ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে বেতন-ভিসা জটিলতায় ৪৫০টি অভিযোগ জমা


মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে বেতন-ভিসা জটিলতায় ৪৫০টি অভিযোগ জমা

প্রতিবছর লাখ লাখ বাংলাদেশি বিদেশে পাড়ি জমানোর স্বপ্ন নিয়ে বের হলেও সবার ভাগ্য বদলাতে পারে না। মালয়েশিয়ায় বৈধ কলিং ভিসায় গিয়ে অনেক বাংলাদেশি শ্রমিককে নিয়োগ-সংক্রান্ত ঋণের বোঝা, বকেয়া বেতন, ভিসা ও অভিবাসন জটিলতা এবং দেশে ফেরার প্রক্রিয়ায় নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ২০২২ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশনে প্রায় ৪৫০টি অভিযোগ জমা পড়েছে এসব সংকটের প্রতিকার চেয়ে।

হাইকমিশন জানিয়েছে, ৩৩০টির বেশি অভিযোগ নিয়োগকর্তা ও কর্মীদের মধ্যে মধ্যস্থতা এবং মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য অংশীজনের সহযোগিতায় সমাধান করা সম্ভব হয়েছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে বেতন পরিশোধে বিলম্ব বা বকেয়া, ভিসা নবায়ন, নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতা এবং কর্মসংস্থান নিয়ে বিরোধ। অনেক শ্রমিক মালয়েশিয়ায় আসার আগে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে ঋণগ্রস্ত হন। প্রতিশ্রুত চাকরি বা বেতন না পেলে সেই ঋণের চাপ আরও বাড়তে থাকে।

মালয়েশিয়ায় কর্মরত একাধিক বাংলাদেশি শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিদেশে আসার আগে চাকরি, বেতন ও কর্মপরিবেশ সম্পর্কে যে তথ্য দেওয়া হয়, বাস্তবে অনেক সময় তার সঙ্গে মিল পাওয়া যায় না। নতুন কর্মীরা এই কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন। এক শ্রমিকের ভাষ্য, "মালয়েশিয়ায় আসার পর বেতন ও চাকরির শর্ত নিয়ে সমস্যা হলে অনেক শ্রমিক শুরুতে বুঝতেই পারেন না কোথায় গেলে দ্রুত প্রতিকার পাওয়া যাবে।" ঋণের কিস্তি, পরিবারের খরচ এবং বৈধ কাগজপত্র ঠিক রাখার চাপ একসঙ্গে থাকায় তারা অনেক সময় সমস্যার মধ্যেই কাজ চালিয়ে যেতে বাধ্য হন।

আরও পড়ুন: সার্বিয়ার নির্বাচনে ভুচিচের পরাজয়, বিরোধী জোট ‘স্টুডেন্ট লিস্ট’ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন

আরেক শ্রমিক জানান, নিয়োগের সময় সব শর্ত পরিষ্কারভাবে লিখিত ও যাচাইযোগ্য থাকলে মালয়েশিয়ায় এসে অনেক বিরোধ এড়ানো সম্ভব। নিয়োগকর্তা পরিবর্তন, বেতন বকেয়া কিংবা ভিসা জটিলতার ক্ষেত্রে দ্রুত অভিযোগ জানানোর কার্যকর ব্যবস্থা থাকা জরুরি। কমিউনিটি নেতারাও বলছেন, শ্রমিকের সমস্যা দেখা দেওয়ার পর সমাধানের চেয়ে নিয়োগের শুরুতেই অনিয়ম বন্ধ করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মতে, বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানোর আগে চাকরির ধরন, বেতন, কর্মস্থল, আবাসন, নিয়োগকর্তা এবং অন্যান্য শর্ত যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

একজন কমিউনিটি নেতার মতে, শ্রমিকদের সুরক্ষায় বাংলাদেশি নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তা, সরকারি সংস্থা ও হাইকমিশনের মধ্যে আরও শক্তিশালী সমন্বয় প্রয়োজন। অভিযোগ নিষ্পত্তির পাশাপাশি একই ধরনের অভিযোগ যাতে বারবার না আসে, সেদিকেও নজর দিতে হবে। আরেক কমিউনিটি প্রতিনিধি বলেন, "শ্রমিকের কাছ থেকে অতিরিক্ত নিয়োগ ব্যয় আদায়, প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বাস্তব চাকরির অমিল এবং বেতনসংক্রান্ত বিরোধ—এসব বিষয়ে শুরুতেই কঠোর নজরদারি থাকলে পরবর্তী সংকট অনেকটাই কমে আসবে।"

এদিকে, গত ৮ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার পেনাংয়ে রেসপনসিবল বিজনেস অ্যালায়েন্স (আরবিএ) আয়োজিত ‘কমিটমেন্ট থেকে অ্যাকশন: সরবরাহ শৃঙ্খলে মানবাধিকার যথাযথ পর্যালোচনার সর্বোত্তম চর্চা’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় বাংলাদেশ হাইকমিশন মালয়েশিয়ায় অভিবাসী কর্মীদের সুরক্ষায় বাংলাদেশের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও সর্বোত্তম চর্চা তুলে ধরে। আলোচনা চলাকালীন বাংলাদেশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার শাহানারা মনিকা অভিবাসী কর্মীদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

তিনি উল্লেখ করেন, কর্মী, নিয়োগকর্তা, মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য অংশীজনের মধ্যে সমন্বয় করে অভিযোগের সমাধান, ক্ষতিপূরণ ও প্রতিকার নিশ্চিতকরণ, কল্যাণমূলক সহায়তা এবং মর্যাদাপূর্ণভাবে দেশে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে হাইকমিশন কাজ করছে। হাইকমিশনের হিসাবে, প্রায় ৪৫০টি অভিযোগের মধ্যে ৩৩০টির বেশি সমাধান হওয়া শ্রমিকদের জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি। তবে যেসব অভিযোগ নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে, সেগুলোর দ্রুত সমাধানের পাশাপাশি ভবিষ্যতে একই ধরনের অভিযোগের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোও জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: সৌদিতে আটকে পড়া ৪০ ওমরাহ পালনকারী দেশে ফিরলেন

কমিউনিটি নেতাদের মতে, শুধু অভিযোগ পাওয়ার পর প্রতিকার নয়, নিয়োগের প্রথম ধাপ থেকেই শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এতে একদিকে শ্রমিকের আর্থিক ক্ষতি কমবে, অন্যদিকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের সুনাম ও আস্থাও বাড়বে। শ্রমিকদের প্রত্যাশা, বিদেশে যাওয়ার আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ও মালয়েশিয়ায় পাওয়া বাস্তব সুযোগের মধ্যে যেন কোনো ফারাক না থাকে। সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকর প্রতিকারই তাদের সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম কিডনি জটিলতায় মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ এম


শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম কিডনি জটিলতায় মারা গেছেন

কিডনি-সংক্রান্ত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আমীরুল ইসলাম মারা গেছেন। "ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।"

১১ সেপ্টেম্বর রাত ১টা ৭ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন প্রকাশক মঈন মুরসালিন এক ফেসবুক পোস্টে।

মঈন মুরসালিন জানিয়েছেন, আমীরুল ইসলামের কর্মস্থল চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে রাত ১টা ৩৫ মিনিটে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর, বিকেল ৩টায় তার মরদেহ বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউজ প্রাঙ্গণে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। সেখানে বিকাল সাড়ে ৩টায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

পরে, মিরপুরের গোলারটেক ঈদগাহ জামে মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তার মায়ের কবরে তাকে সমাহিত করা হবে।

১৯৬৪ সালের ৭ এপ্রিল ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন আমীরুল ইসলাম। শিশুসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৬ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন তিনি।

আমীরুল ইসলামের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। তার প্রকাশিত সব বইই শিশুসাহিত্যভিত্তিক। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি শিশুদের জন্য গল্প, ছড়া ও বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল লেখা লিখেছেন।

সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি, দীর্ঘদিন গণমাধ্যমের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন আমীরুল ইসলাম। তিনি চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কঠোর অভিবাসন নীতির মধ্যেও ইউরোপে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন বৃদ্ধি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


কঠোর অভিবাসন নীতির মধ্যেও ইউরোপে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন বৃদ্ধি

বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোতে মোট আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা কমে গেছে, যা পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এই পরিস্থিতির পেছনে কঠোর অভিবাসন নীতি, বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রভাব রয়েছে। তবুও, আশ্রয় আবেদনের সংখ্যায় বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত ইউরোপীয় ইউনিয়ন এজেন্সি ফর অ্যাসাইলারের (ইইউএএ) প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ইইউভুক্ত দেশগুলোর পাশাপাশি সুইজারল্যান্ড ও নরওয়েতে আন্তর্জাতিক সুরক্ষার জন্য মোট ৩ লাখ ৩২ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। এই সংখ্যা ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ১৭ শতাংশ কম এবং ২০২১ সালের পর বছরের প্রথমার্ধে এটি সর্বনিম্ন।

ইইউএএর তথ্যমতে, সিরিয়ার রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে দেশটির নাগরিকদের আশ্রয় আবেদন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি, উত্তর আফ্রিকার কিছু দেশসহ উৎপত্তি ও ট্রানজিট দেশগুলোর সঙ্গে ইইউর সহযোগিতাও আবেদন হ্রাসের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। তিউনিসিয়া ও মৌরিতানিয়ার মতো দেশের সঙ্গে করা চুক্তির আওতায় অর্থনৈতিক সহায়তার বিনিময়ে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সবচেয়ে বেশি আশ্রয় আবেদন করেছেন আফগানিস্তানের নাগরিকরা, যার সংখ্যা প্রায় ৩৯ হাজার। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভেনেজুয়েলা এবং তৃতীয় স্থানে বাংলাদেশ। ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা ছিল ১৭ হাজার ৩২৭। ২০২৬ সালের একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৫২১ জনে, যা প্রায় ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

তবে, বাংলাদেশিদের আবেদন অনুমোদনের হার অত্যন্ত কম। ইইউএএ জানিয়েছে, যেসব দেশের আবেদন মঞ্জুরের হার ২০ শতাংশের নিচে, সেসব দেশের আবেদন দ্রুত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং প্রত্যাখ্যাত হলে দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশও এই তালিকায় রয়েছে। চলতি বছরের প্রথমার্ধে বাংলাদেশিদের প্রথম ধাপের আবেদন অনুমোদনের হার ছিল ৫ শতাংশেরও নিচে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে নিষ্পত্তি হওয়া আবেদনের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশেরও কম অনুমোদন পেয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশ, মিসর, ভেনেজুয়েলা ও তুরস্কের মতো দেশ থেকে আসা আবেদনগুলো বিশেষভাবে দ্রুত প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হচ্ছে।

ইইউ সদস্যদেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন গ্রহণ করেছে ফ্রান্স, যেখানে ৬৯ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। এরপর রয়েছে ইতালি ও স্পেন। জার্মানিও প্রায় ৫৫ হাজার আবেদন পেয়েছে। এই চার দেশেই মোট আবেদনের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ জমা হয়েছে। জনসংখ্যার অনুপাতে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে গ্রিসে।

এদিকে, জুনের শেষে ইইউ অঞ্চলে প্রথম ধাপে প্রায় ৭ লাখ ৭০ হাজার আশ্রয় মামলা প্রক্রিয়াধীন ছিল, যা আগের বছরের তুলনায় ৮ শতাংশ কম। তবে, প্রশাসনিক ও বিচারিক সব ধাপ মিলিয়ে মোট অপেক্ষমাণ মামলার সংখ্যা প্রায় ১১ লাখ ৮০ হাজারে পৌঁছেছে।

অপেক্ষমাণ মামলার তালিকাতেও বাংলাদেশ শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে। বর্তমানে প্রথম ধাপেই প্রায় ৩৬ হাজার বাংলাদেশির আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। ভেনেজুয়েলা, সিরিয়া, কলম্বিয়া ও পেরুর পরেই অবস্থান বাংলাদেশিদের। নতুন আবেদন নিষ্পত্তির গতি বাড়লেও পুরোনো মামলার জট কমেনি। ফলে ইইউজুড়ে ছয় মাসের বেশি সময় ধরে ঝুলে থাকা মামলার হার বেড়ে ৭৩ শতাংশে পৌঁছেছে।

ইইউএএর তথ্য বলছে, সামগ্রিকভাবে আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা কমলেও বাংলাদেশ থেকে আবেদনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং অনুমোদনের নিম্নহার ইউরোপে অভিবাসন প্রবণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে সামনে এসেছে।

সূত্র: এএফপি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাত্র ২২ বছরেই থামল ‘মিস অস্ট্রিয়া’ লুসিয়া সিসিকের জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


মাত্র ২২ বছরেই থামল ‘মিস অস্ট্রিয়া’ লুসিয়া সিসিকের জীবন

অস্ট্রিয়ার সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার প্রাক্তন বিজয়ী লুসিয়া সিসিক মারা গেছেন। তিনি হৃদরোগের সঙ্গে দীর্ঘকাল ধরে লড়াই করার পর মাত্র ২২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

লুসিয়া অল্প বয়সেই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পরিচিতি অর্জন করেন। ‘মিস অস্ট্রিয়া’ খেতাব লাভের মাধ্যমে তিনি দেশের সৌন্দর্যজগতে নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিলেন।

তবে, সাফল্যের পাশাপাশি জীবনের শেষ সময়ে তাকে গুরুতর হৃদরোগের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে। চিকিৎসা এবং দীর্ঘ সংগ্রামের পরও শেষ পর্যন্ত জীবনযুদ্ধে তিনি হার মানতে বাধ্য হন।

লুসিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অস্ট্রিয়ার সৌন্দর্য অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মাত্র ২২ বছর বয়সে তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিচিতজন ও অনুরাগীরা গভীর শোক প্রকাশ করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স ডেমোক্র্যাটদের ‘ঘৃণার দল’ আখ্যা দিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স ডেমোক্র্যাটদের ‘ঘৃণার দল’ আখ্যা দিলেন

ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বিরোধী ডেমোক্র্যাট দলকে ‘ঘৃণার দল’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি একই সঙ্গে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রিপাবলিকানদের সমর্থনে জনমত গড়ে তোলার জন্য দলীয় সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

বৃহস্পতিবার টেক্সাসে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ভ্যান্স বলেন, ‘ডেমোক্র্যাটরা ঘৃণার দল। তারা আমেরিকা ও এই দেশকে গড়ে তোলা মানুষদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে। এমনকি ৯/১১-এর সন্ত্রাসী হামলাকারীদের প্রতিও তারা সহানুভূতি দেখাতে পারে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%