১১:২৫ এম
মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে চলমান আলোচনা এখন স্থবির হয়ে পড়েছে, এরই মধ্যে নতুন করে মুখোমুখি অবস্থানে চলে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে চালানো একটি ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলার দাবি করেছে। একইসাথে, ওয়াশিংটন জানিয়েছে যে, ইরানের ছোড়া একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন তারা প্রতিহত করেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে ইরানের হামলার চেষ্টার জবাবে হরমুজ প্রণালীর কেশম দ্বীপে অবস্থিত ইরানের একটি সামরিক স্থল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান দাবি করেছে, মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তারা একটি ‘আঞ্চলিক দেশে’ অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং হেলিকপ্টারকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে
সেন্টকমের দাবি অনুযায়ী, ইরান কুয়েতের দিকে দুটি এবং বাহরাইনের দিকে তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল। তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথেই ধ্বংস করা হয়েছে অথবা সেগুলো সফলভাবে প্রতিহত হয়েছে।
এছাড়াও, আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে বৈধভাবে চলাচলরত বেসামরিক জাহাজ এবং নাবিকদের লক্ষ্য করে ইরান তিনটি ড্রোন ছুড়ে ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ অনুসারে। সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন বাহিনী ওই ড্রোনগুলো গুলি করে ভূপাতিত করেছে।
কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাত বন্ধে গত সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত যুদ্ধবিরতি আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়েছে। আলোচনা থমকে যাওয়ার পরপরই নতুনভাবে এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কূটনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অঞ্চলে বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা আবারও জোরালো হয়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন: স্পেনে দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৬৮, আহত ৮০
সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন