শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০৬ পি.এম
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেক আজ জুমার খুতবা পূর্ব বয়ানে উল্লেখ করেন, আল্লাহ নবুওয়াতের দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন আখেরি নবী (সা.) এর আগমনের মাধ্যমে। তিনি বলেন, বিশ্ব নবী (সা.) হলেন সর্বশেষ নবী। আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য আমাদের নবীর ওপর ঈমান আনতে হবে। আল্লাহ সর্বশেষ কিতাব আল কুরআন রাসূল (সা.) এর মাধ্যমে নাজিল করেছেন। পবিত্র কুরআন থেকে যারা বঞ্চিত হবে, তাদের জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির কোনো পথ নেই। কুরআনের ওপর যারা ঈমান এনেছে, তারাই হেদায়েতপ্রাপ্ত। কুরআনকে অস্বীকারকারীদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম। কুরআন থেকে বিচ্যুত হয়ে হেদায়েতের রাস্তা পাওয়া সম্ভব নয়। কুরআনের শরীয়ত আখেরি শরীয়ত। বিকৃত শরীয়তের দিকে যাওয়া যাবে না। আল্লাহ আখেরি শরীয়তকে অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। রহিত ও বিকৃত শরীয়ত অনুসরণ করলে ঈমান থাকবে না।
খতিব আরও বলেন, পশ্চিমা সংস্কৃতি জাহেলিয়াত পূর্ণ সংস্কৃতি। কুরআন ছেড়ে যারা জাহেলি সংস্কৃতি অনুসরণ করবে, তাদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম। তিনি বলেন, এলমে অহীর জ্ঞান থেকে বঞ্চিত ব্যক্তিরাই পথভ্রষ্ট হয়। খতিব বলেন, আল্লাহ ওয়াদা করেছেন, "কুরআন আমি নাজিল করেছি, এর হেফাজত ও সংরক্ষণ আমিই করবো।" ইসলামের শরীয়ত কিয়ামত পর্যন্ত জারি থাকবে। ইসলামের শরীয়তকে পরিবর্তনের কোনো অবকাশ নেই। পবিত্র কুরআন কিয়ামত পর্যন্ত অক্ষত থাকবে। কুরআনের কোনো নির্দেশনাকে পরিবর্তনের চেষ্টা করলে তা জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে।
ঢাকা মুগদা ব্যাংক কলোনি রসুলবাগ জামে মসজিদের খতিব মুফতি রাহমাতুল্লাহ তাক্বী বিন আব্দুল গনি আজ জুমার খুতবা-পূর্ব বয়ানে বলেন, আল্লাহ তাআলা মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে তৈরি করেছেন। তবে মানব ইতিহাসের শুরু থেকেই মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে ইবলিস শয়তান। শয়তানের প্রধান লক্ষ্য হলো মানুষকে সরল পথ থেকে বিচ্যুত করা, শরীয়তের বিধি-বিধানের ব্যাপারে অনীহা তৈরি করা, প্ররোচনার মাধ্যমে জাহান্নামের অধিবাসী বানানো এবং শরীয়তের বিরোধিতার জন্য অন্তরে ওয়াসওয়াসা (কুমন্ত্রণা) দেওয়া।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা সতর্ক করে বলেছেন, "নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের শত্রু, তাই তাকে শত্রু হিসেবেই গ্রহণ করো। সে তো তার দলকে কেবল এজন্যই ডাকে, যেন তারা প্রজ্বলিত আগুনের অধিবাসী হয়।" (সূরা ফাতির: ৬) শয়তান একবারে মানুষকে বড় পাপে লিপ্ত করে না; বরং চতুর উপায়ে অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয় এবং পাপকাজকে আকর্ষণীয় করে তোলে। সে আল্লাহর কাছে চ্যালেঞ্জ করে বলেছিল, সে মানুষকে সব দিক থেকে আক্রমণ করে পথভ্রষ্ট করবে: "সে বলল, ‘আপনি যে আমাকে পথভ্রষ্ট করলেন, তার কারণে আমি অবশ্যই আপনার সরল পথে তাদের জন্য ওত পেতে বসে থাকব।’" (সূরা আল-আ’রাফ: ১৬) কিছুদিন পর পর আমরা দেখি, শয়তানের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য শয়তানের প্ররোচনায় কিছু মানুষের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের শরীয়তবিরোধী কর্মকাণ্ড মুসলমানদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বর্তমান সময়ে শরীয়তবিরোধী ‘হেবা’ (দান) আইনকে মুসলমানদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে, যা স্পষ্ট কুরআন ও হাদিসের বিধানের পরিপন্থী। এ ধরনের কোনো বিষয় মুসলমানদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া সমীচীন নয় এবং সচেতন মুসলিম জনগণ কখনো তা মেনে নেবে না। দেশের দায়িত্বশীলদের উচিত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ধর্মীয় অনুভূতি ও চাহিদা বুঝে সে অনুযায়ী নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করা। তা না হলে এর সাথে জড়িত সকলেই শয়তান ও তাগুতের এজেন্ট হিসেবে সাব্যস্ত হবে, নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনবে এবং পর্যায়ক্রমে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।
তিনি বলেন, শয়তানের এই প্ররোচনা মানুষের জীবনের রগে রগে মিশে যায়। হাদিস শরীফে রসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "নিশ্চয়ই শয়তান মানুষের রগে রগে রক্তের মতো প্রবাহিত হয়।" (সহিহ বুখারি) বর্তমান সময়ে শয়তানি চক্রান্তের অন্যতম বড় প্রকাশ হলো সমাজের নানামুখী ফিতনা, দ্বীনি ইলমের অভাব এবং সৃষ্টির স্বাভাবিক সৌন্দর্য বিকৃতি। শেষ জামানায় দ্বীনি অজ্ঞতা ও পাপাচারের সয়লাব সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সা.) সতর্ক করে বলেছেন, "কিয়ামতের কিছু নিদর্শন হলো: দ্বীনি ইলম উঠে যাবে, মূর্খতা ছড়িয়ে পড়বে, মদ্যপান বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যভিচার প্রকাশ্যে ছড়িয়ে পড়বে।" (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম) এমন নাজুক পরিস্থিতিতে শয়তানের প্রবঞ্চনা ও ফিতনা থেকে বেঁচে থাকার মূল উপায় হলো ইখলাসের সাথে আল্লাহর জিকির ও তাঁর আশ্রয় প্রার্থনা করা। আল্লাহ তাআলা বলেন, "শয়তান তাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করেছে এবং তাদেরকে আল্লাহর জিকির ভুলিয়ে দিয়েছে। তারা শয়তানের দল। জেনে রাখো! শয়তানের দলই চূড়ান্ত ক্ষতিগ্রস্ত।" (সূরা আল-মুজাদালাহ: ১৯) আর সালাতে বা দৈনন্দিন জীবনে শয়তানের কুমন্ত্রণা অনুভব করলে নবীজি (সা.) আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে এবং ইখলাসের সাথে তাওহীদের কালিমা জপতে শিক্ষা দিয়েছেন। আসুন, আমরা কুরআনের হেদায়েত ও সুন্নাহর আলোয় নিজেদের জীবন সাজাই এবং শয়তানের যাবতীয় চক্রান্ত থেকে আল্লাহর দরবারে হিফাজত প্রার্থনা করি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটি ডায়াবেটিক সমিতি পরিচালিত রাঙামাটি ডায়াবেটিক হাসপাতাল, ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি এবার হৃদরোগীদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা প্রদান করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। হাসপাতালটি প্রতি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে হৃদরোগীদের জন্য এই বিশেষ চিকিৎসাসেবা চালু করবে, যা রাঙামাটি কেন্দ্রিয় কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত।
এ উদ্যোগের ঘোষণা শুক্রবার সকালের একটি সভায় করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, যিনি রাঙামাটি ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি। সভায় উপস্থিত ছিলেন ডা. পরশ খীসা, যিনি সমিতির সাধারণ সম্পাদক, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মনিরুজ্জামান মহসীন রানা, এবং রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি) ডা. শুভ্রসোম চাকমা সহ অন্যান্য কার্যকরী কমিটির সদস্যরা।
সভায় জানানো হয় যে, রাঙামাটি ডায়াবেটিক হাসপাতাল দীর্ঘকাল ধরে ডায়াবেটিস রোগীদের পাশাপাশি সাধারণ রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছে। এছাড়া, চট্টগ্রাম লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালের সহযোগিতায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবাও নিয়মিতভাবে দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসাসেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করার উদ্দেশ্যে এবার হৃদরোগের চিকিৎসাসেবা স্বল্পমূল্যে চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, রাঙামাটিতে হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য অনেক রোগীকে জেলা শহরের বাইরে যেতে হয়, যা রোগীদের জন্য অতিরিক্ত সময় ও অর্থের ব্যয় সৃষ্টি করে। ডায়াবেটিক হাসপাতালে নিয়মিত হৃদরোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা চালু হলে জেলার সাধারণ ও নিম্নআয়ের রোগীরা তুলনামূলক কম খরচে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
ডা. পরশ খীসা, রাঙামাটি ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, বলেন, "মানুষের সেবার উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে।" তিনি আরও জানান, বর্তমানে বাইরে থেকে নিয়মিত কোনো আর্থিক সহায়তা না পাওয়ায় নিজেদের অর্থেই হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। আর্থিক সংকটের মধ্যেও রোগীদের চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, "চিকিৎসক ও কর্মীদের বেতনসহ হাসপাতালের অন্যান্য ব্যয় বহন করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে।" তবে রোগীদের স্বার্থে চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। হাসপাতালের কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে চালিয়ে নিতে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
রাঙামাটিতে স্বল্পমূল্যে হৃদরোগের বিশেষ চিকিৎসাসেবা চালু হওয়ায় স্থানীয় রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমবে এবং তারা নিজ জেলাতেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ পাবেন বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আর্ন অ্যান্ড লিভ ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ৬৫ বছর বয়সী বিধবা রোকেয়া বেগমের জন্য নতুন একটি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার রশিদ দেওহাটা এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরটির উদ্বোধন সম্পন্ন হয়।
রশিদ দেওহাটা গ্রামের মৃত সাহামুদ্দিন মিয়ার স্ত্রী রোকেয়া বেগম দীর্ঘকাল ধরে একটি ভাঙাচোরা ঘরে বসবাস করছিলেন। তাঁর একমাত্র ছেলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে অবস্থান করছেন, এবং তিনটি মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে।
এই বিষয়টি যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী আর্ন অ্যান্ড লিভ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ফরিদা ইয়াসমিন জেসির দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এরপর তাঁর উদ্যোগে আর্ন অ্যান্ড লিভ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা ব্যয়ে রোকেয়া বেগমের জন্য নতুন ঘর নির্মাণ করা হয়।
নতুন ঘর পেয়ে রোকেয়া বেগম আর্ন অ্যান্ড লিভ ফাউন্ডেশনের প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(মাভাবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থী বিচিত্র অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন, কারণ তিনি মাত্র ৩ (তিন) টাকা জরিমানা পরিশোধ না করায় ক্লিয়ারেন্স পাননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সক্রিপ্ট সার্টিফিকেট উত্তোলনের সময় এই সামান্য বকেয়ার কারণে তার প্রক্রিয়া আটকে যায়। পরে ব্যাংকে ওই ৩ টাকা জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর পাওয়া যায় বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গ্র্যাজুয়েশন বা নির্দিষ্ট সেমিস্টারের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার জন্য একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী সকল দাপ্তরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ক্লিয়ারেন্স ফরম নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে স্বাক্ষর নিতে যান। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের অ্যাকাউন্টে ৩ টাকা বকেয়া দেখানো হয়। বকেয়ার পরিমাণ মাত্র তিন টাকা হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। নিয়ম অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় বা ব্যাংকের নির্ধারিত খাত ছাড়া এই সামান্য অর্থ অনলাইনে বা সরাসরি জমা দেওয়ার সুযোগ না থাকায় শিক্ষার্থী বিপাকে পড়েন। শেষ পর্যন্ত জটিলতা কাটাতে ব্যাংকে ওই ৩ টাকা জমা দিয়ে রশিদ সংগ্রহ করেন তিনি। ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার পরই কেবল কাঙ্ক্ষিত সাইন বা ক্লিয়ারেন্সের অনুমোদন পান ওই শিক্ষার্থী।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানান, ২০২২ সালের দিকে তিনি লাইব্রেরি থেকে পড়ার জন্য একটি বই নিয়েছিলেন, যা নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার ৩ দিন পর জমা দেন। পরবর্তীতে লাইব্রেরি থেকে ক্লিয়ারেন্স নিতে গেলে তিনি জানতে পারেন তার ৩ টাকা জরিমানা হয়েছে। তিনি আরও জানান, মাত্র ৩ টাকা ব্যাংকে জমা দিতে গিয়ে তিনি বেশ লজ্জাজনক পরিস্থিতির শিকার হন এবং পাশাপাশি বেশ বিব্রতবোধ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের একাংশের মতে, আধুনিক ডিজিটাল বা হিসাব ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থায় এই ধরনের নজির প্রাতিষ্ঠানিক কড়াকড়ির এক অদ্ভুত উদাহরণ। তবে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দাবি, হিসাবের স্বচ্ছতা ও দাপ্তরিক নিয়মের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ না থাকায় প্রটোকল মেনেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেছেন, দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি, বনভূমি সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান বাপ্পী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে সারাদেশে ৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সড়কের পাশে, খাল-বিলের তীরে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে চারা বিতরণ ও সরকারি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুরে খুলনার কয়রা উপজেলার ২৬ বছরের ঐতিহ্য উত্তর বেদকাশী কাছারীবাড়ি বটতলার বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বৃক্ষমেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সরদার মতিয়ার রহমান এবং সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম সঞ্চালনা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির, কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক নূরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জেলা জাসাস আহবায়ক শহিদুল ইসলাম সহিদ। বক্তব্য রাখেন মনিরুজ্জামান বেল্টু, জি এম মাওলা বক্স, শরিফুল আলম, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম, জিএম রফিকুল, হাবিবুর রহমান, নাজমুল হুদা, সালাউদ্দিন লিটন, সাইফুজ্জামান, আইয়ুব আলী, রওশন মোল্লা, গোলাম রসুল, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, জাহিদুর রহমান শোভন, পীর আলী, মোহতাসিম বিল্লাহ, জামাল জাফরিন, ডিএম হেলালউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মামুন হাসান, এহসানুল ইছান, জুবায়ের হোসেন।
মেলায় শতাধিক স্টল স্থান পেয়েছে, যেখানে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছের চারা পাওয়া যাচ্ছে। জেলা পরিষদ প্রশাসক মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং প্রদর্শিত চারা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি সাধারণ মানুষের মাঝে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদ বৃক্ষ মেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ