ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত


ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত

নওগাঁয় ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে আজিজার রহমান (২৫) নামের একজন মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

এই দুর্ঘটনাটি সোমবার (১ জুন) রাতে ধামইরহাট উপজেলার আমাইতাড়া থেকে নজিপুর আঞ্চলিক সড়কের বিহারীনগর ব্রিজের সামনে ঘটে।

স্থানীয় ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আমাইতাড়া বাজার থেকে বাবা ও ছেলে একটি বাজাজ মোটরসাইকেলে চড়ে নিজ বাড়ি আলমপুর ইউনিয়নের চকসুবল গ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। যখন তারা বিহারীনগর এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ ঘটে এবং এই ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক আজিজার রহমান ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। পরে মোটরসাইকেল আরোহী নুরুজ্জামান হোসেনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুন: সকাল থেকে দেশের যেসব এলাকায় টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রাস্তার ওপরে খড় বোঝাই করে রাখা ছিল। সেই খড়ের কারণে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। সেই সঙ্গে নিহতের পরিবারের লোকজনকে খবর দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের নির্বাচন; সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন মোঃ মুশতাক আহমেদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কবরের মধ্যে কয়টি প্রশ্ন করা হবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০০ এম


কবরের মধ্যে কয়টি প্রশ্ন করা হবে?

প্রতিটি প্রাণিকেই মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। আর মৃত্যু-পরবর্তী প্রথম ধাপটি হলো কবর। কবর থেকে পুনরুত্থান পর্যন্ত জীবনকে বলা হয় আলমে বারজাখ। এই সময়ের ভয়াবহতা থেকে মুক্তি পেলে পরবর্তী ধাপগুলোর জটিলতা কমে যাবে।

বিখ্যাত সাহাবি হজরত উসমান (রা.) বলেন, আমি নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, ‘কবর হচ্ছে আখিরাতের প্রথম ধাপ। যে এর আজাব থেকে মুক্তি পাবে, তার জন্য পরবর্তী ধাপগুলো সহজ হয়ে যাবে। আর যে মুক্তি পাবে না, তার জন্য পরবর্তী ধাপগুলো আরও কঠিন হবে।’ (তিরমিজি: ২৩০৮) প্রতিটি মানুষকে কবরে ৩টি প্রশ্ন করা হবে।

রবের বিষয়ে অধিকাংশ মানুষ উদাসীন। দুনিয়ায় তাওহিদুর রুবুবিয়্যা (প্রতিপালনে একত্ববাদ) স্বীকার না করলে, সেদিন এ প্রশ্নের জবাব দেয়া সম্ভব হবে না। তাই সব সময় তাওহিদুর রুবুবিয়্যা মেনে চলতে হবে।

সাধারণ মানুষকে রবের আসনে বসিয়ে রাখা হয়েছে, তারা এ প্রশ্নের জবাবে বলবে, ‘লা আদরি’ অর্থাৎ আমি কিছুই জানি না। মানুষ কীভাবে মানুষকে রব বানায়? কোরআনে এসেছে, ‘তারা তাদের ধর্মীয় গুরু ও নেতাদের (মান্য করার দিক থেকে দেবতা) হিসেবে গ্রহণ করেছে।’ (সুরা তাওবা, আয়াত : ৩১)

এ প্রশ্নের জবাব দিতে সক্ষম হবে সব দিক থেকে ইসলামকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা যারা করেছে। আর যারা দুনিয়ায় ইসলামকে জীবনব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করেনি, তারা বলবে, ‘লা আদরি’ অর্থাৎ আমি কিছুই জানি না। বাস্তব জীবনে কল্পিত বিধানকে জীবনব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করেছি। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কিছু জীবনব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করবে, তা কখনও কবুল করা হবে না, বরং সে আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ৮৫)

কবরের শেষ প্রশ্নে বলা হবে, তোমার নবী কে, আদর্শ ব্যক্তিত্ব কে ছিল, তুমি কার সুন্নত তথা রীতিনীতির অনুসরণ করছ? যারা অন্যের আদর্শে জীবনযাপন করেছে তারা বলবে, ‘লা আদরি’ অর্থাৎ আমি কিছুই জানি না। শুধুমাত্র যারা নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সিরাত ও সুন্নাহ গ্রহণ করেছে এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করেছে, তারা এই প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে সক্ষম হবে।

যারা এই তিন প্রশ্নের যথাযথ জবাব দিতে পারবে; তাদের সম্পর্কে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আসমান থেকে একজন আহবান করে বলেন, আমার বান্দা ঠিক বলেছে। সুতরাং তার জন্য একটি জান্নাতের বিছানা বিছিয়ে দাও এবং তাকে জান্নাতের পোশাক পরিয়ে দাও। এছাড়া তার জন্য জান্নাতের দিকে একটি দরজা খুলে দাও। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তখন তার কাছে জান্নাতের সুখ-সমৃদ্ধি আসতে থাকে এবং তার জন্য তার কবরকে তার দৃষ্টির সীমা পর্যন্ত প্রশস্ত করে দেয়া হয়।

নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, অতঃপর তার কাছে এক সুন্দর চেহারা বিশিষ্ট সুবেশী ও সুগন্ধিযুক্ত ব্যক্তি উপস্থিত হন এবং তাকে বলেন, তোমাকে খুশি করবে এমন জিনিসের সুসংবাদ গ্রহণ করো। আর এ দিনের ওয়াদাই তোমাকে দেয়া হয়েছিল। তখন সে মৃতব্যক্তি প্রশ্ন করবে, তুমি কে? তোমার চেহারা এত সুন্দর যে, কল্যাণের বার্তা বহণ করে। তখন সে বলে, আমি তোমার সৎ আমল। (আহমাদ, মিশকাত: ১৫৪২)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের হালিশহরে বস্তিতে ভয়াবহ আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০১ এম


চট্টগ্রামের হালিশহরে বস্তিতে ভয়াবহ আগুন

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে একটি বস্তিতে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে হালিশহরের আই ব্লক এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে এই অগ্নিকাণ্ডে কেউ হতাহত হয়নি।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে জানা গেছে, সকালে নগরীর আই ব্লক এলাকার সেই বস্তিতে আগুন লেগেছে।

খবর পেয়ে আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশনের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৪ কার্যদিবসেই বিচার শেষ হলেও এখনো ঝুলে আছে হিটু শেখের ফাঁসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৫ এম


১৪ কার্যদিবসেই বিচার শেষ হলেও এখনো ঝুলে আছে হিটু শেখের ফাঁসি

মাগুরায় আলোচিত আছিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ফাঁসির রায় হলেও, বছর ধরে হাইকোর্টে ঝুলছে ডেথ রেফারেন্স। বিচারিক আদালতে দ্রুত রায় হলেও, সেই রায় কার্যকর কবে হবে, কেউ তা জানে না। এসব চাঞ্চল্যকর মামলার ক্ষেত্রে আসছে আলাদা বেঞ্চ গঠনের পরামর্শ।

গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে, বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে নেয়া হয়।

অবস্থার অনতি হলে, তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।

সেই ঘটনায় বিচারের দাবিতে একসময় ফুঁসে উঠেছিল পুরো দেশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে রাজপথ, সর্বত্র ক্ষোভ আর কান্না ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আলোচনার আড়ালে চলে যায় ঘটনাটি।

শিশু আছিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আসামি হিটু শেখকে গত বছরের ১৭ মে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। এর চার দিন পর ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পৌঁছায়। রায় ঘোষণা এবং ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানোর এক বছর পূর্ণ হলেও, পরবর্তী অগ্রগতি নেই। কবে হবে সাজা কার্যকর, তাও অজানা। অথচ মাত্র ১৪ কার্যদিবসেই শেষ হয়েছিল আলোচিত এই মামলার বিচার।

ছোট্ট আছিয়ার ধর্ষক হিটু শেখ ফাঁসির দণ্ড পেলেও, এক বছর ধরে কারাগারেই কাটছে তার। এই ঘাতকের রায় কার্যকরের অপেক্ষায় আছিয়ার পরিবার। তার মা আয়েশা খাতুন বলেন, ‘দুনিয়ার মানুষ যে আন্দোলন করিছে, সে হিটুত এহন বিচার হলি না। হিটুর ছালপাল ঘুরে বেড়াচ্চে। আমার কোল খালি করে তারা তো দুধেমাছে খাইয়ে বেড়াচ্চে। আমি কী পালাম?’

এমন সব চাঞ্চল্যকর মামলার সাজা যখন বছরের পর বছর আটকে থাকে, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, বিচার প্রক্রিয়ার এই ধীরগতিতে কী আস্থা হারাচ্ছে মানুষ?

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কাজী জাহেদ ইকবাল বলেন, ‘হাইকোর্টে অন্যান্য মামলার পাশাপাশি অনেক ডেথ পেনাল্টি মামলা আটকে আছে। এখানে ডেথ পেনাল্টিগুলো শুনানি হয় বছরের সিরিয়াল অনুসারে। অর্থাৎ আগের বছরের ডেথ পেনাল্টিগুলো আগে শুনানি হয়, পরেরগুলো পরে হয়। এ ক্ষেত্রে এখন আমরা প্রায় চার পাঁচ বছরের মতো একটা ব্যাকলক্সের মধ্যে রয়েছি।’

এদিকে, চাঞ্চল্যকর এসব মামলার বিচার কার্যকর হতে যুগের পর যুগ লেগে যাওয়ার পেছনে আইনি জটিলতা কাটাতে আলাদা বেঞ্চ গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন আইনজীবীরা।

জাহেদ ইকবাল বলেন, ‘চিফ জাস্টিস একটা বেঞ্চ গঠন করে দিতে পারেন অথবা প্রসিকিউশন চিফ জাস্টিসের কাছে আবেদন করতে পারেন যে, আমাদের এ মামলাটা বেশি সেনসিটিভ এবং মামলাটার মাধ্যমে আমরা সমাজে একটা বার্তা দিতে চাই, এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে তাৎক্ষণিক শাস্তি এবং বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’

শুধু আলোড়ন সৃষ্টি করা ঘটনা নয়, সবার জন্য সমান আইনও নিশ্চিত করার তাগিদ আইনজীবীদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
রামিসা হত্যাকাণ্ড

স্ত্রীসহ আদালতে সোহেল, সাক্ষ্যগ্রহণের অপেক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৮ এম


স্ত্রীসহ আদালতে সোহেল, সাক্ষ্যগ্রহণের অপেক্ষা

ঢাকার পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হতে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে সাড়ে ১০টা থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হবে। আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে এই সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম চলবে।

প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে তোলা হয়েছে, সাক্ষ্যগ্রহণকে কেন্দ্র করে।

সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে সোহেলকে মহানগর হাজতখানা থেকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে, পৌনে ৯টার দিকে উভয় আসামিকে কারাগার থেকে হাজতখানায় এনে রাখা হয়েছিল।

এই দিনে আদালতে মামলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সাক্ষ্য দেবার কথা রয়েছে। সাক্ষীদের মধ্যে রয়েছেন মামলার বাদী রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা, সুরতহাল ও জব্দ তালিকার সাক্ষী মো. মিজানুর রহমান লিটন, প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী শেখ আবু সামা, মো. মনির হোসেন, রাইসা আক্তার, মোহাম্মদ জাকিরুল ইসলাম রাজু, মাহমুদা খাতুন, মনিরুজ্জামান শাহীন, পারভীন আক্তার, এসআই রাশেদুল ইসলাম, মো. শরীফ মিয়া, রুমা আক্তার, এসআই মো. ইকবাল হোসেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই মো. ইসহাক আলী, ফরেনসিক ডিএনএ বিশেষজ্ঞ শুভাজয় বৈদ্য এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান।

গতকাল সোমবার আদালত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা এবং মরদেহ গোপনের অভিযোগে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয়। একই দিন বিকালে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হবার জন্য সমন জারি করা হয়।

গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেন। এর আগে, ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার এজাহার ও পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ মে দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, একই ভবনের পাশে থাকা ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ৩২ বছর বয়সি সোহেল রানা শিশুটিকে হত্যা করার পর মরদেহ বিকৃত করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে অভিযোগ রয়েছে, তিনি ফ্ল্যাটের গ্রিল কেটে পালিয়ে যান।

ঘটনার দিনই রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%