সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৩১ পি.এম
ভারতীয় হিন্দু সংস্কৃতিতে কারওয়া চৌথ একটি পরিচিত ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব হিসেবে পরিচিত। এই বিশেষ দিনে বিবাহিত নারীরা সূর্যোদয় থেকে চন্দ্রোদয় পর্যন্ত উপবাস পালন করেন, যার উদ্দেশ্য স্বামীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করা। সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার পর বিশেষ আচার পালনের মাধ্যমে নারীরা উপবাস ভাঙেন। তবে এই উৎসবের সূচনা কবে হয়েছিল, তা নিয়ে নিশ্চিত ঐতিহাসিক তথ্য নেই।
উত্তর ভারত থেকে উৎসবের বিস্তার
ভারতের সরকারি পর্যটন ওয়েবসাইট ‘ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া’র তথ্য অনুযায়ী, কারওয়া চৌথ মূলত উত্তর ভারতের পাঞ্জাব, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ ও রাজস্থানে বেশি পালিত হয়। ‘কারওয়া’ শব্দটি মাটির পাত্রকে নির্দেশ করে এবং ‘চৌথ’ চান্দ্র মাসের চতুর্থ দিনকে বোঝায়। এই উৎসব কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থ তিথিতে উদযাপিত হয়।
প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, নারীরা ভোরে খাবার গ্রহণ করে উপবাস শুরু করেন। এরপর দিনভর খাবার ও পানি গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। সন্ধ্যায় চাঁদ ওঠার পর তারা চালুনি দিয়ে চাঁদ দেখেন, চাঁদের উদ্দেশে প্রার্থনা করেন এবং পরে স্বামীর হাতে পানি পান করে উপবাস ভাঙেন। অঞ্চলভেদে আচার ও নিয়মে কিছু পার্থক্য দেখা যায়।
কিভাবে শুরু হয়েছিল এই উৎসব?
কারওয়া চৌথের উৎপত্তি নিয়ে কয়েকটি প্রচলিত ব্যাখ্যা রয়েছে। ২০১৬ সালে ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, একটি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অতীতে পুরুষেরা যুদ্ধ বা অন্যান্য কাজে দীর্ঘ সময়ের জন্য বাড়ি থেকে দূরে থাকতেন। তাঁদের নিরাপত্তা ও সুস্থতা কামনায় নারীদের প্রার্থনা ও উপবাসের রীতি গড়ে উঠতে পারে।
আরেকটি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, উত্তর ভারতের কৃষিজীবী সমাজের সঙ্গে উৎসবটির সম্পর্ক রয়েছে। ফসলের মৌসুম ও সামাজিক জীবনের নানা আচার থেকে এই উৎসবের কিছু রীতি তৈরি হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হয়। তবে এসব ব্যাখ্যার কোনোটিকেই কারওয়া চৌথের নিশ্চিত ঐতিহাসিক সূচনা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়নি।
লোককথায় রয়েছে বীরাবতীর গল্প
কারওয়া চৌথের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বীরাবতী নামের এক নারীর লোককথা। প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী, বীরাবতী স্বামীর মঙ্গল কামনায় উপবাস করেছিলেন। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর তিনি দুর্বল হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে চাঁদ ওঠার আগেই চাঁদ ওঠার ভ্রম তৈরি হলে তিনি উপবাস ভেঙে ফেলেন। পরে স্বামীর বিপদের কথা জানতে পেরে তিনি অনুতপ্ত হন এবং প্রার্থনার মাধ্যমে স্বামীর জীবন ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেন। কাহিনিটির বিভিন্ন সংস্করণ প্রচলিত রয়েছে। এটি ধর্মীয় লোককথা, যাচাই করা ঐতিহাসিক ঘটনা নয়।
রাজস্থানে কারওয়া চৌথের আচার ও লোককথা নিয়ে গবেষণা করেছেন নৃতত্ত্ববিদ অ্যান গ্রডজিনস গোল্ড। তার ‘ওয়েটিং ফর মুনরাইজ : ফাস্টিং, স্টোরিটেলিং, অ্যান্ড ম্যারেজ ইন প্রভিন্সিয়াল রাজস্থান’ গবেষণাটি ২০১৫ সালে ‘ওরাল ট্রেডিশন’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়। এতে রাজস্থানের নারীদের উপবাস, সম্মিলিত আচার এবং গল্প বলার ঐতিহ্যের ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
সময় বদলেছে, রয়ে গেছে উৎসবের তাৎপর্য
সময়ের সঙ্গে কারওয়া চৌথের উদ্যাপনে পরিবর্তন এসেছে। এখন ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি নতুন পোশাক, মেহেদি, সাজসজ্জা এবং পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোও উৎসবের অংশ হয়ে উঠেছে। ভারতীয় সিনেমা ও টেলিভিশনে এই উৎসবের উপস্থিতি এর জনপ্রিয়তা বাড়াতে সহায়তা করেছে।
তবে কারওয়া চৌথের মূল তাৎপর্য এখনও স্বামীর মঙ্গল কামনা, দাম্পত্য সম্পর্কের প্রতি অঙ্গীকার এবং নারীদের পারস্পরিক সামাজিক বন্ধনের সঙ্গে যুক্ত। উৎসবটির উৎপত্তি নিয়ে নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত না থাকলেও লোককথা, আঞ্চলিক সংস্কৃতি ও দীর্ঘদিনের সামাজিক রীতির মধ্যে দিয়ে এর ঐতিহ্য গড়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের উজিরপুরের সাতলায় যুবদল কর্মী কাওছার হাওলাদার হত্যা মামলার ছয় নম্বর আসামি বিএনপি নেতা মো. কাঞ্চন মোল্লাকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে দলের পদ থেকে।
দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড ও অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কাঞ্চন মোল্লাকে আজীবনের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
রোববার উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এস এম আলাউদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন খানের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মো. কাঞ্চন মোল্লা সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন এবং দলের নীতি, আদর্শ ও সংহতিবিরোধী অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন। এই কারণে তাকে ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে।
উজিরপুর উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে দলীয় শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি রক্ষার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে, দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. কাঞ্চন মোল্লা উজিরপুরের সাতলায় যুবদল কর্মী কাওছার হাওলাদার হত্যা মামলার ছয় নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
বহিষ্কারের বিষয়ে মো. কাঞ্চন মোল্লার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডিজিটাল যুগে, যখন শিশুদের একটি বড় অংশ কিবোর্ড ও স্মার্টফোনে লেখার প্রতি অভ্যস্ত হয়ে উঠছে, তখন নেপালের প্রকৃতি মল্লার অসাধারণ হাতের লেখা বিশ্বজুড়ে নজর কাড়ে। তাঁর স্কুলের একটি অ্যাসাইনমেন্টের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, অনেকেই প্রথমে সেটিকে কম্পিউটারে ছাপানো লেখা বলে মনে করেন। অক্ষরের নিখুঁত গঠন, শব্দের মধ্যে সমান ব্যবধান এবং প্রতিটি লাইনের সুশৃঙ্খল বিন্যাস লেখাটিকে প্রায় মুদ্রিত লেখার মতো করে তোলে।
২০১৭ সালে, যখন প্রকৃতি মল্লা অষ্টম শ্রেণিতে পড়ছিলেন, তখন তাঁর হাতের লেখার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৪ বছর। নেপালের ভক্তপুরের বিরেন্দ্র সৈনিক আবাসিক মহাবিদ্যালয়ে পড়ার সময় তাঁর এই বিশেষ দক্ষতা মানুষের নজরে আসে। সাধারণ একটি স্কুলের অ্যাসাইনমেন্টই তাঁকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করে তোলে।
প্রকৃতির হাতের লেখার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল প্রতিটি অক্ষরের আকার ও গঠনের ধারাবাহিকতা। পুরো পাতাজুড়ে অক্ষরগুলো প্রায় একই রকম দেখাত। শব্দের মধ্যকার দূরত্ব ও লাইনের বিন্যাসও ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল। ফলে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন, এত নিখুঁত লেখা কলম দিয়ে হাতে লেখা সম্ভব কি না। কেউ কেউ এমন মন্তব্য করেন, তাঁর হাতের লেখাকে কম্পিউটারের ফন্টে রূপান্তর করা যেতে পারে।
প্রকৃতির এই দক্ষতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বাইরেও প্রশংসা পেয়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৫১তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে, দেশটির নেতৃত্ব ও জনগণের উদ্দেশে একটি অভিনন্দনপত্র লেখেন তিনি। নেপালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাস তাঁর এই উদ্যোগের প্রশংসা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেপালের সশস্ত্র বাহিনীর কাছ থেকেও হাতের লেখার জন্য সম্মাননা পেয়েছিলেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকৃতির হাতের লেখাকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর’ বলে বর্ণনা করা হলেও, এটি কোনো সর্বজনস্বীকৃত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পাওয়া আনুষ্ঠানিক খেতাব নয়। বরং তাঁর লেখার অসাধারণ সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতার কারণেই এই পরিচিতি তৈরি হয়েছে।
প্রকৃতি মল্লার গল্প এমন এক সময়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে, যখন দৈনন্দিন যোগাযোগে হাতে লেখার পরিবর্তে ডিজিটাল মাধ্যমের ব্যবহার বাড়ছে। কম্পিউটার ও স্মার্টফোনে দ্রুত লেখা সম্ভব হলেও, হাতে লেখার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত যত্ন, মনোযোগ ও অনুশীলনের ছাপ থাকে। তাঁর হাতের লেখা দেখিয়েছে, নিয়মিত চর্চা ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে সাধারণ একটি দক্ষতাও বিশ্বজুড়ে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে। তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের নলডাঙ্গায় অনুষ্ঠিত হয়েছে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা। সভাটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) বেলা এগারোটায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী আক্তার।
সভায় উপজেলা এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষভাবে মাদক নিয়ন্ত্রণ, চুরি ছিনতাই, বাল্যবিবাহ বন্ধ, ভেজাল খাদ্য, রাস্তাঘাট পরিষ্কার ও দখল মুক্ত করার মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বক্তারা তাদের মতামত তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাগণ এসব বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নলডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সবুজ আলী, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সুমন সরকার, নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বুলবুল এবং নলডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম জহুরুল ইসলাম প্রমূখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর গলাচিপায় লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে পটকা ফোটানোর সময় ঘটে যাওয়া এক বিস্ফোরণে অমিত হাজারি (১৮) নামের এক কিশোরের বাম হাতের পাঁচটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বিস্ফোরণের ফলে তার হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিকিৎসকরা হাতটি রক্ষা করা যাবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলাবাজার গ্রামে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
আহত অমিত ওই গ্রামের অর্জুন হাজারির ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে আনন্দ-উল্লাসের একপর্যায়ে পটকা ফোটাতে গিয়ে অমিত গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) পাঠানো হয়।
গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আবদুল্লাহ আল নোমান জানান, অমিতের হাতে ডিগ্লোভিং ইনজুরি হয়েছে। এতে হাতের ত্বক ও নরম টিস্যু মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিস্ফোরণের ফলে তার হাতের অবস্থা গুরুতর। হাতটি রক্ষা করা যাবে কি না, তা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে।
গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে আনন্দ-উল্লাসের সময় এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ