শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪০ এম
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে নতুন উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, তেলের দাম বর্তমানে সাপ্তাহিক সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
এই তথ্যটি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) গ্রিনিচ মান সময় রাত ১টা পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১৫ সেন্ট বা ০.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ৯৫.৬৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ২৬ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯১.৫৬ ডলারে পৌঁছেছে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা এবং সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই কারণেই মূলত তেলের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।
গত এক সপ্তাহে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭.১ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৯.৮ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে, ২০ জুলাই শেষ হওয়া সপ্তাহের পর এটি উভয় ধরনের তেলের জন্য সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক মূল্যবৃদ্ধি হতে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ শুভ জন্মাষ্টমী, সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি। এ উপলক্ষে দেশের হিন্দু সম্প্রদায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ-উৎসবের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করবে। রাজধানীতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হবে। এই শোভাযাত্রা উপলক্ষে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ৯ দফা নির্দেশনা প্রদান করেছে।
শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। আজ সরকারি ছুটি। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেলে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবে। হিন্দু পুরাণ মতে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে জন্মগ্রহণ করেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, পাশবিক শক্তি যখন ন্যায়নীতি, সত্য ও সুন্দরকে গ্রাস করতে উদ্যত হয়েছিল, তখন সেই শক্তিকে দমন করে মানবজাতির কল্যাণ এবং ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটে। তাদের বিশ্বাস, দুষ্টের দমন করতে যুগে যুগে ভগবান মানুষের মধ্যে নেমে আসেন এবং সত্য ও সুন্দরকে প্রতিষ্ঠা করেন।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি এবং ইসকনসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে কেন্দ্রীয়ভাবে কর্মসূচি আয়োজন করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সকাল ৮টায় দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় গীতাযজ্ঞ এবং বিকালে ৩টায় ঐতিহাসিক জন্মাষ্টমী মিছিল ও রাতে শ্রীকৃষ্ণ পূজা। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনে আয়োজিত গীতাযজ্ঞ পরিচালনা করবেন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের শংকর মঠ ও মিশন। বিকাল ৩টায় পলাশীর মোড়ে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
জন্মাষ্টমী মিছিলের উদ্বোধন করবেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম। এ উপলক্ষে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) তিন দিনব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ, ভজন কীর্তন, ভোগ আরতি, মহাপ্রসাদ বিতরণ, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ধর্মীয় নাটক কীর্তন মেলা।
ডিএমপির ৯ নির্দেশনা: বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে শোভাযাত্রা উপলক্ষে ৯ দফা নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, শোভাযাত্রা ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হয়ে পলাশী বাজার, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, বঙ্গবাজার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ভবন, গোলাপ শাহ মাজার ও গুলিস্তান মোড় থেকে নবাবপুর রোড, রায় সাহেব বাজার মোড় হয়ে বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হবে। বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শোভাযাত্রা শেষ করতে হবে।
নির্দেশনাগুলো হলো- ১. শোভাযাত্রার রুটে কোনো ধরনের যানবাহন পার্কিং করা যাবে না। ২. উচ্চস্বরে পিএ/সাউন্ড সিস্টেম বাজানো থেকে বিরত থাকতে হবে। ৩. অংশগ্রহণে ইচ্ছুকদের প্রারম্ভে শোভাযাত্রায় মিলিত হতে হবে। কোনোক্রমেই মাঝপথে শোভাযাত্রায় যোগ দেওয়া যাবে না। ৪. নিরাপত্তার স্বার্থে হ্যান্ড ব্যাগ, ট্রলি, বড় ভ্যানিটি ব্যাগ, পোটলা, দাহ্য পদার্থ, ছুরি, অস্ত্র, কাঁচি, ক্ষয়কারক তরল, ব্লেড, দিয়াশলাই, গ্যাসলাইটার ইত্যাদি সঙ্গে নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া যাবে না। ৫. শোভাযাত্রা চলাকালে রুটে কোনো ধরনের ফলমূল ছোড়া যাবে না। ৬. রাস্তায় অহেতুক দাঁড়িয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। ৭. সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা বস্তু পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিক পুলিশকে অবহিত করতে হবে। ৮. শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের স্বেচ্ছাসেবক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ৯. ব্যারিকেড, পিকেট ও আর্চওয়ে ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত পুলিশকে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতার পাশাপাশি শোভাযাত্রা চলাকালে নগরবাসীকে পুলিশের নির্দেশিত বিকল্প সড়কে চলাচল করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত ২টা ৫৫ মিনিটে, ভারতের অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিল। তবে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় তখন ভিন্ন এক ব্যস্ততা চলছিল। মিশন কন্ট্রোল রুম, উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ট্র্যাকিং স্টেশনে প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ জন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও সহায়ক কর্মী উৎকণ্ঠা ও ক্লান্তি উপেক্ষা করে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ছিলেন।
শুধু ১৯ মিনিট পর, ভোর ৩টা ১৪ মিনিটে, উৎক্ষেপণের সফলতার খবর আসে। মুহূর্তেই নিয়ন্ত্রণকক্ষে স্বস্তির আবহ নেমে আসে। বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের মধ্যে হাসি, করমর্দন ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
বিজ্ঞান-বিষয়কমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং এই সাফল্যকে ভারতের মহাকাশ অভিযানে ‘আরেকটি বড় লাফ’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি সফল উৎক্ষেপণের জন্য ইসরোর পুরো দলকে অভিনন্দন জানান।
এই দিন জিএসএলভি-এফ১৭ রকেটের মাধ্যমে ইওএস-০৫ নামে একটি অত্যাধুনিক পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানো হয়। এটি জিওসিঙ্ক্রোনাস কক্ষপথ থেকে ছবি তুলতে সক্ষম ভারতের প্রথম ইমেজিং স্যাটেলাইট। উপগ্রহটি দৃশ্যমান আলো, ইনফ্রারেড, মাল্টি-স্পেকট্রাল ও হাইপারস্পেকট্রাল—বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে উন্নত মানের ছবি সংগ্রহ করতে পারবে।
এই সাফল্য ইসরোর জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর আগে পরপর দুটি উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হওয়ায় ভারতের দীর্ঘদিনের নির্ভরযোগ্য পিএসএলভি রকেট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। ২০২৫ সালে এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে পিএসএলভি’র ব্যর্থতার পর বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে ইসরোকে দীর্ঘ তদন্ত ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল।
বর্তমানে পিএসএলভি বহরের উৎক্ষেপণ স্থগিত রয়েছে। প্রকৌশলীরা বিভিন্ন পরীক্ষা ও সংশোধনমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আগের ব্যর্থতাগুলোতে কোনো নাশকতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। রকেট উৎক্ষেপণ অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রযুক্তি—এ কারণেই মহাকাশে নিয়মিত রকেট পাঠানোর সক্ষমতা বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি দেশের রয়েছে।
শ্রীহরিকোটা থেকে এটি ছিল কোনো বড় রকেটের ১০৭তম উৎক্ষেপণ।
‘নটি বয়’ এবার দিল স্বস্তি
পিএসএলভি-এর ওপর চাপ তৈরি হওয়ায় এবার দায়িত্ব পড়ে জিএসএলভি এমকে ২-এর ওপর। ইসরো এই রকেটটির নাম মজা করে ‘নটি বয়’ রেখেছিল।
এর কারণও আছে। এখন পর্যন্ত ১৯টি উৎক্ষেপণের মধ্যে ৬টি ব্যর্থ হয়েছে। ফলে রকেটটির যাত্রা ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং ও নাটকীয়।
তবুও এই একই রকেট ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও আত্মনির্ভরতার অন্যতম প্রতীক হয়ে উঠেছে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মন্তব্য করেছেন যে, ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র শিগগিরই পতনের মুখে পড়তে পারে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ইরানে হামলা শুরু করার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।
নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইলি সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে, ইরান এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দুর্বল এবং নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য লড়াই করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, "এই সরকার এখন টলমল অবস্থায় রয়েছে। এটি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দুর্বল। তারা নিজেদের টিকে থাকার জন্য লড়াই করছে।"
নেতানিয়াহু আরও জানান, ইরানের এই হুমকি স্থায়ীভাবে দূর করা এবং দেশটির বর্তমান সরকারকে উৎখাত করা এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। তিনি দাবি করেন, সেই লক্ষ্য অর্জন এখন আর অসম্ভব নয়; বরং তা অনেকটাই হাতের নাগালে।
দীর্ঘদিন ধরে নেতানিয়াহু ইরানের সরকারকে ইসরাইলের অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে আসছেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে হামলাও শুরু করে তেল আবিব। পরে এপ্রিল মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন।
তবে চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা চালানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপও বাড়িয়েছে। এর জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের পাশাপাশি জর্ডান ও ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলে হামলা চালিয়েছে। তবে ইসরাইলে হামলা চালায়নি।
এ প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু বলেন, "ইরান ইসরাইলে হামলা না করার বিষয়টি কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়।" তার ভাষায়, "তারা সবাইকে আক্রমণ করছে, কিন্তু আমাদের নয়। তারা আমাদের শক্তি, অস্ত্রের ক্ষমতা এবং আমাদের দৃঢ়তা সম্পর্কে জানে।"
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বড় ব্যবধানে বেড়েছে, যা টানা তিন দফা কমার পর ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির কারণে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ শুক্রবারও এই নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি হবে।
নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে বুধবার ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা। অর্থাৎ, ভরিতে দাম বেড়েছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা।
এছাড়া, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৯৪ হাজার ৬১৪ টাকা। সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাই গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। তবে গহনার নকশা ও ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি যুক্ত হবে।
এছাড়া, ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে স্বর্ণ ও রুপার গহনা বিনিময় বা বেচাকেনার ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য কার্যকর থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ