ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার জোরালো সম্ভাবনা বাংলাদেশে: বিআইডিএস মহাপরিচালক


ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার জোরালো সম্ভাবনা বাংলাদেশে: বিআইডিএস মহাপরিচালক

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থাকে ‘সম্ভাবনাময়’ বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, টেকসই বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধির ধারা যদি স্থিতিশীল থাকে, তাহলে আগামী এক দশকের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে সক্ষম হবে।

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর সোলায়মানের জন্য ৬০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা

ড. এনামুল হক বলেন, বর্তমানে দেশের অর্থনীতি কিছুটা দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। তবে তিনি মনে করেন, বিনিয়োগ বাড়লে দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আগামী বছরগুলোতে কমপক্ষে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তার ভাষ্যমতে, ‘বাংলাদেশ যদি ধারাবাহিকভাবে প্রায় ৬ শতাংশ প্রকৃত প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারে, তাহলে ২০৩০-এর দশকের শুরুতেই অর্থনীতির আকার এক ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।’

এরই মধ্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

আরও পড়ুন: পশ্চিম তীরে বন্দুকযুদ্ধে দুই ফিলিস্তিনি নিহত, আহত ছয় ইসরায়েলি সেনা

এছাড়াও তিনি বাংলাদেশকে বিশ্ব পরিমণ্ডলে একটি উন্নত ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যের কথাও তুলে ধরেন।

দেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিজের দেওয়া পূর্বাভাসের ব্যাখ্যায় ড. এনামুল বলেন, মূল্যস্ফীতিসহ বাংলাদেশের নামমাত্র প্রবৃদ্ধি বছরে প্রায় ১২ শতাংশ থাকতে পারে। যদি এ ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতির আকার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে।

বিশিষ্ট এই অর্থনীতিবিদ বলেন, প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখতে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।

তিনি বলেন, ‘সরকার একা এ লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে না। এতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ও প্রকৃত বিনিয়োগ অপরিহার্য।’

আরও পড়ুন: তিউনিসিয়ায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, রাজধানী উত্তাল বিক্ষোভে

ড. এনামুল আঞ্চলিক ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক হওয়া উচিত নয়। দেশের প্রতিটি জেলার উন্নয়নের সমান অধিকার রয়েছে।’

তার মতে, রাজধানীর ওপর চাপ কমাতে এবং সারাদেশে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে নগর পরিকল্পনার উন্নয়ন ও রাজধানীর বাইরের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর সক্ষমতাও বাড়ানো প্রয়োজন।

ব্যাংকিং খাত প্রসঙ্গে ড. এনামুল বলেন, জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনাই এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: আনান মুস্তাফিজ কুইন্স কমনওয়েলথ রাইটিং প্রতিযোগিতায় ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছেন

তিনি সতর্ক করেন যে, মানুষ যদি ব্যাংকের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে, তাহলে তারা আর্থিক ব্যবস্থায় টাকা জমা রাখবে না।

তিনি আরও জানান, জোরপূর্বক একীভূতকরণের মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংক স্বয়ংক্রিয়ভাবে শক্তিশালী হয়ে যাবে না।

ড. এনামুলের ভাষায়, ‘দুটি দুর্বল ব্যাংক মিলিয়ে একটি সুস্থ ব্যাংক তৈরি করা সম্ভব নয়।’

তিনি এ পরিবর্তনের জন্য কঠোর জবাবদিহিতা ব্যবস্থা চালু করতে ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উন্নতি করতে ব্যর্থ হলে দুর্বল ব্যবস্থাপনার ব্যাংকগুলোকে তাদের পরিণতি ভোগ করতে দেওয়ার পরামর্শ দেন।

আরও পড়ুন: ১১ দলীয় ঐক্যজোটে ভাঙনের গুঞ্জন, মন্তব্য করলেন আযাদ

আর্থিক খাতের সুশাসনের বিষয়ে ড. এনামুল বলেন, আইনের শাসন শক্তিশালী না হলে জনগণের আস্থা ফিরবে না। তিনি জানান, মানুষকে এই নিশ্চয়তা দিতে হবে যে তাদের আমানত নিরাপদ আছে এবং অন্যায়কারীদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

পুঁজিবাজার সম্পর্কে ড. এনামুল বলেন, অর্থবহ পুনরুদ্ধারের জন্য আর্থিক খাত ও সুশাসন ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আইনের শাসন বজায় থাকলে ও আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত হলেই পুঁজিবাজার সঠিকভাবে কাজ করতে পারে।

সর্বশেষ, সরকারি ব্যয়ে দুর্নীতি কমানো এবং সঠিক প্রকল্প বাছাইয়ের ওপরও গুরুত্ব দেন বিআইডিএস মহাপরিচালক।

আরও পড়ুন: ২৬ অক্টোবর থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস

তিনি বলেন, আমাদের মূল সমস্যা প্রকল্প নয়, সমস্যা হলো প্রকল্প বাস্তবায়নে অপচয় ও দুর্নীতি।

তিনি উন্নয়ন প্রকল্প মূল্যায়নে আরও শক্তিশালী পেশাগত বিশ্লেষণের আহ্বান জানান। বিশেষ করে তিনি সামাজিক সুফল এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক লাভের বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যালোচনার ওপর গুরুত্ব দেন।

তার মতে, সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার মূল সমস্যা নয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সঠিক প্রকল্প নির্বাচন ও সময়মতো সেগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

সাক্ষাৎকারের শেষে, ড. এনামুল হক বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রধানত টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরের জন্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ধরে রাখাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগে লাইভে ব্যাখ্যা দিলেন হাসনাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


১০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগে লাইভে ব্যাখ্যা দিলেন হাসনাত

ফেসবুক লাইভে এসে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়ার অভিযোগের জবাব দেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।

প্রায় ৪৩ মিনিটের ওই লাইভে তিনি নিজ উপজেলা দেবীদ্বারে বরাদ্দ সংক্রান্ত বিভিন্ন হিসাব উপস্থাপনার পাশাপাশি ১০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে ওঠা অভিযোগের ব্যাখ্যা দেন।

রোববার (৩১ মে) মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে লাইভে আসেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

মিডিয়া মাফিয়ার আয়নাবাজি শিরোনামে ওই লাইভের শুরুতেই হাসনাত বলেন, বাংলাদেশের মিডিয়া মাফিয়া কিভাবে কাজ করে বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে লাইভে এসেছি। বাংলাদেশের মিডিয়া কিভাবে আপনার কনসার্নকে ম্যানুফ্যাকচার করে, আপনার মতামতকে প্রভাবিত করে আপনার অবচেতন মনে এক ধরনের ধারণা তৈরি করে কোনো ব্যক্তি, কোনো প্রতিষ্ঠান এবং কোনো বিশেষ আদর্শ সম্পর্কে।

এনসিপির এই নেতা বলেন, রাজস্ব বরাদ্দ ও এডিপির পার্থক্য না বুঝে একজন রাজনৈতিক নেতা বক্তব্য দিয়েছেন। রাজস্ব বরাদ্দ ও এডিপি বরাদ্দের পার্থক্য না বুঝে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়েছেন। এসব অর্থ প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে এবং ব্যক্তি হিসেবে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

মাঝরাতের ওই ফেসবুক লাইভে ১৪৮টি প্রকল্পের মাধ্যমে ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার হিসাব দেন হাসনাত।

তিনি আরও বলেন, এটি স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ, যেটা জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রশাসক রাজস্ব খাত আর বিশেষ বরাদ্দ সম্পর্কে যদি জ্ঞান থাকতো তাহলে এভাবে কথা বলতেন না। আর উনি এমনভাবে বলেছেন, মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি। অথচ দেবীদ্বারের বিভিন্ন কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এনসিপির এই নেতা আরো বলেন, এখানে তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে রয়েছে। এটি চাইলে যে কেউ দেখতে পারে। আমি আগেও যেসমস্ত বাজেটে এসেছে, সব হিসাব লাইভে এসে দিয়েছি।

হাসনাত আরও বলেন, ১০ কোটি টাকার কথাই বলা হচ্ছে। আমি যখন নির্বাচিত হইনি, অর্থাৎ ২০২৪-২৫ সালে এডিপি সাধারণ, এডিপি বিশেষ এবং রাজস্ব নিজস্বসহ সব মিলিয়ে আট কোটি ৪২ লাখ টাকার প্রজেক্ট দেবীদ্বারে দেওয়া হয়েছে। এক টাকা বেশি না, এক টাকা কমও নয়। ১৪৮টি খাতে এসব প্রজেক্ট দেওয়া হয়েছে। একটি সম্পূর্ণ প্রজেক্টও এখনও কমপ্লিট হয়নি। এগুলো আপনারা অনলাইনে গিয়ে দেখতে পাবেন।

তিনি বলেন, অথচ জেলা পরিষদের প্রশাসক বললেন আমি ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছি। গত দুই দিন মিডিয়া ট্রায়াল চালানো হলো, আমরা টাকা নিয়ে গিয়েছি, টাকার কথা মানুষের কাছে লুকিয়েছি। এটা তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে রয়েছে। ইটস ভেরি ওপেন, ব্রড ডেলাইট ওপেন।

কুমিল্লা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, যারা প্রচার করেছেন, আপনাদের যদি চর্মচক্ষু ও জ্ঞানবুদ্ধি থাকে, তবে ইন্টারনেটে সার্চ করলেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। কোন খাতে কত টাকা এবং কোন প্রক্রিয়ায় গেছে, চাইলে সবকিছু বের করা সম্ভব।

হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, আমার এলাকার যত বরাদ্দ বাজেট এসেছে, সম্প্রতি লাইভে সবগুলো বিস্তারিত তুলে ধরেছি। আমার পেজ ‘জবাবদিহিতা’-য় প্রতিনিয়ত আপডেট জানানো হয়। সবার বাসায় মোবাইল, ইন্টারনেট এবং ফেসবুক আছে। সার্চ করলেই যে কেউ বিস্তারিত দেখতে পারেন। এখন এটাকে যেভাবে ফ্রেমিং করা হলো সেটা খুবই দুঃখজনক।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার (৩০ মে) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে এক অনুষ্ঠানে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়ার অভিযোগ ছিল হাসনাত আবদুল্লাহ এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কুমিল্লা জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ২৫ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন। এ বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেশজুড়ে তোলপার সৃষ্টি করে। পরে ওই বিষয়ে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়াকে ফোন করে জানতে চাইলে মোস্তাক মিয়া উন্নয়ন কাজে নেওয়া হয়েছে বলে জানান। কেউ ব্যক্তিগতভাবে সে টাকা নিয়ে গেছে সেটা তিনি বলেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি দপ্তরে এমপির আকস্মিক পরিদর্শন, বেশিরভাগ কর্মচারী অনুপস্থিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


সরকারি দপ্তরে এমপির আকস্মিক পরিদর্শন, বেশিরভাগ কর্মচারী অনুপস্থিত

ঈদুল আজহারের পর জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আকস্মিক পরিদর্শন করে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কুমিল্লা কার্যালয়ে গিয়েছিলেন সংসদ সদস্য। সেখানে গিয়ে তিনি একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুপস্থিত দেখতে পান। সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।

গণমাধ্যমে সংসদ সদস্য বলেন, ‘নির্বাহী প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলী, প্রাক্কলনিক কর্মকর্তা কেউই ছুটি ছাড়াই অফিসে আসেননি। এমনকি বেলা ১১টায় দপ্তরে জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করতে দেখা যায়নি।’

তিনি আরো জানান, সার্বিক অবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কুমিল্লার বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শফিউল হক বলেন, ‘প্রাক্কলনিক কর্মকর্তা তারেক মোল্লা ছুটিতে রয়েছেন। আমার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়, এখানেও অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি। আমি গাড়িতে কুমিল্লা অফিসে আসতেছি।’

তবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না হওয়ার ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।

এর আগে, সকালে কুমিল্লা জেলা সাব-রেজিস্টার কার্যালয় পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য মনিরুল হক। সেখানে নির্ধারিত সময়ে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদরাসা শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় ময়মনসিংহে শিক্ষক আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩১ পি.এম


মাদরাসা শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় ময়মনসিংহে শিক্ষক আটক

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে আবু রাহাত (২২) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১ জুন) সকালে শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে আবু রাহাতকে আসামি করে তারাকান্দা থানায় মামলা করেন।

মামলার পর দুপুরে আদালতে আসামিকে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রবিবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে আবু রাহাতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার আবু রাহাত জেলার ফুলপুর উপজেলার অর্জুনখিলা গ্রামের আবুল হাশিমের ছেলে। তিনি তারাকান্দা ইউনিয়নের ধলীরকান্দা মাঠখলা এলাকায় অবস্থিত রওজাতুল আতফাল নূরানিয়া হাফেজিয়া মাদরাসা ও জান্নাতুল মোবাশ্বিরা মহিলা মাদরাসার শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, ঈদের আগে সব শিক্ষার্থীকে ছুটি দিয়ে মাদরাসা বন্ধ করে দিলেও, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে বাড়িতে যেতে দেননি শিক্ষক আবু রাহাত। পরে আবু রাহাত ওই শিক্ষার্থীকে মাদরাসায় রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এরপর ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। ছুটি শেষে বাড়িতে যাওয়ার পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে।

গতকাল রবিবার সকালে তার পায়ুপথে অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ শুরু হলে সন্তান পরিবারে সদস্যদের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয়।

এদিকে, ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় গ্রামবাসী মাদরাসার পরিচালক মাওলানা আব্দুল গফুরকে আটক করে রাখেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং পরে অভিযান চালিয়ে আবু রাহাতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তারাকান্দা থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোবারক হোসেন জানান, আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘দুটি দুর্বল ব্যাংক মিলিয়ে একটি সুস্থ ব্যাংক তৈরি করা সম্ভব নয়’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ পি.এম


‘দুটি দুর্বল ব্যাংক মিলিয়ে একটি সুস্থ ব্যাংক তৈরি করা সম্ভব নয়’

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক বলেছেন, ‘দুটি দুর্বল ব্যাংক মিলিয়ে একটি সুস্থ ব্যাংক তৈরি করা সম্ভব নয়।’ তিনি উল্লেখ করেছেন যে, জোরপূর্বক একীভূতকরণের মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংক স্বয়ংক্রিয়ভাবে শক্তিশালী হয়ে যাবে না।

তিনি আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন।

ড. এনামুল বলেন, জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনাই এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। তিনি সতর্কতা প্রকাশ করেন যে, মানুষ যদি ব্যাংকের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে, তাহলে তারা আর্থিক ব্যবস্থায় টাকা জমা রাখবে না।

এই গবেষক দুর্বল ব্যাংকগুলোকে একীভূতকরণের পরিবর্তে কঠোর জবাবদিহিতা ব্যবস্থা চালু করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উন্নতি করতে ব্যর্থ হলে ব্যাংকগুলোকে তার পরিণতি ভোগ করতে দেওয়া উচিত।

আর্থিক খাতের সুশাসনের বিষয়েও ড. এনামুল মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আইনের শাসন শক্তিশালী না হলে জনগণের আস্থা ফিরবে না বলে তিনি সতর্ক করেন।

তিনি আরও জানান, মানুষকে এই নিশ্চয়তা দিতে হবে যে তাদের আমানত নিরাপদ রয়েছে এবং অন্যায়কারীদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

সাক্ষাৎকারের শেষে ড. এনামুল হক বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রধানত টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%