ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

অতীতের শিক্ষা নিয়ে বর্তমানের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান হামিদুর রহমান আযাদের


অতীতের শিক্ষা নিয়ে বর্তমানের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান হামিদুর রহমান আযাদের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অতীতের ত্যাগ ও কুরবানির শিক্ষা ধারণ করে বর্তমান সময়ের সুযোগ ও সম্ভাবনাকে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেছেন, সংগঠনের অগ্রযাত্রা ও লক্ষ্য অর্জনের জন্য বাস্তবতার নিরিখে পরিকল্পিত কর্মপন্থা ঠিক করে এগিয়ে যেতে হবে। এজন্য সকল স্তরের দায়িত্বশীলদের ব্যক্তিগত, নৈতিক, জ্ঞানগত ও সাংগঠনিক যোগ্যতার মানোন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

শুক্রবার সিলেট মহানগর জামায়াতের নবনির্বাচিত আমিরের শপথ এবং মজলিসে শূরার নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত রুকন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: প্লাস্টিক দূষণ বন্ধের এখনই সময়: বরিশালে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে আলোচনা

হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পবিত্র কোরআন ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা দীর্ঘকাল ধরে দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নানা নির্যাতন ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁদের এই ত্যাগ ও কুরবানি সংগঠনের জন্য সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান সময়ের সুযোগ ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

তিনি আরো বলেন, দায়িত্বশীলদের নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের পাশাপাশি দীনি জ্ঞানচর্চা, আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক চরিত্র গঠনে আরও মনোযোগী হতে হবে। একটি আদর্শিক ও সুশৃঙ্খল সংগঠন গড়ে তুলতে নিজেদের যুগোপযোগী করে তোলার বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে প্রধান অতিথি ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ সিলেট মহানগর জামায়াতের নবনির্বাচিত আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামকে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথবাক্য পাঠ করান।

সিলেট মহানগর জামায়াতের নবনির্বাচিত আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রবীণ জামায়াত নেতা ও সাবেক কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক ফজলুর রহমান, সিলেট জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, সিলেট অঞ্চল টিমের সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, জেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুল হান্নান ও হাফিজ আনওয়ার হোসাইন খান।

আরও পড়ুন: বরিশাল বিএম কলেজের শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির হাফিজ মিফতাহুদ্দীন আহমদ ও ড. নূরুল ইসলাম বাবুল এবং সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রব, জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন। এ সময় মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য, মজলিসে শূরার সদস্য ও বিপুলসংখ্যক রুকন উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে নবনির্বাচিত আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম অর্পিত দায়িত্ব পালনে সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবার মূল্যবান পরামর্শ, সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সিলেট মহানগর জামায়াতকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী সংগঠনে রূপান্তর করতে চান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিপি থেকে পদত্যাগের কারণ জানালেন সামান্তা শারমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ এম


এনসিপি থেকে পদত্যাগের কারণ জানালেন সামান্তা শারমিন

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের পেছনে সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নীতিহীন জোট গঠন এবং শীর্ষ পর্যায়ে পুরুষতান্ত্রিক কর্তৃত্ববাদী সিদ্ধান্তকে দায়ী করেছেন।

শুক্রবার তিনি এক সাক্ষাৎকারে এনসিপির আদর্শিক বিচ্যুতি এবং পদত্যাগের পেছনের কারণগুলো খোলামেলা ভাবে তুলে ধরেন।

সামান্তা শারমিন জানান, তার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত আবেগ বা অভিমান থেকে নেওয়া হয়নি; বরং এটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পর্যালোচনার ফল। তিনি বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানে মানুষের চরম আত্মত্যাগ ও রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এনসিপি গঠিত হয়েছিল। শুরুতে দলে মুক্ত আলোচনা ও দীর্ঘ বিতর্ক হলেও ধীরে ধীরে তা স্তিমিত হয়ে পড়ে। দলটিতে গণতান্ত্রিক চর্চা বন্ধ হয়ে এটি একটি ‘মনোলিথিক’ বা এককেন্দ্রিক কর্তৃত্ববাদী কাঠামোর দিকে হাঁটতে শুরু করে।’

জামায়াতসহ ১১ দলীয় নির্বাচনি জোটে যাওয়ার বিষয়টিকে দলের মূল আদর্শিক বিচ্যুতির বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, সংস্কার, নির্বাচন ও নিরাপত্তা—এই তিন অজুহাতে জামায়াতের সঙ্গে জোট করা হলেও জামায়াত কখনোই সংস্কারের অর্গানিক শক্তি নয়; বরং তারা অভ্যুত্থান-পরবর্তী মানুষের সংস্কারের আকাঙ্ক্ষাকে ক্যাপচার করতে সংস্কারের মুখোশ পরেছে। এনসিপির নিজস্ব স্বকীয়তা ও রাজনৈতিক অবস্থান বিসর্জন দিয়ে কেবল ক্ষমতার সমীকরণে সংসদে যাওয়ার মোহে এই সমঝোতা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

জোট গঠনের প্রক্রিয়ায় চরম অস্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও বিএনপি কিংবা জামায়াতের সঙ্গে আলোচনার কোনো আনুষ্ঠানিক বা লিখিত তথ্য তাদের জানানো হতো না। সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি এসব বৈঠকের খবর পেতেন। তিনি অভিযোগ করেন, গুরুত্বপূর্ণ যে সভায় জামায়াতের সঙ্গে জোটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেদিন ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে ঢাকার বাইরে সাংগঠনিক দায়িত্বে পাঠিয়ে আকস্মিকভাবে সভা ডাকা হয়েছিল।

দলের নীতি নির্ধারণে নারীদের প্রান্তিকীকরণ ও পুরুষতান্ত্রিক আধিপত্যের অভিযোগ এনে তিনি বলেন, রাজনৈতিক পর্ষদের মাত্র তিনজন নারী সদস্য—তিনি নিজে, ডা. তাসনিম জারা এবং নাহিদা সারোয়ার নিভা এই নীতিহীন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। বিপরীতে সাতজন পুরুষ সদস্য সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে তা চাপিয়ে দেন। ভিন্নমত প্রকাশ বা খোলামেলা আলোচনার কোনো সুযোগ সেখানে রাখা হয়নি।

সামান্তা শারমিন আরো বলেন, দেশে মৌলিক সংস্কারের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল—আইন-আদালত, স্বাস্থ্য বা জীবনযাত্রার মতো ক্ষেত্রগুলোতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। নেতাদের সাধারণ জামাকাপড় পরা বা ১০০ টাকার খাবার খাওয়ার লোকদেখানো বিষয়গুলোকে সংস্কার বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে তিনি রাজনীতি ছাড়ছেন না; বরং অভ্যুত্থানের মূল চেতনা ও জনগণের সংস্কারের আকাঙ্ক্ষাকে এগিয়ে নিতে অচিরেই সমমনাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ নির্ধারণ করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোস্টগার্ডের চার জাহাজের নাম বদল, ‘জয় বাংলা’ ও জাতীয় চার নেতার নামে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ এম


কোস্টগার্ডের চার জাহাজের নাম বদল, ‘জয় বাংলা’ ও জাতীয় চার নেতার নামে

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের চারটি জাহাজের নাম সরকার পরিবর্তন করেছে, যা জাতীয় চার নেতার নামে ছিল। একই সঙ্গে ‘জয় বাংলা’ নামে পরিচিত আরেকটি জাহাজের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। মোট পাঁচটি জাহাজের নতুন নাম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুমোদন করেছে।

বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠি থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী, ‘বিসিজিএস তাজউদ্দীন’ জাহাজের নাম পরিবর্তন করে ‘বিসিজিএস নুরুল ইসলাম’ রাখা হয়েছে। ‘বিসিজিএস সৈয়দ নজরুল’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘বিসিজিএস ফিরোজ কবীর’ করা হয়েছে। ‘বিসিজিএস মনসুর আলী’ এখন ‘বিসিজিএস এম হুমায়ুন কবীর’ নামে পরিচিত হবে। এছাড়া ‘বিসিজিএস কামরুজ্জামান’-এর নতুন নাম হবে ‘বিসিজিএস আশরাফ সিদ্দিকী’। ‘বিসিজিএস জয় বাংলা’র নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘বিসিজিএস অদম্য বাংলা’।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, কোস্টগার্ডকে পাঁচটি জাহাজের নাম পরিবর্তনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। পরে কোস্টগার্ড নতুন নামের প্রস্তাব পাঠায়। যাচাই-বাছাইয়ের পর বৃহস্পতিবার চিঠির মাধ্যমে কোস্টগার্ডকে বিষয়টি জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাহাজগুলোর নাম পরিবর্তনের বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে।

কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, নতুন নামকরণ করা চারটি জাহাজের নাম যাঁদের নামে রাখা হয়েছে, তাঁরা সবাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন। দেশের অভ্যন্তরে ও বাইরের বিভিন্ন অভিযানে তাঁরা শহীদ হয়েছিলেন। তাঁদের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে জাহাজগুলোর নতুন নামকরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে নিষিদ্ধ আ.লীগ-যুবলীগের ১২ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, উদ্ধার ব্যানার ও ফেস্টুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ এম


সিলেটে নিষিদ্ধ আ.লীগ-যুবলীগের ১২ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, উদ্ধার ব্যানার ও ফেস্টুন

সিলেট নগরীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও অঙ্গসংগঠনের মিছিল করার সময় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের হাতে ১২ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে। শুক্রবার সকালে নগরীর জেলরোড থেকে ধোপাদীঘির পাড় পর্যন্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে একটি ব্যানার, পাঁচটি ফেস্টুন ও ১৫টি লাল ক্যাপ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—শাহেক আহমেদ, মুন্না আহমেদ, দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ সেলিম আহমেদ, তানিম ইকবাল, সালেহ আহমেদ, ফাহিম হাসান রনি, জাকের খান, কিবরিয়া আহমেদ, জুনায়েদ আহমেদ, আলী আহমদ ও এসএম নাদিম।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ছয়জন জকিগঞ্জের, চারজন কানাইঘাটের এবং দুজন দক্ষিণ সুরমার বাসিন্দা।

সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি-সিটিএসবি) আফজাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মহানগর পুলিশের সিটিএসবি (গোয়েন্দা বিভাগ) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একাধিক টিম এই অভিযান পরিচালনা করেছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাবিপ্রবির পাঁচ শিক্ষার্থী গণিত অলিম্পিয়াডের রংপুর অঞ্চলের সেরা দশে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫২ এম


হাবিপ্রবির পাঁচ শিক্ষার্থী গণিত অলিম্পিয়াডের রংপুর অঞ্চলের সেরা দশে

১৭তম জাতীয় স্নাতক (অনার্স) গণিত অলিম্পিয়াড-২০২৬-এর রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক বাছাইপর্বে সেরা দশে স্থান অর্জন করেছেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) পাঁচ শিক্ষার্থী।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম ভবনে হাবিপ্রবির গণিত বিভাগের আয়োজনে রংপুর অঞ্চলের এই আঞ্চলিক বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় রংপুর বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১০৭ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেন, যার মধ্যে ১০৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন হাবিপ্রবির গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী আফসানা আক্তার অ্যানী। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থী ইসমাইল হাসান এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আসিফ হাসান।

এ ছাড়া হাবিপ্রবি থেকে যথাক্রমে ষষ্ঠ, অষ্টম ও নবম স্থান অধিকার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সানোয়ার হোসেন, মো. মাহফুজ আহমেদ এবং জান্নাতুল মাওয়া বাঁধন। সব মিলিয়ে সেরা ১০ জনের মধ্যে হাবিপ্রবির পাঁচজন শিক্ষার্থী স্থান করে নেওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এনামউল্ল্যা বলেন, ‘গণিত আমাদের পড়াশোনা ও গবেষণার একটি অত্যন্ত মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডেটা সায়েন্সসহ আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন ব্যবহারিক ক্ষেত্রে প্রকৃত উন্নতি করতে হলে গণিতের ভিত্তি আরও মজবুত করতে হবে। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে মেধাবী ও গণিতপ্রেমী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে তাদের যথাযথ বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে হবে। এর মধ্য দিয়েই দেশের ভবিষ্যৎকে আরও সাফল্যমণ্ডিত করা সম্ভব।’

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, দুই ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এই লিখিত পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ সমস্যা সমাধানভিত্তিক গণিতের প্রশ্ন রাখা হয়েছিল। পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জনকারী সেরা ১০ জন শিক্ষার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। বিজয়ী সেরা দশে চারজন নারী শিক্ষার্থীও স্থান পেয়েছেন।

আঞ্চলিক পর্বের কনভেনর ও হাবিপ্রবির গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. তারিকুল ইসলাম জানান, সেরা দশে স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের আকর্ষণীয় পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে এবং তাঁরা আগামী জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করবেন। আগামী ৪ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মূল আয়োজন আগামী বছর কম্বোডিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সাল থেকে এ এফ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় এবং বাংলাদেশ গণিত সমিতির উদ্যোগে দেশব্যাপী স্নাতক পর্যায়ে এই গণিত অলিম্পিয়াড নিয়মিতভাবে আয়োজিত হয়ে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%