ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাইকিং করে তীব্র মারামারি, নিহত ২


মাইকিং করে তীব্র মারামারি, নিহত ২

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার আদিত্যপুর ও আব্দাফৌজদা গ্রাম উভয়ের পূর্ব বিরোধের কারণে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এর জেরে সেলু মিয়া (৫৫) ও হেলাল মিয়া (৩৮) নামে দুজন নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে মাইকিংয়ের মাধ্যমে দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে স্থানীয় আদিত্যপুর হাওরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে এলাকার মানুষদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সন্ধ্যার পর ফের সংঘর্ষের মাধ্যমে দুজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

এছাড়া দেশীয় অস্ত্র এবং ইটপাটকেলের আঘাতে কদর আলী (৭০), লুৎফুর রহমান (৩০), আতাউর রহমান (২৫), কুহিনুর (৪১), জাহিদ মিয়া (৫৫), রিমন (১৮), অলফুজ মিয়া (৫০), খলিল মিয়া (৩০), সুহেল মিয়া (৩০), হাবিব মিয়া (২৫), সিমন (১৮) ও হান্নানসহ (৫০) অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

এই আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল এবং একজন নারীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাহুবল উপজেলার ৩নং সাতকাপন ইউনিয়নের আদিত্যপুর গ্রামের মর্তুজা মিয়ার ছেলে আক্তার মিয়া ও নাসির মিয়ার সঙ্গে কবরস্থানে বেড়া দেওয়ার কারণে আরিছপুর গ্রামের মিলন মিয়া, হারিছ মিয়ার ছেলে সারু মিয়া ও এখলাছ মিয়াদের মাঝে প্রায় দুই মাস আগে মারামারির ঘটনা ঘটে। একই ঘটনার জেরে গত শুক্রবার (১২ জুন) দুপক্ষের মধ্যে ফের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে মাইকিং করে দুপক্ষের লোকজন স্থানীয় আদিত্যপুর হাওরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খবর পেয়ে তাত্ক্ষণিকভাবে বাহুবল মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

এরপর সন্ধ্যায় স্থানীয় ডুবাঐ বাজারে এলাকায় পুনরায় সংঘর্ষ শুরু হয়। এই সংঘর্ষের ফলস্বরূপ গুরুতর আহত সেলু মিয়া ও হেলাল মিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আরেকজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। ঘটনাটি ঘটে যাওয়ার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজমান।

এ বিষয়ে বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, "দুপুরের সংঘর্ষের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সন্ধ্যার পর উভয় পক্ষ থানায় আসার কথা ছিল সমাধানের জন্য। তবে পরে সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।"

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশি বৈঠকে হামলা, শ্রমিক দলের নেতা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশি বৈঠকে হামলা, শ্রমিক দলের নেতা নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সালিশি বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম (৫০) নামে এক শ্রমিক দলের নেতা। এই দুর্ঘটনা ঘটে সোমবার বিকাল ছয়টার দিকে সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর উত্তরপাড়ায়।

নিহত জাহাঙ্গীর আলম ওই এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি ইউনিয়ন বিএনপির শ্রমিক দলের সহসভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।

স্থানীয় মানুষজন, নিহতের পরিবার এবং পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে, জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর আগে একই এলাকার সাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. আতাউল্লাহর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত। সোমবার বিকালে জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির দাম্পত্য কলহের বিষয়ে এলাকার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সময় জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে আতাউল্লাহর পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ঘটে হাতাহাতির ঘটনা। এর পর আতাউল্লাহর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মেয়ের বাড়ির পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এই হামলায় ৫-৬ জন আহত হয়।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রকিব উর রেজা বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার প্রচেষ্টা চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিফার তিন মিনিটের পানি পানের বিরতি কার স্বার্থে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ এম


ফিফার তিন মিনিটের পানি পানের বিরতি কার স্বার্থে?

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে বর্তমানে একটা বিতর্ক অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, যা মাঠে লড়াইয়ের চেয়েও বেশি। গরম এবং আর্দ্রতার অজুহাতে আয়োজক দেশগুলোতে প্রতি ম্যাচের প্রথমার্ধ এবং দ্বিতীয়ার্ধে বাধ্যতামূলকভাবে তিন মিনিটের 'হাইড্রেশন ব্রেক' বোঝাতে পানি পানের বিরতি নিয়ে শুরু হয়েছে চরম নাটক।

ফুটবলের অবিচ্ছেদ্য ছন্দ নষ্ট হওয়ার জন্য অনেক ফুটবল বিশেষজ্ঞ এবং কোচরা এ নিয়মের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ একে দেখছেন প্রতিপক্ষকে সুবিধা দিতে মাঠের মোমেন্টাম ভাঙার কৌশল হিসেবে, আবার কারো দৃষ্টিতে এটি হচ্ছে আমেরিকান ব্রডকাস্টারদের বিজ্ঞাপন প্রচারের নতুন পরিকল্পনা।

তবে ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি এই বিরতিকে নিজেদের কৌশল সাজানোর সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছেন, যা ব্রাজিলের মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে প্রমাণিত হয়েছে, যেখানে বিরতির পর তারা সমতা ফিরিয়েছিল। কিন্তু, এই নিয়মের অন্ধকার দিকও রয়েছে, যা কুরাসাওয়ের ক্ষেত্রে দেখা গেছে। জার্মানির বিপক্ষে এক গোল করে শুরু করার পর বিরতির পর তাদের খেলায় ছন্দ ব্যাহত হতে দেখা গেছে এবং তারা ৭ গোল হজম করে।

এমনকি মার্কিন নারী দলের কোচ এমা হেইস এই বিরতিকে সরাসরি 'মোমেন্টাম ব্রেক' আখ্যা দিয়েছেন, কারণ ভাল খেলতে থাকা দলের ছন্দ এই তিন মিনিটে নিমিষেই ভেঙে যায়। কিন্তু, ফিফা এবং সমর্থকদলগুলোর মাঝে এই দ্বন্দ্বের মধ্যেও কেউ কেউ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন, যারা খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য বিবেচনায় এই নিয়মকে সমর্থন করছেন।

তবে দিনের শেষে স্টেডিয়ামে আসা হাজার হাজার দর্শক কি এই কৃত্রিম বিরতি এবং বিজ্ঞাপনের ফাঁদকে মেনে নিতে পারেন? ফুটবলের গতিময় লড়াইয়ে এই তিন মিনিটের বিরতি সত্যিই কি জয়ের মোড় ঘুরিয়ে দিচ্ছে, না কি খেলায় স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে ধ্বংস করছে, এ নিয়ে ফুটবল জায়গায় এখন চলছে ব্যাপক আলোচনা।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলে ‘টিকটকে আসক্ত’ স্ত্রীকে হত্যা, অতঃপর স্বামী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৪ এম


নড়াইলে ‘টিকটকে আসক্ত’ স্ত্রীকে হত্যা, অতঃপর স্বামী আটক

নড়াইলের লোহাগড়ায় ‘টিকটকে আসক্ত’ স্ত্রীকে হত্যার পর এটি আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা হলো না অভিযুক্ত স্বামীর। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী লিমন মল্লিক (২৭) স্ত্রী সুমনা ফেরদৌসীকে (৩৮) হত্যার ঘটনাটি স্বীকার করেছেন।

এই ঘটনার জন্য সোমবার (১৫ জুন) রাতে উপজেলার দিঘলিয়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত লিমন মল্লিককে আটক করা হয়েছে। মধ্যরাতে লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় সংবাদ মাধ্যম সময় নিউজকে ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত সুমনা ফেরদৌসী লোহাগড়া উপজেলার চর দিঘলিয়া গ্রামের ইদ্রিস মল্লিকের ছেলে লিমন মল্লিকের দ্বিতীয় স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ। পুলিশ জানাচ্ছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক লিমন মল্লিক জানিয়েছেন, ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চুক্তিভিত্তিক কাজ করার সুবাদে তার সুমনার সঙ্গে পরিচয় হয়। ২০২১ সালে ঢাকাতে লিমনের দ্বিতীয় ও সুমনার চতুর্থ বিয়ে সম্পন্ন হয়। পরে, লিমন সুমনাকে নিয়ে নিজের বাড়িতে চলে আসেন। লিমনের প্রথম স্ত্রী ও সন্তানের উপস্থিতির সত্ত্বেও সুমনাকে বাড়িতে নিয়ে আসায় পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়। কিছুদিন পর, লিমনের প্রথম স্ত্রী তাকে একমাত্র মেয়েকে নিয়ে রংপুরে চলে যেতে বাধ্য করেন। লিমন চায়ের দোকান পরিচালনা করার পাশাপাশি কাঠ কাটা শ্রমিক হিসেবে কাজ করে সংসার চালান।

লিমন মল্লিক জানিয়েছেন, তার অনুপস্থিতিতে স্ত্রী সুমনা টিকটকে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও পোস্ট করার পাশাপাশি অপরিচিত পুরুষদের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও আদান-প্রদান করে আসছিলেন। এই বিষয় নিয়ে লিমন ও সুমনার মধ্যে পারিবারিক কলহ চলতেই থাকতো। তবে সুমনা তার স্বামী লিমনের কাছে ওয়াদা করেছিলেন যে, ভবিষ্যতে তিনি এ ধরনের কর্মকাণ্ড করবেন না।

সোমবার (১৫ জুন) সকাল ৮টার দিকে আবারও টিকটিকে কুরুচিপূর্ণ ছবি ভিডিও পোস্ট করার অভিযোগ ওঠে এবং পরপুরুষদের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও আদান-প্রদান এবং কথোপকথনের জেরে লিমন ও সুমনার মধ্যে তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে, লিমনের আঘাতে সুমনা রক্তাক্ত অবস্থায় মাঠিতে পড়ে যান। পরে, সুমনাকে তার স্বামী শ্বাসরোধে মৃত্যু নিশ্চিত করার পর ঘরের আড়ায় ঝুলিয়ে রাখেন।

পুলিশ জানায়, সকাল ১০টার দিকে প্রতিদিনের মতো কাজে বেরিয়ে পড়েন লিমন। স্বাভাবিকভাবে সারাদিন কাজ শেষে, বিকেল ৫টার পর বাড়িতে এসে ঘরের দরজা খুলে নিজেই চিৎকার করে কান্নাকাটি শুরু করেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক সুরতহাল শেষে, পুলিশ প্রথমে নিশ্চিত হয় যে এটি আত্মহত্যা নয়, বরং হত্যা। পরে রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লিমনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় সময় সংবাদকে বলেন, আটক লিমন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী সুমনাকে হত্যার দায় স্বীকার করে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। মূলত, হত্যার পর আত্মহত্যার আড়ালে অভিজ্ঞানহীনভাবে সুমনাকে ঘরে ঝুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। ভুক্তভোগী নারীর পরিবারের কাছে খবর পাঠানো হয়েছে। তারা জানান, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাঁচানো গেল না জবি শিক্ষার্থীকে, হার মানলেন ক্যানসারের কাছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ এম


বাঁচানো গেল না জবি শিক্ষার্থীকে, হার মানলেন ক্যানসারের কাছে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নূর নবীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে ক্যানসারের সঙ্গে তিনি লড়াই করে আসছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত এই রোগের কাছে হার মানলেন।

সোমবার (১৫ জুন) বিকেল ৫টার দিকে ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নূর নবী মারা যান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন।

সহপাঠীদের জানান বলছে, নূর নবী বিরল ধরনের অস্থি ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। ২০১৮ সালে প্রথম এই রোগ ধরা পড়ার পর চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছিল। এরপর কৃত্রিম পা লাগিয়ে তিনি নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতেন। সাভার থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে তিনি ক্যাম্পাসে যেতেন। এইভাবে তিনি সাতটি সেমিস্টার শেষ করেছিলেন।

নূর নবীর এই সংগ্রামী জীবন সহপাঠী ও শিক্ষকদের কাছে অনুপ্রেরণার উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি ক্যানসার তার ফুসফুস ও হাড়ে ছড়িয়ে পড়লে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের সিএমসি ভেলোর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে যে, নূর নবীর বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক এবং তিনিও স্ট্রোকের স্বীকার। ছেলের চিকিৎসার খরচ জোগাতে পরিবারটি তাদের শেষ সম্বল বাড়ি-ভিটা ও জমি বিক্রি করে দিয়েছিল। গত বছর তার চিকিৎসার সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একটি চ্যারিটি কনসার্টের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করেছিলেন। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা যার যার অবস্থান থেকে সহযোগিতা করলেও শেষ পর্যন্ত এই অদম্য মেধাবীকে বাঁচানো গেল না।

নূর নবীর মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহপাঠী ও শিক্ষকেরা তার সাহসের স্মৃতিচারণ করে শোক প্রকাশ করছেন।

নূর নবীর বিভাগের শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, তার এই অকাল প্রয়াণ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি বড় ক্ষতি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%