বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:২২ পি.এম
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন উপলক্ষে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।
এই সাক্ষাৎটি মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের দ্য সেন্ট রেজিস নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়। জুবাইদা রহমান মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
হোয়াইট হাউসের উদ্যোগে মেলানিয়া ট্রাম্পের পরিচালনায় ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন দেশের ফার্স্ট স্পাউস ও উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শিশুদের শিক্ষা, প্রযুক্তি, ডিজিটাল দক্ষতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অনলাইনে শিশুদের নিরাপত্তা বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনী, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে শহরের রেলগেট সংলগ্ন আব্বাস প্লাজায় পূবালী ব্যাংক পিএলসি ফেনী শাখার উদ্যোগে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই তিন দিনব্যাপী আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি নোয়াখালীর আঞ্চলিক প্রধান সাইফুল ইসলাম।
মতবিনিময় সভার সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি ফেনী শাখার ব্যবস্থাপক মো. মুক্তার হোসেন। ব্যাংকের কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন ফেনী জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ইন্সট্রাক্টর (কম্পিউটার) স্বপন চন্দ্র দেবনাথ, শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা, পূবালী ব্যাংক পিএলসি ফেনী বাজার ইসলামী ব্যাংকিং শাখার ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন, অফিসার সাহাব উদ্দিন সুমন, ইঞ্জিনিয়ার সালাহ উদ্দিনসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে পস, বাংলা কিউ আর কোড, পিআই অ্যাপস, ই-কেওয়াইসি একাউন্টসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা নিয়ে ৩ দিনব্যাপী ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন চলছে।
শুরুতে ফিতা কেটে ক্যাশলেস সেবা বুথ উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, "আমরা এক দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিনির্ভর যুগে বসবাস করছি। বিশ্ব অর্থনীতি আজ দ্রুতগতির ডিজিটাল বা ক্যাশলেস ব্যবস্থার দিকে ধাবিত হচ্ছে। বাংলাদেশও সেই অগ্রযাত্রার বাইরে নয়। ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ কোনো কাল্পনিক ধারণা নয়; এটি আমাদের বর্তমান অর্থনীতির অন্যতম বড় ভিত্তি এবং একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও গতিশীল অর্থনীতি গড়ে তোলার মূল চাবিকাঠি।"
তিনি আরও বলেন, "কাগজি টাকার ব্যবহার কমিয়ে কিউআর কোড, কার্ড, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করার এই রূপান্তর কেবল গ্রাহকদের জীবনকেই সহজ করছে না, বরং সমগ্র দেশের অর্থনীতিতে এক ইতিবাচক বিপ্লব আনছে।"
তিনি আরো বলেন, "পকেটে নগদ টাকা নিয়ে চলাচলের ঝুঁকি, চুরি বা ছিনতাইয়ের ভয় ক্যাশলেস ব্যবস্থায় একদমই থাকে না। ব্যাংকের দীর্ঘ লাইনে না দাঁড়িয়ে বা নগদ টাকা গোনার ঝামেলা ছাড়া মুহূর্তের মধ্যেই যেকোনো স্থান থেকে লেনদেন সম্পন্ন করা সম্ভব। প্রতিটি লেনদেনের একটি ডিজিটাল হিসাব বা ট্রেইল থাকে, যা অর্থপাচার ও জালিয়াতি প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং দেশের রাজস্ব বৃদ্ধি করে। আমাদের ফেনীর স্থানীয় ছোট ছোট ব্যবসায়ী, দোকানদার ও উদ্যোক্তারা বাংলা কিউআর ব্যবহারের মাধ্যমে খুব সহজেই ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারছেন। এরফলে তাদের আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সাথে যুক্ত হওয়া সহজ হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনডিএ)-র অফিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা নারায়ণগঞ্জকে পরিকল্পিত, আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন গতকাল এনডিএ অফিসের উদ্বোধন করেন। এই তথ্য বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেইজে প্রকাশ করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাসুকুল ইসলাম রাজীবসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : গুম প্রতিরোধ আইন, মানবাধিকার কমিশন আইন ও সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ন্যায়বিচারে।
সরকার গঠনের পর বিএনপি ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও মানবাধিকার সুরক্ষায় আইন সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এই প্রেক্ষাপটে জাতীয় সংসদের প্রথম তিন অধিবেশনে পাস হয়েছে শতাধিক আইন। এর মধ্যে গুম প্রতিরোধ আইন, মানবাধিকার কমিশন আইন ও সম্পত্তি হস্তান্তর আইন উল্লেখযোগ্য।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৬:
গুম প্রতিরোধ, দায়ী ব্যক্তির শাস্তি নিশ্চিতকরণ, ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার সংরক্ষণ এবং প্রতিকার প্রদানের লক্ষ্যে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
২০২৬ সালে পাস হওয়া ১০৭ নম্বর এই আইনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গুমের জন্য দায়ী ব্যক্তি অন্তত তিন বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবে এবং অতিরিক্ত অনধিক পঞ্চাশ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারে। যদি গুমের ফলে গুম হওয়া ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে বা গুম হওয়া ব্যক্তির লাশ পাওয়া যায় অথবা গুমের ঘটনার পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও তাকে জীবিত কিংবা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব না হয়, তাহলে গুমের জন্য দায়ী ব্যক্তি সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অন্যূন পাঁচ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবে এবং অতিরিক্ত অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
এছাড়া এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত এই আইনের অধীনে আরোপিত অর্থদণ্ডকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য করবে এবং ভুক্তভোগীকে উক্ত অর্থ প্রদান করবে। দণ্ডিত ব্যক্তির স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি থেকে অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায়যোগ্য হবে এবং এই ক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তির ওপর অন্যান্য দাবি অপেক্ষা অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণের দাবি প্রাধান্য পাবে। যদি দণ্ডিত ব্যক্তির স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি থেকে অর্থ আদায় সম্ভব না হয়, তাহলে রাষ্ট্র ভুক্তভোগীকে তা প্রদানে বাধ্য থাকবে।
আইনের ২৯ ধারায় বলা হয়েছে, গুম হওয়া ব্যক্তির দায় পরিশোধ, তার স্বামী বা স্ত্রী বা নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণ বা অন্য কোনো যৌক্তিক ব্যয় নির্বাহের উদ্দেশ্যে গুম হওয়া ব্যক্তির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ব্যবহার বা হস্তান্তরের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ ব্যয় নির্বাহের জন্য গুম সনদ ইস্যু করতে পারবে।
এছাড়া, যদি গুম হওয়া ব্যক্তি অন্যূন পাঁচ বছর ধরে গুম থাকেন এবং জীবিত ফিরে না আসেন, তাহলে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত গুম হওয়া ব্যক্তির বৈধ উত্তরাধিকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিদ্যমান সম্পত্তি বৈধ উত্তরাধিকারগণের মধ্যে বণ্টনযোগ্য ঘোষণা দিতে পারবে।
এদিকে, পাস হওয়া আইনে গুমকে স্বতন্ত্র, আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপস অযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কোনো সরকারি কর্মচারী বা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য যদি নিজে অথবা সরকারের সমর্থন, অনুমোদন বা সম্মতিতে কাউকে গ্রেফতার, আটক বা অপহরণ করে এবং তার স্বাধীনতা হরণের বিষয়টি অস্বীকার করে বা অবস্থান গোপন করে, তাহলে তা গুম হিসেবে গণ্য হবে।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের বিষয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বাসসকে বলেন, "গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে আমরা কিছু মৌলিক জায়গায় হাত দিয়েছি। তার একটি হলো গুমের শিকার পরিবার যেন তার সম্পত্তির ভাগ পায়। এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দরখাস্ত দিয়ে তারা সে প্রতিকার পাবেন।"
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, "গুমের দুইটা সেকশন আছে। একটা আইসিটিতে (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল) যাবে। যেটা সিস্টেমেটিক এন্ড ওয়াইড স্প্রেড গুম। আর যেটা অর্ডিনারি কোর্সে গুম হবে ২৪ ঘন্টার বেশি কাউকে অবৈধভাবে আটকে রাখলে, সেটা যাবে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে।"
গুম চিরতরে বন্ধ হবে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, "আমরা মনে করি এবং বিশ্বাস করি বাংলাদেশে গুম চিরতরে বন্ধ হবে। যেমন আপনারা দেখেছেন আমাদের এই সময়ে কোন গুম হয়নি।"
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন-২০২৬:
২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন রহিত করে 'জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন-২০২৬' পাস হয়েছে। নতুন আইনে মানবাধিকার কমিশনকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষমতা এবং সমন জারিসহ দেওয়ানি আদালতের কিছু ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্ষেত্রে কমিশনের তদন্তের সুযোগও রাখা হয়েছে।
মানবাধিকার কমিশন আইনের বিষয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, "মানবাধিকার কমিশন কোনো ফৌজদারি তদন্ত সংস্থা নয়। মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করাই বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার কমিশনের সাধারণ কাজ। ইতোমধ্যে আমি ইউএনডিপির কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভের কাছ থেকে একটা অভিনন্দন বার্তা পেয়েছি শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন করার জন্য। আমরা চেষ্টা করছি...।"
ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০২৬:
সম্পত্তি দান করার পরও দাতা জীবিত থাকা পর্যন্ত তা ভোগ করার অধিকার সংরক্ষণ করে 'ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০২৬' পাস করা হয়েছে। ‘জীবনকালীন ভোগাধিকার সংরক্ষণপূর্বক দান’ নামে সম্পত্তি হস্তান্তরের একটি নতুন পদ্ধতি এই আইনে যুক্ত করা হয়েছে। যেখানে সম্পত্তির মালিকানা গ্রহীতার কাছে গেলেও দাতা জীবিত থাকা পর্যন্ত সম্পত্তি ভোগ করতে পারবেন।
আলোচিত এই আইনটির বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, "আমাদের কেন? ইহজাগতিক কারোর ক্ষমতা নাই ইসলামিক ল' এর ওপর হাত দেওয়ার। আমরা সেখানে হাত দিইনি। আমরা হেবাকে সংরক্ষণ করেছি। আইনের মধ্যে এক্সপ্রেসলি সেটা বলেছি।"
আইনমন্ত্রী বলেন, "সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে একটা নতুন দিগন্ত আমরা উন্মোচন করলাম। আমরা বলেছি যে এই আইন দ্বারা হেবা কিংবা গিফট বা অন্য কোনভাবে সম্পত্তি হস্তান্তরকে বাধাগ্রস্ত করবে না বা ক্ষতিগ্রস্ত করবে না। আমরা এই আইনের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের একটা বিকল্প করোনারি আনছি। কেউ যদি হেবা করতে চায় হেবা করতেই পারবে। সেখানে কোন বাধা নাই। কেউ যদি অন্য আইনে সম্পত্তি ডিল করতে চান সেটা করতে পারবে। সেখানেও কোন বাধা নাই।"
তিনি আরো বলেন, "একটা গ্রুপ এটা নিয়ে পলিটিক্স করার চেষ্টা করছেন। এগুলো সাধারণ মানুষ গ্রহণ করছে না। সাধারণ মানুষ এই আইনটাকে খুব পজিটিভলি দেখছে।"
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন-২০২৬:
মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতির কথা উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, "মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে আমরা কঠোর আইন করেছি। এ বিষয়ে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি। আমরা সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে মাদক নির্মূলের ব্যবস্থা করছি। পাইলট প্রোগ্রাম হিসেবে ঝিনাইদহ জেলাকে রেখেছি এবং সেখানে ভালো সাড়া পাচ্ছি।"
এছাড়া আইনের ১৮(ক) ধারা বিলুপ্ত করে ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস করা হয়েছে। এই আইন পাসের ফলে একীভূতকরণের আওতায় যাওয়া কোনো ব্যাংকের আগের মালিক বা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী বিশেষ শর্ত পূরণ করে সেই ব্যাংকের মালিকানা, সম্পদ ও নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার সুযোগ পাবে না।
চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করে। সরকারের প্রথম সাতমাসে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া শতাধিক আইনের মধ্যে রয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধন) আইন, ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধন) আইন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন, বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন, বাণিজ্যিক আদালত আইন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) আইন, মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, জুয়া প্রতিরোধ আইন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আশুলিয়ার জামগড়ায় প্রীতি গ্রুপের কারখানা চত্বরে গ্যাস সিলিন্ডারবাহী কাভার্ড ভ্যান ও লরির বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর, অনুমোদনহীন পদ্ধতিতে গ্যাস পরিবহনকারী যানবাহনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় সিএনজি স্টেশনগুলো। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি একই সঙ্গে এ ধরনের যানবাহনে গ্যাস না দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সিএনজি অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক তানভীর রহমান এ বিষয়টি জানান। তিনি বাংলাদেশ সিএনজি অ্যাসোসিয়েশনের উত্তরা, আশুলিয়া, নবীনগর, বাইপাইল ও চন্দ্রা জোনের জোনাল সভাপতি এবং বাইপাইলে অবস্থিত টিএস সিএনজি রিফুয়েলিং অ্যান্ড কনভার্সন লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী।
তানভীর রহমান বলেন, "তিতাস আগে কাগজে-কলমে নিষেধ করলেও মৌখিকভাবে গ্যাস দিতে বলেছিল। কিন্তু কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় শেষ পর্যন্ত আমাদের ওপরই আসে। তাই আমরা আর এ ধরনের ঝুঁকির মধ্যে থাকতে চাই না।"
তিনি আরও বলেন, প্রীতি গ্রুপের ঘটনার পর আশুলিয়া অঞ্চলের তিতাস কার্যালয় থেকে সিএনজি স্টেশনগুলোকে পুনরায় চিঠি দিয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, অনুমতিহীন সিলিন্ডারবাহী যানবাহনে গ্যাস সরবরাহ না করা হয়।
তিতাস গ্যাসের আশুলিয়া জোনাল বিক্রয় অফিসের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আবু ছালেহ মুহাম্মদ খাদেমুদ্দীন জানান, "আমরা আগেও তাদের সতর্ক করেছি, এখনো করছি। প্রীতির ঘটনার পর আবারও সিএনজি স্টেশনগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর ব্যত্যয় হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, "সিএনজি স্টেশনগুলো মনিটরিংয়ের দায়িত্ব মূলত তিতাস ও বিস্ফোরক অধিদপ্তরের। এসব দপ্তর প্রশাসনিক সহযোগিতা চাইলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ