ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দিবা পরিচর্যা কেন্দ্র দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার অন্যতম সহায়ক মাধ্যম : জুবাইদা রহমান


দিবা পরিচর্যা কেন্দ্র দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার অন্যতম সহায়ক মাধ্যম : জুবাইদা রহমান

কর্মজীবী মায়েদের সুযোগ সুবিধার লক্ষ্যে এবং শিশুদের সুস্থ মানসিক ও শারীরিক উন্নয়নের জন্য সারা দেশে দিবা পরিচর্যা (ডে কেয়ার) কেন্দ্র স্থাপনের আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী, বিশিষ্ট চিকিৎসক ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।

তিনি বলেছেন, দিবা পরিচর্যা কেন্দ্র শিশুদের শুধুমাত্র নিরাপদে থাকার স্থান নয়, এই কেন্দ্র দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য অন্যতম সহায়ক মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে।

সোমবার রাজধানীর পানি ভবনে ‘শিশুর প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. জুবাইদা রহমান এই বিষয়ে আলোচনা করেন। এ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন: কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না জানবেন কৃষকরা: প্রধানমন্ত্রী

দেশে নারী ও শিশুদের পরিসংখ্যান তুলে ধরতে গিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৫০.৫৮ শতাংশ নারী, যা প্রায় ৯০ দশমিক ৪২ মিলিয়ন। মোট জনসংখ্যার ২৮ দশমিক ৩৬ শতাংশের বয়স শূন্য থেকে ১৪ বছরের মধ্যে রয়েছে। দিবা পরিচর্যা কেন্দ্রবিহীন কর্মজীবী মা-বাবাদের জন্য জীবন ব্যবস্থা অত্যন্ত কঠিন। সংসারের খরচ চালানোর জন্য চাকরিরত মায়েরা অনেক সময় হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন।

তিনি তথ্য দিয়ে বলেন, বর্তমানে দেশে ১২৩টি চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারে ৭ হাজার ৩৬০টি শিশু পরিচর্যা নিচ্ছে, যা মোট শিশু জনসংখ্যার মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য ৩৪ শতাংশ।

নিজের স্কুলজীবনের একটি শিক্ষিকার উদাহরণ তুলে ধরতে গিয়ে আবেগঘন স্মৃতি শেয়ার করেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, আমাকে একজন শিক্ষিকা তার শিশুকন্যাকে বাসায় একা রেখে টিউশন ও শিক্ষকতা করতে যেতে দেখেছি। একদিন আমরা স্যারকে বাসায় নামিয়ে দিতে গিয়ে দেখতে পাই, শিশুটি জানালার গ্রিল ধরে মায়ের ফেরার অপেক্ষায় তাকিয়ে আছে। মাত্র সাতটি ক্লান্তির পর মা ঘরে ফিরে আদর ও যত্নের সঙ্গে শিশুকে কাছে টেনে নিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, মা যে কাজের জন্য নিশ্চিন্তে মনোযোগ দিতে পারেন না, তা কেবল তার জন্য কষ্টকর নয়, শিশুটিও অনেক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হয়। একা ঘরে থাকা ওই ছোট্ট মেয়েটি পরে উন্নত চিকিৎসা নিতে বাধ্য হয়েছিল। কারণ, সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় ছিল। সে শৈশবের একাকিত্বের স্মৃতি নিশ্চয়ই তার জন্য মারাত্মক কষ্টদায়ক ছিল।

আরও পড়ুন: দেশের ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৫.০৭ মেগাওয়াট

আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্টের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ, মানসম্মত সার্বজনীন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা এবং আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে শিশুদের জ্ঞানভিত্তিক ও সামাজিক উন্নয়ন শক্ত ভিত্তির ওপর গড়ে উঠবে। শৈশবে শিশুদের সততা, নিষ্ঠা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের ভিত্তি রচনা করা হয়।

কর্মশালায় কেয়ারগিভারদের (সেবাদানকারী) মানবিক ও কঠিন কাজের ভূয়সী প্রশংসা করে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, আপনারা অন্যের শিশুদের পরম স্নেহ ও যত্নে বড় করছেন। আপনারা আছেন বলেই বহু মা-বোন নিশ্চিন্তভাবে চাকরিতে যোগদান করতে পারছেন। এইভাবে আপনারা দুটি ভিন্ন কাজ করছেন— একদিকে নারী জনসংখ্যাকে বেকারত্বের বোঝা থেকে মুক্তি দিচ্ছেন, অন্যদিকে দেশের ভবিষ্যতের ভিত্তিপ্রস্তর তৈরি করতে সাহায্য করছেন।

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন: মিসরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ১৩ জনের মৃত্যু, আহত ৩৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে ইউপি প্রশাসকের অবহেলায় দুর্ভোগে স্থানীয়রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


ফরিদপুরে ইউপি প্রশাসকের অবহেলায় দুর্ভোগে স্থানীয়রা

পাবনার ফরিদপুর উপজেলার পুঙ্গলি ইউনিয়ন পরিষদের পাশের পাকারাস্তা থেকে কবরস্থানের আধা কিলোমিটার রাস্তার কাজে অনিয়মের খবর উঠে এসেছে। পাবনার ফরিদপুর উপজেলার পুঙ্গলি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুজিত কুমার মুন্সির বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও চরম কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগ এসেছে। স্থানীয় ইউনিয়নবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা পেতে সাধারণ মানুষ দিনের পর দিন ইউনিয়ন পরিষদে ঘুরলেও কোনো সমাধান পাচ্ছেন না। অভিযোগ রয়েছে যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অধিকাংশ সময় নিজ কার্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন এবং স্থানীয়দের দুর্ভোগের বিষয়ে কোনো আলাদা গুরুত্ব দেন না।

স্থানীয়রা জোর দাবি জানিয়েছেন যে এই মৎস্য কর্মকর্তাকে সরিয়ে উপজেলা প্রশাসনের অন্য কোনো দক্ষ কর্মকর্তাকে এই ইউনিয়নের প্রশাসকের দায়িত্বে নিযুক্ত করা উচিত। এদিকে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীরা পাবনা জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মৎস্য কর্মকর্তা সুজিত কুমার মুন্সি দায়িত্বে আসার পর থেকেই নাগরিক সেবা পাওয়া চরমভাবে ব্যাহত হয়েছে। তারা নানাভাবে নাজেহালের শিকার হচ্ছেন। সরজমিনে পুঙ্গলি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায় ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে অবর্ণনীয় দুর্ভোগের চিত্র দেখা যাচ্ছে।

বিল চন্দন এলাকার শাহানাজ পারভীন নামের একজন নারী ওয়ারিশ সার্টিফিকেট নিতে গিয়ে মারাত্মক হয়রানির শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘অনেক হয়রানির পর শেষ পর্যন্ত ২০০ টাকা দেওয়ার পর আমার কাজ করা হয়েছে।’ শাহাদাত হোসেন নামের আরেক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্তব্য করেন, ‘আগের প্রশাসক থাকাকালীন ছোটখাটো কাজের জন্য কোনো টাকা লাগত না। কিন্তু এখন ছোটখাটো কাজ করতে গেলে ১০০ থেকে ২০০ টাকা দিতে হয়। তাছাড়া জন্মনিবন্ধন ও ওয়ারিশ সার্টিফিকেট পেতে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে।’

পাছ পুঙ্গলি এলাকার বাদশা সরদার বলেন, ‘দিনের পর দিন বসে থেকেও একটা স্বাক্ষর পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আজ সকালে এসে দুপুর পর্যন্ত বসে আছি, অথচ কোনো কাজ করে নিতে পারছি না।’ জাকিরুল ইসলাম নামের এক ভুক্তভোগী জানান, ‘এখানে এসে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। প্রশাসকের একটা স্বাক্ষর নিতে এক সপ্তাহ লেগে যায়। তিনি সপ্তাহে একদিনও ইউনিয়ন পরিষদে আসেন কিনা, আমরা তো কোনোদিন দেখতে পাই না।’

সরেজমিনে ইউনিয়ন পরিষদের ভিতরে গিয়ে দেখা যায় একটি অভিনব চিত্র। প্রশাসক সুজিত কুমার মুন্সীর মূল স্বাক্ষর ছাড়াই জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেট, ওয়ারিসনামা, চারিত্রিক সনদ, ট্রেড লাইসেন্সসহ যাবতীয় কাগজপত্রে কম্পিউটার থেকে স্ক্যানিং করা স্বাক্ষর বসিয়ে প্রিন্ট করা হচ্ছে। সেখানে দায়িত্বরত গ্রাম পুলিশরা ওই ডিজিটাল স্বাক্ষরের নিচে বর্তমান তারিখ বসিয়ে গ্রাহকদের হাতে তুলে দিচ্ছেন।

যখন এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়, তখন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরিষদের কর্মচারীরা জানান, প্রশাসক স্যার সপ্তাহে একদিন আসেন আবার নাও আসেন। নিয়মিত কার্যালয়ে না আসায় জনভোগান্তি এড়াতে বাধ্য হয়ে তারা এ পদ্ধতিতে কাজ করে দেন।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীরা জানান, বর্তমান প্রশাসকের উদাসীনতার কারণে ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অন্যদিকে, ইউনিয়ন পরিষদের চলমান উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও কাজের নিম্নমান নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের শেষ নেই। বিশেষ করে মাটি ভরাট ও ইটের রাস্তার 'কাবিটা-কাবিখা' প্রকল্পের কাজে ব্যাপক অসঙ্গতি দেখা গেছে। ইউনিয়ন পরিষদের পাশের আট পুঙ্গলী পাকারাস্তা থেকে কবরস্থানের আধা কিলোমিটার রাস্তার কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের নিয়ম ভেঙে সেখানে শুধু বাঁশ দিয়ে দুর্বল পাইলিং করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বর্তমানে যে ধরনের কাজ করা হয়েছে, রাস্তাটি আগের অবস্থার চেয়ে অনেক ভালো ছিল। এছাড়া প্রকল্প অনুযায়ী বাইরে থেকে মাটি কিনে আনার নিয়ম থাকলেও স্থানীয় মানুষের জায়গা থেকে জোরপূর্বক মাটি কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি এলাকার আরো একটি জলঢালাই রাস্তার কাজেও কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা করা হচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

এসব অনিয়ম, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মৎস্য কর্মকর্তা ও পুঙ্গলি ইউনিয়ন প্রশাসক সুজিত কুমার মুন্সি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘এসব বিষয়ে তিনি বলেন কোন অভিযোগ থাকলে সেটা তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন আমার বিরুদ্ধে কেউ কোথায় অভিযোগ দিয়েছে আমি জানি না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
মার্কিন ফুটবলারের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত

ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ নিয়ে বিশ্বকাপে তীব্র বিতর্ক, প্রশ্নের মুখে ফিফা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ নিয়ে বিশ্বকাপে তীব্র বিতর্ক, প্রশ্নের মুখে ফিফা

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম ২৪ দিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির প্রভাব থেকে অনেকটাই মুক্ত ছিল। কিন্তু নকআউট পর্ব শুরুর আগমুহূর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি হস্তক্ষেপ পুরো টুর্নামেন্টকে নতুন বিতর্কের কেন্দ্রে এনে দাঁড় করিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের তারকা ফরোয়ার্ড ও দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা ফলারিন বালোগুন বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচে লাল কার্ড দেখে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। ফলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ ষোলোর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তার খেলার সুযোগ ছিল না। তবে রবিবার ফিফা হঠাৎ করেই সেই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে দেয়, যার ফলে সোমবার সিয়াটলে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পান বালোগুন।

এই সিদ্ধান্তের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, “যা সঠিক ছিল তা করার জন্য এবং একটি বড় অবিচার সংশোধন করার জন্য ফিফাকে ধন্যবাদ।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পরই বিশ্ব ফুটবলজুড়ে প্রশ্ন উঠেছে- ফিফার সিদ্ধান্ত কি কেবল নিয়মের ভিত্তিতেই হয়েছে, নাকি এর পেছনে রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করেছে?

ট্রাম্প-ইনফান্তিনোর সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বালোগুনের লাল কার্ডের পর ট্রাম্প সরাসরি ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে কথা বলেন এবং সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানান।

এরপরই ফিফা শাস্তি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়। যদিও সংস্থাটি খুব সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দিয়ে জানায়, তাদের শৃঙ্খলা কমিটি শৃঙ্খলাবিধির ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছে।

এই ধারার আওতায় কোনও শাস্তি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত রাখা যায়। অর্থাৎ বালোগুনের লাল কার্ড বহাল থাকলেও আপাতত এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। তবে ভবিষ্যতে তিনি আবার শৃঙ্খলাভঙ্গ করলে আগের স্থগিত শাস্তিও কার্যকর হবে এবং নতুন শাস্তিও যোগ হতে পারে।

ফিফা অতীতেও একই ধারা ব্যবহার করেছিল। পর্তুগালের সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ক্ষেত্রে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে লাল কার্ড পাওয়ার পর একই ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। তখনও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছিল।

বেলজিয়ামের তীব্র আপত্তি

ফিফার সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ হয়েছে বেলজিয়াম ফুটবল ফেডারেশন। সংস্থাটির অভিযোগ, ম্যাচের আগে এ ধরনের সিদ্ধান্ত ফিফার নিজস্ব নীতিমালা ও ‘ফেয়ার প্লে’র পরিপন্থী।

বেলজিয়ামের জাতীয় দলের কোচ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আমরা শুধু দেশের সম্মান রক্ষার জন্য নয়, ফুটবলের স্বার্থেই বিষয়টির বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছি। এটি ফুটবলের সততা, নৈতিকতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্ন।”

বিশ্লেষকদের মতে, যদি যুক্তরাষ্ট্র এই ম্যাচে জয় পায়, তাহলে বিশ্বের অনেক ফুটবল সমর্থকের চোখে সেই জয়ের ওপর বিতর্কের ছায়া থেকেই যাবে।

লাল কার্ড নিয়ে আগে থেকেই ছিল বিতর্ক

বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমে রেফারি বালোগুনকে লাল কার্ড দেখাননি। পরে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির পরামর্শে ভিডিও দেখে তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন।

ধীরগতির রিপ্লেতে দেখা যায়, বালোগুনের পা প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার তারিক মুহারেমোভিচের পায়ের পেছনে আঘাত করে এবং তার গোড়ালি অস্বাভাবিকভাবে বেঁকে যায়।

তবে অনেক ফুটবল বিশ্লেষক ও সমর্থকের দাবি, ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত ছিল না। তাদের মতে, স্বাভাবিক গতিতে ঘটনাটি গুরুতর মনে না হলেও স্লো-মোশন রিপ্লে বিষয়টিকে অনেক বেশি ভয়াবহ করে তুলেছে।

অন্যদিকে অনেক সাবেক রেফারি মনে করেন, বর্তমান ফিফা নির্দেশিকা অনুযায়ী এমন ট্যাকলের জন্য লাল কার্ড দেওয়া অস্বাভাবিক নয়। ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতেও একই ধরনের চ্যালেঞ্জে নিয়মিত লাল কার্ড দেওয়া হয়।

তবে সমালোচকদের প্রশ্ন, একই ধরনের ট্যাকল করেও আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি শাস্তি এড়িয়ে গেলেন, অথচ বালোগুন লাল কার্ড পেলেন কেন?

ব্যাখ্যার অভাবে বাড়ছে সন্দেহ

বিতর্ক আরও বেড়েছে কারণ ম্যাচের পর ফিফা প্রথমে স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার কোনও সুযোগ নেই এবং বালোগুন বেলজিয়ামের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না।

কিন্তু মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে অবস্থান পরিবর্তন করে নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার ঘোষণা দেওয়া হয়। অথচ এর পক্ষে বিস্তারিত কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

ফলে অনেকের ধারণা, ট্রাম্পের হস্তক্ষেপই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের অন্যতম কারণ হতে পারে। যদিও ফিফা বা ট্রাম্প- কেউই সরাসরি এমন দাবি স্বীকার করেননি।

ট্রাম্পের জন্য বিশ্বকাপও রাজনৈতিক মঞ্চ

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আসর ট্রাম্পের জন্য সবসময়ই বড় একটি প্রচারের সুযোগ।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পুরুষ আইস হকি দলের অলিম্পিক জয়কে নিজের নেতৃত্বের সাফল্যের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছিলেন তিনি। এবারও বিশ্বকাপের ঘটনায় হস্তক্ষেপ করে তিনি নিজেকে জাতীয় স্বার্থ রক্ষাকারী নেতা হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন বলে মত বিশ্লেষকদের।

সিএনএনের এক সূত্রের দাবি, বালোগুনের লাল কার্ডের পর ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানান।

ট্রাম্প-ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠতা নিয়ে পুরোনো প্রশ্ন

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নতুন নয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে ইনফান্তিনোকে প্রায়ই ট্রাম্পের পাশে দেখা গেছে। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের অভিষেক উপলক্ষে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছিলেন, “আমরা শুধু আমেরিকাকেই নয়, পুরো বিশ্বকেই আবার মহান করে তুলব।”

এর আগে কাতার বিশ্বকাপকে ঘিরে মানবাধিকার বিতর্ক, ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপ সৌদি আরবকে দেওয়া এবং ট্রাম্পকে ফিফার ‘পিস প্রাইজ’ প্রদান- এসব সিদ্ধান্ত নিয়েও ইনফান্তিনো ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।

অবশ্য ইনফান্তিনোর যুক্তি, বিশ্বকাপ আয়োজক দেশের নেতার সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা ফিফা সভাপতির দায়িত্বের অংশ।

নতুন নজির নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

ফুটবল বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, বালোগুনের ঘটনা ভবিষ্যতের জন্য একটি বিতর্কিত নজির তৈরি করলো।

এখন প্রশ্ন উঠছে- বিশ্বের অন্য কোনও প্রভাবশালী রাষ্ট্রনেতাও কি ভবিষ্যতে নিজেদের দলের খেলোয়াড়দের পক্ষে একইভাবে ফিফার ওপর চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করবেন?

এছাড়া বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলোতে যেকোনও বিতর্কিত লাল কার্ড বা শাস্তির সিদ্ধান্ত এখন আরও বেশি নজরদারির মধ্যে থাকবে। যদি বালোগুনের ক্ষেত্রে শাস্তি স্থগিত করা সম্ভব হয়, তাহলে অন্য দেশগুলোর খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সুযোগ দেওয়ার দাবি উঠতে পারে।

অন্য বড় খবরকেও ছাপিয়ে গেল বিতর্ক

রবিবার বিশ্বকাপে আরেকটি বড় ঘটনা ছিল ব্রাজিলের বিদায়। নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার এরলিং হলান্ডের জোড়া গোলে ব্রাজিল টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায়।

কিন্তু সেই বড় ঘটনাকেও ছাপিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ এবং বালোগুনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত।

বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি মাঠের বাইরের রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠছে। এমন পরিস্থিতি একটি বিতর্কিত এবং হতাশাজনক বিশ্বকাপের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, যা শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ থেকে অনেকটাই দূরে থাকতে পেরেছিল।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে পল্লী উন্নয়ন দিবসে গাছের চারা বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩১ পি.এম


রংপুরে পল্লী উন্নয়ন দিবসে গাছের চারা বিতরণ

জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে রংপুরে র‌্যালি, আলোচনা সভা, ঋণের চেক ও গাছের চারা উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার সকালে রংপুর জেলা প্রশাসক অফিসের প্রাঙ্গণ থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিআরডিবি’র যুগ্ম পরিচালক সহিদুর রহমান সুমন এবং রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআরডিবি রংপুর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক নুরেলা আক্তার।

সভায় বক্তারা জানান, বিআরডিবি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্র বিতরণসহ নানা কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। ফলে তৃণমূলের নারীরা স্বাবলম্বী হচ্ছে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে। জেলা প্রশাসন ও বিআরডিবি আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিআরডিবি’র সদস্যদের মাঝে ঋণের চেক, গাছের চারা বিতরণসহ শিক্ষার্থীদের মাঝে নানা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়া চেম্বার’র নির্বাচনে বিএনপির জয়জয়কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ পি.এম


বগুড়া চেম্বার’র নির্বাচনে বিএনপির জয়জয়কার

প্রায় দুই দশক পর বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হলো ব্যালটের মাধ্যমে, যা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনে সভাপতি, সহসভাপতি সহ কার্যনির্বাহী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে জয় লাভ করেছে বিএনপি-সমর্থিত বাদল-হিরু প্যানেল।

রবিবার (৫ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নগরীর শহীদ টিটু মিলনায়তনে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। চেম্বারের ১ হাজার ৭৭ জন ভোটারের মধ্যে ৯৩০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ভোট গণনা শেষে রাত ১০টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন। ঘোষিত ফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে গোলাপ প্রতীক নিয়ে ৬৯৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাদল-হিরু প্যানেলের আতিকুর রহমান বাদল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-সমর্থিত সেলিম-এরশাদ প্যানেলের মো. সেলিম রেজা ছাতা প্রতীকে ২২৭ ভোট পেয়েছেন। এই পদে ৬টি ভোট বাতিল হয়েছে।

সহসভাপতি পদে আনারস প্রতীক নিয়ে সর্বোচ্চ ৭২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মো. হামিদুল হক চৌধুরী হিরু। অপর সহসভাপতি হিসেবে খেজুর গাছ প্রতীকে ৫৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মো. মামদুদুর রহমান শিপন।

কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচালক পদে নির্বাচিত ৯ জন হলেন—শ্রী পরিমল চন্দ্র দাস (ফুটবল, ৫৯৬), খন্দকার মেজবাহুল হক রন্টু (দোয়েল পাখি, ৬১২), মো. আজিজার রহমান মিল্টন (উড়োজাহাজ, ৫৭৯), শাহিনুর ইসলাম সবুজ (কাপ-পিরিচ, ৫৬৯), এস এম নূর-ই আলম সিদ্দিকী পল্লব (হরিণ, ৫৫৭), মো. রাসেদুল ইসলাম (মই, ৫৫৩), মো. শফিকুল ইসলাম খোকন (দোয়াত-কলম, ৫৩২), শামসুল হক বেনু (চেয়ার, ৫১২) এবং মো. মতিউর রহমান (চশমা, ৪৬৬)।

নির্বাচনের দিন, সকাল থেকেই শহীদ টিটু মিলনায়তন এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ভোটাররা সুশৃঙ্খলভাবে কেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এবারের নির্বাচনে কার্যনির্বাহী কমিটির ১২টি পদের বিপরীতে দুটি প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ২৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এর আগে সর্বশেষ ২০০৭ সালে বগুড়া চেম্বারে সরাসরি ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় বিনা ভোটে বা নির্বাচনের পরিবর্তে মনোনয়নের মাধ্যমে কমিটি গঠিত হওয়ার কারণে সাধারণ ব্যবসায়ীরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনের মাধ্যমে এবার ভোটের আয়োজন করা হয়।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আছিয়া খাতুন বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণা সম্পন্ন হয়েছে। ব্যবসায়ীরা তাদের পছন্দের নেতৃত্ব নির্বাচন করেছেন। নবনির্বাচিত নেতৃত্ব আগামী দিনে বগুড়ার ব্যবসায়ী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%