শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৫৬ এম
ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধাহত ও চিকিৎসাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী এক লাখ পাউন্ডের (প্রায় এক কোটি ৬৫ লাখ টাকা) বেশি তহবিল সংগ্রহ করেছেন। এই অর্থ যুক্তরাজ্যের নজুম স্পোর্টসের সহযোগিতায় আয়োজিত একটি দাতব্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংগৃহীত হয়েছে। শেফিল্ড ইউনাইটেডের এই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে পোস্ট করে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গত রোববার (স্থানীয় সময়) যুক্তরাজ্যের টাওয়ার হ্যামলেটস টাউন হলে নজুম স্পোর্টসের উদ্যোগে এই দাতব্য অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। নজুম স্পোর্টস ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি অলাভজনক সংস্থা, যা পেশাদার ক্রীড়াঙ্গনে মুসলিম অ্যাথলেটদের সহায়তা ও ক্ষমতায়নে কাজ করে। অনুষ্ঠানে হামজাকে নিয়ে একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে মুসলিম অ্যাথলেটদের স্বাক্ষরিত জার্সি, পদক ও বিভিন্ন স্মারকের একটি দাতব্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।
নিলামের অন্যতম আকর্ষণ ছিল হামজা চৌধুরীর লেস্টার সিটির হয়ে জেতা ট্রফি ও স্মারকগুলো। এর মধ্যে তার এফএ কাপজয়ী জার্সিটি সাত হাজার পাউন্ড এবং কমিউনিটি শিল্ডজয়ী পদক তিন হাজার পাউন্ডে বিক্রি হয়। অনুষ্ঠানটির টিকিট বিক্রি এবং নিলাম থেকে প্রাপ্ত পুরো অর্থ ‘চিলড্রেন নট নাম্বারস’ সংস্থাকে প্রদান করা হয়েছে।
হামজা চৌধুরী ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জানান, সংগৃহীত এ তহবিলের সম্পূর্ণ অর্থ গাজার শিশুদের জীবন রক্ষাকারী জরুরি চিকিৎসায় ব্যয় করা হবে। তিনি বলেন, ‘সংগৃহীত এই তহবিল চিলড্রেন নট নাম্বারসের চমৎকার কাজে ব্যয় করা হবে, যারা গাজার শিশুদের জীবন রক্ষাকারী জরুরি সহায়তা দিচ্ছে। এসব শিশুর অনেকের জন্যই চিকিৎসার্থে বিদেশ বা নিরাপদ স্থানে যাওয়া এবং বেঁচে থাকা এখন একমাত্র আশা। সংগৃহীত সব অর্থই এমন শিশুদের চিকিৎসার্থে স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় ব্যয় করা হবে, যাদের এটি অত্যন্ত প্রয়োজন।’
হামজা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আরো যোগ করেন, ‘স্বল্পসময়ের মধ্যে এ আয়োজনের মাধ্যমে যা অর্জিত হয়েছে, সে জন্য আমি কৃতজ্ঞ ও বিনীত বোধ করলেও জানি, এত বিশাল দুর্ভোগের বিপরীতে এটি অত্যন্ত সামান্য একটি অবদান মাত্র। এখনো অনেক কিছু করার বাকি আছে; তবে প্রতিটি চেষ্টাই—তা যত ছোটই হোক না কেন, পার্থক্য গড়ে তুলতে পারে।’
এদিকে, মানবিক এই কার্যক্রমের বাইরেও মাঠের খেলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন হামজা। বাংলাদেশ জাতীয় দলের জার্সিতে তার সামনে এখন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের চ্যালেঞ্জ। আগামী ৫ নভেম্বর ভুটানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তিনি খেলতে না পারলেও বাংলাদেশ দলের কোচ টমাস ডুলি জানিয়েছেন—আগামী ৯ নভেম্বর হামজা জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১১ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তাকে দলে পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ ও স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, যুব উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট ১৪ জনকে ‘জাতীয় যুব পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান করা হবে, যার মধ্যে ৪ সংগঠক এবং ১০ সফল আত্মকর্মী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আজ সচিবালয়ের নিজ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেন আমিনুল হক।
আগামী ১ নভেম্বর, যথাযোগ্য মর্যাদায় রাজধানীসহ সারাদেশে দিবসটি উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করা হবে। এবারের জাতীয় যুব দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ বলে জানান তিনি।
আমিনুল হক আরও বলেন, জাতীয় যুব দিবসের মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, যা অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে।
তিনি আরও জানান, যুব দিবসের অংশ হিসেবে সারাদেশে ১২ হাজার রিনিউয়েবল ও পরিবেশবান্ধব টেকসই বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে, যা জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হবে।
এছাড়া, যুবদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আগামী ১ নভেম্বর ৫৫টি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান নিয়ে এক বিশাল ‘জব ফেয়ার’ বা চাকরি মেলার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার জনের চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী ৩১ অক্টোবর বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য যুব র্যালি বের হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের যুববান্ধব বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, যুব ঋণ ও প্রকল্পগুলোর সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে যুবসমাজ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
দেশব্যাপী সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ‘জাতীয় যুব দিবস ২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হবে।
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সপ্তাহব্যাপী যেসব কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম, খাল খনন কর্মসূচি, রক্তদান কর্মসূচি, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং যুব ঋণ বিতরণসহ নানা কার্যক্রম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি বাসা বরাদ্দ পাওয়ার পর যারা পুরো ফ্ল্যাট বা আংশিক বাসা সাবলেট হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন, তাদের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, আগামী শনিবারের (৩১ অক্টোবর) মধ্যে ভাড়াটিয়াদের অপসারণ করে বরাদ্দকৃত বাসায় অবস্থান করতে হবে। নির্দেশনা না মানলে বরাদ্দ পাওয়া সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) তারিখে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের একটি জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্দেশনা অমান্য করলে সরকারি বাসার বরাদ্দ বাতিল করা হবে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের আওতাধীন সব সরকারি বাসা বা ফ্ল্যাটের বরাদ্দ প্রাপক এবং সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানানো হচ্ছে যে, সম্প্রতি আবাসন পরিদপ্তরের পরিদর্শন দলের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কিছু বরাদ্দ প্রাপক তাদের বরাদ্দকৃত বাসা বা ফ্ল্যাটের এক রুম, দুই রুম বা পুরো ফ্ল্যাট বা বাসা অন্যকে সাবলেট বা ভাড়া দিয়েছেন। এ ধরনের কার্যক্রম ‘বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২’ এর পরিপন্থি।
‘এমতাবস্থায়, সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের অধীন কোনো বাসা বা ফ্ল্যাটের বরাদ্দ প্রাপক কর্তৃক তার নামে বরাদ্দকৃত বাসা বা ফ্ল্যাটের সম্পূর্ণ বা আংশিক (এক বা একাধিক রুমসহ) কোনোভাবেই সাবলেট বা ভাড়া না দেওয়ার অনুরোধ করা হলো। যারা এরইমধ্যে সাবলেট বা ভাড়া দিয়েছেন তাদের আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সাবলেট বা ভাড়াটিয়াকে আবশ্যিকভাবে অপসারণ করে যথানিয়মে বরাদ্দকৃত বাসায় অবস্থান বা বসবাস করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো।’
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার পরে কোনো বাসায় সাবলেট বা ভাড়া পাওয়া গেলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ প্রাপকের বরাদ্দ বাতিলসহ বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একই সঙ্গে উক্ত বিধিমালার বিধি ১৪ (৩) অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ প্রাপকের অফিস প্রধান ও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করে তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল ইতিহাসে লিওনেল মেসি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর চিরন্তন দ্বন্দ্ব নতুন এক মাত্রায় পৌঁছেছে। ব্যালন ডি'অরের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত একটি বিশেষ ভোটাভুটিতে আর্জেন্টাইন জাদুকর লিওনেল মেসিকে পেছনে ফেলে ‘ব্যালন ডি'অর অব অলটাইম’ (বোট) খেতাবটি অর্জন করেছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
ব্যালন ডি'অরের ৭০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে উয়েফা এবং স্বনামধন্য ফরাসি সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’ যৌথভাবে এই অভিনব অনলাইন ভোটের আয়োজন করেছে। গত ১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই ভোটাভুটির নিয়ম ছিল বেশ ব্যতিক্রমী। প্রতিটি ভোটের জন্য ফুটবলপ্রেমীদের ১ ইউরো খরচ করতে হয়েছে (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩৮ টাকা)। বিশেষ এই আয়োজনে ভক্তদের জন্য একাধিকবার ভোট দেওয়ার সুযোগও উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল।
দীর্ঘ ভোটগ্রহণ ও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর জানা যায়, ২০০৭-০৮ মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করা এবং ২০০৮ সালে ক্যারিয়ারের প্রথম ব্যালন ডি'অর জয় করা রোনালদোর সেই স্মরণীয় মৌসুমটি এই অনলাইন ভোটে শীর্ষস্থান দখল করেছে। অন্যদিকে, ২০১২ সালে এক পঞ্জিকাবর্ষে রেকর্ড ৯১ গোল করার ঐতিহাসিক মৌসুমের সুবাদে লিওনেল মেসি তালিকার দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন।
আয়োজকদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই বিশেষ তালিকায় শীর্ষ ১২টি মৌসুমের সবকটিই কেবল মেসি ও রোনালদোর দখলে রয়েছে। এটি ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই দুই ফুটবল তারকার দীর্ঘমেয়াদী আধিপত্যকেই আরও একবার জোরালোভাবে প্রমাণ করে। তবে তালিকার একটু নিচেই জায়গা পেয়েছেন অন্য এক কিংবদন্তি—ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রোনালদো নাজারিওর ২০০২ সালের ব্যালন ডি'অর জয়ী মৌসুমটি রয়েছে ১৩তম অবস্থানে।
এদিকে, এই অভিনব ভোটাভুটির ফলাফল এবং বিজয়ের খবরটি ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি করলেও, আয়োজক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই বিশেষ খেতাব বা বিজয়ের জন্য আলাদা কোনো ট্রফি প্রদান করা হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণের প্রক্রিয়া আইন ও বিধিবিধান, আবেদনকারীদের প্রস্তাব, কারিগরি মূল্যায়ন দলের প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে সম্পন্ন হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, এলপিজির দাম নিয়ে গণশুনানির পর লিখিত মতামত ও প্রস্তাব আগামী ১ নভেম্বর পর্যন্ত কমিশনে জমা দেওয়া যাবে।
আজ বিইআরসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বেসরকারিভাবে বাজারজাতকৃত এবং সরকারিভাবে সরবরাহিত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ভোক্তা পর্যায়ের দাম পুনর্নির্ধারণের উদ্দেশ্যে এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিয়াম) ফাউন্ডেশনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ৩৪(৬) ধারা অনুযায়ী এ শুনানির আয়োজন করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শুনানিতে রাষ্ট্রায়ত্ত এলপি গ্যাস পিএলসি, বেসরকারি আবেদনকারী, অপারেটর, পরিবেশক, খুচরা বিক্রেতা এবং অটোগ্যাস স্টেশনের প্রতিনিধিরা তাদের প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। কমিশন গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন দলও তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন তুলে ধরেন।
কারিগরি মূল্যায়ন কমিটির পক্ষ থেকে ভোক্তা পর্যায়ে দাম নির্ধারণের আইনি দিক, কমিশনের দায়িত্ব এবং দাম নির্ধারণে বিবেচ্য বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করা হয়।
এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠন, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ভোক্তা এবং অন্যান্য অংশীজন তাদের মতামত শুনানিতে উপস্থাপন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ