বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৪৪ পি.এম
নওগাঁয় এক স্কুলশিক্ষককে বাসায় ডেকে নিয়ে মারধরের ভয় দেখিয়ে টাকা ছিনতাই, স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক সই এবং ২ লাখ টাকার চেক হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, যার মধ্যে একজন নারীও রয়েছে। এই সদস্যরা হানি ট্র্যাপ প্রতারক চক্রের অংশ বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল গ্রুপে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তারকৃত প্রতারক চক্রের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন— নওগাঁ সদর উপজেলার কোমাইগাড়ি এলাকার চামেলী আক্তার মিলি (৪৫), আত্রাইয়ের বেড়াহাসন এলাকার রাকিব হাসান (২৯), বদলগাছীর নিহনপুর এলাকার সোহরাব হোসেন (২৬) এবং বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার নাঈম হোসেন (২৫)।
মিডিয়া সেলে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভুক্তভোগী শিক্ষক জয়পুরহাটের আক্কেলপুর এলাকার একটি স্কুলের কর্মচারী। গ্রেপ্তার হওয়া চামেলী আক্তার মিলির সঙ্গে তার পূর্বে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ ছিল। এই সম্পর্কের ভিত্তিতে গত ২৫ আগস্ট বিকেলে জরুরি কথা বলার জন্য ওই শিক্ষককে নওগাঁ শহরের নিজের বাসায় ডেকে নেন মিলি। শিক্ষক যখন বাসায় পৌঁছান, তখন প্রতারক চক্রের বাকি সদস্যরা তাকে ঘেরাও করে মারধরের ভয় দেখায়। এরপর তার কাছে থাকা নগদ ৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে জিম্মি করে ৩০০ টাকার ফাঁকা স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করায় এবং ২ লাখ টাকার একটি চেকে সই করিয়ে নেয়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিক্ষক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, যার ভিত্তিতে পুলিশ মাঠে নামে। এক সপ্তাহের অভিযানে চক্রটির চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটকের পর তাদের কাছ থেকে শিক্ষকের জোরপূর্বক সই করা সেই ফাঁকা স্ট্যাম্প ও ২ লাখ টাকার চেক উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা আন্তঃউপজেলাভিত্তিক একটি সক্রিয় ব্ল্যাকমেইলার চক্রের সদস্য। তারা বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে টার্গেট করা ব্যক্তিকে নির্জন স্থানে ডেকে আনতো। এরপর ছবি তোলা, মারধরের হুমকি কিংবা সম্মানহানির ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতো।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লায় হামের উপসর্গ নিয়ে ১৪ মাস বয়সী একটি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনার ফলে চলতি বছরে জেলায় হাম সন্দেহে ও আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ১৭ জনে পৌঁছেছে।
শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মিয়া মনজুর আহমেদ।
নিহত শিশুর নাম আনাবিয়া (১৪ মাস)। সে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ধনুসারা গ্রামের আলমগীর হোসেনের কন্যা।
মিয়া মনজুর আহমেদ জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আনাবিয়াকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে রাত ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু ঘটে।
তিনি বলেন, নিহত শিশুটির শরীরে হামের বিভিন্ন লক্ষণ ছিল। তবে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে হাম আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় কুমিল্লা জেলায় হাম সন্দেহে আরও ২২ জন রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে কুমিল্লা জেলায় এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৮৯৬ জন হাম সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় ৭৭১ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির মন্তব্য করেছেন যে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর রাজনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুতির সমস্যা সমাধান সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বাংলাদেশ চীন ও মিয়ানমারের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা অব্যাহত রাখবে, যাতে এ সংকটের শান্তিপূর্ণ ও স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজে বের করা যায়।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রোহিঙ্গা সংকটের উপর আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এ বক্তব্য প্রদান করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশ বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্ব করছে। এই ঐতিহাসিক এবং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক সুযোগকে কাজে লাগিয়ে, বাংলাদেশ জাতিসংঘের মতো বৈশ্বিক বহুপক্ষীয় ফোরামে রোহিঙ্গা সংকটকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সরকারের প্রধান এবং অবিচল লক্ষ্য হলো, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের যেন স্বেচ্ছায়, নিরাপদ পরিবেশে, মর্যাদার সঙ্গে এবং স্থায়ীভাবে তাদের পৈতৃক ভিটায় প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা যায়। এ লক্ষ্যে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, আঞ্চলিক পরাশক্তি এবং অংশীদার দেশগুলোকে আরও জোরালো ও সমন্বিত ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১০ই সেপ্টেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার, সকাল ১০ঃ০০ ঘটিকার সময়, নারায়ণগঞ্জ কদম রসূল সেতুর কাজ শুরু থেকে যে সকল সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন সেতু কর্তৃপক্ষ, আজ সেই সকল সমস্যার সমাধানের জন্য রেল কর্তৃপক্ষ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, প্রশাসক শাখাওয়াত হোসেন খান, নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট আবুল কালাম মহোদয়, কদম রাসুল সেতুর নিয়ে যে সমস্যার ছিল সিরাজদুল্লাহ রোড রোড কালিবাজার চারাগোপ সহ বিভিন্ন স্থানে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সাথে নারায়ণগঞ্জের সেতুর কর্মকর্তা মধ্যে তা আজ সকল সমস্যার সম্মুখীন হইল।
ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মালিক পক্ষে জবাবে, সাখাওয়াত হোসেন খান জানান যে, আমাদের সকলের, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মালিকেরাও আমাদের সকলের, তাই আমরা সকল কার্যক্রম একত্রে একসাথে কাজ করে যাব, আর ব্যবসায়ীরা যারা যেখানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিলেন, সেতু নির্মাণ কাজ শেষে তাদেরকে ঐ সকল প্রতিষ্ঠান বুঝিয়ে দেওয়া হবে, এই ঘোষণায় নারায়ণগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত সকল ব্যবসায়ীরাই সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন, এবং প্রশাসকের এই বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিমন্ত্রী বলেছেন, সরকারি স্বার্থ এবং সুষম ভূমি ব্যবহারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, সরকারি জমি বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, সরকারি স্বার্থ সংরক্ষণ করা এবং ভূমির সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভূমি মন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির ১৫৭তম সভায় এসব কথা বলেন।
সভায় ভূমি মন্ত্রী বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, অধিগ্রহণের ফলে জনগণের মধ্যে কোনো ধরনের অসন্তোষ সৃষ্টি না হওয়ার বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং কৃষিজমি সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
সভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এবং মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।
সভায় কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির পূর্বানুমোদনের জন্য উপস্থাপিত বিভিন্ন প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বাস্তবায়নাধীন ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন মৌজায় মোট ৪.১৩০৫ একর ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
এছাড়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের ‘চাতুরী (চৌমুহনী)-সিইউএফএল-কর্ণফুলী ড্রাইডক (মেরিন একাডেমি)-ফকিরনীহাট (এন-১২১) জাতীয় মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ প্রকল্পের আওতায় কর্ণফুলী ও আনোয়ারা উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় মোট ২১.৭০৮৩ একর ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
সুনামগঞ্জের পাইকরাটি থেকে নেত্রকোণা ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র পর্যন্ত ১৩২ ডাবল সার্কিট বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণের জন্য নেত্রকোণা সদর উপজেলার ঠাকুরাকোনা ও গন্ধর্বপুর মৌজায় ০.০৭৫০ একর ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়।
অন্যদিকে, নাজমা পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস লিমিটেডের নামে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার সাদিপুর মৌজায় ০.৩৭ একর ভূমি অধিগ্রহণের পূর্বানুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মেঘনা ইকোনমিক জোন লিমিটেডের অনুকূলে সোনারগাঁও উপজেলার চর রমজান সোনাউল্লাহ মৌজায় ১.৮৬৫২ একর ভূমি অধিগ্রহণের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভায় বিভিন্ন জেলা ভূমি বরাদ্দ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ৫০ বিঘার ঊর্ধ্বে ভূমি অধিগ্রহণের কয়েকটি প্রস্তাবও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে জামালপুর সড়ক বিভাগের ‘মাদারগঞ্জ-কয়ড়া-মনসুরনগর (কাজিপুর)-আব্দুল্লাহ মোড় (সরিষাবাড়ী)-ধনবাড়ী সড়ক উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় ভূমি অধিগ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়।
এছাড়া, বাংলাদেশ রেলওয়ের জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ২১টি মৌজায় ২০.০১৩৬ একর ভূমি অধিগ্রহণের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
‘বারৈয়ারহাট-হেঁয়াকো-রামগড় সড়ক প্রশস্তকরণ (LOC-III)’ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের মিরসরাই ও ফটিকছড়ি উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় সর্বমোট ৫৭.৯৩৮০ একর এবং ‘যশোর রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা’ প্রকল্পের আওতায় অভয়নগর উপজেলার ছয়টি মৌজায় মোট ৬.৪৭৬০ একর জমি অধিগ্রহণের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভায় আরো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, পরিবর্তিত বাস্তবতা বিবেচনায় বগুড়া কোল্ড স্টোরেজ অ্যান্ড এলাইড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের অনুকূলে অধিগ্রহণ করা সম্পত্তি ভূমি অধিগ্রহণ আইন, ২০১৭-এর আওতায় জনকল্যাণমূলক হাসপাতাল স্থাপনের উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হবে।
সভায় ভূমি অধিগ্রহণ ও বরাদ্দের ক্ষেত্রে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি জনস্বার্থ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং কৃষিজমির সুরক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ