ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিডিআর বিদ্রোহ, শান্তিরক্ষা মিশন ও দুর্ঘটনায় শহীদ পরিবারের ৭০টি ফ্ল্যাট বরাদ্দ


বিডিআর বিদ্রোহ, শান্তিরক্ষা মিশন ও দুর্ঘটনায় শহীদ পরিবারের ৭০টি ফ্ল্যাট বরাদ্দ

ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মিরপুর ডিওএইচএস-এ নির্মিত 'অপরাজিতা' বহুতল ভবনে শহীদ পরিবারের জন্য ফ্ল্যাট বরাদ্দপত্র আজ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে হস্তান্তর করা হয়েছে, যা বিডিআর বিদ্রোহ, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন এবং বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত বা নিহতদের জন্য।

এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে ফ্ল্যাটের বরাদ্দপত্র তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বিডিআর বিদ্রোহ এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ বিভিন্ন আভিযানিক ও অনাভিযানিক কারণে শহীদ ও গুরুতর আহত মোট ৭০টি পরিবারের জন্য বরাদ্দপত্র বিতরণ করা হয়।

এ বিষয়ে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ডিওএইচএস সেন্ট্রাল কমিটির তত্ত্বাবধানে সরকারের অনুমোদনের মাধ্যমে মিরপুর ডিওএইচএস-এ দু’টি ভবনে ১৫৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বরাদ্দগ্রহীতাদের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর, সেনাসদর এবং সেনাকল্যাণ কনস্ট্রাকশনস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড (এসকেসিডি)-এর কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে

অনুষ্ঠানে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়, যারা বিডিআর বিদ্রোহ, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন আভিযানিক ও অনাভিযানিক কারণে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন অথবা গুরুতর আহত হয়েছেন।

এছাড়া, অনুষ্ঠানে বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কে স্কুলের বাইরে কিশোরের গুলিতে আহত ১১ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


তুরস্কে স্কুলের বাইরে কিশোরের গুলিতে আহত ১১ জন

ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে মঙ্গলবার এক কিশোর গুলি চালানোর ফলে ১১ জন আহত হয়েছেন।

পুলিশ পরে হামলাকারী কিশোরকে আটক করেছে।

এ তথ্য দেশটির একজন মন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন।

মানিসা প্রদেশের তুরগুতলুতে স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এই এলাকা পশ্চিমাঞ্চলের পর্যটন শহর ইজমিরের নিকটে অবস্থিত। প্রাদেশিক গভর্নরের কার্যালয় থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

তুরস্কে স্কুলে গুলিবর্ষণের ঘটনা সাধারণত বিরল। তবে গত এপ্রিলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে পরপর দুই দিন দুটি হামলার ঘটনা ঘটে, যা ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

তুরস্কের তুরগুতলু থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর প্রকাশ করেছে।

বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘১১ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন গুরুতর আহত। হামলাকারী কিশোরকে দ্রুত শনাক্ত করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, হামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজনের বাবা-মা ও দাদাকেও আটক করা হয়েছে। ঘটনার পর পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। আতঙ্কিত অভিভাবকরাও সেখানে জড়ো হন।

ডএইচএ সংবাদ সংস্থা সিসিটিভির একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, কালো জিনস, কালো জ্যাকেট এবং সবুজ পোশাক পরা এক তরুণ রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, তার হাতে একটি লম্বা নলের আগ্নেয়াস্ত্র ছিল।

আইএইচএও একই ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেছে, যেখানে তাকে দৌড়াতে দেখা যায়।

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভি জানিয়েছে, হামলাকারীর কাছে অস্ত্রটি ছিল একটি শটগান।

স্কুলের বাইরে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, সাদা শার্ট পরা এক ব্যক্তিকে পুলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছে। এ সময় এক নারীকে চিৎকার করতে দেখা যায়। দর্শনার্থীরা স্কুলের বেড়ার পাশে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করছিলেন।

গুরলেক জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি কিশোরটির কাছে কীভাবে পৌঁছালো, অস্ত্রটি কীভাবে সংরক্ষণ ও তদারকি করা হয়েছিল এবং ঘটনার আগে তাকে হয়রানি করা হয়েছিল কি না—এসব বিষয় তদন্ত করা হচ্ছে।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই বিদ্যালয়ে দিনের সব ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে।

তুরস্কের স্কুলগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টির পাঁচ মাস পর এই হামলা ঘটল। গত এপ্রিলে পরপর দুটি স্কুলে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এপ্রিল মাসে দক্ষিণাঞ্চলীয় কাহরামানমারাশ প্রদেশের একটি স্কুলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর গুলি চালায়। এতে একজন শিক্ষক এবং ১০ ও ১১ বছর বয়সী নয় শিক্ষার্থী নিহত হয়। ঘটনাস্থলেই হামলাকারীর মৃত্যু হয়।

এর এক দিন আগে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সানলিউরফা প্রদেশে এক কিশোর তার সাবেক উচ্চ বিদ্যালয়ে গুলি চালায়। এতে ১৬ জন আহত হয়। পুলিশ তাকে ঘিরে ফেললে সে নিজের জীবন নেয়।

পরপর ওই দুই হামলার পর প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান এক উপশিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত করেন। একই সঙ্গে তার সরকার আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকানায় আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের প্রতিশ্রুতি দেন।

২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার এক দিন পর এই হামলা ঘটল। শিক্ষাবর্ষটি শুরু হয়েছে ১৪ সেপ্টেম্বর। এর এক দিন আগে শিক্ষামন্ত্রী ইউসুফ তেকিন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুস্তাফা চিফতচি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নির্ধারণ করে একটি প্রটোকলে স্বাক্ষর করেন।

তিনি জানান, প্রথমবারের মতো ৩১ হাজার স্কুলের জন্য নিরাপত্তা তদারককারী নিয়োগ করা হয়েছে।

মুস্তাফা বলেন, মন্ত্রণালয় স্কুলগুলোর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে মূল্যায়ন করেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরের ঝুঁকিপূর্ণ স্কুলগুলোতে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা সেখানে স্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত স্কুলগুলোতে পুলিশ লিয়াজোঁ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জয়পুরহাটে ৭২ লাখ টাকার কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার, ৪ আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


জয়পুরহাটে ৭২ লাখ টাকার কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার, ৪ আটক

জয়পুরহাট, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আক্কেলপুরে, ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে প্রস্তুতকৃত একটি কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। উদ্ধারকৃত মূর্তিটির মূল্য ৭২ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং এ ঘটনায় মূর্তি পাচারকারী চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে বিজিবি-২০ জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার গভীর রাতে বিজিবি ও এসআরবির একটি যৌথ টহলদল আক্কেলপুরের বিহারপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় কষ্টিপাথরের মূর্তিসহ মুকুল চন্দ্র ও কামাল হোসেনকে আটক করা হয়।

পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চক্রের আরও দুই সদস্য—হামিদুর রহমান ও জাকির হোসেনকে আটক করে যৌথ বাহিনী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের মূর্তি পাচারকারী দলের সক্রিয় সদস্য হিসেবে স্বীকার করেছে।

উদ্ধারকৃত কষ্টিপাথরের মূর্তিটির ওজন ৭২ কেজি ৯০০ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৭২ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন, আক্কেলপুর সদরের মৃত সিরাজ সরদারের ছেলে হামিদুর রহমান (৬২), শ্রীরামপুরের অনন্তপুর গ্রামের মাহাতাব হোসেনের ছেলে জাকির হোসেন (৫০), সোনামুখীর জালালপুর গ্রামের শ্রী সুচীন চন্দ্র মন্ডলের ছেলে মুকুল চন্দ্র মন্ডল (৩৮) এবং বিহারপুর গ্রামের মৃত আইজ উদ্দিনের ছেলে কামাল হোসেন (৬০)।

জয়পুরহাট-২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী বাসসকে জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত কষ্টিপাথরের মূর্তি এবং আটককৃতদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য আক্কেলপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহজাদপুরে নারীসহ শিক্ষক আটক হওয়ার অভিযোগ, এলাকায় সমালোচনার ঝড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ রাসেল সরকার ( স্টাফ রিপোর্টার)

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


শাহজাদপুরে নারীসহ শিক্ষক আটক হওয়ার অভিযোগ, এলাকায় সমালোচনার ঝড়

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের গাড়াদহ ইউনিয়নের চরনবিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কবিরুদ্দিন এর বিরুদ্ধে নারীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটকের অভিযোগ উঠেছে।
একজন শিক্ষক কর্তৃক নারী গঠিত বিষয় ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ওই শিক্ষকের অপসারণ দাবি উঠেছে। ঘটনা সত্য হলে ওই শিক্ষকের কাছে কেউই নিরাপদ নয় বলে মনে করছে সচেতন মহল।
স্থানীয়সুত্রে জানাযায়, গত ২০ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে উক্ত বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক চরনবিপুর গ্রামের বাসিন্দা কবিরুদ্দিন একটি নারী নিয়ে পাশের টেকুয়াপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে গভির রাতে ধরা পড়ে। এসময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে বেধে রাখে। পরে কবিরুদ্দিনের গ্রামের প্রধানবর্গ গিয়ে দেনদরবার করে ওই গ্রাম থেকে মুক্ত করে আনে। বিষয়টি জানাযানি হলে, সমালোচনার ঝর উঠে।
টেকুরপাড়া গ্রামের স্থানীয়রা জানায়, রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে ওই শিক্ষককে টেকুয়াপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে নারীর সাথে উপস্থিতি টের পেয়ে স্থানীয়রা আটক করে উত্তমমধ্যম দিয়ে বেধে রাখে। পরে কবিরুদ্দিন এর নিজ গ্রামের প্রধানবর্গ টেকুয়াপাড়া গ্রামে গিয়ে সেখানকার প্রধানবর্গের সাথে দেনদরবার করে এবং ওই শিক্ষক এমন কর্মকান্ড আর কখনোই করবে না এবং ওই শিক্ষককে দিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করিয়ে সেখান থেকে মুক্ত করে নিয়ে আসে। এঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এলাকায় সমালোচনার ঝর বইতে থাকে। ওই শিক্ষকের দ্রুত অপসারণ দাবি করেছে স্থানীয়রা। তবে ঘটনার সঠিক তদন্ত করে অপরাধ প্রমাণিত হলে দ্রুত ওই শিক্ষককে অপসারণ সহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল।
তবে এবিষয়ে সহকারী শিক্ষক কবিরুদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য তার বিরুদ্ধে এসব ছড়ানো হচ্ছে।
চরনবিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা দরকার। তদন্ত করে অভিযোগ প্রমানিত হলে ব্যাবস্থা নেওয়া দরকার।
এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মুরাদ হোসেন বলেন, সহকারী শিক্ষা অফিসারকে তদন্তের দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে অভিযোগ প্রমানিত হলে অবশ্যই ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুজব ছড়ানোর আগেই প্রতিরোধ করতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


গুজব ছড়ানোর আগেই প্রতিরোধ করতে চায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ

চট্টগ্রাম, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটার আগেই তা শনাক্ত করে প্রতিরোধের উদ্যোগ নিতে চায়।

এ উদ্দেশ্যে সাইবার মনিটরিং টিমকে আরো কার্যকরী করার পাশাপাশি গুজব শনাক্তকরণ, তথ্য যাচাই এবং দ্রুত সঠিক তথ্য প্রচারের জন্য একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুরোনো ছবি-ভিডিও বা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক নজরদারির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের উদ্যোগে ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সাইবার টিম কর্তৃক করণীয়’ শীর্ষক একটি অনলাইন সভায় এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের সভাপতিত্বে জুম অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন সার্কেলের কর্মকর্তাগণ, অফিসার ইনচার্জ, ডিআইও-১, ওসি ডিবি এবং সাইবার মনিটরিং টিমের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

সভায় আলোচনা হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে ঘটনা হিসেবে গ্রহণ করার পূর্বে সেটির সত্যতা যাচাই এবং গুজবের উৎস শনাক্ত করার কৌশল নিয়ে। কোনো ছবি, ভিডিও বা পোস্ট ভাইরাল হওয়ার পর সেটিকে সত্য ধরে না নিয়ে এর উৎস, সময় এবং প্রেক্ষাপট যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পুরোনো বা অন্য কোনো ঘটনার ছবি-ভিডিও নতুন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে প্রচার করা হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দুর্গাপূজা, পূজামণ্ডপ, ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্টে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ধর্মীয় উসকানি বা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে এমন কোনো কনটেন্ট নজরে এলে সেটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যাচাই করার জন্য বলা হয়েছে।

সভায় জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয় যে, যাচাই ছাড়া কোনো পোস্ট বা তথ্য শেয়ার না করার বিষয়ে সচেতন হতে।

বক্তারা উল্লেখ করেন, গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখানোর পরিবর্তে আগেই শনাক্ত করে তা প্রতিরোধ করা এবং দ্রুত সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়াই সাইবার মনিটরিং কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%