বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:১৩ পি.এম
ভারতের কলকাতা বিমানbন্দরে এক যাত্রীর লাগেজ থেকে ৭০৭টি জীবিত কচ্ছপ উদ্ধার করেছে শুল্ক দপ্তরের এয়ার ইন্টেলিজেন্স শাখা।
ব্যাংকক থেকে আসা ওই যাত্রীকে বন্যপ্রাণ পাচারের অভিযোগে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলো রেড-ইয়ার স্লাইডার প্রজাতির বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ভারতীয় গণমাধ্যম কলকাতা এয়ারপোর্টের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (২২ জুলাই) ব্যাংকক থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করা একটি বিমানে ছিলেন ওই যাত্রী। বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় তার লাগেজের ভেতর থেকে নড়াচড়ার শব্দ শোনা যায়। এই শব্দে সন্দেহ হয় শুল্ক কর্মকর্তাদের।
পরে ব্যাগটি তল্লাশি করে ৭০৭টি জীবিত কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর ওই যাত্রীকে আটক করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে শুল্ক দপ্তর। কচ্ছপগুলো কোথা থেকে আনা হয়েছে, কী উদ্দেশ্যে এবং কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল এই বিষয়ে তদন্ত চলছে। বন্যপ্রাণ পাচারচক্রের সঙ্গে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই-আগস্টের একাধিক মামলার পরোয়ানা মাথায় নিয়ে বহাল তবিয়তে রয়েছেন বরিশাল মহানগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখর দাস। অভিযোগ উঠেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় বসে আত্মগোপনে থেকেই তিনি নানা অপকর্মের ছক কষছেন। আত্মগোপনে থাকলেও সেখানে তিনি যাপন করছেন অত্যন্ত বিলাসবহুল জীবন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ঘোষিত কমিটির ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়ার পর থেকেই বেপরোয়া হয়ে ওঠেন শেখর দাস। দলীয় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নগরজুড়ে চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্য চালিয়ে তিনি গড়ে তোলেন বিপুল অবৈধ সম্পদ।
অভিযোগ রয়েছে, বরিশাল নগরীর ঐতিহ্যবাহী মহসিন মার্কেটের প্রতিটি দোকান থেকে নিয়মিত ভয়ভীতি দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করতেন তিনি। এমনকি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সামনের হকারদের কাছ থেকেও তিনি দৈনিক ও মাসিক হারে মোটা অঙ্কের চাঁদা উঠাতেন।
তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগটি ওঠে করোনা মহামারীর মতো সংকটকালে। সারা দেশের মানুষ যখন জীবন ও জীবিকা নিয়ে মারাত্মক আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছিল, তখন অসহায় সাধারণ মানুষকে সরকারি অনুদান পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেন এই আওয়ামী লীগ নেতা। সাধারণ মানুষের সেই রক্তচুষা টাকায় তিনি কুয়াকাটায় গড়ে তোলেন বিলাসবহুল হোটেল 'সী গাল'। বর্তমানে পুলিশি গ্রেপ্তার এড়াতে নিজের সেই হোটেল কেন্দ্রিক আস্তানা বানিয়েই বিলাসী জীবনযাপন করছেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে শেখর দাসের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, "শেখর দাস একাধিক মামলার এজাহারনামীয় আসামি। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো সময় তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।"
অসংখ্য মামলার আসামি হওয়ার পরও তিনি কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে কুয়াকাটার মতো জনাকীর্ণ স্থানে বিলাসী জীবন কাটাচ্ছেন—তা নিয়ে স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিরসরাইয়ে ফখরুল ইসলাম খান সিআইপি’র উদ্যোগে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে পাঁচ শতাধিক ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
পরিবেশের সুরক্ষা ও সচেতনতার লক্ষ্যে, আজ (বৃহস্পতিবার) বেলা ১২টায় উপজেলার শান্তিরহাটস্থ সানফ্লাওয়ার গ্রামার স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব চারা বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত থাকেন বিশিষ্ট শিল্পপতি, সমাজসেবক এবং ইউএই আল সুমাইয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব ফখরুল ইসলাম খান, সিআইপি। তিনি বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার (কেন্দ্রীয় কমিটি, সংযুক্ত আরব আমিরাত) প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি।
চারা বিতরণকালে ফখরুল ইসলাম খান বলেন, "একটি গাছ শুধু প্রকৃতিকে সবুজই করে না, বরং মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় অপরিহার্য ভূমিকা রাখে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রতিটি শিক্ষার্থী ও নাগরিকের অন্তত একটি করে গাছ রোপণ এবং তা নিয়মিত পরিচর্যা করা উচিত।"
সানফ্লাওয়ার গ্রামার স্কুলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সমাজসেবামূলক এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি ও সবুজায়ন আন্দোলন আরও বেগবান হবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে ঘিরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চলমান আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণা দিলেও বিক্ষোভকারীরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনড় অবস্থান বজায় রেখেছে। বৃহস্পতিবারও দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রতিবাদসভায় অংশগ্রহণ করে।
বৃহস্পতিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, দেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ ও কল্যাণের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই হতে পারে না। তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সরকার ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত প্রতিষ্ঠা করবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তরুণদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা যারা করেছেন, তাদের কাউকেই ছাড়া দেওয়া হবে না।
তবে প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায় লোকসভার বিরোধী নেতাকে, রাহুল গান্ধী। তাঁর এক্স-এ দেওয়া পোস্টে অভিযোগ করেছেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস হওয়ার সুযোগ প্রধানমন্ত্রীর হাতেই রয়েছে এবং তিনি দায়ীদেরও রক্ষা করেছেন। তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তিনটি দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন—শিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত করা, শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা এবং আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ।
এদিকে, মোদির আশ্বাসের পরও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে মন্তব্য করেন, শিক্ষামন্ত্রীকে অপসারণের চেয়ে পুরো দিল্লি অচল করে দিতে সরকার বেশি আগ্রহী।
বৃহস্পতিবার ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগ করেন, গত এক মাস ধরে চলা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ভণ্ডুল করার জন্য বিজেপি পরিকল্পিতভাবে বাইরে থেকে লোক এনে বিশৃঙ্খলা ও উসকানি সৃষ্টি করছে। এর আগে, বুধবার গভীর রাতে যন্তর মন্তর এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ এবং কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
পুলিশের দাবি, সংঘর্ষে সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসিপি) পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তাসহ অন্তত ছয়জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশের অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করা হয়েছে। এসব ঘটনার পরেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফের যন্তর মন্তরে বিপুলসংখ্যক বিক্ষোভকারী জড়ো হন এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখেন। সূত্র: দ্য হিন্দু।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গায় ঢাকা যাচ্ছিল একটি যাত্রীবাহী বাস, যা উল্টে গেছে, resulting in দুঃখজনকভাবে ১৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ছয় জনের অবস্থা গুরুতর এবং আশঙ্কাজনক।
দুর্ঘটনার ফলে একজনের হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে, সময়টা ছিল ১০টার কিছু আগে, চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের সরোজগঞ্জ বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী এবং পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল পৌঁনে ১০টায় রয়েল এক্সপ্রেসের যাত্রীবাহী একটি বাস ঢাকা যাত্রার উদ্দেশ্যে চুয়াডাঙ্গা ছেড়ে চলে যায়। বাসটি যখন সরোজগঞ্জ বাজারে পৌঁছায়, তখন এটি নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং সড়কের পাশে থাকা গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে, ফলে বাসটি উল্টে যায়।
এই দুর্ঘটনায় নারী ও শিশু মিলিয়ে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। ১৯ জন আহতকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের সবাইকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর বলে রিপোর্ট করা হয়েছে। একজনের শরীর থেকে হাত বিচ্ছিন্ন হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
আহতদের মধ্যে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ ৭ জন রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. এহসানুল হক তন্ময় জানিয়েছেন, ‘চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ডে ১৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে চার জনের অবস্থা গুরুতর। এছাড়া তিন জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
আরো একটি খবরের জন্য, নারায়ণগঞ্জে বাস থামিয়ে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ