মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১৩ পি.এম
চট্টগ্রাম, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৪১০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
আজ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, জব্দকৃত ৪১০ বস্তা ইউরিয়া সারের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। একই সঙ্গে পাচারকাজে ব্যবহৃত কার্গো বোটটিও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ড জানায়, সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারি উপকূলীয় এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে একটি সন্দেহজনক কার্গো বোটে তল্লাশি চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার উদ্ধার করা হয়।
জব্দকৃত সার ও পাচারকাজে ব্যবহৃত বোটের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সীমান্তবর্তী জলসীমায় সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলের মধুপুরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মধুপুর অডিটোরিয়ামে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাকির হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিএনপির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দলের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকৌশল নিয়ে আলোচনা করেন নেতারা।
সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা এম,এ সামাদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা মো. আনোয়ার হোসেন, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন বাবলু , সিনিয়র সহ-সভাপতি এম. রতন হায়দার, পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফজী প্রিন্স, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মোতালেব, সহ সভাপতি লিলি সরকার, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল লতিফ পান্না প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও দেশের উন্নয়নে তাঁর অবদান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে আছে। গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপির রাজনৈতিক ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তারা।
নেতারা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর তাৎপর্য তুলে ধরে ভবিষ্যতে দলীয় কর্মকাণ্ড আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ী এবং নিত্যপণ্য আমদানিকারক কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, যদি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে, তাহলে দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
তবে, তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, দ্রুত জ্বালানি সংকট সমাধান করা, সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে, নিত্যপণ্যের বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) কার্যালয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ীরা এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হক।
ব্যবসায়ীরা জানান, চিনি, ভোজ্যতেল, ডাল, আটা, ময়দাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে, এসব পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা নেই। তারা উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে উৎপাদনমুখী শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের জন্য আহ্বান জানান।
মিল মালিকদের প্রতিনিধিরা বলেন, বিদ্যমান জ্বালানি সংকটের মধ্যেও তারা স্থানীয় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছেন। তারা দাবি করেন যে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত চিনির দাম বৃদ্ধি পেলেও, দেশে চিনির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
মুক্ত আলোচনায় মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা বলেন, আমদানি ও মিল পর্যায়ে উৎপাদন সচল রাখা না গেলে, নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে না। তিনি জ্বালানি সংকট সমাধানের পাশাপাশি এলসি সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত সমাধানের দাবি জানান।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ফুটপাতের হকার ও অনিবন্ধিত ব্যবসায়ীদের তদারকির আওতায় আনার আহ্বান জানান কাওরান বাজার কাঁচামাল আড়ৎ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান সুজন।
বাংলাদেশ সুপার মার্কেট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরবরাহ ব্যবস্থায় পণ্যের হাতবদল কমিয়ে আনার পরামর্শ দেন।
সভায় বিভিন্ন বণিক সমিতির নেতারা সরবরাহ ব্যবস্থার বিভিন্ন ধাপে হয়রানি বন্ধে প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তারা খুচরা ও পাইকারি বাজার এবং মিলগেটে পণ্যের মূল্য তদারকি আরও জোরদারের দাবি জানান।
কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণে সরকার ও বেসরকারি খাতকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
মিল মালিকদের প্রতিনিধিরা সভায় জানান, সাম্প্রতিক সময়ে গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। তারা এলসি সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতার কথাও তুলে ধরে এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
সভায় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) প্রতিনিধি জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১ কোটি পরিবারের মধ্যে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করছে।
খাদ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে স্বল্পমূল্যে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। তারা উল্লেখ করেন যে, এসব উদ্যোগ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
তবে ব্যবসায়ীরা বলেন, দেশীয় কোম্পানির কাছ থেকে পণ্য সংগ্রহ করে স্বল্পমূল্যে বিক্রির পাশাপাশি টিসিবির সরাসরি পণ্য আমদানি এবং বিকল্প উৎস থেকে পণ্য সংগ্রহের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।
সভায় এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের দেওয়া মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ লিপিবদ্ধ করে তা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরা হবে।
তিনি নিত্যপণ্যের বাজারে সরকার ঘোষিত নতুন পে-স্কেলের প্রভাব যাতে অযৌক্তিকভাবে না পড়ে, সে বিষয়ে সকল পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করেন।
সভায় এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর, বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ বাণিজ্য, শিল্প ও খাদ্য মন্ত্রণালয়, টিসিবি, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ক্যাব, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মহানগরীতে ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রমণ প্রতিরোধের লক্ষ্যে মশার লার্ভা নিধন অভিযান শুরু করা হয়েছে।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু আজ সকাল সাড়ে ৯টায় নগরীর টুটপাড়া কবরস্থান মোড়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লার্ভা নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনকালে প্রশাসক উল্লেখ করেন, মহানগরীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কেসিসি সর্বশক্তি নিয়োগ করে কাজ করছে। তিনি বলেন, ওষুধ স্প্রে করে মশা নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব নয়। এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করতে হলে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে ঘরের ভেতর, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশে কোথাও ৩ দিনের বেশি পানি জমে না থাকে। প্রশাসক আরও বলেন, এই লড়াইয়ে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।
মশার লার্ভা নিধন অভিযান সফল করার জন্য বিদ্যমান লোকবলের পাশাপাশি ৩১টি ওয়ার্ডে অতিরিক্ত ৫ জন স্প্রেম্যান নিযুক্ত করা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা প্রতিটি ওয়ার্ডের ড্রেনসহ সকল জলাবদ্ধ পানিতে এবং বাড়ির অভ্যন্তরীণ ড্রেনসমূহে মশার লার্ভা ধ্বংসে ওষুধ ছিটানোর কাজ করবে। আজ থেকে নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং চলতি মাসজুড়ে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রমণ প্রতিরোধে এই উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রশাসক। তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান, পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্র, ডাবের খোসা অপসারণসহ নিজ নিজ বাড়ির আঙ্গিনা নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে। একইসাথে এই উদ্যোগ সফল করতে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত সকলকে কাজ করার নির্দেশ দেন।
কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেসিসি’র প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, সচিব মো. রেজা রশিদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, বাজার কর্মকর্তা শেখ শফিকুল হাসান দিদার, সাবেক কাউন্সিলর মো. গিয়াস উদ্দিন বনি, সমাজসেবক ইউসুফ হারুন মজনু, মো. ইসহাক তালুকদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কেসিসি’র সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ট্রাম্প একটি চিঠিতে উল্লেখ করেন, ‘বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না।’
সোমবার, হোয়াইট হাউজ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে এই কথা জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
চিঠির মধ্যে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেলেও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ এবং দেশের একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন। চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি তার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন।
ট্রাম্প আশ্বস্ত করে বলেন, বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না। একইসঙ্গে, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত মনোযোগের কথা তিনি সবসময় মনে রাখবেন।
এছাড়া, মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের আশা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ