মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,
১০:৩৩ এম
নারায়ণসহ সারা বাংলাদেশে হকার মুক্ত অভিযানের সূচনা হলে, হকাররা পূর্ণবাসন নিয়ে পাল্টাপাল্টি আন্দোলন শুরু করে। এই বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শাখাওয়াত হোসেন খান, হকারদের পূর্ণবাসনের কথা মাথায় রেখে নারায়ন শহরের দুই নম্বর রেলগেট থেকে চাষারা পর্যন্ত, রেল কর্তৃপক্ষ দুই দিকেই ময়লা আবর্জনা যেখানে মাদক ব্যবসায়ী এবং সেবনকারীরা দখলে ছিলেন, সেই স্থানটিকে নির্ধারণ করে। প্রায় ৫০০ টাকা ফি নিয়ে সেই জায়গাটি পরিষ্কার করে ইট স্থাপন করা হয়। কিন্তু হঠাৎ রেল কর্তৃপক্ষের প্রশাসক গত তিন দিন পর্বে বাধা সৃষ্টি করে এবং ইটগুলো উঠিয়ে ফেলে। পুনরায় রেল কর্মকর্তা ও সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত হয় যে, এখানে হকারদের পূর্ণবাসনের জন্য রাস্তা কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। আজ ৮ই আগস্ট ২০২৬, এসে দেখা গেল তারা আবার কাজ শুরু করেছেন। নারায়ণগঞ্জবাসীর পক্ষ থেকে সিটি কর্পোরেশনের শাখায়ত হোসেন খান ও প্রশাসক মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।
তিনি এই মন্তব্যটি করেন ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনা চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছানোর পর, যা কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী হরমুজকে উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে।
গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সামনে বলেন, ‘আমার মনে হয় এটি খুব শিগগিরই শেষ হতে যাচ্ছে। তারা আর বেশিদিন এটি টেনে নিয়ে যেতে পারবে বলে মনে হয় না।’
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করতে বর্তমানে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের মন্তব্য সামনে এসেছে।
ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওমানের সঙ্গে তাদের আলোচনায় ‘মৌলিক নীতিগুলোতে সমঝোতা’ হয়েছে এবং তা চূড়ান্ত হওয়ার দিকে এগোচ্ছে।
দুটি পক্ষ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের নির্দিষ্ট রুট বা কো-অর্ডিনেটস নিয়ে একমত হলেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সমাধানের পথে রয়েছে।
তেহরান পরিষ্কার করেছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো সরাসরি আলোচনা হয়নি; তবে তারা কূটনৈতিক মারফতে ওয়াশিংটনের বার্তা পেয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, বাণিজ্যিক নৌ চলাচলের ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বা জোরপূর্বক টোল আদায়ের শর্ত যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে চুক্তি হলেও তা রাতারাতি পুরো সংঘাত থামিয়ে দেবে না।
তবে এই সাময়িক ব্যবস্থা একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং বিস্তৃত রাজনৈতিক সমঝোতার পথ সুগম করতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা দুই দফা বাড়ানোর পর এবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
এবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়েছে বাজুস। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন এই দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৮ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।
এর আগে, সবশেষ গত ৬ আগস্ট সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য ছিল ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকেই।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৯৯বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। এর মধ্যে দাম ৪৮ দফা বাড়ানো হয়েছে, ৫০ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯বার কমানো হয়েছিল।
স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৩৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬১ দফা সমন্বয় হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ৩১ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং বাকি ৩০ দফা কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম; যার মধ্যে বেড়েছিল ১০বার এবং কমেছিল মাত্র ৩বার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো-এর নেতৃত্বের ওপর কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের ওপর তার আর কোন আস্থা নেই।
বুধবার অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে কার্নি মন্তব্য করেছেন, ফিফার নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া বিদ্যমান। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে তার ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের প্রতি বিশ্বাস নষ্ট হয়েছে।
কার্নির এই মন্তব্যের পেছনে রয়েছে ফিফার একটি বিতর্কিত বাণিজ্যিক পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনার আওতায়, ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) নামে একটি নতুন বাণিজ্যিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠন করে বিশ্বকাপসহ বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, এফএফই-এর প্রায় ২০ শতাংশ মালিকানা বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করে প্রায় ৪ দশমিক ২ বিলিয়ন (৪২০ কোটি) মার্কিন ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ২০ বিলিয়ন (২ হাজার কোটি) মার্কিন ডলার হতে পারে।
ফিফা জানিয়েছে, নিউইয়র্কভিত্তিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান থ্রাইভ ইটার্নাল সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী কনসোর্টিয়ামের নেতৃত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জশুয়া কুশনারের প্রতিষ্ঠিত থ্রাইভ ক্যাপিটাল-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। উল্লেখ্য, জশুয়া কুশনার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর জামাতা জ্যারেড কুশনার-এর ছোট ভাই।
কার্নির এই মন্তব্যের পর ফিফার বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও সংস্থাটির শাসনব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে কার্নির বক্তব্যের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর অবস্থানে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৫৮ সেনা নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তারিখে এ হামলাকে গত চার বছরের মধ্যে দেশটির গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রাণঘাতী দিন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়, হুতির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, সৌদি আরবের সমর্থনে সরকারি বাহিনীর সামরিক প্রস্তুতির জবাবে বিভিন্ন সরকারি অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। একজন সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, হামলায় অন্তত ৫৮ সরকারি সেনা নিহত এবং আরও বহু সেনা আহত হয়েছেন। এর আগে চিকিৎসা সূত্রগুলো ৩৮ জন নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছিল। ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘উপযুক্ত স্থান ও সময়ে’ এই হামলার জবাব দেবে তারা।
সামরিক ঘাঁটিতে হামলা
একজন সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারের হামলা ২০২২ সালের পর ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর ওপর সবচেয়ে বড় হামলা হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। মধ্য ইয়েমেনের মারিব প্রদেশের আল-রুওয়াইক এলাকায় একটি সামরিক ঘাঁটি এবং সৌদি সীমান্তের কাছে হাদরামাউত প্রদেশের আল-আবর ও আল-ওয়াদিয়াহ এলাকার কয়েকটি ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মারিবের একটি ঘাঁটিতে সকালের সামরিক মহড়ার সময় আঘাত হানে। এতে অন্তত ৪৫ সেনা হতাহত হয়েছেন বলে সামরিক সূত্র জানিয়েছে। হুতি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি আল-রুওয়াইক, আল-থানিয়াহ ও আল-আবরকে হামলার লক্ষ্যস্থল হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি হুতিদের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধির মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার কথা জানান।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে নতুন ফ্রন্ট
ইয়েমেনের দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধ নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের সঙ্গে একীভূত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। গত মাস থেকে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুতির তৎপরতা বাড়তে শুরু করে। ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইয়েমেনের সংঘাত অনেকটা স্থবির ছিল। তবে ওই যুদ্ধবিরতির আনুষ্ঠানিক মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও তা দীর্ঘদিন ধরে কার্যত বজায় ছিল।
সম্প্রতি সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর সঙ্গে আবারও সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে হুতি। গত মাসে হোদেইদাহ বন্দরনগরীর দক্ষিণে সরকারি বাহিনীর ওপর হুতির এক হামলায় ১৬ সেনা নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন চিকিৎসা কর্মকর্তারা।
২০১৪ সাল থেকে ইয়েমেনের সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আসছে এই গোষ্ঠীটি। এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘাতে কয়েক লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন এবং দেশটিতে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। গোষ্ঠীটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে রাজধানী সানা এবং জনবহুল উত্তরাঞ্চলের বড় অংশ। অন্যদিকে সৌদি সমর্থিত এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ