বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:৫০ পি.এম
জেলায় ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এ প্রতিপাদ্যে সপ্তাহব্যাপী একটি বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ এবং শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করেন।
এ সময় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা প্রতিরোধে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ কর্মসূচি বজায় রেখেছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণকে প্রধান্য দিয়ে তার নির্বাচনী ইশতেহার তৈরি করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সারা দেশে বৃক্ষরোপণ চলছে। বর্তমান প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে বৃক্ষরোপণ চালিয়ে যেতে হবে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
জেলা প্রশাসন ও বনবিভাগের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক মিজ তাহসিনা বেগম।
এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাঈদ আহমেদ আসলাম, সংরক্ষিত মহিলা আসন সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তার ঊর্মী, শরীয়তপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সরদার একেএম নাসির উদ্দিন কালু, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তানভীর হোসেন পিপিএম, সামাজিক বনায়নের ফরিদপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম।
একই সাথে হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু অতিথিদের সাথে নিয়ে সদর উপজেলা চত্বরে আয়োজিত বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করেন এবং মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে দেখেন। মেলায় জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বনজ, ফলদ ও ওষুধি গাছের চারা নিয়ে সরকারি- বেসরকারি পর্যায়ের নার্সারিতে অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান ডাকবাংলো মোড় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক ঘুরে সদর উপজেলা চত্বরে বৃক্ষমেলা স্থলে গিয়ে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা ও সদর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারী, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার কেরানীগঞ্জের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের দালালচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০), যা থেকে সাতজনকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের সকলের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে র্যাব-১০-এর অধীনে পরিচালিত অভিযানে র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
যারা দণ্ড পেয়েছেন, তারা হলেন হানিফ (৪০), উসমান ফারুক মাহিম (২১), মো. রাতুল (২৪), সব্বির (২৫), মোরাদ (২৪), আবুল হাসান (৩৮) এবং মো. আরমান (৪৫)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত হানিফ, উসমান ফারুক মাহিম, মো. রাতুল ও সব্বিরকে ২০ দিন করে, মোরাদ ও আবুল হাসানকে ১৫ দিন করে এবং মো. আরমানকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে।
র্যাব-১০-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) তপন সরকার তিনি জানিয়েছেন, দেশবাসী যাতে দালালচক্রের প্রতারণার শিকার না হন সেই লক্ষ্যে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ দালালচক্র পাসপোর্ট অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষকে দ্রুত পাসপোর্ট পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করছিল। বেশ কিছু ক্ষেত্রে আবার পাওয়া যায় যে তারা টাকা নেওয়ার পরও পাসপোর্ট সরবরাহ করেনি কিংবা জাল কাগজপত্র সরবরাহ করেছে। এইসব অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দালালচক্রের সদস্যদের আটক করা হয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, এই ধরনের দালালচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগ ২ হাজার ৮৫ টি মামলা করেছে। বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং এই সব মামলাগুলি দায়ের করা হয়েছে।
আজ ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানানো হয়েছে, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৮৮ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৯৪ টি মামলা এসেছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৩২৭ টি মামলা দায়ের হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৪৯০ টি মামলা রয়েছে। ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ২৮৬ টি মামলা রয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৩২৮ টি মামলা উঠেছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ১৬৫টি মামলা রয়েছে এবং ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২০৭ টি মামলা করা হয়েছে।
এছাড়াও, অভিযানের সময় মোট ৫৭৭ টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ২৬৪ টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক ট্রাকচালক নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় অপর ট্রাকের চালক এবং তার সহকারী (হেলপার) আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্বধলা উপজেলার গোহালাকান্দা ইউনিয়নের ইছবপুর-পালেরঘাট এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতের নাম রুবান মিয়া (৩১), তিনি মদন উপজেলার হাঁসকুড়ি গ্রামের মৃত সবুজ মিয়ার সন্তান।
স্থানীয় এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এদিন সকালে নেত্রকোনা থেকে ময়মনসিংহগামী একটি ট্রাক এবং বিপরীত দিক থেকে আসা নেত্রকোনাগামী আরেকটি ট্রাক ইছবপুর-পালেরঘাট এলাকায় এসে পৌঁছালে তারা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এর ফলে ট্রাক দুটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়।
একটি ট্রাকের চালক স্টিয়ারিংয়ের সঙ্গে আটকে পড়ে ঘটনাস্থলে মারা যান।
দুর্ঘটনার বিকট শব্দে স্থানীয় লোকজন দৌড়ে এসে অপর ট্রাকের আহত চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠান। পরে হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ওই চালক ও তার সহযোগী পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ এবং পূর্বধলা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান চালান।
পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ট্রাক কেটে ভেতরে আটকে থাকা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেন। দুর্ঘটনাকবলিত দুটি ট্রাক সরানোর পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।
শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানার পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এ বছর সদর দপ্তরসহ সারা দেশে ৭৩ হাজার বৃক্ষরোপণ করবে বললেন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তরে বৃক্ষরোপণ অভিযানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সদর দপ্তরের বীর উত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডের পশ্চিম পাশে একটি নারকেলগাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সপ্তাহব্যাপী এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। বিজিবির প্রতিটি স্থাপনায় উপযুক্ত স্থানে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ এবং নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে এ কর্মসূচিকে সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান বিজিবি মহাপরিচালক। জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির এবারের প্রতিপাদ্য ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ তুলে ধরে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘বৃক্ষরোপণ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি একটি মহৎ দায়িত্ব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার।’ তিনি আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে সারা দেশে বিজিবির প্রতিটি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হবে। বিজিবি মহাপরিচালক প্রতিটি বিজিবি সদস্যকে বছরে অন্তত একটি গাছ রোপণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, শুধুমাত্র গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না; গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণের মাধ্যমেই এ উদ্যোগের প্রকৃত সাফল্য নিশ্চিত করা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ