ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাই হামলা মামলার আসামি হয়েও রুয়েটে বহাল সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাইসুল ইসলাম রোজ


জুলাই হামলা মামলার আসামি হয়েও রুয়েটে বহাল সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাইসুল ইসলাম রোজ

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)-এর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রাইসুল ইসলাম রোজ, যিনি জুল মাসে হামলা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হয়েছেন, তবুও তিনি নিজ পদে বহাল রয়েছেন। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, তার কর্মস্থলে পুনরায় যোগদানপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। ২০০৮-২০০৯ শিক্ষাবর্ষে রুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী রাইসুল ইসলাম রোজ, সেই সময় আবাসিক হলে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগে আলোচনায় আসেন। পরবর্তীতে বিতর্কিত নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি রুয়েটের গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরে সেকশন অফিসার পদে যোগদান করেন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্টের হামলার ঘটনায় রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানায় একটি ফৌজদারি মামলায় রাইসুল ইসলাম রোজ এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৬, ৩০৭, ৩০২ ও ৫০৬ ধারাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ করা হয়েছে। মামলার পর, দীর্ঘ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার পর সম্প্রতি রুয়েটের রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষরিত ৫৫৭০ নম্বর স্মারকের বিজ্ঞপ্তিতে, কর্তব্য-কর্মে যোগদান প্রসঙ্গে শিরোনামে তার যোগদানপত্র গ্রহণ করেছেন বলেও জানানো হয়। এই বিষয়ে রুয়েটের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আরিফ আহমেদ চৌধুরী বক্তব্য রেখে বলেন, রাইসুল ইসলাম রোজের বিরুদ্ধে জুলাই হামলাসংক্রান্ত কোনো লিখিত নথি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে নেই। তিনি উল্লেখ করেন, কোনো মামলার ক্ষেত্রে তিনি এজাহারভুক্ত আসামি কি না— প্রশাসন সে বিষয়ে অবগত নয়। অভিযোগ ও প্রয়োজনীয় প্রমাণ পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের ২০২৩ সালের ৩১ আগস্টের অনুসন্ধান নথিতে, তৎকালীন রুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম সেখের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বেচ্ছাচারিতা এবং স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তালিকায় রাইসুল ইসলাম রোজের নামও উল্লেখ রয়েছে। জানা গেছে, একই জুলাই হামলা মামলার এজাহারভুক্ত আরও দুই ব্যক্তি, রফিকুল ইসলাম বিপু ও মুফতি মাহমুদ রনি, বর্তমানে রুয়েটে কর্মরত রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোমস্তাপুরে ৪ মাস পরও রাস্তার কাজ শেষ হয়নি, দুর্ভোগে রাধানগরবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


গোমস্তাপুরে ৪ মাস পরও রাস্তার কাজ শেষ হয়নি, দুর্ভোগে রাধানগরবাসী

গোমস্তাপুর উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের আক্কেলপুর বাজার থেকে রোকনপুর বিওপি পর্যন্ত রাস্তার কাজ শুরু হলেও, দীর্ঘ প্রায় ৪ মাস পেরিয়ে গেলেও তা এখনও শেষ হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অর্ধেক কাজ করে চলে যাওয়ার ফলে, বর্তমানে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন যে, রাস্তার সংস্কারের অংশ হিসেবে শুধুমাত্র খোয়া বিছিয়ে, প্রাইমিং (তেল ছিটানো) করার পর কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখনো মূল কার্পেটিং বা পিচ ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়নি। এর ফলে সড়কটি ধুলাবালি, গর্ত ও পাথরের কারণে চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী এবং যানবাহন চালকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

এলাকাবাসী জানান, যদি দ্রুত রাস্তার বাকি কাজ সম্পন্ন না করা হয়, তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ, কাজের অগ্রগতি তদারকি এবং দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা হলো, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত রাস্তার কার্পেটিং কাজ শেষ করে চলাচলের উপযোগী করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি মরদেহের পরিচয় শনাক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব কিশোরগঞ্জ

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ পি.এম


ভৈরবে মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি মরদেহের পরিচয় শনাক্ত

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। নিহত ব্যক্তি মো. মাসুদ মিয়া (৪২)। তিনি মৃত আসাদ মেম্বারের ছেলে। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার দিলালপুর ডাকঘরের আওতাধীন মাইজচর শ্যামপুরপাড়া গ্রামে।

জানা গেছে, মেঘনা নদী থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর মরদেহের পরিচয় শনাক্তে কাজ শুরু করে পুলিশ। পরে মরদেহের ছবি ও তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হলে স্বজনরা সেটি দেখে মরদেহটি মাসুদ মিয়ার বলে শনাক্ত করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি একটি রহস্যজনক মৃত্যু বলে ধারণা করা হলেও মরদেহ বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হওয়ায় হত্যার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।

এদিকে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।

পরিবারের দাবি, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তাদের মতে, এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার নিশ্চিত হলে ভবিষ্যতে এমন অপরাধ কমে আসবে এবং সাধারণ মানুষের আইনের প্রতি আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।

স্বজনদের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পুরো পরিবার শোক ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামিসার মায়ের চিকিৎসা অব্যাহত, পাশে থাকার আশ্বাস বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ পি.এম


রামিসার মায়ের চিকিৎসা অব্যাহত, পাশে থাকার আশ্বাস বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদকের

রামিসার শোকাহত মায়ের চিকিৎসা রাজধানীর এক বিশেষায়িত হাসপাতালে চলমান রয়েছে।

নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার রামিসার মায়ের যথাযথ চিকিৎসা অব্যাহত রাখার জন্য বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম আজ হাসপাতালে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, কন্যাশোকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া রামিসার মা ২৩ জুন অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ভর্তি হন। তার মানসিক আঘাতের পাশাপাশি পরিপাকতন্ত্র, স্নায়বিক সমস্যা ও অন্যান্য শারীরিক জটিলতা রয়েছে। হাসপাতাল ভর্তি হওয়ার পর তার এমআরআই, আল্ট্রাসনোগ্রামসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হয়েছে।

চিকিৎসকদের মতামত অনুযায়ী, রোগীর মানসিক অবস্থার উন্নয়নে ইতোমধ্যে দুই দফায় কাউন্সেলিং করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।

অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে রামিসার মা জানান, তিনি প্রতিদিন মেয়ের ডাক শুনতে পান। এই সময়ে রামিসার বাবা চিকিৎসকদের কাছে তার স্ত্রীর সুস্থতা কামনা করেন।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিবিড় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ফলে রামিসার মায়ের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে এখনও কিছু শারীরিক ও মানসিক জটিলতা বিরাজমান।

পরিবারের অনুরোধে এবং চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে আজ রামিসার ছোট বোনকে হাসপাতাল থেকে বাসায় পাঠানো হয়েছে, যাতে পরিবারের প্রয়োজনীয় দেখভাল করা সম্ভব হয়। তবে রামিসার মায়ের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও মানসিক পুনর্বাসনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এ সময় অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম রামিসার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালকিনির কানুরগাঁওয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে ক্ষোভ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাওয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাওন বল মাদারীপুর প্রতিনিধি

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ পি.এম


কালকিনির কানুরগাঁওয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে ক্ষোভ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাওয়া

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার বাশগাড়ি ইউনিয়নের কানুরগাঁও এলাকায় অবৈধভাবে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করা শুরু করেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এ কার্যক্রমের কারণে তাদের বসতভিটা, কৃষিজমি এবং স্থানীয় পরিবেশ বর্তমানে হুমকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে যে, কানুরগাঁও এলাকার বাসিন্দা কাসেম সিকদার ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন। তারা বলেছেন, এ কার্যক্রমের কারণে নদী ও খালের তীরবর্তী এলাকায় ভাঙনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অনেক পরিবার ক্ষতির আশঙ্কায় জীবন কাটাচ্ছে। এছাড়া, স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করে বলছেন, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এ কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে।

স্থানীয়দের মধ্যে যারা কিছুটা উদ্বিগ্ন, তারা সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাকির হোসেনের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন যে, তিনি বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে অবৈধ ড্রেজার কার্যক্রম বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন। পাশাপাশি, তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত চালিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, কাসেম সিকদার একসময় বাশগাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাকির হোসেনের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) হিসেবে কাজ করেছেন। তবে এ বিষয়ে সাবেক চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেছেন, "কাসেম সিকদার এখন আমার সঙ্গে নেই। অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে আমরা প্রশাসনের সাথে আলাপ করেছি। প্রশাসন এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।"

অন্যদিকে, কাসেম সিকদার যিনি তার বিরুদ্ধে উঠা অবৈধ ড্রেজার পরিচালনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফ উল আরেফীন জানিয়েছেন, "অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। যদি কোনো অভিযোগ আসে তাহলে আমরা তদন্ত করব এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। সকল অবৈধ ড্রেজার কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।"

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষায় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%