বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৬ এম
বরিশাল নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দৈনিক বরিশাল মুখপত্রের বার্তা সম্পাদক সাংবাদিক আসাদুজ্জামান মুরাদ ও যুগ্ম বার্তা সম্পাদক সাইফুল অপূর্বর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিএনপি নেতা পরিচয় দেওয়া বাবুল মোহরীর নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি তাদের ঘিরে ধরে মারধর করেন। এতে দুই সাংবাদিক আহত ও রক্তাক্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
হামলার সময় তাদের ‘ভুয়া সাংবাদিক’ ও ‘আওয়ামী লীগের লোক’ আখ্যা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। একপর্যায়ে তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে সংঘর্ষের ধারণ করা ভিডিও মুছে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
এ ঘটনায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান মুরাদ কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
আওয়ামী লীগ আমলে দীর্ঘদিন দলিল লেখক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক
বাবুল মোহরীর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের টানা প্রায় ১৬ বছরের শাসনামলে বাবুল মোহরী দলিল লেখক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পদে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই সময় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ।
দীর্ঘ ১৬ বছরে বিএনপির কোনো সভা-সমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল-মিটিংয়ে বাবুল মোহরীকে কোনোভাবেই দেখা যায়নি** বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। অথচ ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি নিজেকে বিএনপির বড় ও ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন—আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ ১৬ বছরের সময়ে বিএনপির কোনো সভা-সমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল-মিটিংয়ে যাকে দেখা যায়নি, তিনি কীভাবে এখন নিজেকে দলের বড় ও ত্যাগী নেতা হিসেবে দাবি করছেন?
সাংবাদিকদের অভিযোগ, সেই বাবুল মোহরীর নেতৃত্বেই এবার তাদের ‘আওয়ামী লীগের লোক’ আখ্যা দিয়ে হামলা করা হয়েছে।
সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় হামলা
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্বের অংশ হিসেবে আসাদুজ্জামান মুরাদ ও সাইফুল অপূর্ব ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করছিলেন। এ সময় বাবুল মোহরীর নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি তাদের ঘিরে ধরেন বলে অভিযোগ।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের দাবি, তাদের মারধর করে আহত করা হয় এবং একপর্যায়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তারা ঘটনাস্থল থেকে সরে আসেন। হামলাকারীরা তাদের পেশাগত পরিচয় নিয়েও অপমানজনক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
হামলাকারীদের মধ্যে নিজেদের ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিরাও ছিলেন বলে দাবি করেছেন সাংবাদিকরা।
ভুক্তভোগীদের দাবি, তারা কোনো রাজনৈতিক পক্ষের হয়ে নয়, সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করছিলেন। তাদের ওপর হামলা, পেশাগত পরিচয় নিয়ে অপমান এবং মোবাইল ফোন থেকে ধারণ করা ভিডিও মুছে দেওয়ার অভিযোগে সাংবাদিক মহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে। বরিশালের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
হামলার ঘটনায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান মুরাদ কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে লিখিত বার্তা পাঠিয়ে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং হামলার ঘটনায় তার ভূমিকা সম্পর্কে বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তিনি কোনো লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য দেননি। এ ছাড়া মুঠোফোনে যোগাযোগের একপর্যায়ে কলটি কেটে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ নির্ধারিত খাতের বাইরে অন্য কোনো খাতে ব্যয় না করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায়কৃত অর্থ খাত পরিবর্তন করে ব্যয় না করার বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক চিঠিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট নির্দেশনার আলোকে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায়কৃত টাকা খাত পরিবর্তন করে ব্যয় না করার সতর্কতা অবলম্বনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ৪টি জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, পিরোজপুর জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদকে টাঙ্গাইল জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া, অর্থ বিভাগের উপসচিব মো. হুমায়ুন কবিরকে নীলফামারী জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, অর্থ বিভাগের আরেক উপসচিব মোস্তফা আনোয়ারুল করিমকে পটুয়াখালী জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানীকে পিরোজপুর জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বর্তমান সভাপতি হলেন মহসিন নাকভি। তার মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করা হচ্ছে। গুঞ্জন রয়েছে যে, নাকভির মেয়াদ যদি না বাড়ে, তাহলে আগামী বছরের এপ্রিল মাসে এসিসির সভাপতির চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল।
২০২৭ সালের এপ্রিল মাসে এসিসির সভাপতি হিসেবে মহসিন নাকভির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য নির্বাহী বোর্ডের সর্বসম্মত সমর্থন প্রয়োজন। তবে সূত্রের বরাত দিয়ে ক্রিকবাজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নাকভির পক্ষে সেই সমীকরণ মেলানো প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এশিয়ার পাঁচ পূর্ণ সদস্যদেশের মধ্যে প্রতি দুই বছর পরপর এসিসির সভাপতির দায়িত্ব ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এবারের পালা বাংলাদেশের। বিসিবির প্রধান তামিম ইকবালও এই দায়িত্ব নিতে আগ্রহী এবং এসিসিকে তার মনোভাবের কথা জানিয়ে দিয়েছেন।
এসিসির নির্বাহী বোর্ডে সদস্য হিসেবে রয়েছে ভারত, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। নিয়ম অনুযায়ী, মার্চ থেকে মার্চ পর্যন্ত সভাপতির মেয়াদ নির্ধারিত হলেও মহসিনের ক্ষেত্রে তা ২০২৭ সালের ২ এপ্রিল শেষ হবে। তবে এর আগে মেয়াদ বাড়ানোর নজিরও রয়েছে।
গত বছর তৃতীয় দফায় দায়িত্ব পালন করেছিলেন জয় শাহ। কিন্তু সে ক্ষেত্রে সকল সদস্যের পূর্ণ ঐকমত্য ছিল। শ্রীলংকা ক্রিকেট তাদের পালা এক বছর পেছাতে রাজি হয়েছিল বলেই তা সম্ভব হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে মহসিনের বিরোধের কারণে অন্তত তিনটি পূর্ণ সদস্যদেশ তার মেয়াদ বাড়ানোর বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারে।
ক্রিকবাজের সঙ্গে আলাপকালে এসিসির এক সদস্য বর্তমান পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, ‘নানা জল্পনা থাকতে পারে, কিন্তু নাকভির মেয়াদ ২০২৭ সালের এপ্রিলে শেষ হবে। এরপর বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার কথা এবং এসিসির সদস্যদের মধ্যে এমন একটি ধারণা আছে যে তামিম দায়িত্ব নিতে আগ্রহী। নাকভি হয়তো যুক্তি দিতে পারেন, গত বছর এজিএম হয়েছিল আগস্টে, তখন এসিসির অন্য পদগুলোর নির্বাচন হয়নি; নির্বাচন হয়েছে এ বছর আগস্টে। কিন্তু এসিসি সভাপতির মেয়াদের সঙ্গে এজিএমের কোনো সম্পর্ক নেই।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়িতে সংঘটিত মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলায় প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য সুলতান-উল-কবির চৌধুরীকে আসামি করার ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। মৃত্যুর প্রায় একযুগ পর একটি ঘটনার মামলায় তার নাম আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (বাঁশখালী) আদালতে ৪০ বছর বয়সী পারভীন আক্তার নামের এক নারী একটি নালিশী দরখাস্ত দাখিল করেন।
মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আরও ৩০ জনের বিরুদ্ধে ১৪৩/ ৪৪৮/ ৩২৩/ ৩২৫ /৩০৭/ ৪২৭/ ৩৭৯/ ৩৮০/ ৩৮৫/ ৩৮৭/ ৩৫৪/ ৫০৬(২) দণ্ডবিধি ১৮৬০ ধারায় নালিশী দরখাস্তটি দাখিল করা হয়েছে। আসামির তালিকায় ১৩ নম্বরে সুলতান-উল-কবির চৌধুরী (৫৫) পিতা মৃত ফজুল কবির চৌধুরীর নাম উল্লেখ রয়েছে। তবে সাবেক এই সংসদ সদস্য ১২ বছর আগে মৃত্যুবরণ করেছেন।
মামলার প্রধান আসামি ইয়াসিন আরাফাত চৌধুরী (৪৫) জানান, মামলার যে ঘটনার তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে, সে সময় তিনি শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোতে ছিলেন। একইসঙ্গে তিনি জানান, তার জেঠা ১৩ বছর আগে মারা গেছেন, তাকেও আসামি করা হয়েছে, যা হাস্যকর।
মামলার নথির একটি কপিতে দেখা যায়, আসামিদের তালিকায় সুলতান উল কবির চৌধুরীর নাম রয়েছে এবং নথিতে তার বয়সও উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে পুঁইছড়িতে মারামারির ঘটনা ঘটে এবং পরবর্তীতে মামলাটি দায়ের করা হয়। ওই মামলার আসামিদের তালিকায় প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য সুলতান-উল-কবির চৌধুরীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তবে এই ঘটনায় সবচেয়ে বেশি আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে। সুলতান-উল-কবির চৌধুরী ২০১৪ সালের ৩০ জুন মৃত্যুবরণ করেন। অর্থাৎ, ২০২৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বরের ঘটনার প্রায় ১২ বছর তিন মাস আগে তিনি মারা যান। ফলে মৃত্যুর একযুগ পর সংঘটিত একটি ঘটনার মামলায় তার নাম আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্নজন প্রশ্ন তুলেছেন। অনেকেই মামলার এজাহারে প্রয়াত সাবেক এমপির নাম কীভাবে অন্তর্ভুক্ত হলো, তা নিয়ে আলোচনা করছেন।
স্থানীয়দের কেউ কেউ বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করার দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে মামলার এজাহার প্রণয়ন ও আসামিদের নাম অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়ায় কোনো ভুল হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক বলেন, "আমি শুনেছি তবে মামলার কপি এখনও থানায় আসেনি, আসার পর দেখা যাবে কী করা যায়।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ