ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বিরাট কোহলির ৪৩ রান, ৫৫ সেঞ্চুরির ওপরে সেরা ওয়ানডে ইনিংস


বিরাট কোহলির ৪৩ রান, ৫৫ সেঞ্চুরির ওপরে সেরা ওয়ানডে ইনিংস

ওয়ানডে ক্রিকেটে বিরাট কোহলি ৫৫টি সেঞ্চুরি এবং ৮০টি ফিফটির একটি বিশাল রেকর্ড স্থাপন করেছেন। ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকতে পারে, এত সেঞ্চুরির মধ্যে ভারতীয় এই কিংবদন্তির নিজের দৃষ্টিতে সেরা ওয়ানডে ইনিংস কোনটি? সম্প্রতি, তার ৩৮তম জন্মদিন উপলক্ষে স্টার স্পোর্টসের একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে কোহলি এই রহস্যের জট খুলেছেন। তার মতে, ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংসটি কোনো সেঞ্চুরি বা ফিফটি নয়, বরং একটি ছোট কিন্তু দলের জয়ে অত্যন্ত কার্যকরী ইনিংস।

কোহলির মতে, ২০১৩ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা ৩৪ বলে ৪৩ রানের ইনিংসটি তার ক্যারিয়ারের সেরা ওয়ানডে ইনিংস। বৃষ্টিবিঘ্নিত ওই ফাইনালে ভারত প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে মাত্র ৬৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে। সেই কঠিন পরিস্থিতিতে রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেন কোহলি। শেষ পর্যন্ত ভারত ৫ রানে ম্যাচটি জিতে শিরোপা উল্লাসে মেতে ওঠে। ব্যক্তিগত রেকর্ডের চেয়ে দলীয় সাফল্য ও ট্রফি জয়কে সর্বদা অগ্রাধিকার দিয়ে কোহলি এই ৪৩ রানকে তার সেরা হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

কোহলির এই পছন্দের সামনে তার ক্যারিয়ারের অসংখ্য দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ও মহাকাব্যিক ইনিংস হার মানে। স্টার স্পোর্টসের সেই আড্ডায় একের পর এক ঐতিহাসিক ইনিংসের তুলনা টেনে আনা হলেও কোহলি প্রতিবারই তার সেই ৪৩ রানকে প্রাধান্য দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ৬৪ টেস্টে ২২৯ উইকেট, সাদা জার্সিকে বিদায় জানালেন শামি

এছাড়া, ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে চাপের মুখে খেলা ৩৫ রানের ইনিংসটিকে দ্বিতীয় স্থানে রেখেছেন কোহলি। ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলের প্রয়োজন ও ফাইনালে ট্রফি জয়ে অবদান রাখার বিষয়টি বিরাট কোহলির কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ, যা তার এই স্বীকারোক্তিতে স্পষ্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদাবাজি করলে ধরে পুলিশে দিন, প্রয়োজনে আমিই ব্যবস্থা নেব: আমিনুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ পি.এম


চাঁদাবাজি করলে ধরে পুলিশে দিন, প্রয়োজনে আমিই ব্যবস্থা নেব: আমিনুল হক

রাজধানীর পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলদারির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, যদি কেউ দলের নাম বা তাঁর নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও দখলদারি করে, তাহলে তাকে ধরে পুলিশের কাছে তুলে দিতে হবে। প্রয়োজনে তিনি নিজেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইনের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর রূপনগরে রূপনগর থানা ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃহত্তর রূপনগর ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ১৮টি স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমিনুল হক এসব কথা বলেন।

আমিনুল হক আরও বলেন, কোনো চাঁদাবাজ বা দখলদার আমাদের লোক হতে পারে না। যদি কেউ দলের নাম ভাঙিয়ে বা তাঁর নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি বা দখলদারি করে, তাহলে সবার আগে তাকে ধরে পুলিশে দিতে হবে। যদি আপনারা তা না পারেন, তাহলে আমাকে জানাবেন, আমি তাদের আইনের হাতে তুলে দেব।

তিনি সমাজ থেকে মাদক নির্মূল এবং তরুণ প্রজন্মকে অপরাধ ও বিশৃঙ্খলা থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ছাত্ররাই পারে আগামীর বাংলাদেশকে পরিবর্তন করতে। সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, মাদক নির্মূল এবং ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

আমিনুল হক জানান, পল্লবী-রূপনগরের প্রতিটি ওয়ার্ডের পাড়া-মহল্লায় পর্যায়ক্রমে স্পোর্টিং ক্লাব, ক্রীড়া একাডেমি ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও তরুণদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা হবে। তাঁদের লক্ষ্য শুধু ডাক্তার, প্রকৌশলী বা সরকারি চাকরিজীবী তৈরি করা নয়; বরং একজন খেলোয়াড় হিসেবেও যেন তরুণেরা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন, সে সুযোগ তৈরি করা হবে।

তিনি জানান, পল্লবী ও রূপনগরে ইতিমধ্যে ১২টি স্পোর্টিং ক্লাব উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার রূপনগরে আরও ১৮টি ক্লাব উদ্বোধন করা হলো। আগামী শুক্রবার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আরও ১২টি ক্লাব উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এলাকার সব ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

এলাকার ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, পল্লবী ও রূপনগরে পাঁচটি ফুটসাল মাঠ এবং দুটি সুইমিং পুল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রূপনগরের মুকুল ফৌজ মাঠও রয়েছে। মাঠটিতে কৃত্রিম ঘাস, চারপাশে নিরাপত্তাবেষ্টনী, আলোর ব্যবস্থা এবং হাঁটার পথ তৈরি করা হবে। যাতে শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি বয়স্ক ব্যক্তি ও নারীরাও মাঠটি ব্যবহার করতে পারেন।

তিনি জানান, প্রকল্পটি ইতিমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দুটি সুইমিং পুল শিশুদের সাঁতার শেখার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। উদ্বোধন করা প্রতিটি স্পোর্টিং ক্লাবের জন্য প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম ও খেলার মাঠের ব্যবস্থা করার বিষয়েও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কাজ করবে।

বেকার তরুণদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ

তরুণদের কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরশীল করে তোলার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফ্রিল্যান্সিং, কেয়ারগিভিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি, মোবাইল সার্ভিসিং ও ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের মতো কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের দক্ষ করে নিজেদের ও পরিবারকে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।

বৃহত্তর মিরপুরে সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, এ অঞ্চলে কোনো সরকারি হাসপাতাল না থাকায় অসুস্থ রোগীদের কুর্মিটোলা, শহীদ সোহরাওয়ার্দী বা শিশু হাসপাতালে যেতে হয়। এতে রোগীদের অনেক সময় ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

তিনি জানান, পল্লবী সরকারি কলেজের পেছনে সাগুফতা মোড় এলাকায় প্রায় ১০ একর জমি সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের জন্য বরাদ্দের অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠানো হয়েছে। দ্রুত হাসপাতাল নির্মাণের কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ ছাড়া এলাকার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের জন্য সরকারিভাবে চিঠি পাওয়ার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণ করা গেলে নিম্ন আয়ের পরিবারের সন্তানদের কম খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও মিথ্যাচার থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, একটি বিরোধী দল জনগণের কাছে না গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থেকে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে কোনো অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নিজেকে এলাকার সন্তান ও সাধারণ মানুষের একজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এলাকার মানুষের সমস্যা সমাধানে তিনি অতীতের মতো ভবিষ্যতেও পাশে থাকবেন। জনগণের চাহিদা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়েই উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজানো হবে।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে মাদককে ‘না’ বলার আহ্বান জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে পারলেই সত্যিকার অর্থে একটি সুস্থ সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গভর্নরের নির্দেশ: উদ্যোক্তাদের জন্য নিশ্চিত করতে হবে ৬০ হাজার কোটি টাকার অর্থায়ন প্যাকেজের সুবিধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ পি.এম


গভর্নরের নির্দেশ: উদ্যোক্তাদের জন্য নিশ্চিত করতে হবে ৬০ হাজার কোটি টাকার অর্থায়ন প্যাকেজের সুবিধা

সিলেট, ৬ নভেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ঘোষিত ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ অর্থায়ন প্যাকেজের সুবিধা প্রকৃত উদ্যোক্তাদের জন্য নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

আজ বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট অফিসের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন, যেখানে ব্যাংকসহ অন্যান্য অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।

গভর্নর উল্লেখ করেন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বন্ধ কলকারখানা পুনরুজ্জীবিত করা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক এই প্যাকেজের সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

সিলেটের স্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের আঞ্চলিক প্রধান, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ, সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃবৃন্দ, নারী উদ্যোক্তা এবং কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) শিল্পের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গভর্নর এই অর্থায়ন প্যাকেজের মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

গভর্নর বলেন, ‘বর্তমানে ব্যাংক ঋণের ১২ থেকে ১৪ শতাংশ সাধারণ সুদের হার ব্যবসা পরিচালনার জন্য একটি বড় চাপ। এই চাপ থেকে উদ্যোক্তাদের স্বস্তি দিতে এবং থমকে যাওয়া শিল্প খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে সুদের হার কমিয়ে ৪ থেকে ৮ শতাংশের মধ্যে এই প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণ সরবরাহ করা হচ্ছে।’

তিনি উল্লেখ করেন, এই বৃহৎ প্যাকেজের ১৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে এবং বাকি ৪১ হাজার কোটি টাকা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত তারল্য থেকে দেওয়া হচ্ছে।

সিলেট অঞ্চলে বন্ধ থাকা উৎপাদনমুখী শিল্প ও সেবা খাতকে পুনরায় সচল করার ওপর গভর্নর জোর দেন, এই প্যাকেজের সবচেয়ে বড় অংশ অর্থাৎ ২০ হাজার কোটি টাকা বন্ধ শিল্প পুনর্গঠনে ব্যয় করা হবে। এছাড়া কৃষি ও পল্লী অর্থনীতি চাঙ্গা করতে ১০ হাজার কোটি টাকা এবং বেকার যুবকদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তরুণদের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে গভর্নর জানান, ‘বেকার যুবসমাজকে দেশের মূল অর্থনৈতিক ধারায় যুক্ত করতে চলতি নভেম্বর মাস থেকেই একটি প্রকল্প শুরু হয়েছে। এর আওতায় দেশের প্রতিটি উপজেলা থেকে ১০ জন করে মোট ৫ হাজার তরুণকে বাছাই করে নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’

তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, এই প্রক্রিয়ায় ব্যাংক বা আমলাতান্ত্রিক কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না।

প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করার বিষয়ে গভর্নর জানান, ১০ হাজার কোটি টাকার কৃষি পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় কৃষকরা এখন প্রচলিত জমির জামানতের পরিবর্তে বিকল্প জামানত ব্যবহার করে সহজেই ঋণ সুবিধা পাবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট অফিসের নির্বাহী পরিচালক খালেদ আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ব্যাংকিং রেগুলেশন পলিসি ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন তপাদার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িয়ানায় রেস্ট হাউস উদ্বোধন, সন্ধ্যা পার্ক আধুনিকায়নে প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে নতুন আশার আলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ পি.এম


কুড়িয়ানায় রেস্ট হাউস উদ্বোধন, সন্ধ্যা পার্ক আধুনিকায়নে প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে নতুন আশার আলো

নেছারাবাদের কুড়িয়ানায় পর্যটনশিল্পের বিকাশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে। ৬ নভেম্বর আটঘর-কুড়িয়ানার ভাসমান পেয়ারা বাগানখ্যাত এলাকায় উপজেলা পরিষদের নবনির্মিত রেস্ট হাউসের উদ্বোধন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন। একই দিনে তিনি সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত সন্ধ্যা পার্ক পরিদর্শন করেন এবং পর্যটকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত ও পার্কটি আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। প্রতিমন্ত্রীর এই উদ্যোগে নেছারাবাদের পর্যটনশিল্প নিয়ে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

রেস্ট হাউস উদ্বোধন ও বিভিন্ন পর্যটন সম্ভাবনাময় স্থান পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, নেছারাবাদের পর্যটনশিল্পের বিকাশে পরিকল্পিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, "এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদ-নদী, ঐতিহ্য ও শিল্পকে যথাযথভাবে তুলে ধরতে পারলে পর্যটনশিল্প স্থানীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে।" পর্যটনের প্রসার ঘটলে এই জনপদের অর্থনৈতিক ভিত্তিও আরও শক্তিশালী হবে।

সন্ধ্যা পার্ক পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, "পার্কটিতে পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি রয়েছে।" বিশেষ করে যাতায়াতের রাস্তা, আলোকসজ্জা ও অন্যান্য অবকাঠামোগত সুবিধা উন্নয়নের মাধ্যমে এটিকে একটি আধুনিক ও আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদ-নদী, ঐতিহ্য ও গ্রামীণ জীবনবৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ নেছারাবাদ ইতোমধ্যে দেশের পর্যটন মানচিত্রে বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেছে। পর্যটন গন্তব্য হিসেবে দেশের মধ্যে ১৪তম অবস্থানে উঠে আসা এ জনপদে পর্যটনশিল্প বিকাশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।

নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত জানান, নেছারাবাদে পর্যটনশিল্প বিকাশের জন্য অসংখ্য আকর্ষণীয় স্থান ও ঐতিহ্য বিদ্যমান। তিনি বলেন, "সন্ধ্যা, বেলুয়া ও কালীগঙ্গা নদীর অপরূপ সৌন্দর্য, আটঘর-কুড়িয়ানার ভাসমান পেয়ারা বাজার, শতবর্ষের নৌকার হাট, বলদিয়া ইউনিয়নের ভাসমান সবজি চাষ ও চারা উৎপাদন, ক্রিকেট ব্যাট শিল্প, আলংকারকাঠীর ফুলের রাজ্য, মুড়ি পল্লী এবং ঐতিহ্যবাহী কাঠশিল্প পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে পারে।" এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিতভাবে পর্যটনশিল্প গড়ে তুলতে পারলে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

নেছারাবাদ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মইনুল ইসলাম জানান, পর্যটন সম্ভাবনা থাকলেও এখানে পর্যটকদের জন্য আধুনিক বাসস্ট্যান্ড, মানসম্মত আবাসন, উন্নত সড়ক যোগাযোগ, স্বাস্থ্যসম্মত গণশৌচাগার, বিশ্রামাগার ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। তিনি বলেন, "কুড়িয়ানায় উপজেলা পরিষদের রেস্ট হাউস উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে প্রতিমন্ত্রী পর্যটনশিল্প বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্থাপন করেছেন।" পর্যটন উন্নয়নে তাঁর বিশেষ গুরুত্ব ও আন্তরিকতা রয়েছে। তবে পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত শৌচাগার ও বিশ্রামের ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটক ও সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে তিনি জানান।

নেছারাবাদ ট্যুয়াসের প্রচার সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জানান, নেছারাবাদে পর্যটকদের আগমন ক্রমেই বাড়ছে। তবে পর্যটনশিল্পকে সম্ভাবনার জায়গা থেকে বাস্তব অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপ দিতে প্রয়োজন পরিকল্পিত অবকাঠামো উন্নয়ন। তিনি আধুনিক বাসস্ট্যান্ড নির্মাণের উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ, পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যসম্মত গণশৌচাগার, বিশ্রামাগার, নিরাপদ যাতায়াত ও প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

নেছারাবাদ ট্যুরসের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকও কুড়িয়ানায় উপজেলা পরিষদের রেস্ট হাউস উদ্বোধনের জন্য মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে প্রশংসা ও স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, কুড়িয়ানায় এতদিন পর্যটকদের রাত্রিযাপনের জন্য পর্যাপ্ত আবাসন সুবিধা ছিল না। নতুন রেস্ট হাউস চালুর ফলে পর্যটকদের অবস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা এ অঞ্চলের পর্যটন বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

পর্যটন গাইডের প্রত্যাশা, প্রতিমন্ত্রীর সুদৃষ্টি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত উদ্যোগে নেছারাবাদে আধুনিক পর্যটনবান্ধব অবকাঠামো গড়ে উঠবে। এতে পর্যটকদের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

নেছারাবাদ শুধুমাত্র একটি দর্শনীয় জনপদ নয়, এটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহ্য ও সম্ভাবনার এক অনন্য জনপদ। পরিকল্পিত উন্নয়ন ও সময়োপযোগী উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চল সারা বছর দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠতে পারে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নাসিরনগরে বিএনপির র‍্যালি, অংশগ্রহণের আহ্বান জামাল আহমদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ পি.এম


৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নাসিরনগরে বিএনপির র‍্যালি, অংশগ্রহণের আহ্বান জামাল আহমদের

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় আয়োজিত র‍্যালিতে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. জামাল আহমদ।

তিনি জানান, র‍্যালিটি নাসিরনগরের সংসদ সদস্য এম এ হান্নানের কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে শেষ হবে।

জামাল আহমদ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভূমিকার কারণেই বাংলাদেশে বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিকাশের পথ তৈরি হয়েছিল। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি সবাইকে র‍্যালিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, স্বৈরাচারী শাসনামলে তিনি ও তাঁর পরিবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁকেও কারাবরণ করতে হয়েছে। রাজনৈতিক জীবনে তাঁর এই ত্যাগ ও অবদান দল মূল্যায়ন করবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

এ সময় আগামীতে নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহের কথাও জানান জামাল আহমদ।

তিনি বলেন, নির্বাচিত হতে পারলে নাসিরনগর উপজেলাকে মাদকমুক্ত করতে কাজ করবেন। পাশাপাশি চুরি-ডাকাতিসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নেবেন। তাঁর লক্ষ্য, এলাকার মানুষ যেন নিরাপদে ও শান্তিতে বসবাস করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করা।

তিনি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র‍্যালি সফল করতে দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%