সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩১ পি.এম
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ), নো ডেভেলপমেন্ট জোন এবং সংরক্ষিত পর্যটন এলাকার ভেতরে ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক নির্মাণের ওপর হাইকোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা আপিল বিভাগ বহাল রেখেছে।
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পিটিশনের শুনানি শেষে সর্বোচ্চ আদালত হাইকোর্টের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে এই নির্দেশ দেন।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) পক্ষে শুনানিতে অংশগ্রহণকারী জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আপিল বিভাগ হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, দুই সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করতে হবে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। এর আগে, বেলার করা একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণের ওপর আট সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।
সেদিন বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ একটি রুলও জারি করেন। রুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাওয়া হয়, কেন ওই সড়ক নির্মাণকাজ বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না এবং ইতোমধ্যে নির্মিত অংশগুলো অপসারণ করে সৈকত ও এর জীববৈচিত্র্য কেন আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে না।
রিট আবেদনে বেলা উল্লেখ করেছে, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) অর্থায়নে আরবান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড আরবান গভর্ন্যান্স প্রকল্পের আওতায় সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে হোটেল সায়মন পর্যন্ত এই সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবাদীরা প্রকল্পটির বিরোধিতা করে বলছেন, মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে বালিয়াড়ি। কিন্তু এই প্রকল্পের জন্য বালিয়াড়ি কেটে ফেলা হয়েছে, যা সামুদ্রিক লিলি, লাল কাঁকড়াসহ অন্যান্য সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল ধ্বংস করেছে।
বেলা আরও দাবি করেছে, এই নির্মাণকাজের মাধ্যমে কক্সবাজারের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় যেকোনো ধরনের উন্নয়নের ওপর সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া পূর্ববর্তী নিষেধাজ্ঞাও অমান্য করা হয়েছে।
শুনানির সময় বেলার আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী আদালতকে জানান, সৈকত এলাকাটি একটি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন অঞ্চল (ইসিএ)। ফলে সেখানে যেকোনো উন্নয়নকাজ শুরুর আগে পরিবেশগত ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু কর্তৃপক্ষ কেবল ভূমি ব্যবহারের অনুমতি নিয়েই পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া নির্মাণকাজ শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাস্টমস গোয়েন্দা নকল সিগারেট, প্রসেসড টোব্যাকো ও অ্যাসিটেট টো উদ্ধার করেছে, যেগুলো স্ট্যাম্প-ব্যান্ডরোলবিহীন ছিল।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) থেকে প্রাপ্ত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, কালিয়াকৈর এলাকায় অবৈধ ও নকল সিগারেট উৎপাদনের অভিযোগের ভিত্তিতে সিআইআইডি একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানের সময় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১-এর সদস্যরা কাস্টমস গোয়েন্দাকে সক্রিয়ভাবে সহায়তা প্রদান করে।
অভিযানে লাকি স্ট্রাইক, ডার্বি ও রয়্যালস ব্র্যান্ডের নকল সিগারেটের পাশাপাশি প্রসেসড টোব্যাকো এবং সিগারেট তৈরির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল অ্যাসিটেট টো উদ্ধার করা হয়।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, উদ্ধারকৃত সিগারেটের প্যাকেটে কোনো রাজস্ব স্ট্যাম্প বা ব্যান্ডরোল পাওয়া যায়নি। এই কারণে এসব সিগারেটের অবৈধ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব ফাঁকির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
এর আগে, কালিয়াকৈর উপজেলার পাঁচগাছী এলাকায় অবস্থিত শামস টোব্যাকোর বিরুদ্ধে ব্যান্ডরোলবিহীন/নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের অভিযোগ উঠেছিল।
তবে অভিযানে উদ্ধারকৃত নকল সিগারেট, প্রসেসড টোব্যাকো ও অ্যাসিটেট টোর সঙ্গে শামস টোব্যাকোর সম্পৃক্ততা এখনো চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলমান রয়েছে। উদ্ধারকৃত পণ্যের উৎস, উৎপাদন ও সরবরাহ-শৃঙ্খল, কাঁচামাল সংগ্রহের উৎস, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা এবং সম্ভাব্য রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণ যাচাই শেষে প্রকৃত দায়-দায়িত্ব নিরূপণ করা হবে।
তদন্তে যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা এবং রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার নিয়মে বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে, যা কার্যকর হবে চলতি মাসের ১৫ তারিখ থেকে।
এখন পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রে তাদের পড়াশোনার পুরো সময়কাল জুড়ে বৈধভাবে থাকার সুযোগ পেতেন। তবে, নতুন নিয়মের আওতায় এই প্রচলিত সুবিধাটি বাতিল করা হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার বিষয়বস্তু অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার জন্য দেশটিতে থাকার অনুমতি প্রদান করা হবে। ফর্ম আই-টোয়েন্টি বা ‘সার্টিফিকেট অব এলিজিবিলিটি ফর ননইমিগ্র্যান্ট স্টুডেন্ট স্ট্যাটাস’ ফর্মে উল্লেখিত পড়াশোনার সময়সীমার ভিত্তিতে এই মেয়াদ নির্ধারণ করা হবে। তবে, এই মেয়াদ চার বছরের বেশি হতে পারবে না।
নতুন নিয়মের ফলে শিক্ষার্থীদের দেশ ছাড়ার নিয়মেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটছে। পূর্বে, পড়াশোনা বা প্রশিক্ষণ শেষ করার পর যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার জন্য ৬০ দিনের সময়সীমা ছিল। নতুন নিয়মে এই সময়সীমা কমিয়ে ৩০ দিন করা হয়েছে।
এই ৩০ দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীকে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করতে হবে অথবা অন্য কোনো বৈধ উপায়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তন করতে হবে। তবে আগের নিয়মের মতো ক্লাস শুরুর অন্তত ৩০ দিন আগে দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ এখনও বহাল রয়েছে।
কিছু শিক্ষার্থীর জন্য এই নতুন সময়সীমায় বিশেষ কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। যেমন, ইংরেজি ভাষা শিখতে যাওয়া শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ ২৪ মাস এবং পাবলিক হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা স্কুল ছুটিসহ সর্বোচ্চ ১২ মাস সময় পাবেন।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি কোনো শিক্ষার্থী তাদের পড়াশোনা সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হন, তবে তাদের অতিরিক্ত সময়ের জন্য আবেদন করতে হবে। এর জন্য নির্দিষ্ট ফরম পূরণ, ফি প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এছাড়া, যাদের ভিসার মেয়াদ আছে, তারা চাইলে দেশ ঘুরে আসার মাধ্যমে নতুন মেয়াদের অনুমতি নিতে পারেন।
সার্বিকভাবে, যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের এখন থেকে পড়াশোনার সময়সীমা এবং কাগজপত্রের বিষয়ে অধিক সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে উপজেলা প্রশাসন একাদশ ও সাংবাদিক একাদশের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদ মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে সাংবাদিক একাদশকে ২-১ গোলে হারিয়ে জয়লাভ করে উপজেলা প্রশাসন একাদশ। খেলা ঘিরে উপজেলা পরিষদ মাঠে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক ও স্থানীয় দর্শকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
খেলার শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। মাঠজুড়ে ছিল টানটান উত্তেজনা ও প্রাণবন্ত পরিবেশ। শেষ পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন একাদশ ২-১ গোলের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে।
উপজেলা প্রশাসন একাদশে খেলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমজাদ হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মারুফ হোসেন, সাব-রেজিস্ট্রার তমাল আহমেদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহসীন আলম, নির্বাচন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, খাদ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আলম, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন শরীফ, উপজেলা প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক একরামুল হকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অন্যদিকে সাংবাদিক একাদশে অংশ নেন সন্দ্বীপ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফয়সাল, বিজয় টিভির ইসমাইল হোসেন মনি, মুক্তখবরের নজরুল ইসলাম, প্রথম আলোর আনোয়ার আবছার, গ্লোবাল টিভির রিয়াদুল মামুন সোহাগ, সন্দ্বীপ টিভির সায়েদ মহিন, সন্দ্বীপের কণ্ঠস্বরের আল আমিন, কালবেলার প্রতিনিধি মাহমুদুর রহমান,তালাশ বিডির প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম রিয়াদ, সন্দ্বীপ২৪-এর ফাহাদ চৌধুরী, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসাইন, সন্দ্বীপ সংযোগের ফসিউল আলম, আমার দেশ প্রতিনিধি শামসুল আজম মুন্নাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।
এ ছাড়া সন্দ্বীপে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অন্যান্য প্রতিনিধিরাও খেলায় অংশ নেন। এতে সাংবাদিকদের ব্যাপক অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
আয়োজকরা জানান, কর্মব্যস্ততার বাইরে সরকারি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের নিয়ে এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের মতো একটি বড় শিরোপা জেতার পরও স্পেন ও বার্সেলোনার তরুণ প্রতিভা লামিনে ইয়ামাল নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট হতে পারেননি। জাতীয় দলের সাফল্যে তার অবদান গুরুত্বপূর্ণ হলেও, ব্যক্তিগত প্রত্যাশার উচ্চতা এতটাই বেশি যে, ১৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের মধ্যে এখনও আক্ষেপ রয়েছে।
ইয়ামাল ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে একটি দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়েছেন। গত মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে তিনি ২৪ গোল করেছেন এবং ১৮টি অ্যাসিস্ট করেছেন। তার এই পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে কাতালান ক্লাবটি লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতেছে।
এরপর ইয়ামাল স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপও জিতেছেন। তবে বিশ্বকাপে আট ম্যাচ খেলে তার গোল ছিল মাত্র একটি এবং অ্যাসিস্টের সংখ্যা ছিল শূন্য। যদিও দলীয় সাফল্য এসেছে, কিন্তু নিজের পরিসংখ্যান এবং প্রত্যাশার তুলনায় পারফরম্যান্সের ঘাটতি তাকে হতাশ করেছে।
বিশ্বকাপে প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে না পারার জন্য ইয়ামাল চোটকে দায়ী করতে চান না। তিনি মনে করেন, চোট না থাকলেও তার পারফরম্যান্স একই রকম হতে পারত। এমনকি যদি আবার বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আসে, তবুও তিনি একইভাবে খেলতে পারবেন বলে বিশ্বাস করেন।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ইয়ামাল বলেছেন, বিশ্বকাপ জয়ের পরও তিনি পুরোপুরি খুশি হতে পারেননি। যদিও চোটের বিষয়টি সত্য, কিন্তু সেটি তার হতাশার কারণ নয় বলে তিনি স্পষ্ট করেছেন।
তবে ইয়ামালের দাবি, মাঠে তার অনেক অবদান রয়েছে, যা গোল কিংবা অ্যাসিস্টের পরিসংখ্যানে ধরা পড়ে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রতিপক্ষের একাধিক ডিফেন্ডারকে নিজের দিকে টেনে নিয়ে সতীর্থদের জন্য জায়গা তৈরি করার বিষয়টি। তার মতে, একজন কোচের জন্য এমন খেলোয়াড় বড় সম্পদ, যাকে আটকাতে প্রতিপক্ষকে একসঙ্গে একাধিক ডিফেন্ডার ব্যবহার করতে হয়।
নিজের পারফরম্যান্সের উন্নতির সুযোগ দেখছেন ইয়ামাল। তার মতে, অন্য কোনো খেলোয়াড় একই ধরনের পারফরম্যান্স করলে সেটিকে দারুণ বিশ্বকাপ বলা হতো। কিন্তু তিনি নিজের সামর্থ্য সম্পর্কে জানেন বলেই মনে করেন, আরও বেশি কিছু করা সম্ভব ছিল।
মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ইয়ামালের অর্জনের তালিকায় রয়েছে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, বিশ্বকাপ, তিনটি লা লিগা, দুটি স্প্যানিশ সুপার কাপ এবং একটি কোপা দেল রে। এত অল্প বয়সে এত সাফল্য পাওয়ার পরও তিনি থামতে চান না।
ফুটবল ইতিহাসের কিংবদন্তিদের প্রসঙ্গ টেনে ইয়ামাল লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, দিয়েগো ম্যারাডোনা ও পেলের নাম উল্লেখ করেছেন। তাদের মতো ইতিহাসে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করতে তিনি মনে করেন, এখনও অনেক পথ পারি দিতে হবে।
ইয়ামালের মতে, এত শিরোপা জেতার পর কেউ কেউ হয়ত ভাবতে পারেন, তিনি এবার কিছুটা ধীর হয়ে যাবেন। কিন্তু তার লক্ষ্য আরও বড়। ফুটবল ইতিহাসে নিজের স্থায়ী জায়গা তৈরি করতে এখনও অসংখ্য অর্জন বাকি রয়েছে—এমন বিশ্বাস নিয়েই এগিয়ে যেতে চান বার্সেলোনার এই তরুণ তারকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ