ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বজুড়ে আলোচিত ব্রাজিলের ৩টি সুপারহিট গান


বিশ্বজুড়ে আলোচিত ব্রাজিলের ৩টি সুপারহিট গান

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ এর মহাযজ্ঞ শুরু হয়ে গেছে। এই আসরে প্রতিবারের মতো এবারও ব্রাজিল অংশ নিয়েছে। রাত পোহালেই বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম ম্যাচ খেলতে মাঠে নামবে ফেভারিট দলটি। তাই প্রিয় দলের খেলা উপভোগ করার পাশাপাশি ব্রাজিলের বিশ্বখ্যাত ৩টি হিট গান নিয়েও মেতে উঠতে পারেন।

দক্ষিণ আমেরিকার সর্ববৃহৎ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত ব্রাজিল। এটি জনসংখ্যা ও ভৌগোলিক আয়তনের ক্ষেত্রে বিশ্বে পঞ্চম বৃহত্তম দেশ। ব্রাজিলে নানা জাত, ঐতিহ্য, এবং সাম্বা নৃত্যের সৌন্দর্য ছাড়া বিশ্বখ্যাত দুর্দান্ত সুরের জাদুও রয়েছে।

ব্রাজিলের নাম সামনে আসলেই ফুটবল প্রসঙ্গ চলে আসে। ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে ব্রাজিল সবচেয়ে সফলতম দল। তারা পাঁচবার (১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২) বিশ্বকাপ জিতে নিয়েছে, এবং এই রেকর্ড এখনও কোনো দল স্পর্শ করতে পারেনি।

আরও পড়ুন: কৃতি শ্যানন: ইনস্টাগ্রামে এআই দ্বারা তৈরি ছবি সরানোর সুযোগ নেই

ফুটবলের জন্ম ইংল্যান্ড হলেও ব্রাজিলিয়ানরা তাদের শৈল্পিক খেলা, ছন্দ এবং অসাধারণ নৈপুণ্যের মাধ্যমে ফুটবলকে একটি নান্দনিক রূপ দিয়েছে। এজন্য ব্রাজিলকে ফুটবলের দেশ বলা হয়।

আপনি জানলে অবাক হবেন, আধুনিক ফুটবল প্রসঙ্গে একটি সুপ্রসিদ্ধ এবং বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদের কথাও চলে আসে। সেটি হচ্ছে ‘দ্য ইংলিশ ইনভেন্টেড ইট, দ্য ব্রাজিলিয়ানস পারফেক্টেড ইট’, যার বাংলা অর্থ — ‘ইংরেজরা এর আবিষ্কার করেছে, আর ব্রাজিলিয়ানরা একে নিখুঁত করেছে।’

এ কারণে খেলার নৈপুণ্য, ন্যায়বোধ ও সৌন্দর্য যারা পছন্দ করেন, তাদের বেশিরভাগই ব্রাজিল দলকে সমর্থন করেন। বিশ্বকাপ ফুটবলে শুধু ব্রাজিলরাই তাদের দেশকে সমর্থন করে না, দেশের বাইরেও ব্রাজিলের প্রচুর সাপোর্টার রয়েছে। বাংলাদেশেও এ দলের অনেক সমর্থক রয়েছে।

তাহলে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলায় ব্রাজিল দলকে সমর্থন করুন বা না করুন, দেশটির ঐতিহ্য ও মোহনীয় সুর সম্পর্কে ধারণা পেতে আজকের বিশেষ আয়োজনে ব্রাজিল দেশের পুরনো ও নতুন ধারার জনপ্রিয় ৩টি গান নিয়ে কিছু তথ্য জানা যাক।

আরও পড়ুন: আইইডিসিআর কার্যালয়ে ঢুকে পরিচালককে মারধরের অভিযোগ

বিশ্বকাপের এ মৌসুমে পরিবার ও প্রিয়জনদের সাথে খেলা উপভোগ করতে গিয়ে আসুন জেনে নিই, ব্রাজিলের জনপ্রিয় ৩টি গান-

১। Aquarela do Brasil: ১৯৩৯ সালের বিখ্যাত গানটি সুর করেছেন ব্রাজিলীয় সুরকার আরি বারোসোর। যে গান থেকে ২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপে গানটির নতুন সংস্করণ প্রকাশ করা হয় যার নাম To Brazil! নতুন গানের সংস্করণটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন Vengaboys।

২। Asa Branca: ‘আসা ব্রাঙ্কা’ হলো ১৯৪৮ সালে লুইজ গনজাগা (Luiz Gonzaga) এবং হাম্বারতো টেক্সেইরা (Humberto Teixeira) রচিত ও সুরারোপিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্রাজিলীয় লোকসংগীত যা বাইয়াও ঘরানার। এই পুরনো গানটি ব্রাজিলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খরা-কবলিত অঞ্চলের এক কৃষকের কষ্টের গল্প এবং তার প্রিয়তমার প্রতি ভালোবাসার আবেগকে কেন্দ্র করে তৈরি।

৩। Daqui Pra Sempre: বর্তমান সময়ে ব্রাজিলের জনপ্রিয় গানের শীর্ষে রয়েছে Daqui Pra Sempre (চিরকালের জন্য) গানটি। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া গানটি ব্রাজিলের বিলবোর্ড হট ১০০ এবং স্পটিফাই ব্রাজিলের শীর্ষ তালিকায় জায়গা করে নেয়। এই গানটি গেয়েছেন ব্রাজিলের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ম্যানু বাতিদাঁও (Manu Bahtidão) এবং সিমোন মেন্দেস (Simone Mendes)। ইউটিউবে এই গানের ভিউ সংখ্যা ৫৪৭ মিলিয়নেরও বেশি ছাড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: বিএনপিকে অপরাজনীতির পরিণতি ভোগ করতে হবে: সাদিক কায়েম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ নিয়ে শিগগিরই আসছে ইরান-ওমানের যৌথ বিবৃতি: আরাগচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ পি.এম


হরমুজ নিয়ে শিগগিরই আসছে ইরান-ওমানের যৌথ বিবৃতি: আরাগচি

হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন যে, ওমানের সঙ্গে একটি যৌথ বিবৃতি খুব শিগগির প্রকাশ করা হবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালী নিয়ে ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনার বিষয়ে ইরান ও ওমান যৌথভাবে একটি ঘোষণা দিতে প্রস্তুত।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ইসনা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হলো হরমুজ প্রণালী, যা ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত। এই নৌপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হয়, তাই এর নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যেকোনও পরিবর্তন আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

আরাগচির এই বক্তব্য এমন একটি অবস্থায় এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য একটি চুক্তির কাঠামো চূড়ান্ত হয়েছে, বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ওই সমঝোতা স্বাক্ষর হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকের বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি পুনরায় চালু করা এবং প্রণালীর আশপাশে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার করা।

তবে, আরাগচি বলেন, চুক্তি হলেও যুদ্ধের আগের অবস্থায় হরমুজ প্রণালীর কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে ফিরে যাবে না। অর্থাৎ আগের নিয়মে নৌযান চলাচল করতে পারবে, কিন্তু নতুন কিছু ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে, এটা তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে কোনও ধরনের ‘টোল’ নেবে না, কিন্তু নৌপথ ব্যবহারের জন্য ‘সেবা ফি’ নেওয়া হবে।

আরাগচির বক্তব্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালীর পরিচালনায় নতুন কাঠামো তৈরি হতে পারে, যেখানে নিরাপত্তা ও পরিষেবা ব্যবস্থার জন্য নির্দিষ্ট অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা থাকবে।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ও নৌ চলাচল নিয়ে ইরানের অবস্থান অনেকদিন ধরে বৈশ্বিক রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে এই সম্ভাব্য সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভিএআর হস্তক্ষেপের সুফল পেল টিম রিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ পি.এম


ভিএআর হস্তক্ষেপের সুফল পেল টিম রিম

বিশ্বকাপে প্রথম ফুটবলার হিসেবে একটি ভুল সিদ্ধান্তের পর ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সুবিধাভোগী হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্ডার টিম রিম।

ম্যাচের প্রথমার্ধে যখন প্যারাগুয়ের মিগেল আলমিরনকে ট্যাকল করা হয়েছিল, তখন ৩৮ বছর বয়সী এই ফুটবলারকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে, আলমিরন ডান দিক থেকে দ্রুত দৌড়ে যান এবং টিম রিমের চাপের কারণে বলের ওপর সামান্য নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাটিতে পড়ে যান, যা দেখে মনে হয় তিনি ডাইভ দিয়েছেন।

রেফারি ড্যানি ম্যাকেলি প্রথমে প্যারাগুয়ে এবং রিমকে হলুদ কার্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত নেন, এবং একটি ফ্রি-কিকও প্রদান করেন। কিন্তু ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) হিসেবে কাজ করা কার্লোস দেল সেরো গ্রান্দে বিষয়টি পর্যালোচনা করার জন্য মাঠের রেফারিকে অনুরোধ করেন।

রেফারি রিপ্লে দেখার পর তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। রিমের হলুদ কার্ডটি বাতিল করা হয় এবং এর পরিবর্তে আলমিরনকে ডাইভ দেওয়ার জন্য হলুদ কার্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত নেন। এটি কোনো বড় টুর্নামেন্টে ফিফার ভুল পরিচয় সম্পর্কিত হালনাগাদ নিয়ম অনুযায়ী প্রথমবারের মতো এক শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত সংশোধন করা হয়েছে।

ফিফার কর্মকর্তারা জানান, আলমিরন প্রাথমিকভাবে রেফারিকে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, যার ফলে তাকে সংশোধন করে হলুদ কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এদিকে এবারের বিশ্বকাপে ম্যাচের গতি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে কিছু নতুন নিয়মও পরিবর্তন করা হয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে গোলরক্ষকদের বল ধরে রাখার সময়সীমা কঠোর করা, দ্রুত থ্রো-ইন এবং ফুটবলারের বদল নিয়ে কড়া নিয়ন্ত্রণ।

ভুল কর্নারে সিদ্ধান্ত ও ভুলের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পর্যালোচনা করার সুযোগ দিতে ভিএআর নিয়মগুলিও হালনাগাদ করা হয়েছে। ফিফা বলছে, এই পরিবর্তনগুলো ফুটবলকে আরও দ্রুত, ন্যায্য এবং রেফারির সিদ্ধান্তে আরও নির্ভুল করার জন্য করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ব্রাজিল মোড়’ নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে একটি এলাকার নাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৫৮ পি.এম


‘ব্রাজিল মোড়’ নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে একটি এলাকার নাম

ফুটবল জ্বরে কাঁপছে সারা বিশ্ব। এর ঢেউ লেগেছে দেশের আনাচে-কানাচে। দেশজুড়ে চলছে সবচেয়ে বড় ফুটবল আসর বিশ্বকাপ নিয়ে নানা আয়োজন। কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে একটি এলাকার নামকরণ করা হয়েছে ‘ব্রাজিল মোড়’। সেখানে গ্রামবাসীকে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফুটবলের সবগুলো ম্যাচ দেখানোর আয়োজন করেছে সেখানকার একদল কিশোর। এ নিয়ে ব্রাজিল মোড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা বড় পর্দায় দেখতে এলাকার মানুষকে সুযোগ করে দিতে যেন ব্যস্ততার শেষ নেই এক দল কিশোরের। এর মধ্যে কেউ প্রিয় দলের পতাকা টাঙাচ্ছে, আবার কেউ দেয়ালে সাঁটাচ্ছে স্টিকার। শিশুদের মধ্যে খুশির সীমা নেই। তারা সবাই ব্রাজিলের সমর্থক।

সরেজমিনে শনিবার (১৩ জুন) কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ পৌরসভার চরপাড়া ও ঘোনাপাড়া গ্রামে পৌঁছালে দেখা যায় এমন দৃশ্য।

এলাকাটি এরই মধ্যে পরিচিতি পেয়েছে ‘ব্রাজিল মোড়’ হিসেবে। যারা সেখানে বসবাস করেন, তাদের বেশিরভাগই ব্রাজিলের সমর্থক। তাই সাঁটানো হয়েছে ‘ব্রাজিল মোড়’ লেখা সাইনবোর্ড। একটি অব্যবহৃত কৃষি খামারের চারদিকে ব্রাজিলের পতাকা উড়ছে। উঁচু পানির ট্যাংকিতেও পতাকা উড়ে সামনে এসেছে।

গ্রামের মানুষকে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফুটবলের সবগুলো ম্যাচ দেখানোর আয়োজন করে চলেছে একদল কিশোর। এ কারণে ব্রাজিল মোড়ে চলছে উৎসবের আমেজ। তারা নিজেদের কিছু অর্থ দিয়ে এবং গ্রামবাসী ও প্রবাসী বন্ধুদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে প্রজেক্টর কিনেছেন। কৃষি খামারের একটি পরিত্যক্ত টিনসেড ঘর সংস্কার করে সেখানে বড় পর্দা সাঁটানো হয়েছে। এর সাথে বিদ্যুৎ ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া হয়েছে। সবার বসার জন্য চেয়ারও রাখা হয়েছে। আর এমন আয়োজনকে কেন্দ্র করে ব্রাজিল মোড় এলাকায় উৎসবের আমেজ বইছে।

স্থানীয় যুবক মো. রাইয়ুল জানান, ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের সময় এ স্থানটির নামকরণ করা হয় ব্রাজিল মোড়। এরপর থেকে প্রতি বিশ্বকাপের সময় তারা এখানে একসঙ্গে বড় পর্দায় খেলা দেখানোর আয়োজন করে আসছে।

ব্রাজিল সমর্থক মো. রাসেল বলেন, ‘একসঙ্গে প্রিয় দলের খেলা উপভোগ করার মজাই আলাদা। তাই আমরা সবাই মিলে চাঁদা দিয়ে প্রজেক্টরে খেলা দেখার আয়োজন করেছি। গ্রামের সবাই একসঙ্গে খেলা দেখবো।’

ঘোনাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আল মামুন বলেন, ‘আমি অন্যদল সমর্থন করি। কিন্তু ব্রাজিল মোড় আয়োজিত এমন উদ্যোগ সব সময় সহযোগিতা করি।’

আয়নোকরীরা জানান, এলাকার নাম ব্রাজিল মোড় হলেও একসাথে বড় পর্দায় খেলা দেখবেন আর্জেন্টিনাসহ সব দলের সমর্থকরা। গ্রামের সবাই এতে নিজেদের সাধ্যমত সহযোগিতা করছেন। এ নিয়ে কারও মধ্যে কোনো হিংসাত্মক আচরণ নেই। তবে ব্রাজিল সমর্থকরা আশা করেন, এবারের বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হবে দীর্ঘদিন ট্রফির জন্য বঞ্চিত ব্রাজিল।

জানা গেছে, ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল আসরের সময় করিমগঞ্জ পৌরসভার চরপাড়া ও ঘোনাপাড়া এলাকার সংযোগস্থলে গড়ে উঠে ব্রাজিলের মোড়। এরপর থেকে প্রতিটি বিশ্বকাপে গ্রামবাসীকে এখানে বড় পর্দায় ফুটবল খেলা দেখার সুযোগ করে দিচ্ছে ব্রাজিল সমর্থকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে তাদের পুনর্বাসন করবে সরকার: ডা. জাহিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০০ পি.এম


কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে তাদের পুনর্বাসন করবে সরকার: ডা. জাহিদ

কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে সরকার তাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ ঘোষণা করেছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি শনিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ মহিলা অধিকার পরিষদের আয়োজিত নাগরিক সংলাপে এসব মন্তব্য করেন।

ডা. জাহিদ হোসেন আরো বলেন, বাংলাদেশে আইনের কোনো সমস্যা নেই, তবে আইনের প্রয়োগে কিছু সমস্যা এবং আমাদের মানসিক সমস্যা রয়েছে। আমরা যত বেশি সভ্যতার দিকে অগ্রসর হচ্ছি, তত নীতি-নৈতিকতা থেকে বিরত হচ্ছি। তার মতে, অফলাইনের চেয়ে অনলাইনে জুয়া বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো নারী ও শিশুর অধিকার নিশ্চিত করা।

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন এমনকি প্রত্যেক গ্রামে কিশোর-কিশোরী ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা উচিত। তিনি জানান, আইন সম্পর্কে সাধারণ মানুষের জ্ঞান খুবই সীমিত। অনেকেই আইনের প্রয়োগ এবং ব্যবহার সম্পর্কে অবগত নয়। অনুষ্ঠানে বক্তাগণ নারী অধিকার ও সুরক্ষা বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ উপস্থাপন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%