০৮:২৭ এম
ইকুয়েডরের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি লেনিন মোরেনোকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের শাস্তি প্রদান করেছে। একই সাথে, তার জন্য ভবিষ্যতে যেকোনো সরকারি পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ইকুয়েডরের একটি আদালত এই রায় ঘোষণা করে।
মোরেনোর পাশাপাশি তার স্ত্রী, কন্যা, দুই ভাই, ভাবি এবং ইকুয়েডরে নিযুক্ত চীনের সাবেক রাষ্ট্রদূত কাই রুঙ্গুওকে এই দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু
রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে চালু হওয়া বিতর্কিত ‘কোকা-কোডো সিনক্লেয়ার’ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের সাথে জড়িত চীনা প্রতিষ্ঠান ‘সিনোহাইড্রো’ ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে প্রায় ৭৬.১ মিলিয়ন (৭ কোটি ৬১ লাখ) ডলার ঘুষ প্রদান করেছে। তদন্তে দেখা যায়, ভুয়া পরামর্শক চুক্তি, বিদেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ট্যাক্স হ্যাভেনের ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে এই ঘুষের অর্থ লেনদেন করা হয়েছিল।
২০০৭ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মোরেনো এবং তার পরিবার অন্তত ১০ লাখ ডলারের বেশি অর্থ সরাসরি পেয়েছিলেন।
বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারক ম্যানুয়েল ক্যাব্রেরা জানান, মোরেনোর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আনা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ শতভাগ প্রমাণিত হয়েছে। আদালত মোরেনোর স্ত্রী, কন্যা এবং ভাই-ভাবীদের দুই বছর ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং চীনের সাবেক রাষ্ট্রদূতকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করা মোরেনো শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা
বিচার মুখোমুখি হতে প্যারাগুয়ে থেকে দেশে ফিরে আসা এই নেতা নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, এই প্রকল্প চুক্তি বা তদারকির সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না এবং প্রসিকিউশন ভুল ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে তাকে নিশানা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন