বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৭ পি.এম
চলতি মাসের ২৫ তারিখ থেকে সারা দেশে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন , আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বড় পরিসরে আবারও হামের টিকা দেওয়ার ক্যাম্পেইন শুরু হবে। তবে দেশে নতুন করে যেসব শিশু হামে আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের বেশির ভাগই এখনো হামের টিকা নেয়নি।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা জানান।
এসোসিয়েশন ফর ডিজএবল্ড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব অব আহসান মঞ্জিল ঢাকা আয়োজিত সেমিনারে এডিপির চেয়ারম্যান রওশন আরা জামান সভাপতিত্ব করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার কোনো টিকা রেখে না যাওয়ায় শুরুতে হামের প্রকোপ মোকাবিলায় কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। তবে ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক কোটির বেশি টিকা সংগ্রহ করে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করেছে।
তিনি বলেন, এখনো যেসব শিশু টিকার আওতায় আসেনি, তাদের জন্য ইউনিসেফ থেকে নতুন টিকা এসেছে। এসব টিকা দিয়ে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে পুনরায় বড় পরিসরে ক্যাম্পেইন শুরু করা হবে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বাসাবাড়িতে ফুলের টবে পানি জমে থাকে এবং সেখানে মশার লার্ভা জন্মায়। এমন পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। তবে ডেঙ্গু মোকাবিলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ব্যাপক কাজ শুরু হয়েছে। শুধু রাজধানী ঢাকা নয়, সারাদেশে, এমনকি মফস্বল এলাকাতেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সরকার দেশে আত্মহত্যার প্রবণতা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে সকালে বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি র্যালিতে অংশ নেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুর, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দিনাজপুর হাবিপ্রবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষার্থী জাতিসংঘের মিলেনিয়াম ফেলোশিপে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায়, দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের মাধ্যমে বাসস’কে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী তীব্র প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ মিলেনিয়াম ফেলোশিপ -২০২৬ ক্লাস অব ফেলোশিপে স্থান করে নিয়েছে দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-হাবিপ্রবি। সারা বিশ্বের ৬ হাজারের অধিক আবেদনের মধ্যে থেকে নির্বাচিত ৩৩০টির বেশি ক্যাম্পাসের তালিকায় হাবিপ্রবি’র ২২ জন মেধাবী শিক্ষার্থী স্থান পেয়েছে।
জাতিসংঘের ইউনাইটেড নেশনস একাডেমিক ইমপ্যাক্ট (ইউএনএআই) এবং মিলেনিয়াম ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক (এমসিএন) এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই ফেলোশিপে যোগ্যতার ভিত্তিতে হাবিপ্রবি থেকে মোট ২২ জন শিক্ষার্থী মিলেনিয়াম ফেলো হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
এই কার্যক্রম এবং তরুণ ফেলোদের সামাজিক উদ্যোগগুলো সমন্বয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী অনিমেষ চক্রবর্তী তপু এবং নিশিতা সাহা নদী ক্যাম্পাস ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। নির্বাচিত ডিরেক্টরদ্বয় ২২ জন ফেলোকে সাথে নিয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবেন।
আন্তর্জাতিক এই অর্জন সম্পর্কে হাবিপ্রবি’র ক্যাম্পাস ডিরেক্টর অনিমেষ চক্রবর্তী তপু ও নিশিতা সাহা নদী বাসস’কে জানান, "বিশ্ব মঞ্চে নিজের বিশ্ববিদ্যালয়কে তুলে ধরার এই সুযোগ নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গর্বের।" হাবিপ্রবি’র ২২ জন ফেলোর উদ্ভাবনী চিন্তা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমকে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সঠিকভাবে পরিচালনা করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, মিলেনিয়াম ফেলোশিপ একটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী নেতৃত্ব ও সামাজিক প্রভাবভিত্তিক কর্মসূচি। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী ধারণার বিকাশ এবং বৈশ্বিক নানা সমস্যা সমাধানে এই প্ল্যাটফর্মে কাজ করার সুযোগ পাবেন। বিশ্ব মঞ্চে হাবিপ্রবি’র এই সাফল্য ক্যাম্পাসের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের মেধা প্রমাণের অনুপ্রেরণা জোগাবে।
সূত্র জানায়, ফেলোশিফে যোগদানের জন্য স্থান পাওয়া হাবিপ্রবি’র ২২ জন শিক্ষার্থীকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যোগদানের জন্য তারিখ ও সময় জানিয়ে দেয়া হবে বলে তাদের অবহিত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে হাবিপ্রবি’র ভিসি অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্ল্যার নিকট জানতে চাওয়া হলে, তিনি বলেন, "এই অর্জন হাবিপ্রবি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য উচ্চতর শিক্ষা ক্ষেত্রে ইতিবাচক এবং গৌরবময়। আশা করছি জাতিসংঘের আয়োজিত মিলেনিয়াম ফেলোশিফে হাবিপ্রবি’র অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও মর্যাদা বিকশিত করবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেসি-লেভানডফস্কির লড়াইয়ে জিতল ফুটবল
"যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে"—এটি আজকের পারফরম্যান্সে কাসেমিরোর জন্য একটি যথার্থ বাংলা প্রবাদ। ইন্টার মায়ামির হয়ে কেবল রক্ষণভাগের দায়িত্ব পালন করছেন না, বরং দলের জয়েও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন ব্রাজিলের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার।
কাসেমিরো কখনো কখনো গোল করে দলের পরাজয়ও ঠেকাচ্ছেন। আজ সোলজার ফিল্ডে লিওনেল মেসি এবং রবার্ট লেভানডফস্কির মধ্যে লড়াইয়ে কেউই জয়ী হতে পারেননি তার গোলের জন্য। ১-১ গোলে ড্র হওয়ায় শিকাগো ফায়ার এফসি এবং মায়ামির ম্যাচে ফুটবলের জয় হয়েছে।
ঘরের মাঠে লেভানডফস্কি হাসিমুখে মাঠ ছাড়তে পারতেন। কারণ ম্যাচের ১০ মিনিটে তিনি একটি দারুণ গোল করে শিকাগোকে লিড এনে দেন। সতীর্থ অ্যান্ড্রু গুটমানের ক্রসে সাইড ভলিতে গোলটি করেন তিনি। এটি ছিল টানা তৃতীয় ম্যাচে তার গোল, যা পরে বিরতির সময় শিকাগোকে এগিয়ে রাখে।
তবে স্বাগতিকরা সেই ব্যবধান বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি। বিরতির পরপরই আবারও জ্বলে ওঠে মেসি-কাসেমিরো জুটি। ৪৭ মিনিটে মেসির কর্নার থেকে দুর্দান্ত একটি হেডে কাসেমিরো দলকে সমতায় ফেরান। এই গোলের মাধ্যমে ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার টানা তিন ম্যাচে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।
আজ গোল করার সুযোগ ছিল মেসিরও। তবে আর্জেন্টিনার সাবেক অধিনায়কের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ান শিকাগোর গোলরক্ষক ক্রিস ব্র্যাডি। তিনি মেসির নিশ্চিত ৪ গোল প্রতিহত করেছেন। সবমিলিয়ে ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের গোলরক্ষক ৬টি সেভ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমানোর বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বর থেকে শুরু হয় বিক্ষোভ মিছিলটি। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদম্য বাংলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা।
বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন, যেমন ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘ভাইভা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘কোটা গেছে যে পথে, ভাইভা যাবে সে পথে’, ‘ভাইভা কোটার ঠিকানা, বাংলাদেশে হবে না’ এবং ‘ভাইভা-কোটা সিন্ডিকেট, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ ইত্যাদি।
সমাবেশে গণিত ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম নাহিদ বলেন, "বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটেছিল ছাত্রদের হাত ধরে কোটা বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমেই। শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার রক্ষায় আপসহীন।" তিনি আরও বলেন, "মেধার মূল্যায়নে কোনো ধরনের কারচুপি বা হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হলে তা ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না এবং রাজপথেই এর ফয়সালা করবে। ইতিহাস থেকে বর্তমান নীতি নির্ধারকদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।"
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সুলতান মাহমুদ মন্তব্য করেন, "ভাইভা বোর্ডে অতিরিক্ত নম্বর বরাদ্দ রাখার অর্থই হলো স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক বিবেচনা ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার করার প্রত্যক্ষ সুযোগ তৈরি করে দেওয়া।" তিনি সতর্ক করেন যে, "এতে করে সাধারণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা চূড়ান্তভাবে বঞ্চিত হবেন এবং দুর্নীতির নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে। আমরা অবিলম্বে এই বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।"
এছাড়া, উল্লেখযোগ্য যে, সম্প্রতি সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী ১১ ও ১২তম গ্রেডের ক্ষেত্রে মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে লিখিত ৫০ এবং মৌখিক ৫০ নম্বর; ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডে লিখিত ৬০ ও মৌখিক ৪০ নম্বর; এবং ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডে ৫০ নম্বরের পরীক্ষার মধ্যে লিখিত ২৫ এবং মৌখিক পরীক্ষায় ২৫ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ