মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
০৭:২৪ পি.এম
৮ই নম্বর ২০২৬ রোজ রবিবার, নারায়ণগঞ্জ জেলার নগর খানপুর গোয়ালপাড়ায় গ্যাসের লাইন হইতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড পুরা ড্রেনের ভিতরে আগুনের লীলেশায় ড্রেন ভরে যায়, এই ঘটনাটি ছয়টা 30 মিনিটে ঘটে, খবর পেয়ে নিকটস্থ নবীগঞ্জ ঘাটের ফায়ার সার্ভিসের একটি দল সাতটা বাজে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন, এ পর্যন্ত কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, আগুনের সূত্রপাত, গ্যাসের পাইপ থেকে লিখেছ হয়ে এই ঘটনাটি ঘটে প্রত্যাশী এলাকাবাসীরা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থার শৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং নিকাহ রেজিস্ট্রারদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষিত রাখা প্রয়োজন। সারাদেশের নিকাহ রেজিস্ট্রারদের পক্ষ থেকে কমপক্ষে দুইজন যোগ্য ও অভিজ্ঞ প্রতিনিধিকে মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন বিধিমালা প্রণয়ন ও সংশোধনসংক্রান্ত কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। নিকাহ রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মাদরাসাভিত্তিক ধর্মীয় শিক্ষা, ইসলামী শরিয়ত, মুসলিম পারিবারিক আইন এবং বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। সাধারণ শিক্ষাগত ডিগ্রির ভিত্তিতে নিয়োগের প্রস্তাব বাতিল করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে এই সমস্যার একটি ন্যায়সংগত ও গ্রহণযোগ্য সমাধান সম্ভব।
নিকাহ রেজিস্ট্রারদের বিদ্যমান অধিক্ষেত্র বজায় রাখা এবং মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষিত করতে হবে। মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন বিধিমালা অনুযায়ী বর্তমানে প্রচলিত নিকাহ রেজিস্ট্রারদের কর্ম-অধিক্ষেত্র ও অধিকার সম্পূর্ণভাবে বহাল রাখতে হবে। বিদ্যমান কর্ম-অধিক্ষেত্র বিভক্ত করে একজনের স্থলে একাধিক নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগের বিধান করা যাবে না।
রোববার (৮ নভেম্বর) ঢাকার সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে বাংলাদেশ মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার ও নিকাহ রেজিস্ট্রার কল্যাণ ঐক্য পরিষদ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার সমিতির সভাপতি মাওলানা শাহ মো. নেছারুল হক।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাওলানা কাজী মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার, মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার সমিতির মহাসচিব মাওলানা কাজী মো. সেলিম রেজা, কাজী ইকবাল হোসেন, কাজী আশরাফ উদ্দিন ভূঁইয়া, কাজী নুরুল আমিন, মফিজুল ইসলাম, আজিজুল হক, সুমন মশিউর রহমান, কাজী মো. জাকির হোসেন, শিহাব উদ্দিন ইয়াহিয়া, মাসুদ, কাজী মাওলানা মোবারক হোসেন ফরাজী ও আব্দুর রাজ্জাক। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, "আমরা অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রণীত মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন বিধিমালা নতুন ভাবে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।"
সেই বিধিমালা ২০২৬-এর প্রস্তাবিত খসড়ায় নিকাহ রেজিস্ট্রারদের দীর্ঘদিনের স্বীকৃত কর্ম-অধিক্ষেত্র পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত খসড়ায় সিটি কর্পোরেশন ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় নিকাহ রেজিস্ট্রারদের কর্ম-অধিক্ষেত্র তিন ভাগে বিভক্ত করার পাশাপাশি পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগের বিদ্যমান ব্যবস্থায় পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
নিকাহ রেজিস্ট্রার পদে সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিদের নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলেও এ ধরনের শরীয়তের সাথে সাংঘষিক সিদ্ধান্ত নেয়ার কেউ সাহস পায়নি।
এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নিকাহ রেজিস্ট্রারদের পেশাগত স্থিতিশীলতা, দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত প্রশাসনিক কাঠামো এবং বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন কার্যক্রমের সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
নিকাহ রেজিস্ট্রারদের বর্তমান কর্ম-অধিক্ষেত্র কোনো আকস্মিক বা অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের ফসল নয়। বরং এটি একটি দীর্ঘ আলোচনা, পর্যালোচনা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে গৃহীত সুপরিকল্পিত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত। সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ও প্রখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার মরহুম মওদুদ আহমেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ২০০১-২০০৬ মেয়াদে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের কর্ম-অধিক্ষেত্র সুশৃঙ্খলভাবে পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
তৎকালীন আইনমন্ত্রীর সভাপতিত্বে কাজী সমিতির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং দেশের বিশিষ্ট আলেম-ওলামাদের সমন্বয়ে একাধিক আলোচনা ও বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়। সেই আলোচনার ভিত্তিতে সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন এবং প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগের নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং পরবর্তীতে সে অনুযায়ী বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়।
দীর্ঘদিনের আলোচনা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে প্রতিষ্ঠিত একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাকে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের সঙ্গে যথাযথ আলোচনা ছাড়াই পরিবর্তনের উদ্যোগ কোনোভাবেই কাম্য নয়।
আমাদের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ নিকাহ রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ধর্মীয় জ্ঞানসংক্রান্ত প্রস্তাব। বিবাহ ও তালাক নিছক কোনো প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক কার্যক্রম নয়। এটি পবিত্র ইসলামী শরিয়তের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান। বিবাহের শর্ত, দেনমোহর, ইজাব-কবুল, অভিভাবকত্ব, তালাক, খুলা, তালাকে তাফওয়ীজসহ ইসলামী পারিবারিক আইনের বিভিন্ন বিষয়ে সুস্পষ্ট জ্ঞান ও বাস্তব দক্ষতা থাকা একজন নিকাহ রেজিস্ট্রারের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
আমরা সাধারণ শিক্ষার বিরোধী নই। বরং আমরা মনে করি, সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি মাদরাসাভিত্তিক ধর্মীয় শিক্ষা, ইসলামী শরিয়ত, মুসলিম পারিবারিক আইন এবং বিবাহ ও তালাকসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা নিয়োগের ক্ষেত্রে অপরিহার্য যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত।
শুধুমাত্র বিএ/এমএ ডিগ্রিধারী হওয়ার ভিত্তিতে শরিয়াহ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত না করে নিকাহ রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা হলে ভবিষ্যতে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন কার্যক্রমে জটিলতা এবং শরিয়াহগত ভুলের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য ধর্মীয় জ্ঞান, আইনগত দক্ষতা, নৈতিকতা এবং পেশাগত অভিজ্ঞতার সমন্বয় অপরিহার্য।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, "অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, একটি দীর্ঘদিনের মীমাংসিত ও প্রতিষ্ঠিত বিষয়কে পুনরায় বিতর্কিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।" আমাদের আশঙ্কা, এ ধরনের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে সারাদেশের নিকাহ রেজিস্ট্রারদের মধ্যে অসন্তোষ ও পেশাগত অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে দেশের আলেম সমাজ ও সরকারের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় দূরত্ব তৈরির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের অযাচিত প্রভাব বা একতরফা পরামর্শের ভিত্তিতে নয়, বরং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মতামত, বাস্তব অভিজ্ঞতা ও জনস্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিধিমালা প্রণয়ন করা উচিত।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে বাংলাদেশের সকল নিকাহ রেজিস্ট্রারের পক্ষ থেকে বিনীতভাবে আবেদন জানাচ্ছিÑ সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের আমলে আলোচনার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত নিকাহ রেজিস্ট্রারদের বিদ্যমান কর্ম-অধিক্ষেত্র বহাল রাখার বিষয়ে আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
একই সঙ্গে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত না করে কোনো অবস্থাতেই তাঁদের পেশাগত ভবিষ্যৎ ও দায়িত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিধিমালা চূড়ান্ত না করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের অনুরোধ জানাচ্ছি।
সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন পেশাজীবি শ্রেণির বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দ্রব্য মূল্য উর্দ্ধগতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে দ্বিগুণ করা হলেও মুসলিম নিকাহ্ রেজিস্ট্রারগণের বিবাহ রেজিস্ট্রেশন ফি বৃদ্ধি করা হয় নাই। তাই হাজারে ১৪ টাকার পরিবর্তে ২০ টাকা যাহা ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত এবং পরবর্তী প্রতি লাখে ১০০ টাকার পরিবর্তে ৩০০ টাকা করণ। তালাক রেজিস্ট্রেশন ফি ১০০০ টাকার পরিবর্তে ২০০০ টাকা করণ। বিবাহের নকল ফি ৫০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা এবং কমিশন ফি ৫০০ টাকা করণ।
সংবাদ সম্মেলনে কতিপয় কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ন্যায়সংগত দাবিসমূহ বাস্তবায়ন এবং অধিক্ষেত্র সুরক্ষিত রাখার দাবিতে আগামীকাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানব বন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী ও আইন মন্ত্রীর নিকট স্মারক লিপি প্রদান করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নবনির্বাচিত মার্কিন সিনেটর আবদুল এল-সায়েদ পাকিস্তান, মিসর, জর্ডান এবং ইসরায়েলের মতো দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সামরিক ও আর্থিক সহায়তা পুনর্মূল্যায়নের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মন্তব্য করেন, মার্কিন অর্থ ব্যবহার করে যেসব দেশ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে, তাদের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
এই বক্তব্যটি ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক অর্থ সাহায্য পাওয়ার বিষয়ে ভারতের সাম্প্রতিক আপত্তির পটভূমিতে এসেছে। প্রথম মার্কিন মুসলিম সিনেটর হিসেবে আবদুল এল-সায়েদের এই বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মিশিগান অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করে ইতিহাস গড়েছেন। পেশায় চিকিৎসক ও মহামারী বিশেষজ্ঞ এল-সায়েদ জয়ের পর স্পষ্টভাবে জানান, মার্কিন করদাতাদের অর্থ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযুক্ত কোনো দেশকে সমর্থন করার জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়।
এবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এল-সায়েদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপগুলো আন্তর্জাতিক আইনের সাথে সংগতিপূর্ণ কি না, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘আমরা কীভাবে আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি নিজেদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করব? এটি কেবল ইসরায়েলের বিষয় নয়। মিসর—যেখান থেকে আমার পরিবার অভিবাসিত হয়ে এসেছে—সে ক্ষেত্রেও আমি একই দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করি। পাকিস্তান এবং জর্ডানের ক্ষেত্রেও আমার বক্তব্য একই। আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগে আমাদের প্রথম সারিতে থাকা দরকার।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘যখন আমরা এমন কোনো দেশকে অর্থ সরবরাহ করি যে দেশটি সেই অর্থ দিয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে, তখন সেখান থেকেই পদক্ষেপ শুরু করার উপযুক্ত স্থান বলে আমি মনে করি।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার প্রেক্ষাপটে এল-সায়েদের এই প্রতিক্রিয়া এসেছে, যেখানে তিনি ইসরায়েলকে দেওয়া বছরে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা চলতি বছরের শেষ নাগাদ বন্ধ করার কথা জানিয়েছেন।
এর আগে, নির্বাচনী জয়ের পর ইসরায়েলকে দেওয়া সামরিক সহায়তা কমানোর বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান এল-সায়েদ। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্টের এই নীতির সাথে তিনি একমত। ‘আমি মনে করি এই নীতির ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট আসলে সঠিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন,’ বলেন তিনি।
এছাড়াও, ইসরায়েলের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির ওপর বিধিনিষেধ আরোপের দাবি জানান তিনি। এল-সায়েদ জানান, ওয়াশিংটনের সরবরাহ করা কিছু অস্ত্র এমন কিছু অভিযানে ব্যবহার করা হচ্ছে, যাকে তিনি গণহত্যা এবং বর্ণবাদ বলে অভিহিত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব ডায়াবেটিস, বক্ষব্যাধি ও শিশু দিবস উপলক্ষে আগামী ১৪ নভেম্বর ২০২৬, শনিবার, ইনসাফ বারাকাহ কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত হাসপাতাল ভবনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পে ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন, নবজাতক ও শিশু-কিশোর রোগ, মেডিসিন এবং বক্ষব্যাধিসহ বিভিন্ন রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করবেন।
ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা প্রদান করবেন ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. শাহাদাৎ উল্লাহ এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. তাহমিনা ফেরদৌসী; নবজাতক ও শিশু-কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক (অব.) ডা. মো. গোলাম হাফিজ ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান; মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. মনির হোসেনসহ অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা।
ক্যাম্পে রোগীদের জন্য বেশ কিছু বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ, ডায়াবেটিস চেকআপের জন্য র্যান্ডম ব্লাড সুগার (RBS) পরীক্ষা সম্পূর্ণ ফ্রি।
এছাড়া মাত্র ১,০০০ টাকায় বিশেষ হেলথ চেকআপ প্যাকেজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষাগুলো হলো— CBC, S. Creatinine, Urine R/E, SGPT, ECG এবং USG of Whole Abdomen।
ক্যাম্পে রেজিস্ট্রেশন ভুক্ত রোগীদের জন্য ওই দিন প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ৫০ শতাংশ এবং অন্যান্য পরীক্ষায় ৪০ শতাংশ বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে। তবে চিকিৎসাসেবা ও পরীক্ষা গ্রহণের জন্য রোগীদের আগেই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ডায়াবেটিস, শ্বাসতন্ত্রের রোগ ও শিশুস্বাস্থ্য সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, রোগীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং স্বল্প খরচে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
আগ্রহী রোগীদের রেজিস্ট্রেশনের জন্য যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ০১৯৭৮-০৯৮০৮৮, ০৯৬১৩-৪৪৫৫৪৪।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেন মন্তব্য করেছেন, "গুটিকয়েক মানুষের বাজে আচরণের কারণে অনেক সময় পুরো পেশার দুর্নাম হয়।" তিনি উল্লেখ করেন যে, কর্মক্ষেত্রের পাশাপাশি বাসা, পরিবার ও সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ভালো ব্যবহার বজায় রাখা উচিত। মহান সৃষ্টিকর্তা এর প্রতিদান দেন।
রবিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে ঢামেক হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) নন-ক্যাডার নার্সিং ব্যাচ-২ (২০১৮)-এর নার্সিং কর্মকর্তাদের কর্মজীবনের অষ্টম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসপাতাল পরিচালক আরও বলেন, সেবামূলক পেশায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্ব শুধুমাত্র রোগীর শারীরিক চিকিৎসা প্রদানেই সীমাবদ্ধ নয়। রোগীকে মানসিকভাবে সুস্থ করে তুলতে ভালো সেবা, মিষ্টি কথা, সুন্দর আচরণ ও আন্তরিক হাসির মাধ্যমে সহায়তা করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা একটি অনন্য দায়িত্ব, যা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করা উচিত। মানুষের সঙ্গে সদ্ব্যবহার একটি অমূল্য মানবিক গুণ, যার কোনো বিকল্প নেই।
২০১৮ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত নার্সিং কর্মকর্তারা দীর্ঘ আট বছর ধরে সরকারি পর্যায়ে রোগীদের সেবাদান, পেশাগত দায়িত্ব পালন এবং দেশের স্বাস্থ্যসেবাব্যবস্থায় অবদান রাখার ধারাবাহিকতায় এ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানের স্মরণীয় করে রাখতে নার্সিং কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে একটি মানবিক উদ্যোগ নেওয়া হয়। রোগীদের ব্যবহারের জন্য ১০টি নতুন হুইলচেয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়।
অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির পক্ষে সিনিয়র স্টাফ নার্স মো. ফারুক হোসাইন বলেন, "নার্সিং পেশার মর্যাদা, মানবিক সেবার গুরুত্ব এবং দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবায় নার্সিং কর্মকর্তাদের নিরলস অবদান সবার সামনে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।" তিনি উল্লেখ করেন যে, রোগীদের সেবায় হুইলচেয়ার প্রদান ও বৃক্ষরোপণের মতো মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে এবারের বর্ষপূর্তি উদযাপন আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ