বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৯ এম
শেরপুর পৌর শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের বাগানবাড়ি এলাকায় পৌর আইন লঙ্ঘন করে বাড়ি নির্মাণের সময় একটি দেয়াল ধসে পাশ্ববর্তী বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে ভূক্তভোগি পরিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাগানবাড়ি এলাকার মো. খোকন এবং তার স্ত্রী মোছা. রুমা পারভিন পৌর আইন অমান্য করে বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ করছেন। পাশের বাড়ির লোকজন তাদের নিষেধ করলেও তারা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। শনিবার বিকেলে নির্মাণাধীন ভবনের তিনতলার একটি দেয়াল পাশের টিনশেড বাড়ির উপর পড়ে যায়, যার ফলে বাড়িটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক রওশন আরা পারভিন জানান, অল্পের জন্য তাদের পরিবার প্রাণে বেঁচে গেছে। তবে নির্মাণাধীন বাড়ির মালিক মো. খোকন বলেন, "আমি নিয়ম মেনেই বাড়ির কাজ করছি। তবে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে এই দূর্ঘটনায় পাশের বাড়ির যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, আমি তা পূরণ করে দিবো।"
এদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণ কাজের সময় ইট, বেলচা বা অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী নিচে পড়ে যেন কারো ক্ষতি না হয়, এজন্য কোন নেট বা কাপড় ব্যবহার করা হয়নি। ফলে তারা আশঙ্কা করছেন যে, যেকোন সময় বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. আশিক খান জানান, "অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দৈনিক বরিশাল মুখপত্রের বার্তা সম্পাদক সাংবাদিক আসাদুজ্জামান মুরাদ ও যুগ্ম বার্তা সম্পাদক সাইফুল অপূর্বর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিএনপি নেতা পরিচয় দেওয়া বাবুল মোহরীর নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি তাদের ঘিরে ধরে মারধর করেন। এতে দুই সাংবাদিক আহত ও রক্তাক্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
হামলার সময় তাদের ‘ভুয়া সাংবাদিক’ ও ‘আওয়ামী লীগের লোক’ আখ্যা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। একপর্যায়ে তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে সংঘর্ষের ধারণ করা ভিডিও মুছে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
এ ঘটনায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান মুরাদ কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
আওয়ামী লীগ আমলে দীর্ঘদিন দলিল লেখক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক
বাবুল মোহরীর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের টানা প্রায় ১৬ বছরের শাসনামলে বাবুল মোহরী দলিল লেখক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পদে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই সময় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ।
দীর্ঘ ১৬ বছরে বিএনপির কোনো সভা-সমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল-মিটিংয়ে বাবুল মোহরীকে কোনোভাবেই দেখা যায়নি** বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। অথচ ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি নিজেকে বিএনপির বড় ও ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন—আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ ১৬ বছরের সময়ে বিএনপির কোনো সভা-সমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল-মিটিংয়ে যাকে দেখা যায়নি, তিনি কীভাবে এখন নিজেকে দলের বড় ও ত্যাগী নেতা হিসেবে দাবি করছেন?
সাংবাদিকদের অভিযোগ, সেই বাবুল মোহরীর নেতৃত্বেই এবার তাদের ‘আওয়ামী লীগের লোক’ আখ্যা দিয়ে হামলা করা হয়েছে।
সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় হামলা
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্বের অংশ হিসেবে আসাদুজ্জামান মুরাদ ও সাইফুল অপূর্ব ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করছিলেন। এ সময় বাবুল মোহরীর নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি তাদের ঘিরে ধরেন বলে অভিযোগ।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের দাবি, তাদের মারধর করে আহত করা হয় এবং একপর্যায়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তারা ঘটনাস্থল থেকে সরে আসেন। হামলাকারীরা তাদের পেশাগত পরিচয় নিয়েও অপমানজনক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
হামলাকারীদের মধ্যে নিজেদের ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিরাও ছিলেন বলে দাবি করেছেন সাংবাদিকরা।
ভুক্তভোগীদের দাবি, তারা কোনো রাজনৈতিক পক্ষের হয়ে নয়, সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করছিলেন। তাদের ওপর হামলা, পেশাগত পরিচয় নিয়ে অপমান এবং মোবাইল ফোন থেকে ধারণ করা ভিডিও মুছে দেওয়ার অভিযোগে সাংবাদিক মহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে। বরিশালের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
হামলার ঘটনায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান মুরাদ কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে লিখিত বার্তা পাঠিয়ে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং হামলার ঘটনায় তার ভূমিকা সম্পর্কে বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তিনি কোনো লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য দেননি। এ ছাড়া মুঠোফোনে যোগাযোগের একপর্যায়ে কলটি কেটে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ নির্ধারিত খাতের বাইরে অন্য কোনো খাতে ব্যয় না করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায়কৃত অর্থ খাত পরিবর্তন করে ব্যয় না করার বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক চিঠিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট নির্দেশনার আলোকে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায়কৃত টাকা খাত পরিবর্তন করে ব্যয় না করার সতর্কতা অবলম্বনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ৪টি জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, পিরোজপুর জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদকে টাঙ্গাইল জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া, অর্থ বিভাগের উপসচিব মো. হুমায়ুন কবিরকে নীলফামারী জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, অর্থ বিভাগের আরেক উপসচিব মোস্তফা আনোয়ারুল করিমকে পটুয়াখালী জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানীকে পিরোজপুর জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বর্তমান সভাপতি হলেন মহসিন নাকভি। তার মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করা হচ্ছে। গুঞ্জন রয়েছে যে, নাকভির মেয়াদ যদি না বাড়ে, তাহলে আগামী বছরের এপ্রিল মাসে এসিসির সভাপতির চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল।
২০২৭ সালের এপ্রিল মাসে এসিসির সভাপতি হিসেবে মহসিন নাকভির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য নির্বাহী বোর্ডের সর্বসম্মত সমর্থন প্রয়োজন। তবে সূত্রের বরাত দিয়ে ক্রিকবাজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নাকভির পক্ষে সেই সমীকরণ মেলানো প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এশিয়ার পাঁচ পূর্ণ সদস্যদেশের মধ্যে প্রতি দুই বছর পরপর এসিসির সভাপতির দায়িত্ব ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এবারের পালা বাংলাদেশের। বিসিবির প্রধান তামিম ইকবালও এই দায়িত্ব নিতে আগ্রহী এবং এসিসিকে তার মনোভাবের কথা জানিয়ে দিয়েছেন।
এসিসির নির্বাহী বোর্ডে সদস্য হিসেবে রয়েছে ভারত, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। নিয়ম অনুযায়ী, মার্চ থেকে মার্চ পর্যন্ত সভাপতির মেয়াদ নির্ধারিত হলেও মহসিনের ক্ষেত্রে তা ২০২৭ সালের ২ এপ্রিল শেষ হবে। তবে এর আগে মেয়াদ বাড়ানোর নজিরও রয়েছে।
গত বছর তৃতীয় দফায় দায়িত্ব পালন করেছিলেন জয় শাহ। কিন্তু সে ক্ষেত্রে সকল সদস্যের পূর্ণ ঐকমত্য ছিল। শ্রীলংকা ক্রিকেট তাদের পালা এক বছর পেছাতে রাজি হয়েছিল বলেই তা সম্ভব হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে মহসিনের বিরোধের কারণে অন্তত তিনটি পূর্ণ সদস্যদেশ তার মেয়াদ বাড়ানোর বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারে।
ক্রিকবাজের সঙ্গে আলাপকালে এসিসির এক সদস্য বর্তমান পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, ‘নানা জল্পনা থাকতে পারে, কিন্তু নাকভির মেয়াদ ২০২৭ সালের এপ্রিলে শেষ হবে। এরপর বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার কথা এবং এসিসির সদস্যদের মধ্যে এমন একটি ধারণা আছে যে তামিম দায়িত্ব নিতে আগ্রহী। নাকভি হয়তো যুক্তি দিতে পারেন, গত বছর এজিএম হয়েছিল আগস্টে, তখন এসিসির অন্য পদগুলোর নির্বাচন হয়নি; নির্বাচন হয়েছে এ বছর আগস্টে। কিন্তু এসিসি সভাপতির মেয়াদের সঙ্গে এজিএমের কোনো সম্পর্ক নেই।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ