মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৮:৩০ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে সুবিধাবঞ্চিত ও অসচ্ছল মানুষের মাঝে উন্নত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা এবং ছানি অপারেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক) চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল বেলায় শহরের নামোশংকরবাটি ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে গাক-এর সিনিয়র পরিচালক ড. মো. মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকরামুল হক নাহিদ।
ক্যাম্পে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আসা বিভিন্ন এলাকার অসংখ্য রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপত্র দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া উন্নত চিকিৎসার অংশ হিসেবে ছানি পড়া রোগীদের বিনামূল্যে অপারেশনের জন্য বাছাই করা হয়।
আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানান, সমাজের অসচ্ছল ও প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত চক্ষু চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের কল্যাণে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশনের এই মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলায় আজ কলারোয়া উপজেলার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) -এর চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানকালে ভারতীয় শাড়ি, মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ওষুধ জব্দ করা হয়েছে।
আজ শনিবার কলারোয়া উপজেলার কাঁকডাঙ্গা, মাদরা ও চান্দুড়িয়া বিওপির আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত থেকে এসব মালামাল জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কাঁকডাঙ্গা বিওপির পৃথক দুটি বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি ও রাজ্জাকের মোড় নামক স্থান হতে ভারতীয় শাড়ি, মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ওষুধ এবং মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল একই উপজেলার ভাদিয়ালি নামক স্থান হতে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে।
এছাড়া, চান্দুড়িয়া বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার কাঁদপুর নামক স্থান হতে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ এবং ঔষধ জব্দ করে। জব্দকৃত ভারতীয় মালামালের সর্বমোট বাজার মূল্য আনুমানিক ছয়লাখ আট হাজার সাতশ’ টাকা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবি’র সাতক্ষীরা ব্যাটেলিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান জানান, জব্দকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমসে জমা দেয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, সিরাজগঞ্জের তাঁতশিল্পের ঐতিহ্য দীর্ঘদিনের। নতুন এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তাঁতিদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁতিরা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা থেকে বৃহৎ ব্যবসায়ীতে পরিণত হওয়ার সুযোগ পাবেন এবং দেশের অর্থনীতিতে আরও বেশি অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড নির্মিত তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টারের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আজ শনিবার এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরীফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ চারু ও কারুকলা বোর্ডের চেয়ারম্যান, সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি উপস্থিত ছিলেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও বলেন, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষতা উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেন, সিরাজগঞ্জ বাংলাদেশের তাঁতশিল্পের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। এ অঞ্চলে প্রায় ৫০ হাজার তাঁতি এবং লক্ষাধিক মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। সিরাজগঞ্জের তাঁতশিল্প শুধু স্থানীয় অর্থনীতির ভিত্তিই নয়, এটি দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার অনন্য প্রকাশ।
তিনি বলেন, নবনির্মিত তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টার দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, উদ্ভাবনী নকশার বিকাশ এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরির একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তরুণ-তরুণী ও তাঁতিরা কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সিরাজগঞ্জের লুঙ্গি ও গামছা ইতোমধ্যে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এ স্বীকৃতি বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরেছে। এখন পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত, আধুনিক নকশা উন্নয়ন, শক্তিশালী ব্র্যান্ডিং এবং আন্তর্জাতিক বাজারে এসব পণ্যের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার তাঁতশিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে কাজ করছে। সিরাজগঞ্জ তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আধুনিক যন্ত্রপাতি, প্রশিক্ষণ সুবিধা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর মাধ্যমে দক্ষ কারিগর ও উদ্যোক্তা তৈরি করা হবে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং নিয়মিত তদারকির ব্যবস্থাও রাখা হবে।
তিনি আরও জানান, তাঁতিদের জন্য সহজ শর্তে ৪ শতাংশ সুদে ঋণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রান্তিক তাঁতিরা উৎপাদন কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ পাচ্ছেন। ভবিষ্যতে আরও বেশি তাঁতিকে এ সহায়তার আওতায় আনা হবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সিরাজগঞ্জ সদর, কামারখন্দ, কাজীপুর ও তাড়াশ উপজেলার তাঁতিদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৮৭ সালে সিরাজগঞ্জ বেসিক সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে এ কেন্দ্রের আওতায় ৩৫টি প্রাথমিক এবং একটি মাধ্যমিক তাঁতি সমিতি রয়েছে। এ পর্যন্ত কেন্দ্রটির মাধ্যমে ২ হাজার ২৮২ জন তাঁতিকে প্রায় ১২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ঋণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্যবসা, শিল্প ও বাণিজ্যে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ করতে এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) উদ্যোগে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার শিরোনাম ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ব্লকচেইন : ব্যবসা, শিল্প ও বাণিজ্যের রূপান্তর’৷
রাজধানীর গুলশানে আজ শনিবার বিসিসিসিআই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে ব্যবসা, শিল্প, ব্যাংকিং, বাণিজ্য, উৎপাদন এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনা (লজিস্টিকস) খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ব্লকচেইন প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহার, সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করা হয়।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিসিসিসিআই সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, এ ধরনের আয়োজন চেম্বারের সদস্যদের আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক ধারণা প্রদান করতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি ব্যবসায় উদ্ভাবন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা অর্জনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাজ্যের ব্র্যাডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকৌশলে (সম্মান) ডিগ্রি ধারী এবং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট খন্দকার আতিক-ই-রাব্বানী। তিনি ব্যবসা, শিল্প ও বাণিজ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ব্লকচেইন প্রযুক্তির বর্তমান ব্যবহার, বৈশ্বিক প্রবণতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে বিশদে কথা বলেন।
প্রবন্ধ উপস্থাপনের পরে অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা ব্যাংকিং, বাণিজ্য, সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, কর্মসংস্থান এবং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন। তারা ব্যবসা ও শিল্পে প্রযুক্তির কার্যকর ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেন এবং বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ব্লকচেইন প্রযুক্তির বিস্তৃত প্রয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বিসিসিসিআই সেক্রেটারি জেনারেল, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, চেম্বারের সদস্য, ওভারসিজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (ওসিএআইবি)-এর প্রতিনিধিরা, ব্যবসায়ী নেতা, গণমাধ্যমকর্মী এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা।
সেমিনার শেষে বিসিসিসিআই জানায়, ভবিষ্যতেও উদীয়মান প্রযুক্তি বিষয়ে এ ধরনের জ্ঞানভিত্তিক আয়োজন অব্যাহত রাখা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও জোরদার করার জন্য কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সংগঠনটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-২ (পূবাইল) এলাকার সড়ক, ড্রেন ও ফুটপাত নির্মাণসহ ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মধ্যে ইছালী ব্রিজ থেকে পূবাইল কলেজ গেট পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন, পূবাইল থানা সড়ক থেকে নৈপাড়া সড়ক পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ, বিন্দান স্কুল সড়কের উন্নয়ন, হারবাইদ এলাকার বিভিন্ন সড়কের সংস্কার, কালু মার্কেট ও কলেরবাজার এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নির্মাণ, আরসিসি ড্রেন নির্মাণ, ফুটপাত নির্মাণ এবং বিভিন্ন সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আজ শনিবার গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ. কে. এম ফজলুল হক মিলন এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকারের উপস্থিতিতে এসব প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন সূত্র জানায়, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে পূবাইল অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে। দীর্ঘদিনের সড়ক এবং ড্রেনেজসংক্রান্ত ভোগান্তি দূর হওয়ার পাশাপাশি যান চলাচল আরও নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা নিরসনে এসব প্রকল্পও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচল সহজ হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূবাইল থানা বিএনপির সভাপতি মনির সিকদার বকুল, সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ সরকার, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন সরকার, সাবেক কাউন্সিলর সুলতান উদ্দিন আহমেদ, পূবাইল থানা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ও সাবেক কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম খান বিকি, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ হোসেন ভূঁইয়া, পূবাইল থানা মহিলা দলের সভাপতি শামীমা আক্তারসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ