মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫২ পি.এম
কুমিল্লা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার নাঙ্গলকোট ও মনোহরগঞ্জ উপজেলায় অটোরিকশাচালকসহ দুই তরুণ হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আব্দুল ওয়াদুদ ওরফে মানিক (২৭) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, একই সঙ্গে পৃথক দুই হত্যাকাণ্ডের রহস্যও উদ্ঘাটন করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে চালকদের টার্গেট করে হত্যার ঘটনায় মানিক জড়িত ছিলেন। এ কারণে তাকে স্থানীয়ভাবে ‘সিরিয়াল কিলার’ হিসেবে পরিচিত বলে উল্লেখ করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার আব্দুল ওয়াদুদ ওরফে মানিক নাঙ্গলকোট উপজেলার নাথেরপেটুয়া এলাকার বাসিন্দা।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান এসব তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত ১২ আগস্ট নাঙ্গলকোট থানার আটিয়াবাড়ি এলাকায় একটি অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। নিহত ব্যক্তি ছিলেন ১৮ বছর বয়সী মো. মেহেদী, যিনি পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন। মরদেহ উদ্ধারের পর হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা।
তদন্তের অংশ হিসেবে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে পুলিশ আব্দুল ওয়াদুদ ওরফে মানিক, শাহেদ, ফাহিম ও সেলিমকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মেহেদীকে হত্যার পর তার অটোরিকশা ছিনিয়ে নেয়ার কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় আব্দুল ওয়াদুদ ওরফে মানিক আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
এরই মধ্যে গত ২৪ আগস্ট নাঙ্গলকোটে মো. আরমান হোসেন (১৫) নামে আরেক অটোরিকশাচালক নিখোঁজ হন। নিখোঁজের পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের এক পর্যায়ে একটি অটোরিকশা কাটা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মো. জোবায়ের হোসেন সুজন, নূর আলম ও মো. গিয়াস উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে আরমানকে অপহরণ ও হত্যার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। পরে তদন্তের ধারাবাহিকতায় আব্দুল ওয়াদুদ ওরফে মানিককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে আরমানকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশের।
পুলিশ আরও জানায়, মানিকের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিনয়ঘর এলাকার একটি পুকুরে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে মো. আরমান হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।
দু’টি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বলছে, উভয় ঘটনার পেছনেই অটোরিকশা ছিনতাই ছিল প্রধান উদ্দেশ্যে। তদন্তে উঠে এসেছে, মানিক অটোরিকশাচালকদের টার্গেট করে তাদের সঙ্গে যাত্রী বা অন্য কোনো পরিচয়ে যোগাযোগ করতেন। পরে সুযোগ বুঝে চালকদের হত্যা করে অটোরিকশা ছিনিয়ে নেয়া হতো বলে পুলিশের দাবি।
পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, শুধু মেহেদী ও আরমান হত্যাকাণ্ডই নয়, এরআগেও একই ধরনের অপরাধে মানিকের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে শাহজাহান ওরফে সাইমন (১৭) নামে এক কিশোরকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ওই হত্যা মামলাটিও বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান বাসস’কে জানান, অটোরিকশা ছিনতাইকে কেন্দ্র করে সংঘটিত এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে মানিকের সঙ্গে আরও কোনো হত্যাকাণ্ড বা অপরাধের যোগসূত্র রয়েছে কিনা, তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাচ্ছে, যাতে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা যায়, এ কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশ প্রায় এক দশক ধরে ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এর ফলে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পরিবেশগত চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।’
আজ মঙ্গলবার সকালে সিরডাপ ভবনে জলবায়ু বিষয়ক সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আসন্ন কপ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন।’
এছাড়া, প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘বাংলাদেশ জলবায়ু অর্থায়নকে ঋণ হিসেবে নয়, বরং কার্যকর সহায়তা হিসেবে চায়।’
আরো পড়ুন
ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ড
এছাড়া, তিনি পাটজাত পণ্যকে পরিবেশবান্ধব ও বায়োডিগ্রেডেবল ন্যাচারাল ফাইবার হিসেবে বিশ্বে তুলে ধরার কথাও উল্লেখ করেন।
জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় পাটের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, এ কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর বিভাগীয় কার্যালয় রাজশাহীর উদ্যোগে আজ রাজশাহী জেলার পবা উপজেলায় একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়েছে। আদালতে বিএসটিআই’র গুণগত মানসনদ গ্রহণ না করে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ‘বিস্কুট, পাউরুটি ও কেক’ উৎপাদন এবং বিক্রি-বিতরণ, পণ্যের লেবেলে অবৈধভাবে বিএসটিআই’র মনোগ্রাম ব্যবহার এবং পণ্যের উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখসহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় তথ্য সম্বলিত লেবেল না থাকার কারণে কাটাখালী সমসাদীপুরে অবস্থিত আলিফ ট্রেডার্স বেকারী প্রতিষ্ঠানটিকে ১০,০০০/- (দশ হাজার টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়েছে।
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসা: ফারহানা হোসেন এর নেতৃত্বে পরিচালিত উক্ত মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রাজশাহীর সার্টিফিকেশন মার্কস উইং কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ।
এ সময় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে ভেজাল প্রতিরোধ এবং গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্যপণ্য সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে বিএসটিআই, রাজশাহীর এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডে ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয়ের জন্য আমির খান বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন। বর্তমানে শোনা যাচ্ছে, তিনি একেবারে নতুন লুকে পর্দায় হাজির হতে যাচ্ছেন। প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা এবং নির্মাতা আর বাল্কির নতুন সুপারহিরো সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য আমির খানের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একাধিক প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সিনেমাটির কাজ এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে এর গল্প এবং চিত্রনাট্য তৈরির কাজ চলছে।
‘বলিউড হাঙ্গামা’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আমির প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। তবে, তিনি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সিনেমাটিতে চুক্তিবদ্ধ হননি।
জানা গেছে, নির্মাতারা আগামী কয়েক মাস গল্প, চিত্রনাট্য এবং মূল চরিত্রের নকশা তৈরিতে মনোযোগ দেবেন। বড় বাজেটের এই সিনেমার জন্য শুটিং শুরুর আগেই প্রাক্-প্রযোজনা এবং চরিত্রের লুক নির্ধারণে দীর্ঘ সময় নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। চিত্রনাট্য পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়ার পরই সিনেমাটিতে অভিনয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন আমির।
প্রকল্পটি চূড়ান্ত হলে সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা এবং আর বাল্কির সঙ্গে এটি হবে আমির খানের প্রথম কাজ। যদিও সাজিদের সঙ্গে আমিরের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব রয়েছে, তবে এর আগে তারা কখনো একসঙ্গে কাজ করেননি।
অন্যদিকে, ‘চীনি কম’, ‘পা’, ‘কী অ্যান্ড কা’, ‘প্যাড ম্যান’ এবং ‘চুপ: রিভেঞ্জ অব দ্য আর্টিস্ট’-এর মতো ভিন্নধর্মী সিনেমা নির্মাণ করে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন আর বাল্কি।
তিন খান—শাহরুখ খান, সালমান খান এবং আমির খানকে নিয়ে সিনেমা বানানোর প্রসঙ্গে ২০১৭ সালের এক সাক্ষাৎকারে রসিকতা করে তিনি বলেছিলেন, "আমি যদি এখন তাদের নিয়ে সিনেমা বানানোর কথা ভাবি, তবে কাজ শুরু করতে করতে বুড়ো হয়ে যাব... তার চেয়ে বরং ব্যবহারিক হওয়া ভালো।"
এদিকে, আমির খানকে ঘিরে ‘রেস ৪’ নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে সুপারহিরো সিনেমা এবং ‘রেস ৪’ দুটিই এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। অভিনেতার পরবর্তী নিশ্চিত সিনেমা হিসেবে রয়েছে আশুতোষ গোয়ারিকরের ঐতিহাসিক স্পোর্টস ড্রামা ‘ললকারা’। ১৯৫২ সালের ভারত-পাকিস্তান টেস্ট সিরিজের প্রেক্ষাপটে নির্মিত সিনেমাটির শুটিং ২০২৬ সালের নভেম্বরে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এ ছাড়া রাজকুমার হিরানির ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সিক্যুয়াল নিয়েও পরবর্তী সময়ে কাজ করার কথা রয়েছে আমিরের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি প্রতিরোধের লক্ষ্যে এবং মাংস বিক্রিতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে নেত্রকোণার কেন্দুয়া পৌর শহরের মাংসের দোকানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ অভিযানের ফলস্বরূপ দুই মাংস ব্যবসায়ীকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে পৌর শহরের বিভিন্ন মাংসের দোকানে অভিযানটি পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কেন্দুয়া পৌর প্রশাসক সানজিদা চৌধুরী। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ইউএলও) ডা. মতিউর রহমানসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান চলাকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী দোকানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় সাউদপাড়া মোড়ের মাংস ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া, কেন্দুয়া কাঁচাবাজারের আবুল হাশেমের মাংসের দোকানে অভিযান চালিয়ে পশু জবাই ও মাংস নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর ৫ ও ৮ ধারার বিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে ২৪ ধারায় ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। নির্ধারিত অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
অন্যদিকে, মৃত গরুর মাংস ক্রয়-বিক্রয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত আরাধন বেপারীকে অভিযানের সময় পাওয়া যায়নি। উপজেলা প্রশাসন জানায়, তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযান শেষে ইউএনও সানজিদা চৌধুরী বলেন, "মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত আইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দা ও মাংস ক্রেতারা অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ