ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

চীন বাংলাদেশের ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হয়ে থাকবে : হুমায়ুন কবির


চীন বাংলাদেশের ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হয়ে থাকবে : হুমায়ুন কবির

শি জিনপিং, চীনের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন-দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নে চীনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, চীন বাংলাদেশের ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হয়ে থাকবে।

এমন তথ্য পাওয়া যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের শেষ দিনে, যেখানে স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে গ্রেট হলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পরে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বেইজিংয়ে হোটেল ‘দিয়াওইউতাই’ এ এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, গ্রেট হল অব দ্য পিপলে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রেসিডেন্ট শি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের যাত্রায় চীন একটি ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৫৫৫ জন আটক

হুমায়ুন কবির আরও জানান, প্রেসিডেন্ট শি জোর দিয়েছেন যে, দুই দেশের বন্ধুত্ব ও অংশীদারত্ব সাময়িক নয় বরং তা চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নে হবে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার। প্রেসিডেন্ট শি প্রত্যাশা করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর বাংলাদেশের উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

তাঁর উপদেষ্টা আরও জানালেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক রূপান্তর, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, তা বাস্তবায়নে চীন সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

হুমায়ুন কবির বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন-ভাবনার প্রশংসা করেছেন এবং তার নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা ব্যক্ত করেছেন।

তিনি জানান, চীন ব্রিকসে (BRICS) যোগদান এবং সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) অংশীদার হওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব (RCEP) নিয়ে বাংলাদেশের স্বার্থের প্রতিও সমর্থন জানিয়েছে, যা বাংলাদেশের জন্য বৃহত্তর আঞ্চলিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

আরও পড়ুন: ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মাইক্রোবাস-কাভার্ড ভ্যান সংঘর্ষে ৯ জন আহত

হুমায়ুন কবির বলেন, চীনের রাজনৈতিক কাঠামোয় অত্যন্ত প্রভাবশালী নেতা হিসেবে বিবেচিত ঝাও লেজি, তিনি পলিটব্যুরো স্ট্যান্ডিং কমিটির তৃতীয় সর্বোচ্চ সদস্য এবং তার পদমর্যাদা অনেকটা পার্লামেন্টের স্পিকারের সমতুল্য।

বৈঠকে ঝাও লেজি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রতি চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন বলেও জানান হুমায়ুন কবির।

উপদেষ্টা আরও বলেন, ঝাও বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরেন এবং দেশের উন্নয়ন কর্মসূচি এগিয়ে নিতে চীনের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

তিনি জানান, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও নদী ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে চীনা নেতার সঙ্গে।

আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে ১১ বছরের মাদরাসাছাত্র নিহত

হুমায়ুন কবির বলেন, ঝাও লেজি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এমন একজন ঘনিষ্ঠ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন, সাথে চীন আরও নিবিড়ভাবে কাজ করতে আগ্রহী।

ঝাওকে উদ্ধৃত করে হুমায়োন কবির বলেন, বাংলাদেশ ও চীন একসাথে কাজ করলে তারা বৈশ্বিক দক্ষিণের (গ্লোবাল সাউথ) স্বার্থ ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্বকারী একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে পরিণত হতে পারে। এ থেকেই বোঝা যায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই ঐতিহাসিক সফরকে চীনের নেতৃত্বের সব স্তরে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, চীনা ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকগুলো থেকে কয়েক বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য বিনিয়োগ আসতে পারে।

বিনিয়োগের পাশাপাশি রেয়াতি ঋণ ও অনুদান নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বরের চেতনায় ভারতীয় আধিপত্যবাদ রুখে দিতে হবে: রাশেদ প্রধান

হুমায়ুন কবির বলেন, বিশ্বজুড়ে অনুদানভিত্তিক অর্থায়ন ক্রমেই সীমিত হয়ে আসছে। এর মধ্যে চীন ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সফরের সার্বিক মূল্যায়নে তিনি একে ‘ঐতিহাসিক’ ও ‘রূপান্তরমূলক’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, ‘এই সফর শুধু ঐতিহাসিকই নয়, এটি একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব, বাংলাদেশের উন্নয়ন-দৃষ্টিভঙ্গি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে তার ভাবনা বিশ্ব নেতাদের কাছে আরও গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘চীন সফরটি ভবিষ্যতে একবার ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে, যেখান থেকে বাংলাদেশ অঞ্চল ও বিশ্বের বুকে আরও ইতিবাচক ও শক্তিশালী প্রভাব বিস্তার করতে পারবে।’

আরও পড়ুন: আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগদান করেন প্রধানমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্যাতনের শিকারদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনে সংসদীয় বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ পি.এম


নির্যাতনের শিকারদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনে সংসদীয় বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হচ্ছে নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং মানসিক সহায়তা প্রদান করা।

তিনি আজ ‘নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে মায়ের ডাক আয়োজিত ‘ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার বিষয়ক জাতীয় সংলাপ’-এ সভাপতির বক্তব্যে এ বিষয়টি তুলে ধরেন।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আরও বলেন, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সরকার, বিচার বিভাগ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে একত্রে কাজ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এখন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার উপযুক্ত সময় এসেছে। রাষ্ট্রকে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারকে যথাযথ মর্যাদায় দাঁড় করানোর জন্য কাজ করতে হবে। এ লক্ষ্যে একটি সংসদীয় বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানান তিনি।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষা করা হচ্ছে সংবিধান ও আইনের শাসনের মূল লক্ষ্য। কোন ব্যক্তি যখন নির্যাতনের শিকার হয় তখন শুধুমাত্র অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করা যথেষ্ট নয়; ভুক্তভোগীর শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে ভুক্তভোগীদের জন্য কার্যকর সহায়তা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

তিনি বলেন, নির্যাতনের কারণে অনেক ব্যক্তি ও পরিবার দীর্ঘমেয়াদি মানসিক আঘাত, সামাজিক বঞ্চনা এবং অর্থনৈতিক সংকটে পড়েন। এ কারণেই ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনকে কেবল আইনি প্রতিকার হিসেবে নয়, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার একটি অপরিহার্য অংশ হিসেবে দেখা উচিত। তিনি ভুক্তভোগীদের জন্য আইনি সহায়তা, কাউন্সেলিং, চিকিৎসাসেবা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেন।

ডেপুটি স্পিকার আরো জানান, নারীর প্রতি সহিংসতা, শিশু নির্যাতন, মানবপাচার, হেফাজতে নির্যাতন এবং অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এ বিষয়ে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, মানবিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তুলে নির্যাতনমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব।

কায়সার কামাল এ বিষয়ে আরো মন্তব্য করেন যে, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুসরণ করে নির্যাতন প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের অধিকার সুরক্ষায় বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা গ্রহণ করেছে। এই আইনসমূহের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি আরও সহজ করা দরকার। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি পর্যায়ে পুনর্বাসন কর্মসূচির পরিধি আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, যারা গুম-খুনের সঙ্গে জড়িত, তাদের প্রত্যেকের প্রকাশ্যে বিচার হওয়া উচিত।

তিনি আরও যোগ করেন, গুমের তদন্ত চলমান রাখতে বাজেট বরাদ্দও অব্যাহত রাখা হবে। বর্তমান সরকার গুমের বিচারের লড়াইয়ে ভুক্তভোগীদের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকতে চায়। এছাড়া তিনি ভুক্তভোগী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন।

সংলাপে অংশ নেন আনিছুর রহমান এমপি, মীর আহমাদ বিন কাসেম এমপি, আমিনুল ইসলাম এমপি, আবদুল্লাহ আল আমিন এমপি, তাহসিনা রুশদীর এমপি, সানজিদা ইসলাম তুলি এমপি, গুমের শিকার ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ, এবং মায়ের ডাকের সভাপতি। তারা নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের জন্য কার্যকর ক্ষতিপূরণ কাঠামো প্রণয়ন, পুনর্বাসন তহবিল গঠন, আইনি সহায়তা সম্প্রসারণ এবং ভুক্তভোগীবান্ধব বিচারপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করার ওপর জোর দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে ইউএনডিপির প্রতিনিধি, মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী, বিচারক, শিক্ষাবিদ, উন্নয়নকর্মী, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, গণমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেপটিক ট্যাংকে নেমে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ পি.এম


সেপটিক ট্যাংকে নেমে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

চট্টগ্রামের রাউজানে নির্মাণাধীন একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে বিষাক্ত গ্যাসের কারণে দুই নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরের সময় উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ঝিকুটি পাড়া এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে একজন হলেন রাউজানের কচুখাইন এলাকার বাসিন্দা প্রদীপ দাশ এবং অপরজন হলেন পাশের বোয়ালখালী উপজেলার কদুরখিল এলাকার বাসিন্দা সমীরণ দাশ।

জানা গেছে যে, ঝিকুটি পাড়া এলাকায় রতন ডাক্তারের নির্মাণাধীন বাড়িতে কাজ চলছিল। এক পর্যায়ে, দুপুরে প্রদীপ দাশ নামে এক শ্রমিক সেপটিক ট্যাংকে কাজ করার জন্য নিচে নামেন। কিন্তু দীর্ঘকাল বন্ধ থাকা ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে তাকে উদ্ধার করতে সমীরণ দাশ নিচে নামলে তিনিও বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে ট্যাংকের ভেতরে অচেতন হয়ে পড়েন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের রাউজান স্টেশনের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সেপটিক ট্যাংকে কাজ করার সময় একজন শ্রমিক নিচে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধারের জন্য আরেকজন নিচে নামেন। পরবর্তী সময় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে দুজনই অচেতন হয়ে পড়েন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেসামরিক পদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশাল নিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


বেসামরিক পদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশাল নিয়োগ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ১৩ থেকে ২০ গ্রেডে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বেসামরিক শাখায় ৩২১ ক্যাটাগরিতে মোট ৫৪৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ২৩ জুলাই ২০২৬।

চাকরির বিবরণ
মোট পদসংখ্যা: ৫৪৮
গ্রেড: ১৩তম থেকে ২০তম
বয়সসীমা
১ জুন ২০২৬ তারিখে ১৮–৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ডাকযোগে বা সরাসরি আবেদন করতে হবে। খামের ওপর পদের নাম, নিজ জেলা ও কোটা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

আবেদন ফি
২০০ টাকা (পে–অর্ডার/ ব্যাংক ড্রাফট)।

আবেদনের শেষ তারিখ
২৩ জুলাই ২০২৬

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একটি শক্তিশালী সাইবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


একটি শক্তিশালী সাইবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

দেশের দ্রুত গতির ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে টেকসই এবং নিরাপদ করার জন্য সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল ট্রাস্ট নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

একইসাথে, একটি শক্তিশালী জাতীয় সাইবার প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প এবং মিডিয়া অংশীজনদের একত্রিত হয়ে কাজ করার জন্য তিনি আহ্বান জানান।

আজ শুক্রবার, রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এই সামিটের মূল আয়োজক হিসেবে কাজ করছে ‘দ্য টিম ফিনিক্স গ্রুপ’।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজ একটি দ্রুতগতির ডিজিটাল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলছে। আমাদের দৈনন্দিন জীবন, আর্থিক ব্যবস্থা, মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, শিক্ষা এবং ব্যবসা-বাণিজ্য আজ অনেক বেশি প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠেছে। তবে এই পরিবর্তনের সাথে সাথে সাইবার নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল ট্রাস্ট আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে অথবা ডিজিটাল সেবার প্রতি মানুষের আস্থা হ্রাস পেলে আমাদের পুরো অগ্রগতি বিপর্যস্ত হতে পারে। তাই একটি জাতীয় সাইবার প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং দায়িত্বশীল ডিজিটাল রূপান্তর নিশ্চিত করতে সকল অংশীজনকে যুক্ত হয়ে কাজ করতে হবে।

তথ্যের স্বচ্ছতা এবং জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সাইবার নিরাপত্তা শুধু প্রাতিষ্ঠানিক কারিগরি বিষয় নয়, এটি সর্বসাধারণের সচেতনতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

তিনি জানান, আমরা যদি আমাদের নাগরিকদের সাইবার অপরাধ ও গুজব সম্পর্কে সচেতন করতে ব্যর্থ হই, তবে ডিজিটাল রূপান্তরের সুফল সবার কাছে পৌঁছাতে পারবো না।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী দৃঢ় আশাবাদ প্রকাশ করেন যে, আজকের এই প্ল্যাটফর্মটি আমাদের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হিসেবে কাজ করবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সবসময় এই ধরনের দূরদর্শী উদ্যোগের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক রেফাত উল্লাহ খান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শ্যাডোসার্ভার ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পিওত্র কিজেউস্কি।

এই চমৎকার ও দূরদর্শী উদ্যোগটি আয়োজক সংস্থা ‘দ্য টিম ফিনিক্স গ্রুপ’ (টিটিপিজি)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম শামীম রেজা এবং কৌশল ও রূপান্তর উপদেষ্টা মো. আবদুল্লাহ ফরিদকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানানো হয়।

সম্মেলনে দেশ-বিদেশ থেকে আগত বিপুল সংখ্যক সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, সরকারি-বেসরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%