শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২১ পি.এম
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বদলির পর, একই জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. সরোয়ার হোসাইনকেও বদলি করা হয়েছে। এ ছাড়া, একই পদমর্যাদার আরও তিন পুলিশ কর্মকর্তাকেও বদলি করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির একটি অফিস আদেশে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আদেশের ভিত্তিতে, গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. সারোয়ার হোসাইনকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডেমরা-জোনাল টিম), গোয়েন্দা-ওয়ারী বিভাগে বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে, গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আমিনুল হক বাপ্পীকে গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ডিএমপির ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড অ্যানালাইসিস বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জাহিদুল ইসলামকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিরপুর জোন), মিরপুর বিভাগে বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি, মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ফারজিনা নাসরিনকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (পল্লবী জোনাল টিম), গোয়েন্দা-মিরপুর বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চার কর্মকর্তাকে তাদের নামের পাশে উল্লেখিত পদে ও কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই বদলি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় পাঁচ বছরের শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ বলে দাবি করে প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রূপনারায়নপুর (শল্পী বাজার) এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনের কাছে মামলাটির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তারা জানান, গত ১২ সেপ্টেম্বর বিকালে রূপনারায়নপুর এলাকার আব্দুর সোবহানের মাত্র পাঁচ বছর বয়সী ছেলেকে একই এলাকার সাইদুল ইসলামের স্ত্রী মঞ্জুআরা মারধর করেন। বিষয়টি ছেলের মা ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিও শিশু নির্যাতনের নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হলে সেটি অল্প সময়ের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। বক্তারা আরও জানান, আসলে এটি কোনো শিশু নির্যাতনের ঘটনা ছিল না। মজার বশে ছেলের মা ভিডিওটি ধারণ করেছিলেন। পরে সেটি নির্যাতনের নামে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ১৬ সেপ্টেম্বর শিশুর বাবা আব্দুর সোবহান বাদি হয়ে একই এলাকার সাইদুল ইসলাম, তার স্ত্রী মঞ্জুআরা বেগম এবং ছেলে মিনহাজ নামে তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। এলাকাবাসিরা মনে করেন, তাদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি সঠিক নয়। তাদের দাবি, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মামলা করা হয়েছে এবং এতে সংশ্লিষ্ট পরিবার সামাজিকভাবে হয়রানি ও নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
এ সময় আমজাদ হোসেন বলেন, শিশু নির্যাতনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তাই কোনো পক্ষের বক্তব্যের ওপর নির্ভর না করে ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে আনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে সামাজিকভাবে হেয় বা হয়রানি না করার আহ্বান জানান তারা।
মামলার আসামির ছেলে মুকিত বলেন, “আমরা কোনো অন্যায়কে সমর্থন করি না। তবে নিরপরাধ কেউ যেন মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি। আমরা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।”
এ সময় রাশেদুল ইসলাম বলেন, আমরা মানববন্ধনে এলাকাবাসি একসঙ্গে উপস্থিত হয়েছি। সামান্য একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিশু নির্যাতনের নামে করা মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। এছাড়াও মিথ্যা মামলার প্রত্যাহারের দাবিতে বক্তব্য রাখেন, একই এলাকার রানা, মুকিত, আব্দুল জোব্বার, হুসনেআরা, মিম্মা আক্তার, আমজাদ হোসেন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ইতিহাস সৃষ্টি করার পর বাংলাদেশ টেস্ট দলে ফিরেছেন তাওহীদ হৃদয়। আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের দলে কিপার-ব্যাটার জাকের আলিও ফিরেছেন।
জাকেরকে দলে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য অমিত হাসান বাদ পড়েছেন, যিনি খেলতে পারেননি। ম্যাচটি আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ নয়, তাই সামনের ব্যস্ত সূচির কথা মাথায় রেখে তাসকিন আহমেদকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া সফরের বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন হিসেবে এই দুজনের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে পচেফস্ট্রুমে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে ২৭ চার ও ১০ ছক্কায় ৩৫০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে তিনি। এই ইনিংসটি বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস এবং দেশের বাইরে প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরি।
এই ইনিংসের ফলস্বরূপ ২৫ বছর বয়সী ব্যাটসম্যানটি আবার টেস্ট দলে ফিরলেন। তার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ব্যাটিং গড় বর্তমানে ৫৬.০৬। ১৮ ম্যাচে তার সেঞ্চুরি সংখ্যা চারটি, যার মধ্যে একটি ট্রিপল সেঞ্চুরি, একটি ডাবল সেঞ্চুরি এবং একটি দেড়শ ছাড়ানো ইনিংস রয়েছে।
গত জুনে জিম্বাবুয়ে সফরে হৃদয়ের টেস্ট অভিষেক ঘটে। সেই ম্যাচে দুই ইনিংসে তার রান ছিল ১২। পরে তিনি অস্ট্রেলিয়া সফরের টেস্ট দলে জায়গা পাননি।
জাকের আলি ছয়টি টেস্ট খেলেছেন, যার সর্বশেষটি ছিল গত বছরের জুনে শ্রীলঙ্কা সফরে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে টেস্ট ম্যাচটি আগামী ৯ অক্টোবর শুরু হবে। তবে ম্যাচের ভেন্যু এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
বাংলাদেশ টেস্ট দল: নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাদমান ইসলাম, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন কুমার দাস, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলি, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন, শরিফুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ব্যাংকিং খাত বর্তমানে সংকটের মধ্যে রয়েছে। মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট এবং খেলাপি ঋণ (এনপিএল) প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এই সমস্যাগুলোর সমাধানে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং আইনি সংস্কার অপরিহার্য বলে মনে করা হচ্ছে।
শনিবার রাজধানীর আলরাজী কমপ্লেক্সে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস’ ফোরাম (সিএমজেএফ) এবং সিএফএ সোসাইটি বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা এ বিষয়ে আলোচনা করেন।
সিএমজেএফের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারের মূল বিষয় ছিল ব্যাংকিং খাতের আর্থিক অবস্থা মূল্যায়ন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।
সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন সিএমজেএফের সভাপতি মো. মনির হোসেন। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজের গবেষণা প্রধান সাকিব চৌধুরী এবং সোনালী ব্যাংকের সিএফও ইকবাল হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিএফএ সোসাইটি বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মাহতাব উর রহমান (ওসমানী)।
বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন নর্থ স্টার ইনভেস্টমেন্টসের চেয়ারম্যান মিনহাজ জিয়া। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিএসজেএফের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব রাসেল।
এ সময় বক্তারা দেশের ব্যাংক খাত সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা তুলে ধরেন।
সৈয়দ মাহবুবুর রহমান মন্তব্য করেন, কেবল সুদের হার বা সরকারি সিকিউরিটিজে আমানত রেখে ব্যাংকের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেন, গত কয়েক বছরে বৈদেশিক মুদ্রা এবং সরকারি সিকিউরিটিজ থেকে ব্যাংকগুলো মুনাফা অর্জন করেছে। তবে ব্যাংকের মূল কাজ অর্থাৎ ঋণ বিতরণ থেকে আয় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রকৃত সুদ আয় (নেট ইন্টারেস্ট ইনকাম) কমে যাওয়ায় এটি পুরো ব্যাংকিং খাতের জন্য উদ্বেগজনক।
তিনি আরও জানান, ২০০৮ সালে দেশের ব্যাংক খাতে মোট খেলাপি ঋণ ছিল প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা, যা বর্তমানে ৬ লাখ কোটি টাকার বেশি হয়ে গেছে। কাগজে-কলমে খেলাপি ঋণ ১৫ শতাংশ দেখানোর চেষ্টা করা হলেও নীতিসহায়তায় থাকা ঋণ যোগ করলে এটি ৩২ শতাংশের বেশি হয়ে যায়।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ড ‘আইএফআরএস-৯’ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হলে ব্যাংকগুলোর প্রভিশনিং বাধ্যবাধকতা অনেক বেড়ে যাবে।
এক প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ব্যাংকের প্রায় ৭৫ শতাংশ খরচই অনিয়ন্ত্রণযোগ্য। এর মধ্যে রয়েছে—ভাড়া, চাকরিজীবীদের বেতন এবং বিমা ইত্যাদি। তিনি উল্লেখ করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দীর্ঘমেয়াদে দক্ষতা বৃদ্ধি সম্ভব। তবে হঠাৎ করে পরিচালন ব্যয় কমানো সম্ভব নয়।
এছাড়া ব্যাংক একীভূতকরণ (মার্জার) বিষয়ে তিনি বলেন, একটি ভালো ব্যাংকের সঙ্গে অন্য ব্যাংকের প্রযুক্তির সমন্বয়ের জন্য মার্জার হতে পারে। কিন্তু একাধিক দুর্বল ব্যাংককে একত্রিত করলে কোনো সুফল পাওয়া যাবে না।
মাহতাব উর রহমান (ওসমানী) বলেন, সহজ ভাষায় ব্যাংকিং খাতের আর্থিক অবস্থা ও ক্যাপিটাল এডিকোয়েসি সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্ট করা জরুরি। তিনি বলেন, ফিন্যান্সিয়াল লিটারেসি বা আর্থিক সচেতনতা বাড়ানো গেলে সাধারণ বিনিয়োগকারী ও আমানতকারীরা গুজবে কান না দিয়ে সঠিক তথ্য জানতে পারবেন।
মূলপ্রবন্ধে দেশের ব্যাংক খাত নিয়ে কিছু ভুল ধারণার ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়। প্রথমত বিনিয়োগ আয় বনাম ঋণ বিতরণের মাধ্যমে আয়। প্রচলিত ধারণা হলো ব্যাংকগুলো ঋণ না দিয়ে শুধু সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ থেকে বেশি আয় করছে। তবে বাস্তবে বিনিয়োগ আয় হিসাব করা হয় মোট হিসাবে, আর ঋণের আয় হিসাব করা হয় আমানতের সুদ বাদ দিয়ে নিট হিসাবে।
নর্থ স্টার ইনভেস্টমেন্টসের চেয়ারম্যান মিনহাজ জিয়া বলেন, দেশে মোট সঞ্চয়ের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশই ব্যাংক খাতে জমা থাকে। পুঁজিবাজার বা অন্য খাতের অবদান সেখানে খুবই সামান্য। ফলে ব্যাংকিং খাত ভেঙে পড়লে দেশের পুরো অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়বে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) তৈরি একটি ভুল গোয়েন্দা খবরের ভিত্তিতে মার্কিন সেনাবাহিনী চীনের একটি জাহাজে হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে একটি বড় যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
চলতি বছরের বসন্তকালে ইরান যুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন সামরিক বাহিনীতে একটি ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে চীনের একটি জাহাজে পারমাণবিক অস্ত্রের বিভিন্ন সরঞ্জাম রয়েছে। এই খবর পাওয়ার পর মার্কিন বাহিনী দ্রুত জাহাজটি আটকানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। সামরিক বিমান আকাশে উড়ানো হয় এবং সেনাসদস্যরা জাহাজটিতে ওঠার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে যান।
কিন্তু ঠিক অপারেশন শুরু হওয়ার আগে কর্মকর্তারা গোয়েন্দা প্রতিবেদনটি বিস্তারিতভাবে যাচাই করেন। তখনই জানা যায় যে, প্রতিবেদনটি কোনো মানুষের তৈরি নয়, বরং একটি এআই চ্যাটবট দ্বারা তৈরি হয়েছিল এবং এটি সম্পূর্ণ ভুল তথ্য দিয়ে জাহাজটিকে ভুলভাবে চিহ্নিত করেছিল।
একজন কর্মকর্তা জানান, "খবরটি পুরোপুরি ভুয়া ছিল এবং এর কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ লেগে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল।"
বর্তমানে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ এআই ব্যবহারের জন্য নতুন কৌশলও গ্রহণ করেছেন।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিচ্ছেন যে, যুদ্ধক্ষেত্রের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল পরিবেশে এআই প্রযুক্তি ব্যবহারে এখনও পুরোপুরি পরীক্ষা করা হয়নি, যা বিপজ্জনক হতে পারে। তরুণ কর্মকর্তারা অনেক সময় অন্ধভাবে এআই-এর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন, ফলে ভবিষ্যতে এমন মারাত্মক ভুল এড়াতে বড় ধরনের সতর্কতা প্রয়োজন।
সূত্র: সিএনএন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ