বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:২৮ পি.এম
জাতীয় পুরস্কার প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া প্রস্তাব পরীক্ষা ও সুপারিশ প্রদানের জন্য ১০ সদস্যের ‘জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ পুনর্গঠন করেছে সরকার। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে।
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নূর ও ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী।
কমিটির কার্যপরিধিতে জাতীয় পুরস্কারের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া প্রস্তাব পরীক্ষা করা, বিভিন্ন জাতীয় পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান ও এ-সংক্রান্ত পরিকল্পনার বিষয়ে সুপারিশ করা, নতুন জাতীয় পুরস্কারের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে সুপারিশ দেওয়া এবং কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সার্বিক সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জারি করা জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত কমিটি গঠনসংক্রান্ত আগের প্রজ্ঞাপনটি বাতিল করা হয়েছে। নতুন এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
কমিটিকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে সভাপতি করে নয় সদস্যের একটি সচিবালয়ও গঠন করা হয়েছে। এতে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এবং অর্থ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাণিজ্য, তথ্য ও সম্প্রচারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা সদস্য হিসেবে থাকবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ডেমরা এলাকার সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা জসিম উদ্দিন মজুমদারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, পারিবারিক বিরোধ, প্রতারণা, আদালতের নির্দেশ অমান্য এবং জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের কয়েকটি বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে।
জসিম উদ্দিন ডেমরার সারুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ীতে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের মামলায় তার নাম রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ি থানার সামনে গুলিতে নিহত ইমরান হাসানের ঘটনায় তার মায়ের করা মামলায় জসিম উদ্দিনকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে। একই সঙ্গে যাত্রাবাড়িতে জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট আরেকটি হত্যা মামলাতেও তার নাম রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
জসিম উদ্দিনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বিভিন্ন অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি প্রথম স্ত্রী ও সন্তানের তথ্য গোপন করে ২০০৭ সালে ফাহিমা আক্তার নামে এক নারীকে বিয়ে করেন। ফাহিমার ২০১৭ সালে মৃত্যুর পর তাদের দুই সন্তানের ভরণপোষণ নিয়ে বিরোধ তৈরি হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ফাহিমার ভাই ফজলুল হক অন্তরের দাবি, সন্তানের দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে জসিম উদ্দিনের সঙ্গে বিরোধের জেরে মামলা করা হয়।
ফাহিমার মৃত্যুর পর জসিম উদ্দিন তানিয়া নামে এক কলেজছাত্রীকে বিয়ে করেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তানিয়ার পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক ও সামাজিক চাপের মধ্যে এ বিয়ে হয়েছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, তানিয়া অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর দাম্পত্য বিরোধ তৈরি হয় এবং ২০১৮ সালের এপ্রিলে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। একই বছরের ৯ ডিসেম্বর তানিয়ার একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। পরে ওই সন্তানের পিতৃত্ব অস্বীকারের অভিযোগে তানিয়ার পক্ষ থেকে মামলা করা হয়।
তানিয়ার করা মামলায় জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পরবর্তীতে ওই পরোয়ানা ফেরত সংক্রান্ত একটি নথিতে বিচারকের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগও ওঠে।
প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি তদন্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
ডেমরার আমুলিয়া রোডের একটি মার্কেটের ব্যবস্থাপনা নিয়েও জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট একজন ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তার দাবি, মার্কেট পরিচালনার দায়িত্বে থাকার সময় ডেভেলপার চুক্তি, শেয়ার ও ফ্ল্যাট বিক্রিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আর্থিক অনিয়ম হয়েছে এবং প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া আদালতের নির্দেশ অমান্য করে একটি ভবন নির্মাণ এবং পারিবারিক সম্পদসংক্রান্ত বিরোধে স্বজনদের হয়রানি করার অভিযোগও করা হয়েছে।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে জানতে, জসিম উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও ওপার থেকে তার কোন সাড়া মেলেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দীর্ঘ সাড়ে নয় বছর সফল দায়িত্বকাল সম্পন্ন করা ড. ফাহমিদা খাতুন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, সিপিডির ৬৮তম বোর্ডের সভায় ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে তার দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টি অনুমোদিত হয়।
ড. ফাহমিদা ২০০৩ সাল থেকে সিপিডির সঙ্গে যুক্ত। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তখন থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত সময়ে তার নেতৃত্বে সিপিডির গবেষণা কর্মসূচির পরিধি, বৈচিত্র্য ও মান উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হয়।
অর্থায়নপ্রাপ্ত প্রকল্প ও কর্মসূচির সংখ্যা এবং অর্থায়নকারী সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীর সংখ্যা বহু গুনে উন্নীত হয়। ধারাবাহিকভাবে সম্পদ আহরণ, বিচক্ষণ আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও কৌশলগত পরিকল্পনার মাধ্যমে তার সময়ে তিনি সিপিডির উন্নয়ন তহবিল প্রায় ৫৯০ শতাংশ বৃদ্ধি এবং বার্ষিক আয় প্রায় ১৭১ শতাংশ বাড়াতে নেতৃত্ব দেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ড. ফাহমিদা খাতুন সিপিডির ভৌত ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর উল্লেখযোগ্য উন্নয়নে নেতৃত্ব দেন। এছাড়া তিনি কর্মীদের পেশাগত উন্নয়ন, গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রকাশনার মানোন্নয়ন, ডিজিটালাইজেশন ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনকে শক্তিশালী করেন। ফলে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতের অগ্রযাত্রার জন্য একটি সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
সিপিডিতে যোগদানের আগে তিনি বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষণা ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলাদেশে ইউএনডিপি ও ইউএসএআইডি মিশনে ঊর্ধ্বতন পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি পড়িয়েছেন এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কয়েকটি গবেষণা ও নীতি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। ড. ফাহমিদা ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষণা করেছেন। তার গবেষণার ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি, রাজস্ব ও মুদ্রানীতি, ব্যাংক ও আর্থিক খাতের সুশাসন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর অর্থনৈতিক রূপান্তর ইত্যাদি বিষয়।
ড. ফাহমিদা খাতুন দেশে-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত। তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের মাল্টিডাইমেনশনাল ভালনারেবিলিটি ইনডেক্স (এমভিআই) বিষয়ক স্বাধীন বিশেষজ্ঞ পরামর্শক প্যানেলের সদস্য এবং জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার (আঙ্কটাড) প্রোডাক্টিভ ক্যাপাসিটিজ ইনডেক্স বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের পরামর্শক বোর্ডের সদস্য। তিনি বোস্টন ইউনিভার্সিটির জলবায়ু, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামো বিষয়ক আন্তর্জাতিক টাস্কফোর্সের সদস্য। তিনি ব্র্যাক ও বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদেরও সদস্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থাভাবে থমকে যাওয়া ফাতেমার মেডিক্যালে পড়ার স্বপ্ন পূরণ
নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার তমালতলা কাকফো গ্রামের মেধাবী শিক্ষার্থী মোছা. ফাতেমা খানম চীনের একটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে অর্থসংকটে তিনি অনিশ্চয়তায় পড়েছিলেন। তাঁর উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে এসেছেন নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল।
ফাতেমা খানমের চীনের একটি স্বনামধন্য মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু ভর্তি ফি ও অন্যান্য খরচ বহন করার সামর্থ্য না থাকায় তাঁর বিদেশে উচ্চশিক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলের দৃষ্টিতে এলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ফাতেমাকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আরো ৫ লাখ টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে ফাতেমা খানমের হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেন। এই আর্থিক সহায়তার ফলে ফাতেমা চায়না মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল মন্তব্য করেন, ‘আমাদের এলাকার কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন অর্থাভাবে ঝরে না পড়ে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। ফাতেমা অত্যন্ত মেধাবী একজন শিক্ষার্থী।
তাঁর পাশে দাঁড়াতে পেরে আমি গর্বিত। ভবিষ্যতেও তাঁর পড়াশোনার প্রয়োজন হলে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই এমন মানবিক সহায়তা সম্ভব হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উন্নয়নেই দেশের উন্নয়ন নিহিত।’
ফাতেমা খানমের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা এ সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
তারা আশা করছেন, ভবিষ্যতেও মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১-এ ১৫ দশমিক ৯১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১৯৬ কোটি ১৩ লাখ টাকা) বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ইকোলেট (প্রাইভেট) লিমিটেড।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) ও ইকোলেট (প্রাইভেট) লিমিটেডের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, ইকোলেট বছরে ৬০ লাখ পিস এলইডি বাল্ব, ডেকোরেটিভ লাইটসহ বিভিন্ন ধরনের ল্যাম্প উৎপাদন করবে। উৎপাদিত এসব পণ্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাজারে রফতানি করা হবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ৩০৬ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, প্রচলিত রফতানি পণ্যের বাইরে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে বেপজা পণ্য বহুমুখীকরণে কাজ করছে। এলইডি পণ্যের অন্তর্ভুক্তি বেপজার পণ্য ও রফতানি বহুমুখীকরণের চলমান প্রচেষ্টায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।
চুক্তি অনুষ্ঠানে বেপজার পক্ষে সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) তানভীর হোসেন এবং ইকোলেট (প্রাইভেট) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোলিমান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মসিহউদ্দিন বিন মেসবাহ, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ এস এম আনোয়ার পারভেজ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ