ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চট্টগ্রামে ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য


চট্টগ্রামে ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য

চট্টগ্রাম বিভাগে ৫৪ লাখ ৭৮ হাজার ৫২৯ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশু ৬৭ হাজার ৭৬৮ জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশু ৪৮ লাখ ৭ হাজার ৭৬১ জন।

আগামী ২৮ জুন চট্টগ্রাম বিভাগেও দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬। ক্যাম্পেইন চলাকালীন ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লাখ আই.ইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লাখ আই.ইউ) খাওয়ানো হবে।

গতকাল বুধবার দুপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় ওরিয়েন্টেশন ও পরিকল্পনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় পুষ্টি সেবা বাস্তবায়নে বিভাগীয় পরিচালকের (স্বাস্থ্য) কার্যালয় সভাটির আয়োজন করে।

আরও পড়ুন: শশীভূষণ জাহানপুরে মরহুম হাজী মহিউদ্দিন কারী হকিবার স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

সভায় বলা হয়, সবার সম্মিলিত উদ্যোগে এ ক্যাম্পেইন সফল করতে হবে। কোনও শিশু যাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক থাকতে হবে। অসুস্থতার কারণে ৬-৫৯ মাস বয়সী কোনো শিশু যদি ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ পড়ে, তাহলে তাকে সুস্থতা পরবর্তী এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে।

সভায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট (শিশু স্বাস্থ্য) ডা. মাহমুদা আক্তার। রিসোর্স পারসন হিসেবে ছিলেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন, পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক আবু সালেহ মো. ফোরকান উদ্দিন, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডা. কমরুল আযাদ, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইনামুল হাছান, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও স্টাফ অফিসার টু ডিআইজি লোপামুদ্রা, ইউনিসেফ’র হেড অব জোন মিস মাধুরী ব্যানার্জী এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় পরিচালক সরকার সারোয়ার আলম। বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তপন চক্রবর্তী, ইউনিসেফ’র নিউট্রিশন কর্মকর্তা ডা. উবাসুই প্রমুখ।

ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেছেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুর অপুষ্টি, অন্ধত্ব প্রতিরোধে, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে, হাম ও ডায়রিয়াজনিত মৃত্যুর হার হ্রাসে এবং সকল ধরনের মৃত্যুর হার হ্রাস করতে সহায়ক। পরিবারের রান্নায় ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ ভোজ্যতেল ব্যবহারের ফলে শিশুর জন্য যথেষ্ট উপকারী। গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ খাবার খেতে দিতে হবে, তা মা ও শিশুর পুষ্টির জন্য জরুরি।

আরও পড়ুন: বাংলা একাডেমির ‘নজরুল স্মৃতিকক্ষ’ সংস্কারে নতুন রূপ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দলীয় নেতৃবৃন্দের সময়োপযোগী উপযুক্ত মূল্যায়ন চাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


দলীয় নেতৃবৃন্দের সময়োপযোগী উপযুক্ত মূল্যায়ন চাই

শ্রদ্ধেয় নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাই সম্পর্কে কেউ কেউ বলে থাকেন যে, তিনি বরিশাল ছেড়ে দিয়ে ঢাকায় স্থায়ী হয়েছেন, সুতরাং তিনি বরিশালের রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক। কিন্তু, ৯০ এর দশকে যারা তার সাথে যুবদল করেছেন, এমন কি মূল দল বিএনপি'র অধিকাংশ নেতা কর্মীও জানতেন যে, বেগম খালেদা জিয়া আলাল ভাইকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে সংগঠন শক্তিশালী করার কাজে অংশগ্রহনের দায়িত্ব দিয়েছিলেন এবং আলাল ভাই তাঁর শিক্ষা, বাগ্মিতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার গুণে ধারাবাহিকভাবে নেতৃত্বের উচ্চতর পদে পৌঁছে গিয়েছেন। আমি সেই সময়ে একজন যুবদল কর্মী হিসাবে চরকাউয়া ইউনিয়ন যুব দলের সভাপতির দায়িত্বে ছিলাম। আলাল ভাই তখন ছিলেন বরিশাল জেলার যুবদল সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি।
সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাইকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া ছিল বেগম খালেদা জিয়ার সাংগঠনিক নির্দেশ। সুতরাং, রাজনৈতিক ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমাদের সকলের উচিত বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্যে কান না দিয়ে পূর্বসূরী নেতাদের প্রকৃত ইতিহাস জানার চেষ্টা করা এবং বরেণ্য রাজনীতিকদের সর্বদা যথাযথ শ্রদ্ধার চোখে দেখা ও সমীহ করা। তাই আসুন যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী দল কর্তৃক প্রবীণ নেতাদের মূল্যায়নের জন্য সকলে দৃঢ়ভাবে মত প্রকাশ করি।
আরেক প্রবীণ নেতা বরিশাল সদরের উন্নয়নের অভিভাবক আজীবন ত্যাগী ও সংগ্রামী জননেতা মজিবুর রহমান সরোয়ার ভাই যেমনিভাবে দল কর্তৃক মূল্যায়িত হয়ে বার বার এমপি পদে মনোনীত ও নির্বাচিত হয়েছেন, তেমনিভাবে প্রবীণ, সুযোগ্য ও প্রজ্ঞাবান নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ভাইয়ের উপযুক্ত মূল্যায়ন আমরা দেখতে চাই। নাহলে দলীয় রাজনীতিতে ন্যায় বিচার প্রশ্ন বিদ্ধ হবে।
তাদের সমসাময়িক আরেকজন প্রবীণ নেতা ও চারণ সংগঠক এবায়দুল হক চান ভাই। শুধু আন্দোলন সংগ্রাম নয়, নির্বাচনী প্রচার কাজে তৃণমূল সংগঠন গড়ে তোলায় তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। পথে প্রান্তরে চষে বেড়িয়েছেন দীর্ঘকাল। তার জন্যও একইভাবে উপযুক্ত মূল্যায়ন চাই। একই সাথে তাদের উত্তরসূরী সকলের জন্য সময়োপযোগী উপযুক্ত মূল্যায়নের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত হবে এবং দলীয় রাজনীতিতে ন্যায়বিচার সমুজ্জল থাকবে, বিএনপি'র সকল নেতাকর্মী এই আকাঙ্খা ধারন করেন বলে আমি দৃঢ়ভাবে মনে করি।
মোঃ মতিউল ইসলাম রানা
সাবেক ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি
চরকাউয়া বিএনপি, বরিশাল সদর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরেশ সাগর মাঠের অস্থায়ী টয়লেট অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৪ পি.এম


পরেশ সাগর মাঠের অস্থায়ী টয়লেট অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

বরিশাল নগরীর পরেশ সাগর মাঠে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার জন্য স্থাপিত অস্থায়ী টয়লেট থেকে ছড়িয়ে পড়া দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে, এই অভিযোগে মানববন্ধন করেছেন কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৭ জুন) বেলা ১১টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধনে বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকা থেকে টয়লেটগুলো অপসারণ এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, পরেশ সাগর মাঠে চলমান বাণিজ্য মেলা সংঘটিত হওয়ার ফলে স্থাপিত অস্থায়ী টয়লেটের দুর্গন্ধের কারণে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। গরম আবহাওয়া ও বৃষ্টির প্রভাবের কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ছে বলেও তারা দাবি জানান।

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী দীপ্ত মিত্র বলেন, বিদ্যালয়ের পাশে টয়লেট স্থাপন করায় দুর্গন্ধে শ্রেণিকক্ষে বসে পাঠ গ্রহণ করা খুবই কষ্টকর হয়ে উঠেছে। আমরা এই সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই।

একই শ্রেণির শিক্ষার্থী নিলয় বলেন, শিক্ষার পরিবেশ রক্ষায় এই টয়লেটগুলো অন্য উপযুক্ত স্থানে স্থানান্তর করা একান্ত প্রয়োজন।

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেজামিন শশী অভিযোগ করেন, দুর্গন্ধের কারণে অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে স্বাভাবিকভাবে বসে থাকা সম্ভব হচ্ছে না। এতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

শিক্ষার্থী সৈয়দা সুমলিনা জাহান বলেন, বিদ্যালয় এলাকায় এমন পরিবেশ মোটেও কাম্য নয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত টয়লেট অপসারণ এবং শিক্ষা-উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবিতে সোচ্চার হন।

এই বিষয়ে মেলার আয়োজক বরিশাল চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন বলেন, বাথরুম পরিষ্কার করে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুতের জন্য জেনারেটরের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। তবুও কিছু মানুষ বিরোধিতার জন্য বিষয়টি নিয়ে আন্দোলন করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সিগঞ্জে আদালত থেকে ফেরার পথে দম্পতিকে তুলে নিয়ে হামলার অভিযোগ, স্বামী ঢামেকে ভর্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ পি.এম


মুন্সিগঞ্জে আদালত থেকে ফেরার পথে দম্পতিকে তুলে নিয়ে হামলার অভিযোগ, স্বামী ঢামেকে ভর্তি

মুন্সিগঞ্জ আদালতে মামলার হাজিরা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে এক মামলার বাদী দম্পতিকে অপহরণের চেষ্টা, ছিনতাই ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন মিজানুর রহমান (৫৫) নামে এক ব্যক্তি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ আদালত থেকে বের হওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। আহত মিজানুর রহমান সিরাজদীখান উপজেলার বয়রাগাদী ইউনিয়নের কুমারখালী গ্রামের মৃত ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে। তার স্ত্রী হিরামণি সংশ্লিষ্ট মামলার বাদী।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা শেষে বের হওয়ার সময় প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের হুমকি দেয়। পরে বাড়ি ফেরার পথে একই গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে কামাল (৩৫), দুখু মিয়ার ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৫০), ওয়াহাব মিয়ার ছেলে আফজাল হোসেন (৩০) এবং তাদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী মুন্সীগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকায় তাদের গতিরোধ করে।

অভিযোগে বলা হয়, সেখান থেকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার সুপার মার্কেট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদের কাছে থাকা নগদ টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে মিজানুর রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। হামলায় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয় এবং ডান চোখেও আঘাত করা হয় বলে দাবি পরিবারের।

হিরামণি বলেন, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা করেছে। তারা আমার স্বামীকে হত্যার উদ্দেশ্যে অন্য এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যায়। আমি বাধা দিলে আমাকেও মারধর করা হয়। তারা বারবার বলছিল, আজ আমার স্বামীকে মেরে ফেলবে। পরে আমার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে আমরা রক্ষা পাই।

স্থানীয়দের সহায়তায় গুরুতর আহত মিজানুর রহমানকে প্রথমে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

ঘটনার সংবাদ পেয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে পুলিশ পাঠান। পরে সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহাদাত হোসেন জানান, আহত ব্যক্তির উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় হারিয়ে যাওয়া ১০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় হারিয়ে যাওয়া ১০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ

চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় হারিয়ে যাওয়া ১০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রাম নগরের নাসিরাবাদে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনগুলো মালিকদের হাতে তুলে দেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।

জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, জনগণের হারানো সম্পদ উদ্ধারে এবং জনমুখী পুলিশি সেবা আরও কার্যকর করতে জেলা গোয়েন্দা শাখা বিশেষ অভিযান চালায়। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জেলার ১৭টি থানায় মোবাইল হারানো সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি (জিডি) পর্যালোচনা করা হয়।

পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার সমন্বয়ে পরিচালিত নিবিড় অনুসন্ধানের মাধ্যমে ১০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, জনগণের হারানো সম্পদ উদ্ধার করে তাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে পারা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার সমন্বয়ে জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কাজ করছে। হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারে জেলা গোয়েন্দা শাখার এ সাফল্য জনগণের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষা, হারানো সম্পদ উদ্ধার এবং প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে উপকারভোগীরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, পুলিশের such উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%