ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

যুবদল নেতা নয়ন আবার বাঁশের লাঠি হাতে নেওয়ার হুঁশিয়ারি


যুবদল নেতা নয়ন আবার বাঁশের লাঠি হাতে নেওয়ার হুঁশিয়ারি

রাজধানীর পল্টনে অবস্থিত বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শাহবাগ মোড় পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল। অপপ্রচার ও শিষ্টাচার-বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে এই মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলের আগে সমাবেশে গুপ্ত রাজনীতির নেতাকর্মী এবং তার পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন বাঁশের লাঠি হাতে নেবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের এই সদস্য সচিব বলেছেন, গুপ্ত রাজনীতির নেতাকর্মী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি আমি বলতে চাই, আমরা কিন্তু হাসিনা বাহিনীকে তাড়িয়েছি। তিনি আরও বলেন, দেশের প্রয়োজনের সময়, জাতির প্রয়োজনে দক্ষিণ যুবদল অবশ্যই আবার বাঁশের লাঠি হাতে নেবে।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়ে শাহবাগ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এই মিছিলে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ছাত্র জমিয়তের ৫৬ দিনের দাওয়াতি ও সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুক্রবার শুরু

সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে যুবদলের সভাপতি আব্দুর মোনায়েম মুন্না বলেন, আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যদি অন্যায়ভাবে অশালীন কোনো উক্তি বা মন্তব্য করা হয়, তাহলে আমাদের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে যাবে। তিনি জানান, আমরা বসে থাকবো না; যুবদল মাঠে থেকে সাংগঠনিকভাবে এটি মোকাবিলা করবে।

এই সময় জামায়াতকে আহ্বান জানান তিনি, সস্তা রাজনীতি পরিহার করে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে ফিরে আসার।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক। এতে আরও বক্তব্য রাখেন যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান জুয়েল প্রমুখ।

আরও পড়ুন: নাহিদ ইসলাম ডাক দিলে এখন ১০০ লোকও জড়ো হবে না: রাশেদ খান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানকে ‘ঘুষ’ দেওয়ার অভিযোগ ওবামার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০২ পি.এম


ইরানকে ‘ঘুষ’ দেওয়ার অভিযোগ ওবামার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বিরুদ্ধে ইরান পারমাণবিক চুক্তি (জেসিপিওএ) সম্পাদনের সময় তেহরানকে ‘ঘুষ’ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প দাবি করেন, ২০১৫ সালের ওবামা প্রশাসন চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ প্রদান করেছিল।

ট্রাম্প বলেন, ‘ওবামার করা জেসিপিওএ চুক্তির সময় তারা ইরানকে ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার নগদ অর্থ দিয়েছিল। ব্যাংক থেকে আনা সবুজ ডলার একটি বোয়িং ৭৫৭ বিমানে করে ইরানে পাঠানো হয়েছিল।’

তিনি আরও দাবি করেন, “তারা বিমানের পাশে দাঁড়িয়ে বলছিল- ‘ওহ মাই গড, দেখো আমাদের কত টাকা দেওয়া হচ্ছে।’ আমার কাছে এর ছবিও আছে।”

ওবামার নীতির সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি অর্থ দিয়ে সমাধান কেনার চেষ্টা করেছিলেন। আমি তা করিনি।’

এ ছাড়া ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের নেতারা ওই অর্থ পাওয়ার পর ওবামাকে গুরুত্বের সঙ্গে নেননি এবং তাকে নিয়ে উপহাস করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া, চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত যৌথ সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা (জেসিপিওএ) চুক্তির মাধ্যমে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

এর বিনিময়ে ইরানের ওপর আরোপিত কিছু আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছিল।

ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ২০১৮ সালে ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন এবং এরপর থেকে বারবার চুক্তিটিকে ‘খারাপ সমঝোতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে আসছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুনের ১৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ পি.এম


জুনের ১৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার

চলতি মাসের প্রথম ১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়েই দেশে এসেছে ১০ কোটি ৮১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, চলতি জুন মাসের প্রথম ১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৬৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩ হাজার ৪৪৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৮ দশমিক ৩০ শতাংশ।

এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়।

গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।

গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ড. তনিমা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ড. তনিমা

বিশ্বের অন্যতম বিজ্ঞান সাময়িকী ‘সায়েন্টিফিক আমেরিকান’-এর ‘বিজ্ঞানের উদীয়মান তারকা’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী ড. তনিমা তাসনিম অনন্যা। তিনি অতিভারী কৃষ্ণগহ্বর এবং গ্যালাক্সির সক্রিয় কেন্দ্র নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার জন্য সাময়িকীটির উদ্বোধনী ‘ইয়াং আমেরিকান সায়েন্টিস্টস’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

বিশ্বের বিভিন্ন শাখার মাত্র ২৮ জন তরুণ গবেষকের তালিকায় তার স্থান পাওয়া আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য গৌরবময় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ড. তনিমা তাসনিম অনন্যা বাংলাদেশের বিএনপির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুমের বড় মেয়ে। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির এই উপলক্ষে তার পরিবার, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্ট হয়েছে, সেইসাথে দেশের বিজ্ঞানমনস্ক মহলে উচ্ছ্বাসের ঝড় উঠেছে।

‘সায়েন্টিফিক আমেরিকান’ যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে পুরানো ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত বিজ্ঞান সাময়িকী। ১৮৪৫ সাল থেকে দুই শতাধিক নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীর লেখা প্রকাশ করছে এই সাময়িকী। বৃহস্পতিবার, চলতি বছরে প্রথমবারের মতো তারা এমন একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে স্থান পেয়েছেন ভবিষ্যতের বিজ্ঞান নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম গবেষকরা।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েইন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ড. তনিমা তাসনিম অনন্যা মহাবিশ্বের অন্যতম রহস্যময় বস্তু কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন। তার গবেষণার মূল বিষয় হচ্ছে, অতিভারী কৃষ্ণগহ্বর কিভাবে আশপাশের গ্যাস ও পদার্থ শোষণ করে এবং সেই প্রক্রিয়া একটি গ্যালাক্সির গঠন, বিকাশ ও বিবর্তনে কী ধরনের প্রভাব ফেলে।

‘সায়েন্টিফিক আমেরিকান’-তে প্রকাশিত তার পরিচিতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঢাকায় বেড়ে ওঠা ড. তনিমার মহাকাশের প্রতি আগ্রহের সূচনা তার শৈশবে হয়। বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের সময় আকাশভরা তারা দেখে তার মনে গভীর কৌতূহল জন্মায়, যা পরবর্তী সময়ে তাকে জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণার পথে নিয়ে আসে।

তার গবেষণায় বিভিন্ন ধরনের মহাকাশ পর্যবেক্ষণ তথ্য বিশ্লেষণ করে কৃষ্ণগহ্বরের চারপাশে থাকা গ্যাস ও ধূলিকণার গঠন এবং আচরণ সম্পর্কে নতুন তথ্য উঠে এসেছে।

বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন, এই গবেষণা মহাবিশ্বের বিবর্তন, গ্যালাক্সির বিকাশ এবং কৃষ্ণগহ্বরের কার্যপ্রক্রিয়া সম্পর্কে নতুন ধারণা নিয়ে আসবে।

বিজ্ঞান-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ড. তনিমা তাসনিম অনন্যার এই অর্জন কেবলমাত্র ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি মেধা ও গবেষণার সক্ষমতার একটি উজ্জ্বল স্বীকৃতি। তার এ সাফল্য দেশের নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান গবেষণায় এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে বলেও মনে করছেন তারা।

মহাবিশ্বের অজানা রহস্য উন্মোচনে তার গবেষণা ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। ড. তনিমা তাসনিম অনন্যার এই অর্জন দেশের বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণার জন্য একটি ইতিবাচক ও গর্বের বার্তা হয়ে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কুল ফাঁকি দিয়ে মেঘনায় গোসল করতে গিয়ে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ পি.এম


স্কুল ফাঁকি দিয়ে মেঘনায় গোসল করতে গিয়ে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজধানীর বর্ণমালা স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র মেরাজ (১৫) এবং একে স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র কায়েস ভুইয়ার (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিখোঁজ হওয়ার ৪ ঘণ্টা পর, বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তাদের মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।

নিহত মেরাজ হোসেন রাজধানীর কদমতলী থানার শনিআখড়া এলাকার রাজু মিয়ার ছেলে, এবং কায়েস ভুইয়া রাজধানীর ধনিয়া এলাকার ফারুক ভুইয়ার ছেলে।

তারা সহপাঠীদের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুর ২ টার দিকে, রাজধানীর একে স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩ জন ও বর্ণমালা স্কুলের ৪ জন শিক্ষার্থী ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে মিলে মেঘনা নদীতে গোসল করতে যায়। প্রথমে দুজন পানিতে তলিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর, মেরাজ ও কায়েস মাছের মতো পানিতে নামলে তারা দুজন নদীর স্রোতে তলিয়ে যায়। এরপর খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার অভিযান চালিয়ে প্রথমে মেরাজ হোসেন এবং পরে কায়েস ভুইয়ার মরদেহ উদ্ধার করে।

তাদের স্বজনরা জানান, স্কুল ফাঁকি দিয়ে তারা আমাদের না জানিয়ে মেঘনা নদীতে ঘুরতে এসেছিল। পরে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসি, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা এসে মেঘনা নদী থেকে দুই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করে। শিক্ষার্থীরা কেউ সাঁতার জানতো না।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের জোন-২ এর উপপরিচালক মো. ওসমান গনি বলেন, আমরা খবর পেয়েই দুই শিক্ষার্থীর উদ্ধার অভিযান শুরু করি। পরে নিখোঁজ হওয়ার ৪ ঘণ্টা পর, দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৈদ্যেরবাজার নৌপুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মাহাবুবুর রহমান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল লাশ উদ্ধার করার পর, তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%