বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৭ পি.এম
চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিরুদ্ধে বিশেষ তৎপরতা
বরিশাল মহানগরীতে মাদকবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা শাখার বিশেষ আভিযানিক টিম-১ এ অভিযানে অংশ নেয়।
অভিযানকালে মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি পুলিশি নজরদারি ও তৎপরতা জোরদার করা হয়।
অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পুলিশকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় জনগণের এ সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে পুলিশ।
বরিশাল মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী এ ধরনের আকস্মিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার পৌরসভা ও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের মধ্যে চোর, ছিনতাইকারী, মাদকসেবী, অপরাধে জড়িত এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার পৌরসভা ও ইউনিয়ন এলাকায় ছিনতাইকারী ও অপরাধীদের ধরার জন্য বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে ৯ জন চোর-ছিনতাইকারী, ৮ জন মাদকসেবী, ৩ জন ধর্তব্য অপরাধের আসামি এবং ২ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া তাদের বিরুদ্ধে চলমান রয়েছে।
ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাইফুল ইসলাম বাবু (২১), মো. ইসমাঈল ওরফে বাঘা (২৭) এবং আমান উল্লাহ (২৬)। তারা কক্সবাজার সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন—সজিব দে (২৩), অপু দে (২২), রশিদ আহম্মদ (২২), আব্দুর রহিম (৩৩), নেছার উদ্দিন (২১) এবং মো. আইয়ুব (২৫)। সজিব দে ও অপু দে চকরিয়া উপজেলার কাকরা ইউনিয়নের শাহ ওমরাবাদ এলাকার বাসিন্দা। অন্যরা কক্সবাজার পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
মাদকসেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মো. এনামুল হক (২০), রবিউল হাসান (২৬), আব্দুল করিম (২৭), আবুল ফয়েজ (২৬), নুরুল আলম (২৬), এরশাদুল ইব্রাহিম (২০), মো. এহেছান (২০) এবং আবু তৈয়ব (২৭)।
ধর্তব্য অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার তিনজন হলেন—মো. রুহুল আমিন (৫৯), মো. মোস্তফা (৬৮) এবং মো. মাজেদ। এছাড়া, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে মো. ইসমাইল (২৪) ও তৈয়বা বেগমকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ওসি মোহাম্মদ আলী আরও জানিয়েছেন, শহর ও আশপাশের এলাকায় চুরি, ছিনতাই, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের তারাবো পৌরসভার মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, পূজামণ্ডপ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের জন্য এক কোটি টাকা অনুদান চেক বিতরণ করা হয়েছে। জেলা পরিষদ থেকে পাওয়া এ অনুদানের চেক বুধবার দুপুরে গোলাকান্দাইল এলাকার নিজ বাসভবনে তারাবো পৌরবাসীর মাঝে বিতরণ করেন নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দিন বাচ্চু, সহ-সভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম, আশরাফুল হক রিপনসহ আরও অনেকে।
মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, রূপগঞ্জবাসীর জন্য কাজ করতেই আমরা দীর্ঘ ১৭ বছর নানা অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছি। আমাদের লক্ষ্য ছিল দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা এবং রূপগঞ্জকে একটি স্বপ্নের, উন্নত রূপগঞ্জ হিসেবে গড়ে তোলা। তারেক রহমান আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন, আর আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছেন। তার দিক-নির্দেশনায় রূপগঞ্জকে দেশের অন্যতম উন্নত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করে যাব।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক মামুন মাহমুদের তত্ত্বাবধানে জেলা পরিষদ থেকে তারাবো পৌরবাসীর জন্য এক কোটি টাকা অনুদান আনা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটিতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যা দিবস। এ উপলক্ষে শোকসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)। সভা থেকে পাকুয়াখালীর ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকাণ্ডসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়েছে।
বুধবার রাঙামাটিতে আয়োজিত শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পিসিএনপির কেন্দ্রীয় মহাসচিব মোহাম্মদ সোলায়মান ইউপিডিএফ নেতা মাইকেল চাকমাসহ সশস্ত্র সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
পিসিএনপির রাঙামাটি জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু বকরের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন জেলা সাধারণ সম্পাদক ডা. মুহাম্মদ ইব্রাহিম, পিসিসিপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হাবিব আজম, জেলা সভাপতি তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর, পিসিএনপি নেতা লোকমান হোসেনসহ অন্যরা।
সভায় বক্তারা বলেন, পাকুয়াখালীতে ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ সোলায়মান অভিযোগ করেন, বিদেশি ইন্ধনে পার্বত্য চট্টগ্রামে একটি গোষ্ঠী বিভিন্ন সময় সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র চলছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, পাহাড়ে একাধিক সশস্ত্র সংগঠন থাকলেও তাদের লক্ষ্য অভিন্ন। অধিকার আদায়ের নামে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের চেষ্টা চলছে। এসব কর্মকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যা দিবস উপলক্ষে লংগদু উপজেলায় নিহতদের কবর জিয়ারত ও শোক র্যালি করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ। পরে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল:** সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুদৃঢ় করতে বরিশালের কাউনিয়া থানার উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় মাদক, অনলাইন জুয়া, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, কিশোর অপরাধ ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ-জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিএমপি মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) জনাব আনিসুর রহমান।
সভায় এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন পুলিশ কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে মাদক, অনলাইন জুয়া, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, কিশোর অপরাধ ও সাইবার অপরাধসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের ক্ষতিকর দিক এবং এসব অপরাধ প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা। অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ কমিশনার (কাউনিয়া জোন) জনাব পবিত্র কুমার হালদার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিবর্গ।
সভায় স্থানীয় সমস্যা ও আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের মতামত শোনা হয় এবং সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ