ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধরমন্ডলে সালিশে ৫০ হাজার টাকা, নির্যাতিতা কিশোরীর পরিবার পেল ৬ হাজার বাকি টাকা কোথায়?


ধরমন্ডলে সালিশে ৫০ হাজার টাকা, নির্যাতিতা কিশোরীর পরিবার পেল ৬ হাজার বাকি টাকা কোথায়?

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে গৃহকর্মী হিসেবে নিয়ে গিয়ে আটকে রেখে নির্যাতন ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে দূরসম্পর্কের আত্মীয়দের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পর স্থানীয়ভাবে সালিশ বসিয়ে ৫০ হাজার টাকায় বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও কিশোরীর পরিবারের হাতে মাত্র ৬ হাজার টাকা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বাকি ৪৪ হাজার টাকা কোথায় গেল—এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

কিশোরীর অভিযোগ, গৃহকর্মী হিসেবে নিয়ে যাওয়ার পর তাকে ভয়ভীতি দেখানো ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হতো। একপর্যায়ে সেখান থেকে পালিয়ে নিজ বাড়িতে চলে আসে সে। পরে তাকে আবারও জোর করে নিয়ে গিয়ে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয় বলেও অভিযোগ করেছে কিশোরী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) স্থানীয়ভাবে সালিশ বসে। সালিশে ৫০ হাজার টাকায় বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও কিশোরীর পরিবারের হাতে ৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ফলে বাকি ৪৪ হাজার টাকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ, দুইজন গ্রেপ্তার

এ বিষয়ে ধরমণ্ডল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাফিকুল ইসলাম বলেন, “এ ধরনের ঘটনা সালিশে মীমাংসার সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।”

নাসিরনগর থানার ওসি মো. শাহীনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরীর সঙ্গে কথা বলেছে। তবে কিশোরীর পরিবার মামলা করতে রাজি হয়নি।

এদিকে স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, কিশোরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার সিলেটের কিছু এলাকায় ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের দাবি সংবিধান সংশোধনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ পি.এম


শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের দাবি সংবিধান সংশোধনে

শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক শ্রেণির প্রতিনিধিরা। পাশাপাশি ক্ষুদ্র জাতিসত্তা-নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা সংবিধানে তাদের স্বীকৃতি দাবি করেছেন।

রবিবার (৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংবিধান সংশোধন কমিটির পঞ্চম বৈঠকে শ্রমজীবী মানুষ এবং ক্ষুদ্র জাতিসত্তা-নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৈঠকে কমিটির সদস্য ও চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান, সাকিলা ফারজানা এবং মো. মাহমুদুল হক রুবেল উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ আমন্ত্রণে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, আন্না মিনজ এবং মাধবী মারমা।

বৈঠকে উত্থাপিত প্রস্তাব এবং পরে লিখিতভাবে দেওয়া সুপারিশ কমিটির প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে তাদেরকে আশ্বস্ত করেছে সংবিধান সংশোধনে গঠিত জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। কমিটি সূত্র জানায়, বৈঠকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অবদান রাখা শ্রমজীবী মানুষ এবং ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা সংবিধান সংশোধনের বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তাব তুলে ধরেন।

কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আলোচনার বাইরে কারো লিখিত প্রস্তাব থাকলে তা কমিটির কাছে পাঠানো যাবে। বৈঠকে উত্থাপিত এবং লিখিতভাবে পাওয়া প্রস্তাবগুলো কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হবে।

বৈঠকে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের (স্কপ) দেওয়া লিখিত প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের উৎপাদন, সেবা এবং সামগ্রিক অর্থনীতির বিস্তৃত পরিসরে শ্রমজীবী মানুষ প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত। শিল্প-কারখানা, কৃষি, পরিবহন, বন্দর, সরকারি-বেসরকারি কর্মক্ষেত্রসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের শ্রমেই অর্থনীতির দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড সচল থাকে। তাই শ্রমজীবী মানুষকে শুধু অর্থনীতির শ্রমশক্তি হিসেবে নয়, রাষ্ট্র ও সমাজের একটি মৌলিক সামাজিক শক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

প্রস্তাবে আরো বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে শ্রমজীবী মানুষের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। কিন্তু তাদের অবদান ও অর্থনৈতিক গুরুত্বের তুলনায় রাষ্ট্র ও সমাজের নীতিনির্ধারণে প্রতিনিধিত্ব এখনো পর্যাপ্ত নয়। উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্র থেকে তারা অনেকটাই দূরে থাকেন।

এ অবস্থায় সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের মর্যাদা, নীতিনির্ধারণে প্রতিনিধিত্ব এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারি নিশ্চিত করার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছে স্কপ। অন্যদিকে ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তাদের পরিচয়, অধিকার, মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নও আলোচনায় এসেছে। সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এসব জনগোষ্ঠীর মতামত কতটা প্রতিফলিত হবে, তা নিয়ে এখন আগ্রহ তৈরি হয়েছে। কমিটি এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ক্ষুদ্র জাতিসত্তার প্রতিনিধি জন ক্রুশ উয়েল।

বৈঠক শেষে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে বিদ্যমান সংবিধান পর্যালোচনা, জুলাই সনদে থাকা সংবিধান সম্পর্কিত প্রস্তাব, বিএনপির দলীয় নির্বাচনী ইশতেহারে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত যেসব দফা ছিল সেগুলো পর্যালোচনা করার পাশাপাশি অংশীজনদের মতামত নেওয়া হয়।

পরবর্তী বৈঠকগুলোতে সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, নারী নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তি ও সংগঠন, জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ও আইনজীবী, শিক্ষক এবং শ্রমজীবী মানুষসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। সবার মতামতের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনী প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুলির ক্ষত সারাতে খাঁটি মধু ব্যবহার করেছেন লস্কর কমান্ডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ পি.এম


গুলির ক্ষত সারাতে খাঁটি মধু ব্যবহার করেছেন লস্কর কমান্ডার

ভারতীয় গণমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তানভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার (এলইটি) কমান্ডার মোহাম্মদ আসিফ, যিনি হাশিম মুসা নামে পরিচিত, গুলির ক্ষত সারাতে খাঁটি মধু ব্যবহার করেছিলেন।

আজ রবিবার টাইমস অব ইন্ডিয়া একটি প্রতিবেদনে জানায়, মৃত্যুর পূর্বে হাশিম মুসা ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় গুলির ক্ষত সারাতে খাঁটি মধু ব্যবহার করেছিলেন। নিরাপত্তা বেষ্টনীর কারণে চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার ফলে মুসা তার ক্ষতস্থানে মধু লাগিয়েছিলেন।

গত মাসের শেষের দিকে কাশ্মীরের বুদগামের ইউসমার্গে ‘অপারেশন শেরুওয়ালি’ নামের একটি উচ্চতর অভিযানে সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হন তিনি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুসা ২০২৫ সালে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর হামলার মূল পরিকল্পনাকারী এবং এই অঞ্চলে লস্কর-ই-তৈয়বার প্রধান অপারেশনাল কমান্ডার হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

এছাড়া, ভারতের এই গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে যে, লস্করের এই কমান্ডার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপের (এসএসজি) একজন প্রাক্তন কমান্ডো বলেও মনে করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবি এলাকায় ‘ফ্যাসীবাদ বিরোধী চত্বর’ নির্মাণের ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ পি.এম


জবি এলাকায় ‘ফ্যাসীবাদ বিরোধী চত্বর’ নির্মাণের ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের

ঢাকা, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকায় নিহত বিশ্বজিৎ দাসের স্মরণে ‘ফ্যাসীবাদ বিরোধী চত্বর’ নির্মাণের বিষয়টি ঘোষণা করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। এই ঘোষণা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দেওয়া হয়।

আজ রোববার বিকেলে ডিএসসিসি কর্তৃক সংস্কারকৃত ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিকায়নকৃত কেন্দ্রীয় মিলনায়তন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এই কথা জানান। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনটি সংস্কার ও আধুনিকায়ন করেছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক ঐতিহাসিক বাহাদুর শাহ পার্কের সৌন্দর্য বর্ধন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের ওপর অর্পণ করার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘সিপাহী বিপ্লবের স্মৃতিবিজড়িত বাহাদুর শাহ পার্কের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনা অব্যবস্থাপনা ও অবহেলায় পড়ে থাকতে পারে না। এটি যথাযোগ্য মর্যাদায় সংরক্ষণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে।’

শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রশাসক এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য ‘ধূপখোলা মাঠ' যথাযথভাবে বরাদ্দ দেওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি পুরান ঢাকাকে কেন্দ্র করে একটি সাংস্কৃতিক বিপ্লব গড়ে তুলতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আচরণ সাধারণ মানুষ অনুসরণ করে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধে সচেতনতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখতে হবে। ঢাকা শহরকে বাঁচাতে শিক্ষার্থীদেরই এগিয়ে আসতে হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের হুমকির মধ্যে তাইওয়ানে পৌঁছাল প্রথম দুটি মার্কিন এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ পি.এম


চীনের হুমকির মধ্যে তাইওয়ানে পৌঁছাল প্রথম দুটি মার্কিন এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান

চীনের ক্রমবর্ধমান হুমকির প্রেক্ষাপটে নিজেদের আকাশসীমা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার লক্ষ্যে তাইওয়ান প্রথম চালানের দুটি এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান গ্রহণ করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ২০১৯ সালে স্বাক্ষরিত ৮ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় মোট ৬৬টি নতুন যুদ্ধবিমান সরবরাহের মধ্যে এই দুটি বিমান প্রথমবারের মতো তাইওয়ানে পৌঁছেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত শুক্রবার যুদ্ধবিমান দুটি তাইওয়ানের পাহাড়ি পূর্ব উপকূলের তাইতুং-এর চিহ্যাং বিমান ঘাঁটিতে এসে পৌঁছায়। চীনের সামরিক হুমকির কারণে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে এই যুদ্ধবিমানগুলো আনা হয়েছে।

সফটওয়্যার সমস্যার কারণে কয়েক মাস দেরি হওয়ার পর অবশেষে যুদ্ধবিমানগুলো পৌঁছেছে। তাইওয়ানের বিমান বাহিনীকে প্রতিদিন চীনের সামরিক বিমানগুলোর ওপর নজর রাখতে আকাশে উড়তে হয়। এই নতুন দুটি বিমান তাদের বাহিনীকে আরো শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।

গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত তাইওয়ানকে চীন প্রায়ই নিজেদের অংশ হিসেবে দাবি করে। ফলে তাইওয়ানকে চীনের সামরিক হুমকির মুখে প্রতিনিয়ত থাকতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পৃষ্ঠপোষক এবং অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ হিসেবে পরিচিত। তবে অস্ত্রগুলো পেতে দেরি হওয়ায় তাইওয়ান এর আগে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

এই সরবরাহটি এমন এক সময়ে সম্পন্ন হলো, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের একজন মুখপাত্র এই বিষয়ে পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, তারা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের মিত্রদের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ, এবং এর মধ্যে তাইওয়ানও অন্তর্ভুক্ত।

ফেসবুকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে লিখেছেন, ‘তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করতে এ এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।’ তিনি এই সহযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।

তাইপের সংসদে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েলিংটন কু জানিয়েছেন, আরো নতুন এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান শিগগিরই আসছে, যদিও তিনি এর কোনো বিস্তারিত বিবরণ দেননি।

২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের কাছে লকহিড মার্টিনের ৮শ কোটি ডলারের এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন দেয়। এর ফলে তাইওয়ানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যাবে।

গত মে মাসে চীনে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে বৈঠক করার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন যে, তিনি তাইওয়ানের জন্য একটি নতুন ১৪০০ কোটি ডলারের প্যাকেজ স্থগিত রেখেছেন, যদিও তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ১১০০ কোটি ডলারের একটি প্যাকেজ অনুমোদন করেছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%