সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪২ পি.এম
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দুনিয়ায় বলিউড অভিনেত্রী টুইংকেল খান্নার সাম্প্রতিক মন্তব্যটি নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। মুঘল ইতিহাসের সাথে জনপ্রিয় ভারতীয় খাবারের সম্পর্ক স্থাপন করে তিনি যে মন্তব্য করেছেন, সেটি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
নেটপ্রভাবী সীমা খের টুইংকেলের বক্তব্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।
খাবার এবং এর উপকরণ নিয়ে চলমান বিতর্কের প্রেক্ষাপটে টুইংকেল লিখেছেন, ‘যাঁরা ইতিহাসের বই থেকে মুঘলদের মুছে ফেলতে চান, তাঁদের প্রথমে দুপুরের খাবারে বদল আনতে হবে। কোফতা, কোর্মা, কাবাব—এসব খাওয়া ছেড়ে দিন। মুঘলাই পনির খেয়ে তো সেটা হবে না।
একই সঙ্গে দুটো কাজ করতে পারবেন না।’
টুইংকেলের মন্তব্যটি মূলত শ্লেষাত্মক হলেও সীমা খেরসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অনেকেই এটি ভালোভাবে নেননি। টুইংকেলকে উদ্দেশ্য করে সীমা একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, ইতিহাসের একটি হিংসাত্মক অধ্যায়কে বোঝাতে খাবারের উদাহরণ টানা কোনোভাবেই হাস্যকর বা উপযুক্ত নয়।
নিজের বক্তব্যের শুরুতেই সীমা লেখেন, ‘নৃশংস ইতিহাসের সঙ্গে খাবারের তুলনা করা বা দুটিকে এক করে দেখা মজারও নয়, যুক্তিসংগতও নয়।
এরপর সীমা টুইংকেলের স্বামী এবং অভিনেতা অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘কেশরী’ সিনেমার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।
সারাগঢ়ীর যুদ্ধের ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটি সম্পর্কে তিনি লেখেন, “সারাগঢ়ীর যুদ্ধের উপর তৈরি হয়েছিল ‘কেশরী’। ঠিক এই কারণেই এমন গল্প নিয়ে ছবি তৈরি করার প্রয়োজন হয়েছিল, কারণ আমাদের স্কুলের বইয়ে এই ধরনের ঘটনা প্রায় পড়ানোই হয়নি। আর হ্যাঁ, আপনার স্বামী এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এমনকি, বলা হয়, ছবিটি দেখে আপনি কেঁদেছিলেন এবং একে দুর্দান্ত ছবি বলেছিলেন।
তাহলে সেই ছবি আপনাকে ওই সময়ের হিংসার কথা মনে করিয়ে দিলেও পরের দিন থেকে আপনি কি মুরগির নানা পদ খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন?”
এখানেই সীমা থেমে থাকেননি। ভারতের ইতিহাসের অন্ধকার অধ্যায় নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে খাবারকে কেন যুক্তি হিসেবে সামনে আনা হচ্ছে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
সীমার কথায়, “আপনি যদি ঐতিহাসিক রক্তপাতের ঘটনা নিয়ে তৈরি ছবি দেখতে পারেন, যাঁরা লড়াই করেছিলেন তাঁদের সাহসকে স্বীকার করতে পারেন এবং তার পরেও নিশ্চিন্তে খাবার উপভোগ করতে পারেন, তা হলে এখন এই প্রসঙ্গে হঠাৎ খাবারকে যুক্তি হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে কেন?”
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া। সীমা খেরের মতো অনেকেই টুইঙ্কেলের মন্তব্যের সমালোচনা করলেও তাঁর অনুরাগীদের একাংশ বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন।
তাদের মতে, টুইংকেলের বক্তব্য ছিল নিছক ব্যঙ্গ ও রসিকতার ছলে বলা, তাই সেটিকে আক্ষরিক অর্থে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। ফলে মন্তব্যটি ঘিরে বিতর্ক এখনো অব্যাহত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ এক দশক পর, দেব ও শুভশ্রী জুটির পরিচিত রসায়ন আবারও পর্দায় ফিরে আসছে। ‘দেশু ৭’-এর প্রথম গান ‘তোর শুধু তোর’ প্রকাশের পর, পুরনো প্রেমের স্মৃতিতে অনুরাগীরা বুঁদ হয়ে পড়েছেন।
লাদাখের পাহাড়ি সৌন্দর্যের মাঝে দুই তারকার রোমান্টিক মুহূর্ত যেন ‘চ্যালেঞ্জ’ ও ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’-র নস্ট্যালজিয়া ফিরিয়ে আনছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায়, দেব ও শুভশ্রী তাঁদের আসন্ন সিনেমার প্রথম গান ‘তোর শুধু তোর’ মুক্তির ঘোষণা দেন। দেশু জুটির রোমান্টিক পোস্ট দেখে অনুরাগীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়। রবিবার বিকেলে, সেই উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেন তাঁরা।
এক যৌথ পোস্টে দেব ও শুভশ্রী জানিয়েছিলেন, সোমবার সকালে সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে ঘুরতে যাবেন।
সোমবার সকাল ৯টা বাজতেই, অনুরাগীদের নিয়ে লাদাখের পাহাড়ি সৌন্দর্যের মাঝে পৌঁছে যান তাঁরা। সেখানে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রকাশিত হয় ‘দেশু ৭’-এর প্রথম গান ‘তোর শুধু তোর’। গানের সাথে ফিরেছে দেব-শুভশ্রীর উদ্দাম রোমান্স, যা একসময় দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিল।
এক দশক পর, দেব-শুভশ্রী জুটির পুরনো রোমান্সে মজেছেন ভক্তরা। লাদাখের পাহাড়ি পথে তাঁদের মাখোমাখো রসায়ন যেন ফিরিয়ে আনছে যৌবনের প্রেমের দিনগুলো। সময়ের সাথে দুজনেই অনেকটাই পরিণত হয়েছেন। আসন্ন ছবির প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রচারের দিনেই, দেব নিজেই সে কথা স্বীকার করেছেন।
অভিনেতা জানিয়েছেন, শুভশ্রী আজ যতটা পরিণত, সেই পরিণতিটা যদি তখন থাকত, তাহলে হয়তো আজও তাঁরা একসঙ্গেই থাকতেন।
তবে ‘দেশু ৭’-এর প্রথম গানে চল্লিশোর্ধ্ব দেব এবং পঁয়ত্রিশের শুভশ্রীকে দেখে দর্শক যেন বয়সের হিসাব ভুলে গেছেন। তাঁদের রোমান্টিক রসায়নে ফিরে এসেছে জেন জি-র উচ্ছ্বাস। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে, পর্দায় এই জুটির মাখোমাখো রোমান্স কিংবা কলেজপ্রেম দর্শকদের যেভাবে মুগ্ধ করত, ১২ বছর পর সেই পুরনো সমীকরণের প্রত্যাবর্তন ঘটেছে।
এদিকে, দেব-শুভশ্রীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কথোপকথনও অনুরাগীদের নজর কাড়ছে। শুক্রবার, মা-বাবাকে নিয়ে সপরিবারে টাকি গিয়েছিলেন দেব। সিনেমার কাজ শেষ হলেই, পরিবারের সাথে সময় কাটাতে বেরিয়ে পড়েন টালিউডের এই সুপারস্টার। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
দেবের সেই পারিবারিক ছুটির ছবির কমেন্টবক্সে দেখা যায় শুভশ্রীর মজার মন্তব্য। পুরনো ‘ইনোসেন্স’ বিতর্ক টেনে রসিকতা করে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘ফ্যামিলি নিয়ে ব্যস্ত আছি বলে কি ভেবেছো ইনোসেন্সটা চলে গেছে দেব!’
‘রোমিও’-ও অবশ্য ছেড়ে কথা বলেননি। শুভশ্রীর মন্তব্যের পাল্টা জবাবে দেব লিখেছেন, ‘আমার চোখে নিজেকে খুঁজে দেখ, আগের মতোই আজও আছে যে সবই এক।’
দেবের এই মন্তব্য যে ‘দেশু ৭’-এর প্রথম গান ‘তোর শুধু তোর’-এরই লিরিকস, তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। পর্দার রোমান্সের পাশাপাশি বাস্তবের এমন খুনসুটিও দেব-শুভশ্রী জুটিকে ঘিরে দর্শকের পুরনো আবেগকে আরও উসকে দিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশের নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে সরকার উদ্যোক্তা তৈরির উপর জোর দিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। কর্মসংস্থান ব্যাংকের নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।’
আজ সোমবার কর্মসংস্থান ব্যাংক কর্তৃক আয়োজিত ক্ষুদ্র ব্যবসা, ক্ষুদ্রঋণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ তহবিল প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ঋণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, এটি একটি পাইলট প্রকল্প, যার মোট ব্যয় ৫০ কোটি টাকা।
যারা ব্যাংকে যেতে ভয় পায়, তাদের জন্য ঋণ প্রদান করে কর্মসংস্থান তৈরি করার উদ্দেশ্যে কর্মসংস্থান ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়েছে।
এ সময় তিনি কর্মসংস্থান ব্যাংককে এ ধরনের কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানান। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটি জিডিপি নয়, চ্যারিটি নয়। এমনকি গানসহ বিভিন্ন সৃজনশীলতার ক্ষেত্রেও সহযোগিতা করা সম্ভব।’
তিনি উল্লেখ করেন, সৃজনশীলতার মাধ্যমে অর্থনীতিতে অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, সরকার ক্রিয়েটিভ ইকোনমিতে মনোযোগ দিতে চায় এবং সহায়তা করতে ইচ্ছুক। তার মতে, যদি এটি সফলভাবে করা যায়, তবে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহসিন নাকভি আবারও ট্রফি তুলে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছেন, তবে ভারত চ্যাম্পিয়ন হলে কি হবে তা নিয়ে চলছে আলোচনা।
এশিয়া কাপের ট্রফি বিতরণ নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে। এবারের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ভারতীয় নারী ক্রিকেট দল এবং এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতি মহসিন নাকভি।
বর্তমান এশিয়া কাপে ভারতকে ফেভারিট হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদি বড় কোনো অঘটন না ঘটে, তবে তাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কিন্তু ভারত যদি চ্যাম্পিয়ন হয়, তাহলে অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর কি মহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ করবেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।
গালফ নিউজের রিপোর্ট অনুযায়ী, এসিসি সভাপতি নাকভি আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে মেয়েদের এশিয়া কাপের ফাইনালে উপস্থিত থাকবেন।
এছাড়া, তিনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও।
গত বছর ছেলেদের এশিয়া কাপের ফাইনালেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ফাইনালে পাকিস্তানকে পরাজিত করে ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটাররা নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে রাজি হননি।
পরে তারা ট্রফি ছাড়াই উদযাপন করেন সূর্যকুমার, অভিষেক, বুমরা ও তিলক।
গত বছর কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলার কারণে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরু হয়। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও দুই দেশের রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক দূরত্ব কমেনি।
মহসিন নাকভি যেহেতু পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তাই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) পাকিস্তানের কোনো শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার হাত থেকে ট্রফি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এবারও যদি ভারত নারী দল চ্যাম্পিয়ন হয়, তাহলে নাকভিই ট্রফি তুলে দিতে পারেন। তবে হারমানপ্রীত তার কাছ থেকে ট্রফি নেবেন কি না, সে বিষয়ে ভারত সরকার বা বিসিসিআই এখনও তাদের অবস্থান প্রকাশ করেনি।
গত বছরের ঘটনার পর এশিয়া কাপের ট্রফিটি এখনও ভারতের কাছে পৌঁছায়নি। সেটি বর্তমানে দুবাইয়ে এসিসির কার্যালয়ে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফ্রান্সের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন ইউনেসকোর ‘ডিজিটাল লার্নিং উইক’-এ অংশগ্রহণের জন্য। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনি ফ্রান্সের দিকে যাত্রা শুরু করেন।
‘ডিজিটাল লার্নিং উইক’ আগামী ৮ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর প্যারিসে ইউনেসকোর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে। এবারের অনুষ্ঠানের মূল থিম হলো ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে শিক্ষা : সত্য, দ্বন্দ্ব, সীমানা’।
মন্ত্রীর পরিকল্পনা রয়েছে ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর ইউনেসকো সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত দুটি প্ল্যানারি সেশনে অংশগ্রহণ করার। তিনি ১৩ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার কথা ভাবছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ