ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

শ্রীমঙ্গলে বড়ছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায়ের ২৪তম বার্ষিক সভা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ


শ্রীমঙ্গলে বড়ছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায়ের ২৪তম বার্ষিক সভা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বড়ছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের ২৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভার শেষে সমিতির সদস্যদের মধ্যে উপহার বিতরণ করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপকরণও প্রদান করা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের শহরশ্রী বাজারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সুফি মিয়া।

অনুষ্ঠানটি পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও গীতাপাঠের মাধ্যমে শুরু হয়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমিতির সভাপতি মো. মছদ্দর আলী এবং বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সমিতির সম্পাদক শেখ সবুজ আলম।

আরও পড়ুন: সিলেটের গণদাবি পরিষদের দাবি, প্যারিস-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট চালু হোক

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য দুরুদ আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নূরে আলম সিদ্দিকী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইয়াকুব আলী, শ্রীমঙ্গল পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মোছাব্বির আলী মুন্না, উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাকিব, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম এবং মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিছলু আহমেদ চৌধুরী।

সভায় জানানো হয় যে, ২০০২ সালে সাতটি গ্রাম নিয়ে বড়ছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে সমিতির সদস্যসংখ্যা ৯৪৮ জন। সমিতির কার্যক্রমের আওতায় পরিবহন, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, সবজি ও ধানবীজ উৎপাদন, গবাদিপশু পালন, পান উৎপাদন, মৎস্য চাষ, হাঁস-মুরগির খামার, ক্ষুদ্র ব্যবসা, নার্সারি ও কৃষি যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন খাতে ঋণ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব খাতে মোট ২ কোটি ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

সমিতির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বাজার ও হিমাগার স্থাপন, নিজস্ব ভবন ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র নির্মাণ, সদস্যদের শতভাগ প্রশিক্ষণের আওতায় আনা এবং গবাদিপশু ও মৎস্য খামার প্রতিষ্ঠা। এছাড়াও উপপ্রকল্প এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ, কীটনাশকমুক্ত সবজি উৎপাদন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: চকরিয়ায় গৃহবধূকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যা: স্বামী আটক

এ ছাড়া সদস্য ও স্থানীয় মানুষের জন্য বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতে মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা, অ্যাম্বুলেন্স সেবা এবং তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে সমিতির সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন উপহার এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কের পার্লামেন্ট সৌদি-পাকিস্তানের সঙ্গে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন করল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩১ এম


তুরস্কের পার্লামেন্ট সৌদি-পাকিস্তানের সঙ্গে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন করল

তুরস্কের পার্লামেন্ট সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন করেছে। এই চুক্তির আওতায়, যদি কোনো সদস্যদেশ আক্রান্ত হয়, তাহলে অন্য সদস্যদেশগুলোকে তার পাশে দাঁড়াতে হবে। এর মানে হলো, সদস্যদেশের ওপর হামলাকে অন্য সদস্যদেশগুলোর নিরাপত্তার জন্যও হুমকি হিসেবে দেখা হবে। চুক্তি কার্যকর হলে, ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তি তুরস্কও এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার, তুরস্কের পার্লামেন্টে চুক্তিটি অনুমোদিত হয়। এই অনুমোদন এসেছে এমন এক সময়ে, যখন সৌদি আরব ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হামলার মুখোমুখি।

গত আগস্টে, তুরস্ক প্রথমবারের মতো ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে স্বাক্ষর করে। এরপর, গত মাসে এটি অনুমোদনের জন্য পার্লামেন্টে পাঠানো হয়। বুধবার, আইনপ্রণেতারা চুক্তি অনুমোদনের জন্য আনা বিলের প্রথম অনুচ্ছেদ গ্রহণ করেন। তবে, পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার জেলাল আদান অধিবেশন মুলতবি করেন।

আনাদোলু সংবাদ সংস্থার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে অধিবেশন আবার শুরু হলে, আইনপ্রণেতারা চুক্তির বাকি অনুচ্ছেদগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। শেষ পর্যন্ত, ২৭৯ ভোটে চুক্তিটি অনুমোদিত হয়। বিপক্ষে ভোট পড়ে ১১৯টি। পার্লামেন্টের ৫৯২ সদস্যের মধ্যে ভোটে অংশ নেন ৩৯৮ জন।

রয়টার্সের দেখা তুরস্কের পার্লামেন্টে জমা দেওয়া নথি অনুযায়ী, চুক্তিতে মোট ১৬টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সদস্যদেশগুলোর কোনো একটির ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর হুমকি তৈরি হলে তা দূর করতে অন্য দেশগুলো ‘সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেবে। কোনো সদস্যদেশ আক্রান্ত হলে, এই অনুচ্ছেদ কার্যকর করা যাবে।

প্রথম অনুচ্ছেদ কার্যকর হওয়ার পর কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা ব্যাখ্যা করা হয়েছে দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে। এতে বলা হয়েছে, যদি কোনো সদস্যদেশ অন্য কোনো দেশ বা কয়েকটি দেশের সশস্ত্র হামলা কিংবা সামরিক আগ্রাসনের শিকার হয়, তাহলে বাকি সদস্যদেশগুলো অবিলম্বে আক্রান্ত দেশকে সহায়তা করবে। পারস্পরিক সহযোগিতার আওতায় থাকা সব ধরনের ব্যবস্থা এ ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হবে।

চুক্তির এই গুরুত্বপূর্ণ ধারা ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ন্যাটোর ওই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, জোটের কোনো একটি সদস্যদেশের ওপর হামলাকে সব সদস্যদেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

তুরস্ক একই সঙ্গে ন্যাটো ও মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির সদস্য হওয়ায়, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকেরা। তাদের আশঙ্কা, দুই জোটের মধ্যে কোনো স্বার্থের সংঘাত তৈরি হলে, সামরিক সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে তুরস্কের সরকার জটিলতায় পড়তে পারে। তবে, তুরস্কের কর্মকর্তারা এ ধরনের আশঙ্কাকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

চুক্তির অন্যান্য অনুচ্ছেদগুলোতে সদস্যদেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা এবং সামরিক সমন্বয় বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় প্রতিরোধক্ষমতা জোরদার করা। এ জন্য যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং রসদ ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের বিষয়ে একমত হয়েছে দেশগুলো।

তুরস্কের আইনপ্রণেতাদের অনুমোদিত খসড়া অনুযায়ী, চুক্তিতে অংশ নেওয়া দেশগুলো ১০ বছর এর সদস্য থাকবে। এরপর চাইলে কোনো দেশ চুক্তি থেকে বেরিয়ে যেতে পারবে। একই সঙ্গে বিদ্যমান সদস্যদেশগুলোর সম্মতি নিয়ে নতুন দেশকে চুক্তিতে যুক্ত করার সুযোগও রাখা হয়েছে। সিরিয়ার সরকার ইতোমধ্যে এ চুক্তিতে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তবে, পার্লামেন্টে চুক্তি অনুমোদনের অর্থ এই নয় যে, হুথিদের হামলার মুখে সৌদি আরবে তুরস্কের সেনা মোতায়েন নিশ্চিত হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তুরস্কের সেনা পাঠাতে হলে, এ অনুমোদনের বাইরে আরো কিছু আইনগত ও সংসদীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলের গত অক্টোবরে বলেছিলেন, চুক্তি অনুমোদনের পর সৌদি আরবকে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে, তার পরিধি নির্ধারণ করা হবে।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যমের বরাতে গুলের বলেন, “হুথিদের সঙ্গে কোনো সংঘাতে জড়ানোর বিষয়টি আমরা একেবারেই বিবেচনা করছি না।”

তার ভাষায়, সৌদি আরবকে তুর্কির সম্ভাব্য সহায়তার উদ্দেশ্য হবে দেশটির প্রতিরোধক্ষমতা শক্তিশালী করা।

২০২২ সালে যুদ্ধবিরতির পর সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে উত্তেজনা কিছুটা কমেছিল। তবে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সৌদি আরবে হামলা বাড়িয়েছে হুথিরা। বিশেষ করে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ধারাবাহিক প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে তারা।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ ঘিরেও অঞ্চলটিতে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই সংঘাত সীমান্তবর্তী দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা আরো বাড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার সৌদি আরব জানিয়েছে, তারা মদিনা অঞ্চলে একটি ড্রোন প্রতিহত করেছে। এর আগে রিয়াদ একাধিকবার অভিযোগ করেছে, হুথিরা ইসলামের পবিত্র দুই শহর মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে, ইরান সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশেদ খানের দাবি, আমির হামজার কাছে নারীসংক্রান্ত অডিও ও ভিডিও আছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩২ এম


রাশেদ খানের দাবি, আমির হামজার কাছে নারীসংক্রান্ত অডিও ও ভিডিও আছে

কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য আমির হামজার সম্পর্কে কিছু ‘নারীসংক্রান্ত অডিও ও ভিডিও’ পাওয়ার দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি জানান, এসব অডিও-ভিডিও যাচাই করে তথ্যের সত্যতা তিনি নিশ্চিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে রাশেদ খান এই দাবি প্রকাশ করেন। পোস্টে তিনি আমির হামজার একটি কথোপকথনের অংশ শেয়ার করেন। এছাড়া, তার পোস্টের মন্তব্যের ঘরে সেই অডিওর লিংকও যুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী।

রাশেদ খান পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াত এমপি আমির হামজার নারীঘটিত কিছু ভিডিও ও অডিও আমার কাছে এসেছে। আমি সেগুলো ফ্যাক্ট চেকিং করে তথ্যের সত্যতা পেয়েছি। নিচে আমির হামজার কথোপকথনের যৎসামান্য দেওয়া হলো। এ ছাড়া কমেন্ট বক্সে অডিও লিংক যুক্ত করা হয়েছে। দেখি জামায়াত এবার আমির হামজার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করে।’

পোস্টে উল্লেখিত কথোপকথনে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘একদম হুলুস্থুলু করে ফেলল বিষয়টা। বিষয়টা একটু ঘোলাটে হয়ে গেল। আমি আপনাদের এত ক্ষমা চাওয়া, মাফ চাওয়ার পরও আপনারা বললেন, কন্ট্রোলে আছে, কিছু হবে না আমার দ্বারা, আপনার কোনো ক্ষতি হবে না।’

কথোপকথনে ওই ব্যক্তিকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘আপনাদের ওপর আমার কোনো রাগ, ক্ষোভ, অভিমান—কিছুই নেই। ওটুকু আমার শয়তানের ধোঁকায় হোক, নফসের জালে হোক, হয়ে যাওয়ার পর আমি নিজেই অনুতপ্ত। অন্যায় করার পর অনুতপ্ত হলে মানুষ তো অন্তত মাফ করার কথা। আপনারা ইসলামি মাইন্ডের মানুষ হলে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি বললাম, যদি সুযোগ পাই, লাইনে গেলে হয়তো সাইফুল স্যারকে সঙ্গে নিয়ে আপনাদের বাড়িতে একদিন যাব। অ্যান্টি-আঙ্কেলের কথা, তাদের হাত-পা ধরে দরকার হলে মাফ চেয়ে নেব। এই পর্যন্তই।’

তবে রাশেদ খানের পোস্ট এবং কথিত অডিও-ভিডিওর সত্যতা স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে বিলুপ্তপ্রায় নীলগাই পরিবারে নতুন চার অতিথি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩২ এম


গাজীপুরে বিলুপ্তপ্রায় নীলগাই পরিবারে নতুন চার অতিথি

গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত সাফারি পার্কে বিলুপ্তপ্রায় নীলগাই পরিবারের নতুন চার সদস্যের আগমনে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। গত এক মাসের মধ্যে পার্কের হরিণ সাফারি এলাকায় চারটি শাবকের জন্ম হয়েছে। নতুন অতিথিদের দেখার জন্য দর্শনার্থীদের মধ্যে, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে, ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

শাবকগুলো মায়ের সঙ্গে খুনসুটি করতে এবং সাফারির অন্যান্য প্রাণীদের সঙ্গে ছোটাছুটি করে সময় কাটাচ্ছে। তাদের স্বাভাবিক চলাফেরা ও প্রাণবন্ত উপস্থিতি দর্শনার্থীদের জন্য বাড়তি আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

পার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চারটি শাবকই সুস্থ এবং নিয়মিত মায়ের দুধ পান করছে। তবে তাদের বয়স কম হওয়ায় এখনো তাদের লিঙ্গ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। জন্মের পর নিরাপত্তার কারণে বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানানো হয়নি।

গাজীপুর সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক তারেক রহমান জানিয়েছেন, কোর সাফারি এলাকায় মাস দেড়েক আগে প্রথমবারের মতো মায়ের সঙ্গে নতুন চারটি শাবককে বিচরণ করতে দেখা যায়। এরপর থেকেই তাদের প্রতি বিশেষ যত্ন ও দৃষ্টি রাখা হচ্ছে। একজন কর্মীকে সর্বদা তাদের দেখভালের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বিভিন্ন সময়ে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নীলগাই উদ্ধার করে গাজীপুর সাফারি পার্কে আনা হয়। এর ফলে সেখানে বেশ কয়েকটি শাবকের জন্ম হয়েছে।

বর্তমানে পার্কে ১১টি নীলগাই ছিল, এর মধ্যে দুটি কক্সবাজারের ডুলাহাজরা সাফারি পার্কে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। নতুন শাবক চারটি যোগ হওয়ায় বর্তমানে পার্কে নীলগাইয়ের সংখ্যা ১৩টিতে দাঁড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই বিপ্লবোত্তর চাকসুর সফলতা ও ব্যর্থতা বিশ্লেষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ এম


জুলাই বিপ্লবোত্তর চাকসুর সফলতা ও ব্যর্থতা বিশ্লেষণ

‘৯টি ফোকাস পয়েন্ট ও ১২ মাসে ৩৩ সংস্কার’Ñএই স্লোগানকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনের জন্য ইশতেহার ঘোষণা করেছিল ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’। আবাসন ও যাতায়াত সংকট সমাধান, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার, অটোমেশন, নারীবান্ধব ক্যাম্পাস, মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ৩৩টি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে প্যানেলটি।

গত বছরের ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সপ্তম চাকসু নির্বাচনে ২৬ পদের মধ্যে ২৪টিতে জয়ী হন এই প্যানেলের প্রার্থীরা। পরে ২৩ অক্টোবর শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন শুরু করেন নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরা। গত ২৩ অক্টোবর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের এক বছরের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। তবে মেয়াদ শেষে কিছু বিষয়ে সফলতা থাকলেও, ইশতেহারের পূর্ণ বাস্তবায়ন তাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি।

চাকসু নেতাদের দেওয়া তথ্য, দায়িত্ব পালনকালে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এক বছরের কার্যক্রমে অনেক ছোট প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলেও বড় প্রতিশ্রুতিগুলো এখনো পরিকল্পনা ও প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে। চাকসু নেতারা মনে করেন, বড় প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এক বছর যথেষ্ট সময় নয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট সমাধানে হলগুলোতে বর্ধিত অংশ ও টিনশেড নির্মাণের মাধ্যমে অন্তত ১০ শতাংশ নতুন আবাসন বাড়ানোর পাশাপাশি বহুতলবিশিষ্ট নতুন হল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল। তবে দায়িত্বের এক বছর পার হলেও এসব প্রতিশ্রুতি পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হয়নি।

চাকসু নেতাদের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে নতুন করে মাত্র ২০০ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থীর আবাসন সুবিধা বাড়াতে অবকাঠামোগত সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে। অন্যদিকে, এক হাজার আসনের একটি ছাত্রী হল নির্মাণের বাজেট অনুমোদন এবং ১০ তলাবিশিষ্ট পাঁচটি ছাত্র হল ও পাঁচটি ছাত্রী হল নির্মাণের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

যাতায়াতব্যবস্থায় অগ্রগতি

শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে শাটল ট্রেনের সংখ্যা ও বগি বাড়ানো, শহর থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত রেলের দ্বিতীয় লাইন স্থাপনের প্রকল্প গ্রহণ, শাটল ট্র্যাকার অ্যাপ চালু, ই-কারের সংখ্যা বাড়ানো, শহরের বিভিন্ন প্রান্তে শাটল বাস এবং পাশের উপজেলাগুলোতে বাস সার্ভিস চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল।

এর মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছে চাকসু। তবে রেলের দ্বিতীয় লাইন স্থাপনের প্রস্তাব রেলপথ মন্ত্রণালয়ে অনুমোদন পেলেও তা বাস্তবায়নে সময় লাগবে। পাশাপাশি বিনামূল্যে শাটল বাস সার্ভিস চালুর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলেও জানা গেছে।

স্বাস্থ্যসেবা এবং সুযোগ-সুবিধায় অগ্রগতি

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারকে ২৫ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করা, চিকিৎসক ও অ্যাম্বুলেন্সের সংখ্যা বৃদ্ধি, অপারেশন থিয়েটার স্থাপন এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে মেডিকেল হেল্পলাইন চালুসহ বেশকিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল প্যানেলটি।

প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে বিনামূল্যে প্রায় ৪,০০০ শিক্ষার্থীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে এবং ১২টি আবাসিক হলে মেডিসিন কর্নার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবায় ৫০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পাশাপাশি তিনটি অ্যাম্বুলেন্স বৃদ্ধি, মিনি অপারেশন থিয়েটার চালু, ওষুধের পরিমাণ ও বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং নারী-পুরুষ চিকিৎসকসহ ২০টি নতুন পদ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অন্যদিকে ২৫ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণ ও স্বাস্থ্যবীমা চালুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন চাকসু নেতারা।

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে আবাসিক হলগুলোর ডাইনিং, ক্যান্টিন ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার হোটেলগুলোতে খাবারের মান ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত তদারকি করা হয়েছে। পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা এবং বিভিন্ন আবাসিক হলে ডিপ ফ্রিজ ও বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার স্থাপন করা হয়েছে।

নারী শিক্ষার্থীদের জন্য দেওয়া প্রতিশ্রুতির মধ্যে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প, স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন এবং তিন অনুষদের ক্যান্টিনে পৃথক ফিমেল জোন চালু করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে নারীদের নামাজের স্থান, যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ সেল শক্তিশালী এবং সাইবার বুলিং প্রতিরোধে পৃথক সেল গঠনের উদ্যোগও নিয়েছে প্যানেলটি।

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে নামাজের স্থান, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে জেনারেটর এবং পর্যাপ্ত ফ্যান ও লাইট সংযোজন করা হয়েছে।

১৪টি হলের লাইব্রেরিতে চাকরির প্রস্তুতিমূলক এবং উচ্চশিক্ষাবিষয়ক বই সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে তিনটি ডেস্কটপ কম্পিউটার, দুটি ল্যাপটপ ও দুটি ফটোকপি মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। তিন হলের রিডিংরুমে এসি স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া টিএসসি নির্মাণের বাজেট অনুমোদন হয়েছে। আবাসিক হলে প্রয়োজনীয় শরীরচর্চা সরঞ্জাম সরবরাহের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি বিভাগের ল্যাবরেটরির উন্নয়নে দুই কোটি টাকা বরাদ্দের ব্যবস্থা এবং ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে ইসলামী ব্যাংকের ডুয়েল কারেন্সি ডেবিট কার্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম, সার্টিফিকেট উত্তোলনসংক্রান্ত সফটওয়্যার ও ১০টি উচ্চ কনফিগারেশনের কম্পিউটার নিয়ে ডিজিটাল লার্নিং হাব স্থাপন করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স, এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের জন্য মাসিক বৃত্তি এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য এককালীন বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতিতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

তবে চাকসু নির্বাচন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল। এছাড়া ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, অন-ক্যাম্পাস জব চালু এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি সিকিউরিটি ফোর্স গঠনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি।

যা বলছেন শিক্ষার্থী ও ছাত্রনেতারা

শিক্ষার্থীরা জানান, চাকসু নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে বেশকিছু উদ্যোগ বাস্তবায়িত হওয়ায় তারা সন্তুষ্ট। এছাড়া যেকোনো প্রয়োজনে ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে চাকসু নেতাদের কাছে নিজেদের সমস্যা তুলে ধরার সুযোগও তৈরি হয়েছে। তবে আবাসন সংকট সমাধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা হতাশ।

ছাত্রশিবির প্রতিশ্রুতির নামে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে উল্লেখ করে সপ্তম চাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় বলেন, তারা ২৮ হাজার শিক্ষার্থীর আবাসন সংকট সমাধান, উপজেলাভিত্তিক বাস চালু ও মেডিকেল সেন্টারকে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল করার ইশতেহার বাস্তবায়ন করেনি। নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানি ও নির্যাতনের ঘটনায় দৃশ্যমান শাস্তি নিশ্চিত করতে পারেনি। তারা মূলত চাকসুর মাধ্যমে তাদের মাদার পার্টিকে সার্ভ করেছে।

শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি রোমান রহমান বলেন, চাকসুর সদ্য সাবেক কমিটি চাকসু নির্বাচন একাডেমিক ক্যালেন্ডারভুক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে চাকসুকে আমি আংশিক সফল বলব। তারা এক বছর সময়ের মধ্যে কিছু কাজ করেছে।

চাকসুর সাঈদ বিন হাবীব বলেন, আমরা আমাদের ইশতেহারের সব বিষয় নিয়ে কাজ করেছি। কিছু কাজ হয়তো ছয় মাস কিংবা এক বছর পর দৃশ্যমান হবে। আমরা ইশতেহারের বাইরে গিয়ে কয়েকটি হলের রিডিংরুমে এসিও স্থাপন করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া বাজেটের বাইরেও স্পন্সর ম্যানেজ করে এবং ব্যক্তি উদ্যোগে এসব কাজ সম্পন্ন করেছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%