সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০০ পি.এম
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি)-এর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শাহজাহানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
আজ আইসিএসবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে চার্টার্ড সেক্রেটারি পেশার ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে মন্ত্রীর সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করা হয়।
মন্ত্রী প্রতিনিধিদলের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং আইসিএসবি’র কার্যক্রমে তার সর্বাত্মক সহযোগিতা ও সমর্থনের আশ্বাস দেন।
রোববার অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে আইসিএসবি প্রেসিডেন্ট প্রতিনিধিদলের সদস্যদের মন্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন এবং চার্টার্ড সেক্রেটারি পেশার উন্নয়ন ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইসিএসবি’র বিভিন্ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন।
সাক্ষাৎকালে আইসিএসবি’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. রফিকুল ইসলাম, কাউন্সিল সদস্য মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, কাউন্সিল সদস্য খোন্দকার নাসির উদ্দিন মাহমুদ এবং সেক্রেটারি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাব্বিরুল আলম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধিদলকে মূল্যবান সময় দেওয়ায় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আইসিএসবি’র নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, তার অব্যাহত সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা ইনস্টিটিউটের লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনের যুব বিষয়ক মন্ত্রী সিরা রেগোর বিতর্কিত মন্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া হিসেবে, ইসরায়েল দেশটিতে নিযুক্ত স্পেনের শীর্ষ কূটনীতিককে তলব করে একটি কঠোর কূটনৈতিক বার্তা (reprimand) প্রদান করেছে। স্প্যানিশ ওই মন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন যে, স্পেনের সাধারণ জনগণ "নদী থেকে সাগর পর্যন্ত" (From the river to the sea) স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে সমর্থন জানায়।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্পেনের চার্জ দে অ্যাফেয়ার্স ফ্রান্সিসকা পেড্রোসকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-কৌশলগত বিষয়ক প্রধান গিলাদ কোহেন তার হাতে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক তিরস্কার ও প্রতিবাদের বার্তা তুলে দেন।
একটি বিবৃতিতে ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, স্প্যানিশ মন্ত্রী সিরা রেগোর এই বক্তব্য স্পেন সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের ইসরায়েলবিরোধী ধারাবাহিক নীতি ও অবস্থানের অংশ। ইসরায়েলের মতে, "নদী থেকে সাগর পর্যন্ত" স্লোগানের আড়ালে প্রকৃতপক্ষে ইসরায়েল রাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করার ইঙ্গিত রয়েছে।
স্পেনের মন্ত্রী সিরা রেগো ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একজন সাবেক সদস্য। তাঁর বাবা একজন ফিলিস্তিনি যিনি বর্তমানে পশ্চিম তীরে বসবাস করেন। গত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের ঘটনার পর রেগো মন্তব্য করেছিলেন, "কয়েক দশকের দখলদারিত্বের পর প্রতিরোধ গড়ে তোলার অধিকার ফিলিস্তিনিদের রয়েছে।" তিনি পূর্বে ইসরায়েলকে 'অগণতান্ত্রিক ও দুর্নীতিগ্রস্ত' হিসেবে উল্লেখ করে স্পেন থেকে ইসরায়েলি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদলকে বহিষ্কারের দাবিও জানিয়েছিলেন।
উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ইসরায়েল স্প্যানিশ মন্ত্রী সিরা রেগো এবং স্পেনের উপ-প্রধানমন্ত্রীর ইসরায়েল প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে স্পেন ও ইসরায়েলের এই মনস্তাত্ত্বিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র রূপ নিচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘অ্যাভেঞ্জার্স : এজ অব আলট্রন’-এ যুদ্ধের জন্য রোবট বাহিনী প্রদর্শিত হয়েছিল। এক দশকেরও বেশি সময় পর ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে রোবট ব্যবহারের পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। ইউক্রেনের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ শনিবার জানিয়েছেন, দেশটি একটি নতুন ‘রোবট বাহিনী’ গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুদ্ধে মানুষের প্রাণহানি কমানোর জন্য অধিক রোবট ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ফেদোরভ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তাকে মন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার কয়েক মাস পর তিনি এই উদ্যোগের কথা জানালেন।
ফেদোরভের মতে, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করার অংশ হিসেবে ‘রোবট বাহিনী’ গঠন করা হচ্ছে। সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, ২০২২ সালে শুরু হওয়া তাঁর ‘আর্মি অব ড্রোনস’ প্রকল্পের আদলে এবার ‘আর্মি অব রোবটস’ গড়ে তোলা হবে।
ফেদোরভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘ইউক্রেনের পরবর্তী প্রযুক্তিগত লক্ষ্য হলো যুদ্ধে রোবটের ব্যবহার বৃদ্ধি করা।’ তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘আর্মি অব রোবটস’ একটি প্রতিষ্ঠান হবে না, বরং এটি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পের একটি বৃহৎ ব্যবস্থা। ফেদোরভ বলেন, সরকার প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগ করবে এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করবে। এসব প্রযুক্তি সেনাবাহিনীর সঙ্গে পরীক্ষা করা হবে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর প্রমাণিত প্রযুক্তিগুলোর ব্যবহার আরও বৃদ্ধি করা হবে।
ফেদ্রোভের শেয়ার করা ‘আর্মি অব রোবটস’ ওয়েবসাইটে এই উদ্যোগের জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রের দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের আবেদন করতে বলা হয়েছে। ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে, রাশিয়া দ্রুত নতুন প্রযুক্তি নকল করে তা উৎপাদনে নিয়ে আসছে। তাই যুদ্ধক্ষেত্রে অধিক সেনা পাঠানোর পরিবর্তে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে এমন রোবট তৈরি করার লক্ষ্য রয়েছে, যেগুলো যুদ্ধ, নজরদারি, উদ্ধারকাজ ও রসদ সরবরাহে কাজ করতে সক্ষম হবে। ইউক্রেনের সামরিক ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবট প্রযুক্তির উন্নয়নে বড় ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ফেদ্রোভ তার পোস্টের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি একটি ভিডিওও প্রকাশ করেছেন।
রোবট বাহিনী যেসব কাজ করবে
ইউক্রেনের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদ্রোভ বলেছেন, রোবট বাহিনী তৈরির মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধক্ষেত্রে মানুষের প্রাণহানি কমানো। তিনি জানান, ঝুঁকিপূর্ণ বিভিন্ন কাজে রোবট ব্যবহার করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে আহতদের উদ্ধার, গোলাবারুদ পৌঁছে দেওয়া, মাইন পাতা ও সরানো, শত্রুর অবস্থান নজরদারি এবং সামরিক অবস্থানে হামলা চালানো।
ফেদ্রোভের প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে বিভিন্ন ধরনের রোবটকে যুদ্ধক্ষেত্রে কাজ করতে দেখা গেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রোবটগুলো শত্রুর অবস্থানে হামলা চালাবে এবং মানুষের জন্য নিরাপদ পথ তৈরি করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, মানুষ দূর থেকে রোবটগুলো নিয়ন্ত্রণ করবে। এলাকা নিরাপদ হওয়ার পর সেনারা সেখানে প্রবেশ করবে। ফেদ্রোভ আরো জানিয়েছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে হিউম্যানয়েড রোবট দিয়ে শত্রু সেনার ওপর হামলা চালানোর লক্ষ্য রয়েছে। এক বছরের মধ্যে কোনো পদাতিক সেনা ছাড়াই শত্রুর অবস্থানে হামলা চালানোর লক্ষ্যও রয়েছে।
ইউক্রেনে ইউজিভির ব্যবহার বাড়ছে
রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইউক্রেন চালকবিহীন স্থলযান বা ইউজিভির ব্যবহার ক্রমাগত বাড়াচ্ছে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরু থেকে ইউজিভি ব্যবহারের মাধ্যমে পরিচালিত মিশনের সংখ্যা ৩ দশমিক ৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৬ সালের আগস্ট মাসে ইউজিভির মাধ্যমে সম্মুখ সমরে ২৫ হাজারের বেশি রসদ সরবরাহ ও উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শুরু পর্যন্ত ২০২৬ সালের শুরু থেকে ইউজিভির মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার রসদ সরবরাহ ও উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী ‘হায়েনা’ নামে পরিচিত চার চাকার চালকবিহীন যানসহ বিভিন্ন ধরনের রোবট তৈরি করছে। এসব রোবট বিস্ফোরক বহন করে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা অবস্থানের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। এগুলো শত্রুপক্ষের বাঙ্কারে হামলা অথবা তাদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে ব্যবহার করা হতে পারে।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, একই ধরনের একটি রোবট রুশ যুদ্ধবন্দীদের আটক করার কাজেও ব্যবহার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রতি ৯ মিনিটে বিশ্বে একজন ব্যক্তি জলাতঙ্কের কারণে প্রাণ হারাচ্ছেন। আক্রান্তদের মধ্যে একটি বড় অংশ শিশু। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত, চীন ও বাংলাদেশসহ এ অঞ্চলের দেশগুলোতে জলাতঙ্কের ঝুঁকি বেশি থাকলেও সচেতনতা, প্রাণীর টিকাদান এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় এনে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
আজ বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব তথ্য উপস্থাপন করেন। ‘একসাথে, আরও শক্তিশালী-জলাতঙ্ক মুক্ত বিশ্ব গড়ি’ এই প্রতিপাদ্যে দিবসটি উদযাপন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিতে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রাইভেট ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি এবং চট্টগ্রাম ডেইরি খামারি নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। র্যালিটি নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
পরে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) ভেটেরিনারি অনুষদের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ যোবায়ের হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. আতিয়ার রহমান।
বক্তারা উল্লেখ করেন, প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ৩ লাখ মানুষ জলাতঙ্কে আক্রান্ত হন, যাদের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশই শিশু। ভারত, চীন ও বাংলাদেশসহ এ অঞ্চলের দেশগুলোতে জলাতঙ্কের ঝুঁকি বেশি হওয়ায় প্রাণীদের টিকাদানের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।
তারা আরও বলেন, জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধুমাত্র চিকিৎসার উপর নির্ভর করা সম্ভব নয়। কুকুরসহ ঝুঁকিপূর্ণ প্রাণীর টিকাদান, আক্রান্ত প্রাণী শনাক্তকরণ, কামড়ের পর দ্রুত চিকিৎসা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন। এসব কার্যক্রম জোরদার করা গেলে ২০৩০ সালের মধ্যে জলাতঙ্কে মানুষের মৃত্যুর ঘটনা শূন্যে নামিয়ে আনার বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠন কুতুবপুর ইউনিয়ন ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. ফিরোজ মিয়া, যিনি ফিরোজ মেম্বার নামেও পরিচিত, তাঁকে (৬০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার রাতে আলীগঞ্জ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয়। ফিরোজ মিয়া, যিনি ফতুল্লা থানার আলীগঞ্জ এলাকার মৃত চাঁন মিয়ার পুত্র, কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাউছার আহম্মেদ পলাশের ব্যবসায়িক অংশীদার এবং তাঁরা আপন মামাতো-ফুফাতো ভাই বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাত আটটার দিকে ফতুল্লার আলীগঞ্জ কেন্দ্রীয় মসজিদসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফিরোজ মিয়াকে আটক করা হয়। তিনি কুতুবপুর ইউনিয়ন ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে পরিচিত এবং কাউছার আহম্মেদ পলাশের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।
ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সোমবার দুপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ফিরোজ মিয়াকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ