বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৫৩ পি.এম
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) চট্টগ্রামের রাঙামাটি রিজিয়নের বিলাইছড়ি ও কাপ্তাই জোনের বিভিন্ন সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেনাসদর সূত্রে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
পরিদর্শনের সময় সেনাপ্রধান দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও মতবিনিময় করেন। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায়, দুর্গম ও প্রতিকূল পরিবেশে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও তাদের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও নিরলস প্রচেষ্টার জন্য তিনি সাধুবাদ জানান।
সেনাসদস্যদের নির্দেশনা দিয়ে তিনি ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
সফরকালে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার, সেনাবাহিনীর সামরিক সচিব, সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এলাকার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের সাইনবোর্ড শান্তিনগর-শান্তিধারা এলাকায় প্রকাশ্যে সিগারেট খাওয়ার সময় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে থাকা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
ভিডিওতে অস্ত্র হাতে দেখা যাওয়া তরুণটি মো. শান্ত, যিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলাসহ ১০-১২টি মামলার পরোয়ানাভুক্ত ও এজাহারনামীয় আসামি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শান্তের পরিচয় মো. শান্ত হিসেবে। তিনি শান্তিধারা ১ নম্বর রোডের চিহ্নিত ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী রাজ্জাকের ছেলে এবং স্থানীয় ছাত্রদল নেতা রায়হানের ভাই।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, শান্ত দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। একাধিক মামলার পরও প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়ানো এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা প্রচার করে এলাকায় সন্ত্রাসী প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছেন।
শান্তিধারা ও সাইনবোর্ড এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষ গভীর উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সচেতন নাগরিক ও স্থানীয় সমাজসেবকরা ওই চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার এবং তার হেফাজতে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ ও যৌথ অভিযানের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, "অস্ত্র হাতে সিগারেট টানার ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার পর সে আবার আত্মগোপনে চলে গেছে। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে কাজ করছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে মন্তব্য করেছেন যে, রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন রাজশাহীবাসীর মর্যাদা ও ঐতিহ্যের প্রতীক। যারা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে এই স্থাপনাটি ধ্বংস করেছে, তারা পুরো রাজশাহীবাসীর সম্মান ও মর্যাদায় আঘাত হেনেছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মন্ত্রী নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রেলস্টেশনের বিভিন্ন ভাঙচুরের স্থান পরিদর্শন করেন।
মন্ত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের পেটুয়া বাহিনীর’ তাণ্ডবের তীব্র নিন্দা জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, গত ৫ আগস্ট রাজশাহী ও ঢাকায় ছাত্র-জনতার ওপর যেভাবে হামলা চালিয়ে শহীদ সাকিব আনজুমসহ অসংখ্য মানুষকে হত্যা ও নির্যাতন করা হয়েছিল, ঠিক একই কায়দায় ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী রেলস্টেশনে ভাঙচুর ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, রেলস্টেশনের ভাঙচুর ও নাশকতার ঘটনায় ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি শাস্তির মুখোমুখি করা হবে।
যারা এ ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর বা ভুয়া বক্তব্য ছড়াচ্ছে, তাদের ‘রাজশাহী ও রাষ্ট্রের শত্রু’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি জানান, প্রযুক্তি ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজশাহীবাসীকে ধৈর্য ও সহনশীলতা বজায় রাখার অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বহিরাগত কোনো শত্রু বা ষড়যন্ত্রকারী যদি চক্রান্ত করার চেষ্টা করে, তবে রাজশাহীবাসী অতীতে যেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, ভবিষ্যতেও একইভাবে তার উপযুক্ত জবাব দেবে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, আরডিএ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট।
এ ছাড়া রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ, সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল হুদা, সহসভাপতি আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা, অ্যাডভোকেট আলী আশরাফ মাসুম, শফিকুল ইসলাম শাফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলুসহ থানা, ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন।
আজ বিকেলে সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের নারগুন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে ঠাকুরগাঁও সদর ও রুহিয়া এলাকার ২ হাজার ৫১৭ জন কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনার মধ্য দিয়ে জেলায় এ কার্যক্রমের যাত্রা শুরু হয়।
এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ১ হাজার ১৪৮ জন এবং রুহিয়া এলাকার ১ হাজার ৩৬৯ জন কৃষক রয়েছেন।
জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জরিপের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রকৃত কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন করা হয়। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে ১১ হাজার ৬৪৮ জন কৃষকের তালিকা চূড়ান্ত করে ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত কৃষকদের মাঝে কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে।
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের সরকারি কৃষিসেবা, কৃষি উপকরণ, প্রণোদনা ও বিভিন্ন সহায়তা সহজ ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এর ফলে কৃষকদের সরকারি সহায়তা পাওয়ার প্রক্রিয়া আরো সহজ হবে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের কহরপাড়া ব্লকের ৯৬৫ জন কৃষক এবং রুহিয়া এলাকার কুজিশহর ব্লকের ১ হাজার ১৭২ জন কৃষক কৃষি উপকরণ সহায়তা হিসেবে জনপ্রতি ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পেয়েছেন।
কৃষক কার্ড পেয়ে উপকারভোগী কৃষকদের মধ্যে আনন্দ ও স্বস্তি দেখা যায়। তারা জানান, কৃষিকাজে সার, বীজ, কীটনাশকসহ বিভিন্ন উপকরণের ব্যয় দিন দিন বাড়ছে। এ অবস্থায় সরকারি সহায়তা সরাসরি পাওয়ার সুযোগ তাদের কৃষিকাজে সহায়ক হবে।
উপকারভোগী কৃষকরা বলেন, "কৃষক কার্ড পাওয়ায় আমরা খুশি। কৃষিকাজের জন্য সরকারের কাছ থেকে সহায়তা সরাসরি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সহায়তা আমাদের মতো কৃষকদের জন্য বেশ উপকারি।"
তারা আরো বলেন, "কৃষক হিসেবে সরকারি সুযোগ-সুবিধা সহজে পাওয়ার প্রত্যাশা করছি। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে যদি নিয়মিত কৃষি সহায়তা পাওয়া যায়, তাহলে আমাদের উৎপাদন খরচ কিছুটা কমবে এবং কৃষিকাজে উৎসাহ বাড়বে।"
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, কৃষি মন্ত্রণালয়ের রংপুর বিভাগীয় উপপরিচালক হাতেম আলী, ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাজেদুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ঠাকুরগাঁওয়ের উপ-পরিচালক মাজেদুল ইসলাম বলেন, "কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের চিহ্নিত করে তাদের কাছে সরকারি কৃষিসেবা ও প্রণোদনা সহজে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলার আরো কৃষককে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।"
সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা আরো সহজে, দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি কৃষি খাতে সরকারি সহায়তা কার্যক্রম আরো কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরতের কাশফুলের রঙে পরিবর্তন এসেছে রংপুরের পীরগঞ্জের করতোয়া নদীর চরাঞ্চলে। নদীর তীর এবং উঁচু চরে সাদা কাশফুল ফুটে উঠেছে। এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন দর্শনার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে বিকেল হলেই পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে মানুষ কাশবনে আসছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, করতোয়া নদীর জাতের ঘাটে বিস্তীর্ণ চরজুড়ে সবুজ ঘাসের মধ্যে কাশফুল মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে। বাতাসে দুলতে থাকা সাদা কাশবন দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে অনেকে আসছেন। অনেকেই কাশফুলের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছবি ও ভিডিও তুলছেন, আবার কেউ নদীর পাড়ে বসে শরতের এই সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।
দর্শনার্থীদের ভিড় বিকেলের দিকে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। সূর্যের আলো নরম হয়ে এলে কাশফুলের শুভ্রতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এ সময় শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে চরাঞ্চল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রতিবছর শরৎকালে করতোয়ার চরে কাশফুল ফুটলেও, এবারের ফুল ফোটার পর থেকে মানুষের আনাগোনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিকেলে নদীর পাড়ে অনেক মানুষের সমাগম হচ্ছে। কাশবনকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে এক ধরনের দর্শনীয় পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
কাশফুল দেখতে আসা দর্শনার্থী রাকিবুল ইসলাম বলেন, "কাশফুলের এমন দৃশ্য খুব কাছ থেকে দেখতে ভালো লাগে। পরিবার নিয়ে বিকেলে এখানে এসে সময় কাটাচ্ছি। ছবি তোলার জন্যও জায়গাটি বেশ সুন্দর।"
আরেক দর্শনার্থী মন্তব্য করেন, "সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাশফুলের ছবি দেখে এখানে আসার আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এসে দেখলাম, জায়গাটি বেশ সুন্দর। বিকেলে এখানে অনেক মানুষ আসছেন।"
স্থানীয়দের ভাষ্য, করতোয়া নদীর চরাঞ্চলে দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়লেও, এখানে পর্যটনসুবিধা তেমন নেই। যাতায়াতব্যবস্থা, বসার জায়গা ও পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা করা গেলে দর্শনার্থীদের জন্য জায়গাটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।
শরতের কাশফুল বাংলার প্রকৃতির চিরচেনা সৌন্দর্যের অংশ। করতোয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা চর এবং সাদা কাশবন দেখতে এখন প্রতিদিনই মানুষ ছুটে আসছেন। ফলে শরতের মৌসুমে পীরগঞ্জের এই চরাঞ্চল স্থানীয়দের কাছে নতুন এক আকর্ষণের জায়গা হয়ে উঠছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ