ট্যাংকার। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী জাহাজ আল মাফইয়ারও ছিল। জাহাজটি কাতারের রাস লাফান থেকে গ্যাস নিয়ে পাকিস্তানের পোর্ট কাসিমের দিকে যাওয়ার কথা ছিল।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী সূত্রগুলো জানায়, গত সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ইরান যুদ্ধ শুরুর পর যেকোনো সপ্তাহের তুলনায় সর্বোচ্চ ছিল। একই সময়ে উপসাগরীয় দেশগুলোও তেল রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা জোরদার করেছে।
সর্বশেষ ঘটনায় কাতারের মদিনাত আশ শামাল থেকে ৫১ নটিক্যাল মাইল উত্তরে একটি ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র বা অন্য কোনো উড়ন্ত বস্তু আঘাত হানে। এতে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। বুধবার যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পরিচালনা সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন প্রায় ১২৫টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করত। এসব জাহাজের মধ্যে ছিল তেলবাহী ট্যাংকার, গ্যাসবাহী জাহাজ, বাল্ক কার্গো জাহাজ ও কনটেইনারবাহী জাহাজ।
এসব জাহাজে বহন করা পণ্য বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশের সমান ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী কক্সবাজার ও কুতুবদিয়া ফায়ারিং রেঞ্জ এলাকায় বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে তাজা গোলাবর্ষণ প্রশিক্ষণ মহড়া পরিচালনা করবে। আগামী ১১ থেকে ১৯ অক্টোবর, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে। আজ বৃহস্পতিবার বিমান বাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিমানবাহিনী জানায়, এই সময় কুতুবদিয়া ফায়ারিং রেঞ্জ এবং কক্সবাজার ফায়ারিং রেঞ্জের আকাশসীমায় তাজা গোলাবর্ষণ করা হবে। তাই প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য ওই দুই এলাকা এড়িয়ে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
বিশেষত, ওই অঞ্চলে চলাচলকারী বিমান, জাহাজ ও ছোট নৌযান এবং কুতুবদিয়া দ্বীপসংলগ্ন এলাকার জনসাধারণকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তার স্বার্থে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফায়ারিং রেঞ্জের আওতাভুক্ত এলাকা পরিহার করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশে ‘Artificial Intelligence: Fundamentals, Tools and Practical Applications’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের Institutional Quality Assurance Cell (IQAC) এবং RUB-NBER Resource and Innovation Center-এর উদ্যোগে ৬ ও ৭ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবন-৩-এর রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টারে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। ৬ অক্টোবর প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মশালার উদ্বোধন করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্মিনা আখতার।
দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) মৌলিক ধারণা, আধুনিক AI টুলস, বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর ব্যবহার এবং ব্যবহারিক প্রয়োগ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন নাফিস জাহাঙ্গীর, এআই প্রশিক্ষক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং জিদান হক, এআই ও ডিজিটাল মার্কেটিং প্রশিক্ষক, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। কর্মশালায় শিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর ও দায়িত্বশীল ব্যবহার, সময়োপযোগী দক্ষতা অর্জন এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন AI টুল ও প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক ধারণা প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন AI টুলের ব্যবহার সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণের পাশাপাশি অর্জিত জ্ঞান বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগের সুযোগ পান। এর মাধ্যমে শিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনা, কার্যকর ব্যবহার এবং দায়িত্বশীল প্রয়োগ সম্পর্কে তাঁদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের সেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) তিন শিক্ষক ও এক শিক্ষার্থী।
বেরোবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান গবেষণার পাশাপাশি সফলভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিরাঙ্গনের দায়িত্ব পালন করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা ‘এলসেভিয়ার’ বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের এই তালিকা প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রকাশিত ২০২৬ সালের একক বছরের গবেষণার ভিত্তিতে তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে।
তালিকায় বাংলাদেশের ৩৪৭ জন গবেষক স্থান পেয়েছেন। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ছিল ২৮৬ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে তালিকায় বাংলাদেশের গবেষকের সংখ্যা বেড়েছে ৬১ জন। শতকরা হিসাবে এ বৃদ্ধি ২১ দশমিক ৩ শতাংশ।
এ অর্জন প্রসঙ্গে ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন,আলহামদুলিল্লাহ। এই অর্জন আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের, গর্বের এবং একই সঙ্গে একটি বড় দায়িত্বের বিষয়। এই স্বীকৃতি শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এর পেছনে রয়েছে আমার পরিবার, শিক্ষক, সহকর্মী, শিক্ষার্থী এবং গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর আন্তরিক সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা। তাঁদের প্রতি আমি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আমি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গবেষক হিসেবে নবায়নযোগ্য শক্তি এবং উন্নত সৌরশক্তি প্রযুক্তির মাধ্যমে টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে গবেষণা করে যাচ্ছি। আমার গবেষণার মূল লক্ষ্য হলো উন্নত সৌরশক্তি প্রযুক্তির মাধ্যমে টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে অবদান রাখা।
বিশ্বের গ্লোবাল র্যাঙ্ক ২৮২৫০ এবং এপ্লাইড ফিজিক্স সাবফিল্ড-এ র্যাঙ্ক ৫১৫ অর্জন নিঃসন্দেহে আনন্দের বিষয়। তবে আমি বিশ্বাস করি, কোনো স্বীকৃতিই গবেষণার শেষ নয়; বরং এটি আরও ভালো গবেষণা করার অনুপ্রেরণা। আমি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও গবেষণাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরতে চাই। বিশেষ করে তরুণ গবেষকদের সঙ্গে কাজ করে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি, উদ্ভাবন এবং দেশের জন্য কার্যকর প্রযুক্তি উন্নয়নে অবদান রাখতে চাই।
সবশেষে, আমার এই অর্জনের সঙ্গে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত, তাঁদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা ভবিষ্যতেও আমার গবেষণার পথচলায় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের গবেষণার জন্য আমরা আরও অনেক দূর এগিয়ে যাব—ইনশাআল্লাহ।
এছাড়াও প্রথম স্থানে রয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মির্জা হাসানউজ্জামান।দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মুনতাসির মুর্শেদ।তৃতীয় স্থানে রয়েছেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. মোঃ তরিকুল ইসলাম।চতুর্থ স্থানে রয়েছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মুহাম্মদ আশরাফুল আলম। পঞ্চম স্থানে রয়েছেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের গবেষক এম. খালিদ হোসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ