মোঃ কামাল হোসেন প্রধান জেলা প্রতিনিধি নরসিংদী
১০:৫৪ পি.এম
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ ইং উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অদ্য ১২ জুলাই ২০২৬ ইং রবিবার বিকেলে শিবপুর উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন শিবপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুঃ আবদুর রহিম। বক্তব্য রাখেন শিবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হারিস রিকাবদার ,শিবপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাইদুর রহমান, মেডিকেল অফিসার ডাঃ গালিব, শিবপুর প্রেসক্লাব এর
সাংবাদিক বৃন্দ,দুলালপুর ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক এখলাছুর রহমান ভুইয়া, জয়নগর ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক আল আমিন,পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা তাছমেরী জাহান, কমিউনিটি মেডিকেল উপসহকারী অফিসার ওসমান গনী, পরিবার কল্যান সহকারী সেলিনা কিবরিয়া প্রমুখ। আলোচনা শেষে শ্রেষ্ঠদের মধ্যে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহিলাদের আত্ম-কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ক্ষুদ্রঋণ এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে ৩৫ জন অদম্য নারী উদ্যোক্তার জন্য ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করা হয়েছে।
আজ রোববার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সেলাই ও এমব্রয়ডারি, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং অফিস অ্যাপ্লিকেশন কোর্সের সফল সমাপ্তি পর নারীদের হাতে প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।
এই প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয় জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এবং জাতীয় মহিলা সংস্থা গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে।
নারীদের ছাগল পালন, গরুর খামার, সবজি চাষ এবং টেইলারিং ব্যবসার মতো বিভিন্ন ক্ষুদ্র আয়ের উৎসে স্বাবলম্বী করতে এই অর্থ প্রদান করা হয়।
আর্থিক লেনদেনে শতভাগ স্বচ্ছতা ও আধুনিকতা নিশ্চিত করতে ঋণের এই অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানে নিজের অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না সেলাই ও এমব্রয়ডারি কোর্সের প্রশিক্ষণার্থী মৌ সাহা।
তিনি বলেন, "বর্তমানে আমি একটি পুরাতন সেলাই মেশিন দিয়ে এলাকার মানুষের কাপড় সেলাই করি। এই আয় দিয়েই আমাদের পুরো সংসার চলে।"
তিনি আরও জানান, "এই প্রশিক্ষণ আমার কাজের দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে আমি শুধু নিজের ভাগ্যই পরিবর্তন করিনি, বরং আমার সাথে আরও তিনজন অসহায় মহিলাকে নিয়ে কাজ করছি এবং তাদেরকেও স্বাবলম্বী করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।"
অন্যদিকে, ছোটখাটো পণ্য নিয়ে অনলাইন ব্যবসা শুরু করলেও প্রযুক্তির মারপ্যাঁচে প্রায়ই থমকে যেতেন পাপিয়া সুলতানা।
তিনি উল্লেখ করেন, "ফেসবুক পেজ চালানো, কাস্টমারদের মেসেজের জবাব দেওয়া কিংবা ব্যবসার হিসাব মেলাতে অন্যের ওপর নির্ভর করতে হতো। কিন্তু আজ তিনি নিজেই একজন পুরোদস্তুর ডিজিটাল উদ্যোক্তা। কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন ট্রেডে প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি ঘুরে দাঁড়িয়েছেন।"
প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী নারীদের অদম্য লড়াইয়ের গল্প শুনছিলেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া।
নারীদের এমন অদম্য ইচ্ছাশক্তি দেখে মুগ্ধ হয়ে তিনি তার বক্তব্যে বলেন, "আমার খুবই ভালো লেগেছে আপনারা নিজেরা কিছু করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছেন।"
তিনি বলেন, "আপনারা ট্রেনিং নিয়েছেন, এখন সেটাকে কাজে লাগাবেন। তার মাধ্যমে নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন এবং অন্যের ভাগ্যও পরিবর্তন করবেন। আপনারা নিজেরা যেমন ট্রেনিং নিয়েছেন, তেমনি অন্যদেরকেও উৎসাহিত করবেন ট্রেনিং নেওয়ার জন্য। যে চেষ্টা করে, সে সফল হয়। আপনাদের প্রত্যেকের চেহারার মধ্যে একটা ইনস্পিরেশন আছে, কাজ করার ইচ্ছাশক্তি আছে।"
ডিজিটাল যুগের অপার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, "এখনতো অনেক কিছুই সহজ হয়ে গিয়েছে। আগে একটা জামা তৈরি করলে সেটা বিক্রি করবেন কোথায় সেটা নিয়ে একটা টেনশন ছিল। আর এখন, ঘরে বসে অনলাইনে বিক্রি করা যায়।"
তিনি বলেন, "বর্তমান প্রেক্ষাপটের সুফলগুলোকে আপনাদের কাজে লাগাতে হবে। নারীরা এখন আর পিছিয়ে নেই। সমাজে আগে একটা মিসকনসেপশন ছিল। কিন্তু আজকের দিনে নারীরা সব থেকে বেশি এগিয়ে। বাংলাদেশের ৬৪ জেলার অর্ধেক জেলাতেই এখন জেলা প্রশাসক নারী। আমার সহধর্মিনীও আমার মতোই বাংলাদেশ সরকারের একজন যুগ্ম-সচিব।"
বর্তমান সরকারকে নারীবান্ধব উল্লেখ করে তিনি যেকোনো প্রয়োজনে নারীদের সরাসরি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাজ্জাত হোসেন নারীদের এই অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও উদ্যোক্তা হওয়ার প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানান এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য ও সার্বিক কার্যপদ্ধতি তুলে ধরেন জাতীয় মহিলা সংস্থা, গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের জেলা কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলার বোয়ালখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রহিমা বেগমের একমাত্র ছেলে মো. সাইফুদ্দিন রিকশা চালাতে পারলে খাবার জুটে।
গেল কয়েকদিন ধরে তিনি গাড়ি নিয়ে বের হতে পারেননি। কারণ, জ্বর সর্দিতে ভুগছেন। তাদের সংসারে তিনি একমাত্র উপার্জনকারী। হাতে যেটুকু ছিল, তা ওষুধপত্রে উড়িয়ে দিয়েছেন।
আজ রোববার, এমন পরিস্থিতিতে ওই রহিমার হাতে ত্রাণ পৌঁছে দেন পৌর প্রশাসক কানিজ ফাতেমা। এদিন রহিমার মতো মোট ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন তিনি।
রহিমা বেগম বলেন, অঝোরে ঝরছে বৃষ্টি। উঠোনে পানি নামার কিছুই নেই, রাস্তা-ঘাটে চলা দায় হয়ে পড়েছে। সাপ জোঁকের ভয়ও রয়েছে। রান্নার জন্য ঘরে কিছুই ছিল না।
তিনি জানান, পৌর প্রশাসক বৃষ্টির মধ্যেও ঘরে দুয়ারে এসে খোঁজ-খবর নিয়েছেন। চাল, ডাল, তেলসহ মুড়ি, বিস্কুট ও চিড়া দিয়ে গেছেন। এসব পাওয়ার কারণে অন্তত কয়েকদিন চলবে।
গত বুধবার থেকে ঝড় বাদল উপেক্ষা করে, অসহায় পরিবারের কাছে চাল, ডাল, তেলসহ শুকনো খাবার পৌছে দিচ্ছেন পৌর প্রশাসক।
রোববার পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পানিবন্দী প্রায় ২০০ পরিবারের কাছে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন পৌর প্রশাসক কানিজ ফাতেমা।
তিনি বলেন, ভারী বর্ষণ এবং জোয়ারের পানিতে পৌর এলাকায় সেসব পরিবার পানিবন্দী হয়ে আছেন, তাদের মাঝে দ্রুততম সময়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছানো হচ্ছে। একইসাথে, না খেয়ে থাকা এমন পরিবারের তথ্য পেলেও খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেছেন, ঘনবসতি দ্রুত গতিতে বাড়ছে। তাই এখনই সচেতন হতে হবে এবং অন্যদেরও সচেতন করতে হবে। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আয়োজনে তাদের হলরুমে অনুষ্ঠিত বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা, ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ছিলো ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ এবং ছেলে হোক, মেয়ে হোক, দু'টি সন্তানই যথেষ্ট। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, স্বাধীনতার সময় অনুযায়ী আজ অবধি জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়নি এদেশে। এটি একটি ইতিবাচক দিক। আর এজন্য পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা ভালো কাজ করছে। সংসার পরিচালনায় প্রতিদিনের মাথাপিছু খরচের দিকে খেয়াল রাখতে পরিবার পরিকল্পনায় সচেতন হওয়া জরুরি।
সভায় জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম সলিম উল্যা সেলিম বলেছেন, সন্তান মানুষ করতে অনেক কষ্ট হয়। দেখা যায়, একজন রিক্সায়ালা শ্রমিক দিনে ৪/৫শ’ টাকা আয় করেন। তবে তার সংসারে ৪/৫টি সন্তান রয়েছে। এতেই এক সময় তার সংসারে অভাব অনটন দেখা দেয় এবং পরবর্তী সময়ে বেকারত্ব বৃদ্ধি পায়। তাই বাস্তবিক চিন্তা করে সবাইকে নিজ উদ্যোগে পরিবার পরিকল্পনায় সচেতন হতে হবে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বলেছেন, পরিবার পরিকল্পনায় সমাজের ধনাঢ্যরা এগিয়ে থাকলেও নিম্ন আয়ের মানুষ এই ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। এ নিয়ে আরও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে এবং পরিবার পরিকল্পনার মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের ভূমিকা নিতে হবে। সচেতনতা সমাজে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখার সক্ষমতা রাখে।
চাঁদপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোঃ মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে এবং সদর পরিবার পরিকল্পনা অফিসার রবিউল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ নুর আলম, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ কেএম মাহাবুবুর রহমান, চাঁদপুর সদরের ইউএনও এসএমএন. জামিউল হিকমা, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী। সভা শেষে স্বাস্থ্যকর্মীদের নানা ক্যাটাগরিতে সম্মাননা স্মারক ও সনদ বিতরণ করেন অতিথিরা। অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সামনে বৃক্ষরোপনের মধ্য দিয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, যাদের পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস রয়েছে, তাদেরকে বোঝাতে হবে। যদি তাদের বিকল্প জায়গায় আবাস করে দিতে পারা যায়, তবে সেটিই হবে স্থায়ী সমাধান। প্রধানমন্ত্রী বাস্তুহারা যারা, তাদের জন্য বিকল্প জমিতে ঘর নির্মাণ করতে চান এবং এই বিষয়ে সংসদেও আলোচনা হয়েছে।
আজ রোববার, জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলার দপ্তর প্রধানদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে, তিনি সাংবাদিকদের সাথে ব্রিফিং করতে গিয়ে এসব মন্তব্য করেন।
আজ একটি তথ্য বিবরণীতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সবাইকে ধৈর্য সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে রয়েছে। প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজসহ সবাই মিলে সচেতনতা তৈরি করলে, তবেই ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসের পরিমাণ কমানো সম্ভব হবে।
দুর্যোগ মোকাবিলায় যদি কোনো ঘাটতি থাকে তাহলে সংশ্লিষ্টদের জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, দুর্গম এলাকায় সশস্ত্র বাহিনী এবং মাঠ পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করছেন। আমরা এ বিষয়টিকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। সবার সহযোগিতায় আমরা এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে চাই।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্যোগ শেষে সকলেই বাসায় ফিরবে, কিন্তু বাসাবাড়ি আগের মতো থাকবে না। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলোর মেরামতের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে। এটি জনগণের কাছে আমাদের ওয়াদা।
এ সময় রাঙ্গামাটি জেলার সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিবসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ