সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩১ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার নিয়মে বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে, যা কার্যকর হবে চলতি মাসের ১৫ তারিখ থেকে।
এখন পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রে তাদের পড়াশোনার পুরো সময়কাল জুড়ে বৈধভাবে থাকার সুযোগ পেতেন। তবে, নতুন নিয়মের আওতায় এই প্রচলিত সুবিধাটি বাতিল করা হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার বিষয়বস্তু অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার জন্য দেশটিতে থাকার অনুমতি প্রদান করা হবে। ফর্ম আই-টোয়েন্টি বা ‘সার্টিফিকেট অব এলিজিবিলিটি ফর ননইমিগ্র্যান্ট স্টুডেন্ট স্ট্যাটাস’ ফর্মে উল্লেখিত পড়াশোনার সময়সীমার ভিত্তিতে এই মেয়াদ নির্ধারণ করা হবে। তবে, এই মেয়াদ চার বছরের বেশি হতে পারবে না।
নতুন নিয়মের ফলে শিক্ষার্থীদের দেশ ছাড়ার নিয়মেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটছে। পূর্বে, পড়াশোনা বা প্রশিক্ষণ শেষ করার পর যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার জন্য ৬০ দিনের সময়সীমা ছিল। নতুন নিয়মে এই সময়সীমা কমিয়ে ৩০ দিন করা হয়েছে।
এই ৩০ দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীকে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করতে হবে অথবা অন্য কোনো বৈধ উপায়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তন করতে হবে। তবে আগের নিয়মের মতো ক্লাস শুরুর অন্তত ৩০ দিন আগে দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ এখনও বহাল রয়েছে।
কিছু শিক্ষার্থীর জন্য এই নতুন সময়সীমায় বিশেষ কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। যেমন, ইংরেজি ভাষা শিখতে যাওয়া শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ ২৪ মাস এবং পাবলিক হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা স্কুল ছুটিসহ সর্বোচ্চ ১২ মাস সময় পাবেন।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি কোনো শিক্ষার্থী তাদের পড়াশোনা সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হন, তবে তাদের অতিরিক্ত সময়ের জন্য আবেদন করতে হবে। এর জন্য নির্দিষ্ট ফরম পূরণ, ফি প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এছাড়া, যাদের ভিসার মেয়াদ আছে, তারা চাইলে দেশ ঘুরে আসার মাধ্যমে নতুন মেয়াদের অনুমতি নিতে পারেন।
সার্বিকভাবে, যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের এখন থেকে পড়াশোনার সময়সীমা এবং কাগজপত্রের বিষয়ে অধিক সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে উপজেলা প্রশাসন একাদশ ও সাংবাদিক একাদশের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদ মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে সাংবাদিক একাদশকে ২-১ গোলে হারিয়ে জয়লাভ করে উপজেলা প্রশাসন একাদশ। খেলা ঘিরে উপজেলা পরিষদ মাঠে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক ও স্থানীয় দর্শকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
খেলার শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। মাঠজুড়ে ছিল টানটান উত্তেজনা ও প্রাণবন্ত পরিবেশ। শেষ পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন একাদশ ২-১ গোলের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে।
উপজেলা প্রশাসন একাদশে খেলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমজাদ হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মারুফ হোসেন, সাব-রেজিস্ট্রার তমাল আহমেদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহসীন আলম, নির্বাচন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, খাদ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আলম, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন শরীফ, উপজেলা প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক একরামুল হকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অন্যদিকে সাংবাদিক একাদশে অংশ নেন সন্দ্বীপ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফয়সাল, বিজয় টিভির ইসমাইল হোসেন মনি, মুক্তখবরের নজরুল ইসলাম, প্রথম আলোর আনোয়ার আবছার, গ্লোবাল টিভির রিয়াদুল মামুন সোহাগ, সন্দ্বীপ টিভির সায়েদ মহিন, সন্দ্বীপের কণ্ঠস্বরের আল আমিন, কালবেলার প্রতিনিধি মাহমুদুর রহমান,তালাশ বিডির প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম রিয়াদ, সন্দ্বীপ২৪-এর ফাহাদ চৌধুরী, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসাইন, সন্দ্বীপ সংযোগের ফসিউল আলম, আমার দেশ প্রতিনিধি শামসুল আজম মুন্নাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।
এ ছাড়া সন্দ্বীপে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অন্যান্য প্রতিনিধিরাও খেলায় অংশ নেন। এতে সাংবাদিকদের ব্যাপক অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
আয়োজকরা জানান, কর্মব্যস্ততার বাইরে সরকারি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের নিয়ে এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের মতো একটি বড় শিরোপা জেতার পরও স্পেন ও বার্সেলোনার তরুণ প্রতিভা লামিনে ইয়ামাল নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট হতে পারেননি। জাতীয় দলের সাফল্যে তার অবদান গুরুত্বপূর্ণ হলেও, ব্যক্তিগত প্রত্যাশার উচ্চতা এতটাই বেশি যে, ১৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের মধ্যে এখনও আক্ষেপ রয়েছে।
ইয়ামাল ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে একটি দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়েছেন। গত মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে তিনি ২৪ গোল করেছেন এবং ১৮টি অ্যাসিস্ট করেছেন। তার এই পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে কাতালান ক্লাবটি লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতেছে।
এরপর ইয়ামাল স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপও জিতেছেন। তবে বিশ্বকাপে আট ম্যাচ খেলে তার গোল ছিল মাত্র একটি এবং অ্যাসিস্টের সংখ্যা ছিল শূন্য। যদিও দলীয় সাফল্য এসেছে, কিন্তু নিজের পরিসংখ্যান এবং প্রত্যাশার তুলনায় পারফরম্যান্সের ঘাটতি তাকে হতাশ করেছে।
বিশ্বকাপে প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে না পারার জন্য ইয়ামাল চোটকে দায়ী করতে চান না। তিনি মনে করেন, চোট না থাকলেও তার পারফরম্যান্স একই রকম হতে পারত। এমনকি যদি আবার বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আসে, তবুও তিনি একইভাবে খেলতে পারবেন বলে বিশ্বাস করেন।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ইয়ামাল বলেছেন, বিশ্বকাপ জয়ের পরও তিনি পুরোপুরি খুশি হতে পারেননি। যদিও চোটের বিষয়টি সত্য, কিন্তু সেটি তার হতাশার কারণ নয় বলে তিনি স্পষ্ট করেছেন।
তবে ইয়ামালের দাবি, মাঠে তার অনেক অবদান রয়েছে, যা গোল কিংবা অ্যাসিস্টের পরিসংখ্যানে ধরা পড়ে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রতিপক্ষের একাধিক ডিফেন্ডারকে নিজের দিকে টেনে নিয়ে সতীর্থদের জন্য জায়গা তৈরি করার বিষয়টি। তার মতে, একজন কোচের জন্য এমন খেলোয়াড় বড় সম্পদ, যাকে আটকাতে প্রতিপক্ষকে একসঙ্গে একাধিক ডিফেন্ডার ব্যবহার করতে হয়।
নিজের পারফরম্যান্সের উন্নতির সুযোগ দেখছেন ইয়ামাল। তার মতে, অন্য কোনো খেলোয়াড় একই ধরনের পারফরম্যান্স করলে সেটিকে দারুণ বিশ্বকাপ বলা হতো। কিন্তু তিনি নিজের সামর্থ্য সম্পর্কে জানেন বলেই মনে করেন, আরও বেশি কিছু করা সম্ভব ছিল।
মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ইয়ামালের অর্জনের তালিকায় রয়েছে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, বিশ্বকাপ, তিনটি লা লিগা, দুটি স্প্যানিশ সুপার কাপ এবং একটি কোপা দেল রে। এত অল্প বয়সে এত সাফল্য পাওয়ার পরও তিনি থামতে চান না।
ফুটবল ইতিহাসের কিংবদন্তিদের প্রসঙ্গ টেনে ইয়ামাল লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, দিয়েগো ম্যারাডোনা ও পেলের নাম উল্লেখ করেছেন। তাদের মতো ইতিহাসে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করতে তিনি মনে করেন, এখনও অনেক পথ পারি দিতে হবে।
ইয়ামালের মতে, এত শিরোপা জেতার পর কেউ কেউ হয়ত ভাবতে পারেন, তিনি এবার কিছুটা ধীর হয়ে যাবেন। কিন্তু তার লক্ষ্য আরও বড়। ফুটবল ইতিহাসে নিজের স্থায়ী জায়গা তৈরি করতে এখনও অসংখ্য অর্জন বাকি রয়েছে—এমন বিশ্বাস নিয়েই এগিয়ে যেতে চান বার্সেলোনার এই তরুণ তারকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধিদল। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) উপাচার্যের কার্যালয়ে পাঁচ সদস্যের এই প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করে।
এই সাক্ষাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষা প্রোগ্রামের সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের পরিচালক মি. সুগাহারা কিয়োয়ুকি। অন্য সদস্যরা হলেন—একই মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন নীতি বিভাগের পরিচালক মি. হারাদা তাকাসি, বাজেট বিষয়ক পরিচালক মি. তামাগাওয়া এইসুকে, ঢাকাস্থ জাপান দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি মি. আওয়াগি ইউ এবং জাইকার ট্রেজারি, অর্থ ও হিসাব বিভাগের মহাপরিচালক মি. সুজুকি কাজুয়া।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবছার কামাল, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনছারুল আলম এবং জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম জাপানকে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জীববিজ্ঞান, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মেসি এবং পরিবেশ বিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলোতে গবেষণাগারভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়নে জাপানের আরো সহায়তা প্রয়োজন বলে জানান।
পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জাপানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ ও বৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি প্রতিনিধিদলের সহযোগিতা কামনা করেন।
বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষা প্রোগ্রামের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন উপাচার্য। এ ছাড়া আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে জাপানি ভাষা শেখানোর জন্য জাপান থেকে শিক্ষক আনার বিষয়েও প্রতিনিধিদলের সহযোগিতা চান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ৬৫ বছর বয়সী মজিবর রহমানের মৃত্যু ঘটেছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশনের নিকটস্থ হলদিবাড়ি রেলগেটের দক্ষিণ পাশে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মজিবর রহমান জয়পুরহাট জেলার পশ্চিম দেবীপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে হলদিবাড়ি রেলগেটের দক্ষিণ পাশে ঢাকাগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে এসে পড়েন মজিবর রহমান। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
দুর্ঘটনার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে বিষয়টি পার্বতীপুর রেলওয়ে থানায় জানানো হয়। খবর পাওয়ার পর রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করে এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে।
পার্বতীপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুন নবী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কিভাবে মজিবর রহমান চলন্ত ট্রেনের সামনে পড়লেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্তের আওতায় রয়েছে এবং রেলওয়ে পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত করছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ